কুলদীপ, জাদেজাদের হাত ধরে হোয়াইট ওয়াশ সম্পূর্ণ ভারতের

ভারতের(India Team) জয়টা ছিল এদিন সময়ের অপেক্ষা। মঙ্গলবার সকালে মাত্র দেড় ঘন্টার মধ্যেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের(West Indies) বিরুদ্ধে জয় তুলে নেন ভারতীয় দল। টেস্টের শেষ দিন ভারতের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫৮ রান। ক্রিজে ছিলেন কেএল রাহুল(KL Rahul)। তাঁর অর্শতরানে ভর করেই চূড়ান্ত সাফল্য ভারতের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৭ উইকেটে জয়ের পাশাপাশি হোয়াইট ওয়াশটাও সম্পূর্ণ করে ফেলল টিম ইন্ডিয়া। সেইসঙ্গে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পয়েন্টটাও যে অনেকটা বাড়িয়ে ফেলল ভারতীয় দল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও ম্যাচের নায়ক কুলদীপ যাদব(Kuldeep Yadav)। দুই ইনিংস মিলিয়ে কুলদীপের(Kuldeep Yadav) পারফরম্যান্সটাই যে ভারতের জয়ের নেপথ্যে প্রধান কারণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দ্বিতীয় টেস্টের দুই ইনিংস মিলিয়েই দুরন্ত ফর্মে ছিলেন কুলদীপ যাদব(Kuldeep Yadav)। কার্যত ভারতীয় দলের এই ম্যাচ জয়ের অন্যতম নেপত্য কারিগড় কুলদীপ যাদবই। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি একাই তুলে নিয়েছিলেন আট উইকেট। সেই কারণে ম্যাচের সেরাও হয়েছেন তিনিই। তবে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি পেলেও এই ইনিংসে কিন্তু বড় রান করতে ব্যর্থ অধিনায়ক শুভমন গিলও। বল হাতে কুলদীপ যাদব(Kuldeep Yadav) একাই কাজটা করে দিয়েছিলেন। বাকিটা সামলে দেন কেএল রাহুল(KL Rahul)। চতুর্থ দিন থেকেই ক্রিজে ছিলেন এই তারকা ব্যাটার। পঞ্চম দিনের শুরুতেই সাজঘরে ফিরে যান সাই সুদর্শন(Sai Sudarshan)। কেএল রাহুলের সঙ্গে ক্রিজে থাকতে পারেননি শুভমন গিলও(Shubman Gill)। তিনি ফেরেন ১৩ রান করেই। তবে ভারতের জয় পেতে অবশ্য খুব একটা অসুবিধা হয়নি। কেএল রাহুলের চওড়া ব্যাটে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সহজেই ম্যাচ জিতে নেয় টিম ইন্ডিয়া। তবে ৯ উইকেটেই যদি এই ম্যাচ ভারতীয় দল জিততে পারত, তবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে যে ভারতের পয়েন্ট আরও খানিকটা বেশি হত তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
দুই ইনিংসে কুলদীপের ৮ উইকেট, ভারতের জয় সময়ের অপেক্ষা

দ্বিতীয় ইনিংসে জোড়া সেঞ্চুরি করলেও ভারতের(India Team) বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। দীর্ঘদিন ১৪ বছর ভারতের বিরুদ্ধে এক ইনিংসে জোড়া সেঞ্চুরি করার রেকর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজ(West Indies) করল ঠিকই। কিন্তু কুলদীপ(Kuldeep Yadav), বুমরাদের(Jasprit Bumrah) দাপটের সামনে এই ম্যাচেও হারের সামনেই ক্যারিবিয়ান ব্রিগেড। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করাটা এখন শুধুই ভারতের কাছে সময়ের অপেক্ষা। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন ভারতের প্রয়োজন আর ৫৮ রান। তৃতীয় দিনের শেষে ভারতের রান ১ উইকেটে ৬৩। দিনের শেষে ক্রিজে রয়েছেন কেএল রাহুল(KL Rahul) ও সাই সুদর্শন(Sai Sudarshan)। এদিন কুলদীপ(Kuldeep Yadav) এবং বুমরার দাপটে শেষপর্যন্ত ৩৯০ রানেই শেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংস। দুই বোলারের ঝুলিতেই তিনটি করে উইকেট। দুই ইনিংস মিলিয়ে কুলদীপের(Kuldeep Yadav) একারই শিকার ৮ উইকেট। স্পিনারদের দাপটে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথম ইনিংসে বিধ্বস্ত করেছিল ভারত। ২০১৫ সালের পর এই প্রথম ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ফলো অনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত। সেখানে শুরুর দিকে পরপর দুই উইকেট তুলে নিলেও, সাই হোপ(Shai Hope) এবং ক্যাম্পবেলের(John Campbell) হাত ধরে বড় পার্টনারশিপ গড়ার কাজটা শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় দিন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই উইকেটের বেশি আর তুলতে পারেনি ভারতীয় দলের(Indian Team) বোলাররা। তৃতীয় দিনের শুরু থেকেও দুরন্ত ফর্মে ছিলেন দুই ক্যারিবিয়ান ব্যাটার। অবশেষে সেই রবীন্দ্র জাদেজার(Ravindra Jadeja) বোলিংয়েই ভাঙে সেই পার্টনারশিপ। ১১৫ রানে সাজঘরে ফেরেন জন ক্যাম্পবেল। তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ২১২। কিন্তু তখনও ক্রিজে ছিলেন শাই হোপ। অবশেষে সিরাজের হাত ধরেই চাপমুক্তি ভারতের। হোপ ফিরতেই, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটাররা আর বেশিক্ষণ মাঠে দাঁড়াতে পারেননি। ৩৯০ রানেই শেষ ক্যারিবিয়ান ব্রিগেড। ভারতের বিরুদ্ধে লিড তখন মাত্র ১২৮ রানের। ম্যাচের রাশ শুরু থেকেই ছিল ভারতের দখলে। তবে এই ইনিংসে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন যশস্বী জয়সওয়াল(Yashasvi Jaiswal)। ৮ রানেই সাজঘরে ফিরে গিয়েছেন তিনি। ক্রিজে রয়েছেন কেএল রাহুল ও সাই সুদর্শন। রাহুল ২৫ রানে এবং সাই সুদর্শন ৩০ রানে অপরাজিত রয়েছেন।
শুভমনের সেঞ্চুরি, জাদেজার হাত ধরে চালকের আসনে ভারত

যশস্বী জয়সওয়ালের(Yashasvi Jaiswal) দ্বিশতরান হাতছাড়া হলেও, ভারতের(India Team) কিন্তু বড় রানে পৌঁছতে খুব একটা বেশি অসুবিধা হয়নি। দ্বিতীয় দিন শুভমন গিলের(Shubman Gill) চওড়া ব্যাটে ভর করে রানের পাহাড়ে পৌঁছে যায় টিম ইন্ডিয়া। দিনের শেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৪ উইকেটে ১৪০। সবকিছু ঠিকঠাক চললে এই ম্যাচেও যে ভারতীয় দল বড় ব্যবধানে জিততে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রথম দিনই ভারতের বড় রানের ঝলকটা পাওয়া গিয়েছিল। সেদিন ১৭৩ রানে অপরাজিত ছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল(Yashasvi Jaiswal)। সঙ্গে ছিলেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। তবে দ্বিতীয় দিন শুরুতেই সাজঘরে ফিরতে হয় যশস্বীকে। রান আউট হয়ে ১৭৫ রানে থামতে হয়েছিল তাঁকে। তবে ভারতের রানেরগতি থমতে থাকেনি। শুভমন গিলের(Shubman Gill) চওড়া ব্যাটে ভর করেই বড় রানের পথে এগিয়ে যেতে শুরু করে