সঞ্জুর পারফরম্যান্সই অভিষেকের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে, মনে করছেন কার্তিক

সঞ্জু স্যামসনের(Sanju Samson) পারফরম্যান্সটাই অভিষেক শর্মার(Abhishek Aharma) চাপ কমাতে সাহায্য করবে। এই মুহূর্তে ওপেনিংয়ে পরিবর্তনের কোনও প্রয়োজন নেই বলেই মনে করছেন দীনেশ কার্তিক(Dinesh Karthik)। এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে একটি অর্ধশতরান পেলেও, চূড়ান্ত ব্যর্থতার মধ্যে দিয়েই যাচ্ছেন অভিষেক শর্মা। সেখানেই শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। তবে দীনেশ কার্তিক অবশ্য খানিকটা ধৈর্য ধরারই বার্তা দিচ্ছেন। ভাকতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন সঞ্জু স্যামসন(Sanju Samson)। বিশেষ করে গত ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিনি যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন তারপর থেকে যে সঞ্জুর ওপর প্রত্যাশাটা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একইসঙ্গে অভিষেক শর্মার ওপর চাপটাও ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। সেই দিকেই বাড়তি নজর দেওয়ার পরামর্শ দীনেশ কার্তিকের। দীনেশ কার্তিক মতে, “আমার মতে যেভাবে সঞ্জু স্যামসন এই মুহূর্তে ব্যাটিং করছেন তাতে অভিষেক শর্মার ওপর থেকে চাপটা অনেকটাই কমে যাবে। আর এর ফলেই অভিষেক শর্মার ব্যাট থেকে তাঁর সেরাটা বের করে আনা সম্ভব হবে। আর অভিষেকও আশা করি বেশ ভালোভাবে ওয়াকিবহাল রয়েছেন যে সঞ্জুর সঙ্গে কেমনভাবে ব্যাটিংটা করবেন”। শেষ ম্যাচে ইডেনে ৯০ রানের ম্যাচ উইনিং নক খেলেছিলেন সঞ্জু স্যামসন। এবার সেমিফাইনালেও যে তেমনই একটা পারফরম্যান্স সঞ্জুর থেকে সকলে প্রত্যাশা করছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একইসঙ্গে অভিষেকের সমালোচনাও শুরু হয়েছে জোরদার। এমন পরিস্থিতিতে সঞ্জুর পারফরম্যান্সটাই অভিষেকের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কাজটা করবেন বলে মনে করছেন দীনেশ কার্তিক।
অভিষেকের পরিবর্তে সঞ্জুকে চাইছেন সেওয়াগ

জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ভারতের মরণ বাঁচন ম্যাচ। সেই ম্যাচে নামার আগেই ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের উদ্দেশ্যে বিশেষ পরামর্শ প্রাক্তন তারকা বীরেন্দ্র সেওয়াগের(Virender Sehwag)। তাঁর সাফ বার্তা এই ম্যাচে অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma) নয়,ওপেনিংয়ে সঞ্জু স্যামসনকেই(Sanju Samson) সুযোগ দেওয়া উচিৎ ভারতীয় দলের। সেখানেই শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো প্রথম একাদশ ঘোষণার পরই বোঝা যাবে। সম্প্রতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। একে পেটের সমস্যা নিয়ে জেরবার ছিলেন তিনি। সেইসঙ্গে খারাপ ফর্ম। সব মিলিয়েই এখন অভিষেক শর্মা বেশ চাপে রয়েছেন বলেই মনে করছেন প্রাক্তন তারকা বীরেন্দ্র সেওয়াগ। সেই কারণেই তাঁর পরামর্শ জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে অভিষেক