ছুটিতে আনোয়ার, স্বস্তি ফিরিয়ে অনুশীলন শুরু গিল, ক্রেসপোদের

প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। বৃহস্পতিবারই ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতিতে যোগ দিলেন নাওরেম মহেশ(Naorem Mahesh), জয় গুপ্তা(Jay Gupta) এবং এডমুন্ড লালরিনডিকা(Edmund Lalrindika)। কিন্তু লাল-হলুদের অনুশীলনে এলেন না লাল-হলুদের সেরা ডিফেন্ডার আনোয়ার আলি(Anwar Ali)। আর তাতেই শুরু হয়েছিল জোর জল্পনা। তবে কি চোট নিয়ে ফিরেছেন তিনি। না এমন কিছু হয়নি। শোনাযাচ্ছে কিছু ব্যক্তিগত কাজের জন্যই নাকি বাড়ি ফিরে গিয়েছেন আনোয়ার। তার কিছু ব্যাক্তিগত কাজের জন্যই দুদিনের ছুটি নিয়েছেন আনোয়ার। সুপার কাপের মঞ্চে আগামী ৪ ডিসেম্বর সেমিফাইনালে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে নামবে ইস্টবেঙ্গল(EBvPFC)। সেই প্রস্তুতিই এখন জোরকদমে চালাচ্ছে অস্কারের(Oscar Bruzon) লাল-হলুদ শিবির। ভারতীয় শিবির থেকে তিন ফুটবলার লাল-হলুদ শিবিরে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি, এদিন সওল ক্রেসপোও(Saul Crespo) নেমে পড়লেন লাল-হলুদের অনুশীলন। এছাড়া প্রভসুখন গিল(Prabhsukhan Gill) তো গত বুধবারই মাঠে নেমে পড়েছেন। অর্থাৎ সুপার কাপের(Super Cup) সেমিফাইনালের আগে অস্কার যে তাঁর পূর্ণশক্তির দল পেয়ে গিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গত বুধবার থেকেই জোরকদমে প্রস্তুতি আরম্ভ করে দিয়েছেন লাল-হলুদের ফুটবলাররা। পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে নামার আগে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবার সকালেই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) জুনিয়র দলের সঙ্গে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে অস্কারের(Oscar Bruzon) দল। সেখানেই যে দলের শক্তি থেকে দুর্বলতার নানান জায়গা গুলো তিনি দেখে নিতে চাইবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আইএসএল নিয়ে অনিশ্চয়তা চললেও, ইস্টবেঙ্গল দল আপাতত সেসব নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে সেমিফাইনালে পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচটা নিয়েই ভাবছে। পঞ্জাবকে কেমনভাবে হারানো যায়, কেভিন, রশিদদের নিয়ে এই পরিকল্পনাই এখন কষছেন লাল-হলুদের হেডস্যার।
ইস্টবেঙ্গলের আবেদন নাকোচ ফেডারেশনের, এই সপ্তাহেও মাঠের বাইরে গিল, ক্রেসপো

ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) আবেদন নাকোচ করে দিল ফেডারেশন(AIFF)। সুপার কাপের(Super Cup) সেমিফাইনালের দিন বদলাচ্ছে না। তবে বদলাচ্ছে লাল-হলুদের(Eastbengal) সেমিফাইনালে নামার সময়। কারণ এই ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে ফলাফল না হলে, খেলা গড়াতে পারে টাই ব্রেকারে। সেই কারণেই বদলে যেতে পারে ইস্টবেঙ্গল বনাম পঞ্জাব(EBvPFC) ম্যাচের সময়। ইস্টবেঙ্গল ফ্লাড লাইটে খেলতে চেয়ে ফেডারেশনের কাছে তাদের ম্যাচ একদিন আগে এগোনর আবেদন করেছিল। কিন্তু ব্রডকাস্টিং সংস্থার সমস্যার জেরেই, লাল-হলুদের সেই আবেদন নাকোচ করে দেওয়া হয়েছে। এরফলে ৪ ডিসেম্বরই সেমিফাইনালের ম্যাচে নামতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে(Eastbengal)। অন্যদিকে সেমিফাইনালের প্রস্তুতি আরও ভালোভাবে নেওয়ার জন্য আগামী সপ্তাহেই গোয়ার উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। সেখানকার পরিবেশ থেকে আবহাওয়ার সঙ্গে আরও একটু ভালো ভাবে নিজেদের মানিয়ে নিতে চায় তারা। সেই কারণে হাতে বেশ কয়েকটা দিন রেখেই গোয়ায় পৌঁছে যেতে চলেছে লাল-হলুদ টিম ম্যানেজমেন্ট। সুপার কাপের সেমিফাইনালের আগে কোনওরকম খামতি রাখতে নারাজ তারা। তবে ক্রেসপো(Saul Crespo) এবং গিলকে(Prabhsukhan Gill) নিয়ে কিন্তু সমস্যা কাটছে না ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) শিবিরের অন্দরে। গত সোমবার থেকে লাল-হলুদ শিবিরে তারা যোগ দিয়ে দিলেও, এখনও পর্যন্ত প্রস্তুতিতে নামতে পারননি। কারণ তারা পুরোপুরি নাকি সুস্থ নন। চলতি সপ্তাহটা তারা মাঠের বাইরে ফিজিক্যাল ট্রেনারের সঙ্গেই কাটাবেন। সবকিছু ঠাকঠাক চললে একেবারে আগামী সপ্তাহ থেকেই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) অনুশীলনে যোগ দেবেন তারা। আর সেটা একেবারে গোয়াতেই হতে চলেছে। অন্যদিকে এদিনও ক্লোজডোর অনুশীলনই সারলেন অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। বাইরের কাউকেই এদিনও অনুশীলনের কাছেও যেতে দেওয়া হয়নি। তাঁর কৌশল থেকে পরিকল্পনা যাতে একেবারেই বাইরে না আসে সেদিকেই অত্যন্ত সতর্ক ইস্টবেঙ্গলের হেডস্যার।
অস্কারের পাখির চোখ এএফসি স্লট, আগামী সপ্তাহেই শহরে গিল