টিম ইন্ডিয়া। একা হাতেই কার্যত রান এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটা শুরু করেন শুভমন গিল। এদিন কেরিয়ারের আরও একটা সেঞ্চুরি ইনিংস পেলেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। ক্যারিবিয়ান বোলারই এদিন শুভমন গিলের সামনে সেভাবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি। ১২৯ রানে শেষপর্যন্ত ক্রিজে অপরাজিত ছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারত ৫১৮ রানে পৌঁছনোর পরই ইনিংস ঘোষণা করেন ভারত অধিনায়ক। প্রথম ম্যাচে ইনিংসে জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। এই ম্যাচেও সেই লক্ষ্যেই যে রয়েছে ভারতীয় দল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেই কথা ভেবেই ডিক্লেয়ারও দিয়েছিলেন শুভমন গিল। এবার পরীক্ষাটা ছিল বোলারদের। ভাঙা পিচ। আর সেখানেই ভারতে হয়ে দাপুটে পারফরম্যান্স রবীন্দ্র জাদেজার(Ravindra Jadeja)। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা তিন উইকেট তিনি একাই তুলে নিয়েছেন এদিন। বুমরাহ(Jasprit Bumrah), সিরাজরা অবশ্য উইকেট তুলতে পারেননি। এদিন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের স্পিন আক্রণই ছিল বিধ্বংসী ফর্মে। দিনের শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৪ উইকেটে ১৪০।
সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ব্র্যাডম্যানের তালিকায় যশস্বী

ওয়েস্ট ইন্ডজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টেই ফর্মে ফিরলেন ভারতীয় দলের তরুণ তারকা যশস্বী জয়সওয়াল(Yashasvi Jaiswal)। সেইসঙ্গেই গড়লেন এক বিরাট নজিরও। ডন ব্র্যাডম্যান(Don Bradman), সচিন তেন্ডুলকরদের(Sachin Tendulkar) সঙ্গে এক তালিকায় নাম তুললেন ভারতীয় দলের এই তরুণ ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসেই দুরন্ত সেঞ্চুরি করলেন তিনি। সেটাও আবার একেবারেই যশস্বী জয়সওয়ালের(Yashasvi Jaiswal) নিজস্ব স্টাইলে। তাঁক সেঞ্চুরি নিয়েই এখন শোরগোল ভারতীয় ক্রিকেট মহলে। শেষবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওভাল টেস্টে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল(Yashasvi Jaiswal)। সেই পারফরম্যান্সের পর থেকেই গ্রাফটা খানিকটা পড়তে শুরু করেছি যশস্বী। এমনকি সম্প্রতি টেস্ট ব্যাটারদের ক্রিম তালিকায় নিজের জায়গাও হারিয়েছিলেন যশস্বী। পাঁচ নম্বর থেকে সাত নম্বরে নেমে গিয়েছিলেন তিনি। একের পর এক ব্যর্থতার জন্যই এমনটা হয়েছিল। অবশেষে ফর্মে ফিরলেন ভারতীয় দলের এই তরুণ তারকা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে নেমেই সেঞ্চুরি ইনিংস খেললেন তিনি। তাও আবার ১৪৫ বল খেলেই সেঞ্চুরি করার নজির গড়লেন তিনি। এই সেঞ্চুরির সঙ্গেই স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের তালিকায় নিজের নাম তুললেন এই তারকা ক্রিকেটার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৪ বছর বয়সের আগেই সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির তালিকায় নিজের নাম তুললেন