শর্মার পরিবর্তে সঞ্জু স্যামসনকেই ব্যবহার করা উচিৎ ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের। কারণ এই ম্যাচটাই যে ভারতের পরীক্ষা করার শেষ সুযোগ। বীরেন্দ্র সেওয়াগ জানিয়েছেন, “এই পরিস্থিতিতে যদি আমি থাকতাম তবে এই ম্যাচে অভিষেককে বিশ্রাম দিয়ে সঞ্জু স্যামসনকে ব্যবহার করতাম। কারণ এই একটাই ম্যাচ যেখানে তুমি চেষ্টাটা করতে পারবে। আর এই ম্যাচ হারলে যে ভারতীয় দল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাবে তাও বলার অপেক্ষা রাখে না”। ম্যাচের আগের দিনই অবশ্য সঞ্জু স্যামসনকে খেলানো নিয়ে একটা ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের তরফে। ঈশান কিষাণের সঙ্গে ডানহাতি ব্যাটার হিসাবে তাঁকে ভাবার কথা জানানো হয়েছিল। সেটাই এবার শেষপর্যন্ত হয় কিনা দেখার।
চিপকে ফিরতে পারেন সঞ্জু স্যামসন

চিপক স্টেডিয়ামেই কী ভারতীয় দলের জার্সিতে ফিরতে চলেছেন সঞ্জু স্যামসন(Sanju Samson)। ম্যাচের আগের দিন ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচের ইঙ্গিত তো তেমনই। সবকিছু ঠিকঠাক চললে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ওপেনিংয়ে বড়সড় বদল আসতে চলেছে। শোনাযাচ্ছে অভিষেক শর্মার(Abhishek Sharma) পরিবর্তে নাকি ভারতীয় দল এই ম্যাচে সঞ্জু স্যামসনকে(Sanju Samson) খেলাতে চাইছে। কারণ হিসাবে জানাযাচ্ছে ওপেনিংয়ে এই ম্যাচে রাইট অ্যান্ড লেফট হ্যান্ড ব্যাটিং কম্বিনেশন ব্যবহার করতে চাইছে ভারতীয় দল। এই মুহূর্তে ভারতের প্রথম তিন ব্যাটারই বাঁহাতি। সেই দিকেই বিশেষ নজর। একইসঙ্গে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে নামার আগে আরও কয়েকটা দিক নিয়ে চিন্তায় রয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট(India Cricket Team)। এক হল ভারতীয় ব্যাটাররা যে স্পিনের বিরুদ্ধে এখন কতটা দুর্বল সেটা সকলেই জেনে গিয়েছে। সেই দিকেই বিশেষ নজর রয়েছে গৌতম গম্ভীরের। ম্যাচের আগের দিন সেভাবেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। সঞ্জু স্যামসনের আসা ছাড়া জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সেভাবে কোনও পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই। ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক জানিয়েছেন, “হ্যাঁ সঞ্জুকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে আমাদের মধ্যে। যে পরিবর্তনের কথা আমরা ভাবছি সেটা দলের ওপেনিং পার্টনারশিপ নিয়ে। আমাদের দলের ওপেনিং পার্টনারশিপের দুজনই বাঁহাতি ব্যাটার। সেইসঙ্গে ফার্স্টডাউনেও যে খেলা হয় সেও বাঁহাতি। সেই কথা ভেবেই এমন চিন্তা ভাবনা রয়েছে আমাদের”। জিম্বাবোয়ে শিবিরে রয়েছেন সিকান্দার রাজা। এছাড়াও তাদের স্পিন আক্রমণও বেশ শক্তিশালী। সেই দুর্বলতা কাটাতেই এখন বিশেষ নজর সূর্যকুমার, তিলর বর্মা থেকে ঈশান কিষাণ সহ বাকি ব্যাটারদের। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ভারত জয় পায় কিনা সেটাই এখন দেখার।
অভিষেক শর্মার ওপর মেজাজ হারালেন গম্ভীর!

