রেকর্ড গড়ল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি

নিউজিল্যান্ডকে ফাইনালে চার উইকেটে হারানোর পর উল্লসিত রোহিত শর্মা এন্ড কোং
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের পর রোহিত নাকি অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন!

এমনটাই নাকি ঘটেছিল। কার কথা বিশ্বাস করা যায়। রোহিত শর্মা এক ঘনিষ্ট সূত্র এমন কথাই জানাচ্ছে। এটাই যদি সত্যি হবে তা হলে দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের পর রোহিত কেন বলেছিলেন, আমি কোথাও যাচ্ছি না। এখানে আছি। এখানেই থাকব। তা হলে…! দুবাই থেকে ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরে আসার পর আইপিএলের আগে রোহিত জানিয়েছিলেন, তিনি ইংল্যান্ড সিরিজ খেলতে চান। পাঁচ টেস্টের সিরিজ খেলে দেশে ফিরে আসার পর টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এই ভাবনা থাকলে তিনি কেন ঘনিষ্ট মহলে অবসরের কথা শোনাবেন। অনেক কিছু কথা থাকে যার কোন ভিত্তি নেই। তেমনই টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে ঘনিষ্ট মহলে জানানো রোহিতের ভাবনাকে পুরোপুরি মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। এমন কথা জানার পর বোর্ডের এক শীর্ষস্থানীয় কর্তা বলেই দিলেন, তাই যদি হবে তা হলে টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে এত কথা বলার কি থাকতে পারে। সত্যিই তো তাই। একদিকে নাকি রোহিত টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ভাবনা ভাবছেন, আবার অন্যদিকে ইংল্যান্ডের মটিতে টেস্ট খেলতে চান। সব কিছু কেমন গোলকধাঁধায় পড়ার মতো অবস্থা। বিশ্বাস কর যায় না, রোহিত আগে থেকে অবসরের কথা ভাবছিলেন। তবে এটাও ঘটনা যে বুধবার সকালে ভাবলেন, আর রাতে ইনস্ট্যাগ্রামে চার লাইন লিখে অবসর নেওয়ার কথা জানিয়ে দেওয়া এক হতে পারে না। তিনি এ নিয়ে ভেবেছেন। অবশ্যই ভেবেছেন। এটা আইপিএলের মাঝে হয়তো শুরু হয়েছে। নির্বাচক কমিটির প্রধানের সঙ্গে কতা বলে অন্দমহলের কথা জানার পর তিনি অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। অধিনায়কত্ব তো দূর অস্ত, দল থেকে বাদ দিলে মান থাকে না। এট ভেবেই তিনি সাত তাড়াতাড়ি টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ালেন। এটা বাস্তব হতে পারে। মেনে নেওয়া যেতে পারে। রোহিত অবশ্য এটাই করেছেন। এ নিয়ে আরও কথা শোনা গিয়েছে। নিজের কেরিয়রে অনেক কিছু দেখেছেন। টেস্ট কেরিয়রের শুরুর কথা বলছেন না। তারপরের কথা শুনিয়েছেন। মিডিয়াকে এক হাত নিয়ে বলছেন, আগের জমানায় এত চাপ নিয়ে খেলতে হত না। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে মিডিয়ার কাজ অন্যরকম হয়ে চলেছে। এরা সবসয় ব্রেকিং নিউজের খোঁজে ছোটে। আগে পিছে কেটে এমন কথা হাইলাইট করার চেষ্টা করে যা সেই ক্রিকেটারকে চাপ ফেলে দেয়। সামান্য ছোট একটা খবরকে বিরাট করে বানিয়ে হিট করার চেষ্টা করে। একেই খেলার মাঠে অনেক চাপ থাকে। তারপর এই সব খবরে চাপ আরও বাড়ে। সব থেকে সমস্যায় ফেলে দেন টিভি ভাষ্যকাররা। ব্রডকাস্টাররা মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে অনেক কিছু বলেন। যা ক্রিকেটারকে সহজ হতে দিতেচায় না। কিন্তু বিদেশের মিডিয়া অন্যরকম কাজ করে। তার ক্রিকেটারদের পাশে থেকে সব কিছু সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। ফরাক এখানেই। এটা ঠিক করা উচিত।
সঞ্জু বিতর্কে মন্তব্যের জের, তিন বছরের জন্য নির্বাসিত শ্রীসন্থ

আবার বিতর্ক তাড়া করল এস শ্রীসন্থকে। সঞ্জু স্যামসনকে নিয়ে কেরল ক্রিকেটে যা হচ্ছে, সেই বিতর্কে মন্তব্য করে আবার সমস্যায় পড়লেন শ্রীসন্থ। তাঁকে তিন বছরের জন্য নির্বাসিত করল কেরলা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। বিজয় হাজারে ট্রফিতে সঞ্জুকে দল থেকে বাদ দেয় কেসিএ। এর ফলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য ভারতীয় দলে তাঁর সুযোগ পাওয়ার ওপর প্রভাব পড়েছিল। এই নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। সেই বিতর্কেই মুখ খুলে একটি টেলিভিশন প্রোগ্রামে কেসিএর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছিলেন শ্রীসন্থ। তিনি সঞ্জুর পাশে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, সঞ্জু ও আরও কয়েক জন ক্রিকেটারকে কেসিএ-র হাত থেকে রক্ষা করা দরকার। কেসিএ জানিয়েছে, তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছেন শ্রীসন্থ সঞ্জুকে সমর্থন করেছে বলে নয়, নিয়েছেন কেসিএ-র বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করার জন্য।তারা আগেই শো কজ নোটিশ পাঠিয়েছিল শ্রীসন্থের সঙ্গে কেরল লিগে খেলা কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকেও। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির উত্তর সন্তোষজনক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, টিম ম্যানেজমেন্টে সদস্য নিয়োগের সময় যেন সতর্ক থাকা হয়। পাশাপাশি সঞ্জুর নাম করে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনার জন্য সঞ্জুর বাবা স্যামসন বিশ্বনাথ ও আরও দুজনের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।