ইন্টার মিয়ামিকে চার গোলের মালা পরিয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখ মুখোমুখি হয়েছিল পিএসজি। শনিবার কোয়ার্টার ফাইনালের মহারণে, বায়ার্নকে ২ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠল ফরাসি ক্লাব। তবে, ম্যাচের শেষার্ধ্বে ৯ জনের পিএসজি’কে পেয়েও গোল করতে পারেনি বায়ার্ন। গুরুতর চোট পেলেন বায়ার্নের তরুণ তারকা মুসিয়ালা।
প্রথমার্ধের শেষ হওয়ার ঠিক আগে ভয়ানক চোটের কবলে পড়েন বায়ার্ন মিডফিল্ডার জামাল মুসিয়ালা। পিএসজি গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুমার সঙ্গে সংঘর্ষ হয় তাঁর। স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয় ২২ বছরের এই মিডফিল্ডারকে।
বায়ার্ন মিউনিখের স্পোর্টিং ডিরেক্টর ম্যাক্স এবারল খেলার পর জানিয়েছেন, মুসিয়ালাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “চোটের অবস্থা দেখে ভালো মনে হয়নি।” বায়ার্নের প্রধান কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানির কথায়, “ছবি দেখে মনে হচ্ছে গোড়ালিতে বড় রকম আঘাত পেয়েছে। তবে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছি না।”
দেজিরে দোয়ের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। এই গোলের পর আরও তেড়েফুঁড়ে ওঠে তারা। ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯০+৬ মি.) বায়ার্নের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন উসমান ডেম্বেলে। এক্ষেত্রে অবশ্য দায়ী বিপক্ষের রক্ষণ। প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবলারের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে বল জালে জড়িয়ে দিতে কোনও ভুল করেননি তিনি।
শেষের দিকে ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা ছিল চরমে। ৮২ থেকে ৯২ মিনিটের মধ্যে পিএসজি’র দুই ফুটবলার লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যান। ৮২ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন ডিফেন্ডার উইলিয়াম পাচো। ৯০+২ মিনিটে লুকাস হার্নান্দেজকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। ফলে ম্যাচের শেষভাগে ৯ জন হয়ে যাওয়া পিএসজি’কে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হয় বায়ার্ন। তবে, সেমিফাইনালে নামার আগে দুই ফুটবলারের লাল কার্ড চিন্তায় রাখবে ফরাসি ক্লাবকে।