অভিষেক শর্মার(Abhishek Sharma) ওপর কী মেজাজ হারালেন গৌতম গম্ভীর(Gautam Gambhir)। চেন্নাইয়ে পৌঁছনোর পর টিম বাসে অভিষেক শর্মার সঙ্গে গৌতম গম্ভীরের(Gautam Gambhir) কথা বলার যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তা নিয়েই এখন জোর জল্পনা। আর সেই ভিডিওতেই দেখা বেশ উত্তেজিতভাবেই কথা বলতে দেখা যাচ্ছে ভারতীয় দলের হেডকোচ গৌতম গম্ভীরকে। আর সেটা দেখার পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে নানান জল্পনা। তবে কী এবার অভিষেক শর্মার(Abhishek Sharma) ওপর মেজাজ হারালেন গম্ভীর। এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে(T20 World Cup) ভারতীয় দলের অন্যতম প্রধান চমক ছিল অভিষেক শর্মাকে খেলানো। কিন্তু বাইশগজের লড়াইয়ে সেই চমক কিন্তু বেশ খানিকটা ব্যাকফুটে। চার ম্যাচ খেলে অভিষেক শর্মার রান মাত্র ১৫। তার থেকেও বড় ব্যপার হল অভিষেক পরপর তিন ম্যাচেই শূন্য রানে সাজঘরে ফিরেছিলেন। আর তাতে যে ভারতীয় দলের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি অভিষেক শর্মাকে না খেলিয়ে তার পরিবর্তে এবার সঞ্জু স্যামসনকে খেলানোর দাবীও তুলছেন অনেকে। এমন পরিস্থিতিতেই এবার টিম বাসে গম্ভীর এবং অভিষেক শর্মার এমন কথোপকথনের ভিডিও ভাইরাল। দ্বিতীয় ম্যাচে ভারত চেন্নাইয়ে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে খেলবে। সেই উদ্দেশ্যে চেন্নাইয়ে পৌঁছেও গিয়েছে ভারতীয় দল। সেখানেই দেখা যায় টিম বাসে অভিষেক শর্মা সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন গৌতম গম্ভীর। তবে বেশ উত্তেজিত ভাবেই অভিষেকের(Abhishek Sharma) সঙ্গে কথা বলতে দেখা যাচ্ছিল গম্ভীরকে। সেই থেকেই প্রশ্ন উঠছে যে গম্ভীর কী তবে অভিষেকের ওপর মেজাজ হারাতে শুরু করেছে? বাইরে বুঝতে না দিলেও, অভিষেকের পারফরম্যান্সে যে গম্ভীরও বেশ হতাশ তা কিন্তু এবার বোঝাই যাচ্ছে।
তিলক বর্মার দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন গাভাসকর

চলতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচে তিন নম্বর পজিশনে তিলক বর্মাকে(Tilak Varma) খেলালেও সেভাবে সাফল্য পাননি তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে যখন তিলকের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারের থেকে বড় পার্টনারশিনের প্রত্যাশা করছিলেন সকলে, সেই সময়ে হতাশা ছাড়া আর কিছুই মেলেনি। এরপরই তিলকের দায়িত্ববোধ নিয়ে কার্যত প্রশ্ন তুলে দিলেন প্রাক্তন তারকা সুনীল গাভাসকর(Sunil Gavaskar)। সেই সময় কেন তিলক বর্মা(Tilak Varma) এতটা তাড়াহুড়ো করলেন সেটাই যেন বুঝতে পারছেন না গাভাসকর। টানা তিনটি ম্যাচে শূন্য রান করার পর এদিন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে রানের মুখ দেখেছিলেন অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। সেই মুহূর্তে আবার ঈশান কিষাণের উইকেট শুরুতেই খুইয়েছে ভারত। সেই পরিস্থিতিতে অভিষেকের স্টে দেওয়ার পাশাপাশি তিলকেরই(Tilak Varma) পার্টনারশিপ তৈরি করার দায়িত্বটা নেওয়া উচিৎ ছিল বলে মনে করছেন ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন তারকা। সুনীল গাভাসকর ম্যাচ শেষে বলেন, “তিলক বর্মা একজন অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তাঁর পারফরম্যান্স আমাকে খুবই হতাশ করেছে। প্রথম ওভারেই ঈশান কিষাণ ফিরে গিয়েছেন। সেই সময় ভারতের ওভার পিছু প্রয়োজনীয় রানরেট ছিল ৯.