তিনি। এখনও পর্যন্ত এই তালিকায় ১২ সেঞ্চুরি করে শীর্ষস্থানে রয়েছেন ডন ব্র্যাডম্যান। তাঁরপরই ১১টি সেঞ্চুরি করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর। তিন নম্বরেই নিজের জায়গা করে নিলেন ভারতীয় দলের এই তরুণ সেনসেশন। টেস্ট কেরিয়ারে সাতটি সেঞ্চুরি করে ফেললেন যশস্বী জয়সওয়াল। তাঁর সঙ্গে একই তালিকায় রয়েছেন অ্যালেস্টার কুক, কেন উইলিয়ামসনদের মতো তারকা ক্রিকেটাররাও। ক্রিজে অপরাজিতই রয়েছেন যশস্বী জয়সওয়াল। দেড়শো রানের গন্ডী ইতিমধ্যেই পার করে ফেলেছেন তিনি। যশস্বীকে নিয়ে এখন সকলে দ্বিশতরানের আশাতেই রয়েছে।
দুরন্ত জাদেজা, বিরাট জয় ভারতের

ম্যাচের ভবিষ্যতটা শুক্রবারই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। শনিবার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জয় তুলে নিল টিম ইন্ডিয়া(India Team)। ওয়েস্ট ইন্ডিজের(West Indies) বিরুদ্ধে ১৪০ রানে জয় তুলে নিল ভারত। ব্যাটের পর বল হাতেও দুরন্ত ফর্মে রবীন্দ্র জাদেজা(Ravindra Jadeja)। একাই তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটরদের এদিন মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনওরকম সুযোগই দেননি ভারতীয় দলের বোলাররা। গত শুক্রবারই ধ্রুব জুরেল(Dhruv Jurel) এূবং রবীন্দ্র জাদেজার(Ravindra Jdeja) ব্যাটে এসেছিল জোড়া সেঞ্চুরি। সেই সময়ই ক্যারিবিয়ান ব্রিগেডের বিরুদ্ধে রানের পাহাড়ে পৌঁছে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। তৃতীয় দিন অবশ্য আর ব্যাট হাতে মাঠে নামেনি টিম ইন্ডিয়া। ইনিংস ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক শুভমন গিল(Shubman Gill)। সেই সময়ই ভারতের লি়ডের সংখ্যাটাও ছিল বিরাট। ২৮৬ রানের লিড নিয়েই মাঠে মেমেছিল ভারতীয় দল। আর সেখানে শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন ভারতীয় দলের বোলাররা। শুরু থেকেই মাঠে ছিল স্পিনের জাদু। তবে শুরুটা হয়েছিল মহম্মদ সিরাজের(Mohammed Siraj) হাত ধরেই। ওপেনিং জুটিই ভাঙেন তিনি। সেই জায়গা থেকেই শুরু হয়েছিল ভারতের ভয়ঙ্কর আক্রমণ। মহম্মদ সিরাজ একাই তুলে নেন তিন উইকেট। সেইসঙ্গে ক্যাম্পবেল, কিং এবং শাই হোপদের মতো তারকা ক্রিকেটারদের সাজঘরের রাস্তাটা দেখিয়ে দিয়েছিলেন এই রবীন্দ্র জাদেজা। কার্যত মধ্যাহ্নভোজের পরেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জয়টা তুলে নিয়েছে ভারত।
জুরেল-জাদেজার হাত ধরে রানের পাহাড়ে ভারত

ধ্রুব জুরেল(Dhruv Jurel), রবীন্দ্র জাদেজার(Ravindra Jadeja) হাত ধরে দ্বিতীয় দিন রানের পাহাড়ে ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বোলারদের পর বিধ্বংসী মেজাজে ভারতীয় ব্যাটাররাও। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারতের রান ৫ উইকেটে ৪৪৮। লিড ২৮৬ রানের। তৃতীয় দিন যে এই অঙ্কটা অনেকটাই বাড়তে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দ্বিতীয় দিনের শেষে ক্রিজে ১০৪ রানে অপরাজিত রয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা(Ravindra Jadeja)। তাঁর সঙ্গে ৯ রানে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ওয়াশিংটন সুন্দর। প্রথম দিনই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের হয়ে সেঞ্চুরি ইনিংস হাঁকিয়েছিলেন ভারতীয় দলের তারকা কেএল রাহুল(KL Rahul)। তবে দ্বিতীয় দিন তাঁকে ১০০ রানেই। মাঝে শুভমন গিলের একটা অর্ধশতরানের ইনিংস। যদিও ভারতকে চাপে ফেলার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। ধ্রুব জুরেল(Dhruv Jurel) এদিন দুরন্ত ফর্মে ছিলেন। ভারতীয় হিসাবে টেস্টের মঞ্চে দ্রুততম সেঞ্চুরিও করার রেকর্ড গড়েছেন এই তরুণ ক্রিকেটার। সেইসঙ্গে তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা(Ravindra Jadeja)। তাদের হাত ধরেই ভারত তখন বড় রানের পথে এগোতে থাকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে রানের পাহাড় গড়ে তোলাই ছিল ভারতীয় ব্যাটারদের প্রধান লক্ষ্য। ১২৫ রানের ইনিংস খেলে ধ্রুব জুরেল(Dhruv Jurel) যখন সাজঘরে ফেরেন সেই সময় ভারতীয় দলের রান ৪২৪। ক্রিজে ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেঞ্চুরি করেন তিনিও। দ্বিতীয় দিনের শেষে ক্রিজে অপরাজিত রয়েছেন এই তারকা ক্রিকেটার। সঙ্গে রয়েছেন ওয়াশিংটন সুন্দর।
গাভাসকরের রেকর্ড ছুঁলেন শুভমন গিল

২০২৫ সালে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। ওয়েস্ট ইন্ডিজের(West Indies) বিরুদ্ধেও একই ধারা বজায় রেখেছেন ভারতীয় টেস্ট দলের নতুন অধিনায়ক। ওয়স্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেই ছুঁয়ে ফেললেন ভারতের আরেক কিংবদন্তী সুনীল গাভাসকরের(Sunil Gavaskar) রেকর্ড। ঘরের মাঠে টেস্ট অধিনায়ক হিসাবে অভিষেকেই গড়লেন বিরাট নজির। বিরাট, সচিনদের(Sachin Tendulkar) টপকে সুনীল গাভাসকরের পরেই নিজেপ জায়গা করে নিলেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসেই অর্ধশতরানের ইনিংস খেলেছেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। যদিও সেই রানকে সেঞ্চুরীতে পর্ণত করতে পারেননি তিনি। তবে গিলের ব্যাট থেকে এসেছে বিরাট রেকর্ড। আর তাতেই আপ্লুত সকলে। ঘরের মাঠে অধিনায়ক হিসাবে এই ম্যাচটাই ছিল গিলের(Shubman Gill অভিষেক। সেখানেই গড়লেন এই বিরল নজির। সুনীল গাভাসকরের পর দ্বিতীয় ভারতীয় অধিনায়ক হিসাবে ঘরের মাঠে অভিষেক টেস্টেই অর্ধশতরান করলেন তিনি। তবে বড় রান করতে পারেননি শুভমন গিল। ৫০ রানেই সাজঘরে ফিরতে হয়ছিল এই তারকা ব্যাটারকে। এবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেই টেস্ট অভিষেকটা হয়েছিল শুভমন গিলের। প্রথম দিন থেকেই ব্যাট হাতে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার। তাঁর চওড়া ব্যাট থেকে এসেছিল একের পর এক বড় রান। দ্বিশতরানের ইনিংসও খেলেছিবেন গিল। সেই ধারা কিন্তু ঘরের মাঠেও ঘরে রাখলেন তারকা ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও দুরন্ত ফর্মে রয়েছে ভারতীয় দল। কেএল রাহুল, ধ্রুব জুরেলদের পাশাপাশি উজ্জ্বল ভারতীয় দলের অধিনায়ক শুভমন গিলও। সুনীল গাভাসকরের পাশে নিজের নাম লিখে ফেললেন এই তারকা ক্রিকেটার।