৫। কখনই সেটা ১৫ ছিল না। সেই পরিস্থিতিতে তিলকের খানিকটা সময় নেওয়াই উচিৎ ছিল। সেইসঙ্গে অপর দিকে তখন পরপর তিন ম্যাচে শূন্য করা অভিষেক রয়েছেন। স্বভাবতই অভিজ্ঞ হিসাবে তিলক বর্মারই বাড়তি দায়িত্ব নেওয়াটা প্রয়োজন ছিল। সেইসঙ্গে দরকার ছিল একটা বড় পার্টনারশিপ গড়ে তোলার। কিন্তু তিলক সেটা করতে পারেননি। অন্তত পাওয়ারপ্লের ৬ ওভার ক্রিজে থাকাটাই উচিৎ ছিল তিলকের”। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচেও তিলক বর্মার স্লো ক্রিকেট নিয়ে নানান কথাবার্তা শুরু হয়েছিল। কোনও ম্যাচেই নিজের স্বভাবোচিতো পারফরম্যান্স তিলক বর্মা দেখাতে পারছেন না। আর তাতে যে ভারতের মিডল অর্ডারের ওপর চাপটা অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে তাও বলার অপেক্ষা রাখে না।
অভিষেককে আগলে রাখছে ভারত

মাঠের বাইরে সকলে যখন অভিষেক শর্মার(Abhishek Sharma) টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স নিয়ে সরব হয়েছেন, সেই ভারতীয় শিবির কিন্তু অভিষেক শর্মার(Abhishek Sharma) পাশেই দাঁড়াচ্ছেন। অন্তত মর্নি মর্কেল(Mornie Morkel) ম্যাচের আগে তেমনই বার্তা দিচ্ছেন। সকলে যখন তাঁকে বসিয়ে সঞ্জু স্যামসনকে(Sanju Samson) খেলানোর বার্তা দিচ্ছেন। সেই সময় মর্নি মর্কেল বলছেন অভিষেকের সঙ্গে ড্রেসিংরুমে এইসব নিয়ে কোনওরকণ আলোচনাই নাকি করা হয়নি। তাঁর ওপর এমন পরিস্থিতিতে ভরসা রাখারই বার্তা যেন দিচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট। মর্নি মর্কেল জানান, অভিষেক শর্মা তিনটি ম্যাচে শূন্য রান করলেও, তা নিয়ে আমাদের ড্রেসিংরুমে আলাদা করে কোনও আলোচনাই হয়নি। তিনি একজন ভালো ক্রিকেটার। তাঁর পাশে সকলেই রয়েছেন। এই সময়টা তাঁর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সকলেই আশাবাদী যে সে খুব শীঘ্রই ঘুরে দাঁড়াবে। অভিষেক শর্মা শেষ ম্যাচেও নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে রানের খাতা খুলতে পারেননি। বিশ্বকাপের মঞ্চে ওপেনিংয়ে এমন ব্যর্থতা নিয়ে যে সমালোচনা হবে সেটাই তো স্বাভাবিক। যদিও ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট সেই কথাবার্তা ড্রেসিংরুমের অন্দর পর্যন্ত পৌঁছতে দিচ্ছে না। বরং নেট সেশনে অভিষেকের দিকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ারই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে নামবে ভারত। সেই ম্যাচ থেকেই অভিষেক শর্মা ঘুরে দাঁড়তে পারেন কিনা সেটা তো সময়ই বলবে।
অভিষেকের দ্রুত ফর্মে ফেরা নিয়ে আশাবাদী হরভজন

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে(T20 World Cup) অভিষেক শর্মার(Abhishek Sharma) শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি। আমেরিকার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হয়েছেন অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। অসুস্থতা কাটিয়ে এই পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই ফিরেছিলেন অভিষেক। কিন্তু সেখানেও শূন্য হাতেই মাঠ ছাড়তে হয়ছিল এই তরুণ তারকা ক্রিকেটারকে। এমন পরিস্থিতিতেই অভিষেকের পাশে দাঁড়ালেন প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং(Harbhajan Singh)। অভিষেকের ওপর সহজেই ভরসা না হারানোর বার্তাই দিচ্ছেন ভাজ্জি। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেও ব্যাট হাতে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন অভিষেক শর্মা। তাবড় তাবড় বোলারদের বিরুদ্ধে রানের ঝড় তুলেছিলেন অভিষেক। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্যন্ত সেভাবে তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। বরং যে দুটো ম্যাচ খেলেছেন, দুটোতে ব্যর্থ হয়েই সাজঘরে ফিরতে হয়েছে ভারতীয় দলের এই তরুণ ক্রিকেটারকে। এমন পরিস্থিতিতে অভিষেককে নিয়ে বিশেষ বার্তা দিচ্ছেন হরভজন সিং। তিনি জানিয়েছেন, অভিষেক শর্মা একজন অত্যন্ত শক্তিশালী ক্রিকেটার। তাঁকে কখনোই এমনভাবে হতাশ করে দেওয়া উচিৎ নয়। কয়েক মাস আগেই বহু বোলারকেই অভিষেকের সামনে ব্যর্থ হতে দেখা গিয়েছিল। আবারও সেই পুরনো ফর্মেই ফিরে আসবেন। তাঁর নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। শেষ দুই ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিয়েই তাঁকে এগিয়ে যেতে হবে। ভারত শেষ আটে জায়গা পাকা করে ফেললেও, এখনও অনেকটা পথ হাঁটতে হবে চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে। সেখানেই অভিষেক শর্মা যে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই তরুণ ক্রিকেটার কতটা তাড়াতাড়ি ফর্মে ফেরেন সেটাই দেখার।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও অভিষেককে পাওয়া নিয়ে ধন্দ

পেটের সংক্রমণের জন্য নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নামতে পারলেন না। কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও কি নিশ্চিত অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)? কারণ টস-এর সময় অভিষেক শর্মা নিয়ে সূর্যকুমার যাদব(Suryakumar Yadav) যে আপডেট দিয়েছেন, তা শুনলে কিন্তু চিন্তা বাড়াটাই স্বাভাবিক। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে ভারতীয় দল। কিন্তু সেই ম্যাচের আগেও অভিষেক শর্মা ম্যাচ ফিট হয়ে উঠতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহে খোদ অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব নিজেই। অভিষেক শর্মার(Abhishek Sharma) সেরে উঠতে নাকি এখনও এক থেকে দুটো ম্যাচের মতো সময় লাগতে পারে। আর সেটাই যে সকলের চিন্তা অনেকটা বাড়িয়ে দিচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ একটাই এই মুহূর্তে ভারতের টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে অন্যতম ওপেনারের তকমা অভিষেক শর্মা। বিশেষ করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁকে যে ভারতীয় দলের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু অভিষেককে নিয়েই ধন্দে খোদ ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সূর্যকুমার যাদব জানিয়েছেন, “এখনও পর্যন্ত অভিষেক শর্মা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। এখনও তাঁর পুরোপুরি সেরে উঠতে এক থেকে দুটো ম্যাচ সময় লাগতে পারে। সেই জায়গাতেই দলে এসেছেন সঞ্জু স্যামসন”। পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও যদি অভিষেক শর্মা না খেলতে পারেন তবে সঞ্জু স্যামসনই যে ভারতের কাছে একমাত্র অপশন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু নামিবিয়ার বিরুদ্ধেই ব্যর্থ হয়েছেন সঞ্জু। মাত্র ২২ রানেই সাজঘরে ফিরেছিলেন সঞ্জু। যদিও সেই রানটা করেছিলেন মাত্র ৮ বলেই। শুরু থেকে বিধ্বংসী ফর্মেই ছিলেন তিনি।
ওজন কমে গিয়েছে অভিষেকের, চিন্তা বেড়েই চলেছে ভারতের

নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলার সম্ভাবনা তো নেইই। তবুও অভিষেক শর্মাকে(Abhishek Sharma) নিয়ে চিন্তা কাটছে না। শোনাযাচ্ছে খাবার থেকেই পেটের সমস্যায় পড়েছিলেন অভিষেক। এখন মোটামুটি সেরে উঠলেও, অভিষেকের নাকি ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। সামনেই রয়েছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ। তার আগে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে যে অভিষেক শর্মাকে(Abhishek Sharma) নিয়ে কোনওরকম ঝুঁকিই ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট নেবে না তা বলাই যায়। প্রথম ম্যাচের সময় থেকেই পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। যদিও আমেরিকার বিরুদ্ধে ব্যাটিং করেছিলেন। কিন্তু এরপর থেকে আর মাঠে নামতে পারেননি অভিষেক শর্মা। এমনকি তাঁকে হাসপাতালেও ভর্তি করতে হয়েছিল। এরপরই দিল্লিতে দলের সঙ্গে পৌঁছন তিনি। সেখানে আবার ভারতীয় দলকে নিদজের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করেছিলেন গৌতম গম্ভীর। সেখানেও গিয়েছিলেন অভিষেক শর্মা। সেই নিয়েও কিন্তু একটা জল্পনা শুরু হয়েছে। পেটের সমস্যা থাকাকালীন কেন ভারতীয় দলের কোচ অভিষেককে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এই মুহূর্তে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে খানিকটা সুস্থ হয়ে উঠলেও অভিষেক শর্মার ওজন নাকি বেশ খানিকটা কমে গিয়েছে। খানিকটা দুর্বলও রয়েছেন তিনি। আর তাতেই নাকি অভিশেককে নিয়ে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে একেবারেই নারাজ ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। বিশেষ করে সামনে রয়েছে চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ। এমন পরিস্থিতিতে অভিষেক শর্মাকে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্রামই হয়ত দিতে চলেছে টিম ইন্ডিয়া। সেই জায়গায় সঞ্জু স্যামসনই হয়ত সুযোগ পেতে চলেছেন নামিবিয়ার বিরুদ্ধে। পাকিস্তানের মতো দলের বিরুদ্ধে অভিষেকের মতো বিধ্বংসী ব্যাটারকে ভারতীয় দলের অনেক বেশি প্রয়োজন।
অসুস্থ অভিষেক নামিবিয়া ম্যাচে অনিশ্চিত

বৃহস্পতিবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নামবে ভারতীয় দল(India Team)। কিন্তু সেই ম্যাচে ভারতের ওপেনার হিসাবে অভিষেক শর্মাকে(Abhishek Sharma) দেখা যাবে কিনা তা নিয়েই শুরু হয়েছে এখন জোর জল্পনা। পেটের সমস্যা নিয়ে হঠাৎই হাসপাতালে অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। বুধবার সারা দিন নাকি হাসপাতালেই থাকতে হয়েছিল তাঁকে। তাঁর পরিস্থিতি এখন ঠিক থাকলেও, মাঠে নামার জন্য তিনি কতটা সুস্থ তা নিয়ে কিন্তু এখনও পর্যন্ত নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। নামিবিয়ার(Namibia) বিরুদ্ধে নামার আগে একদিনও প্রস্তুতি সারতে পারেননি অভিষেক। গত মঙ্গলবার তো গোটা দিনটাই তাঁর কেটেছিল হাসপাতালে। শোনাযাচ্ছে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও, তাঁর পেটে নাকি এখনও বেশ কিছু সমস্যা রয়ছে। এমনকি প্রথম ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময়েও নামতে পারেননি তিনি। তবে অভিষেক যদি নামতে নাই পারেন, সেই জায়গায় খেলবেন কে। যদিও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ধারেভারে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় দল। তার আগে অভিষেক সুস্থ হলে, তাঁকে খেলানোর ঝুঁকি ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট নেবে কিনা সেটা তো সময়ই বলবে। তবে অভিষেক যদি খেলতে না পারেন, সেই জায়গায় হয়ত ওপেনার হিসাবে ভারতীয় দলের প্রথম একাদশে জায়গা হতে পারে সঞ্জু স্যামসনের। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার। এই ম্যাচে অভিষেক খেলতে না পারলেও, পরবর্তী ম্যাচে ভারত নামবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। আর সেখানে যে অভিষেককে ভারতীয় দলের অনেক বেশি প্রয়োজন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।