আইএসএল(ISL) কী হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও নিশ্চয়তা নেই। তার মধ্যেই অবশ্য ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) প্রস্তুতিতে নেমে পড়লেন কোচ অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। শুক্রবার শহরে পৌঁছেই কোনওরকম সময় নষ্ট নয়, দলকে নিয়ে নেমে পড়লেন প্রস্তুতিতে। সেইসঙ্গে আইএসএল নিয়েও যে তিনি বেশ উদ্বিগ্ন তাও কিন্তু বুঝিয়ে দিলেন অস্কার। সুপার কাপ শেষ হওয়ার আগে আইএসএল নিয়ে সমস্যা মিটে যাওয়া ব্যপারে অবশ্য আশাবাদী অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। এই মুহূর্তে অবশ্য সুপার কাপ(Super Cup) চ্যাম্পিয়ন হওয়াই পাখির চোখ ইস্টবেঙ্গল কোচের। কারণ এই প্রতিযোগিতা জিততে পারলেই তো এএফসি খেলার ছাড়পত্র পেয়ে যাবে তারা। যদিও ২৭ ম্যাচের ক্রাইটেরিয়া পূর্ণ না করতে পারলে, সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়েই যাবে। সেইজন্যই তো যতটা দ্রুত সম্ভব আইএসএল নিয়ে জট কাটার আশায় রয়েছেন অস্কার(Oscar Bruzon)। প্রথম দিন প্রস্তুতিতে নেমেই অস্কার(Oscar Bruzon) বলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের পাখির চোখ হল সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া। সেটা চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে তবে এএফসির স্লট পাব। একইসঙ্গে আমি মনে করছি সুপার কাপের ফাইনাল শেষ হওয়ার আগে হয়ত আইএসএল নিয়ে সমস্যা মিটে যাবে”। এই মুহূর্তে হাল্কা প্রস্তুতিই সারছেন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। আগামী সোমবার থেকে জোরকদমে শুরু হয়ে যাবে সুপার কাপের প্রস্তুতি। সেই সপ্তাহেই হয়ত লাল-হলুদ ব্রিগেডে আবার যোগ দিতে চলেছেন প্রভসুখন গিলও(Prabhsukhan Gill)। টাইফয়েডের জন্য এখনও পর্যন্ত নিজের বাড়িতেই রয়েছেন প্রভসুখন গিল। তবে এখন নাকি তিনি অনেকটাই সুস্থ। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী সপ্তাহেই কলকাতায় ইস্টবেঙ্গল শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন প্রভসুখন গিল। অন্যদিকে সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের সামনে পঞ্জাব এফসি। এখন থেকেই ছক কষতে শুরু করে দিয়েছেন অস্কার ব্রুজোঁ। এই রবিবার প্রস্তুতিতে ছুটি দিলেও, সোমবার থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে জোরকদমে প্রস্তুতি। শোনাযাচ্ছে কয়েকটি প্রস্তুতি ম্যাচও নাকি খেলার পরিকল্পনা রয়েছে লাল-হলুদ টিম ম্যানেজমেন্টের। এখন দেখার এতদিন বিরতির পর সেমিফাইনালেও ইস্টবেঙ্গল তাদের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে কিনা।
২৯ নভেম্বর সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

২৯ নভেম্বরই সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। কিন্তু তারা কী আদৌ কলকাতায় খেলতে পারবে। সেই সম্ভাবনা কিন্তু বিষশ বাও জলে। ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) কলকাতায় খেলতে চাইলেও, সেখানে রয়েছে বিস্তর জটিলতা। সবচেয়ে বড় বাধা সুপার কাপের সম্প্রচারকারী স্বত্ত্ব যে কোম্পানির কাছে রয়েছে। কারণ তারাই নাকি কলকাতায় আসতে চাইছে না। তার কারণটা অবশ্যই বাড়তি খরচ। সেইসঙ্গে কোন মাঠে খেলবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। সেটা নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। তারও কারণ আর্থিক দিকই। খানিকটা আর্থিক দিকের সামঞ্জস্য রেখেই মাঠ নিতে চাইছে ইস্টবেঙ্গল। বাজেটের মধ্যে থাকলেও তবেই যে বিনিয়োগকারী সংস্থা এগোবে তাও একপ্রকার স্পষ্ট। সেইভাবে তারা চেষ্টাটা চালালেও, এখনও পর্যন্ত নাকি কোনও কিছুই সেভাবে নিশ্চিত হয়নি। হাতে সময়ও যে খুব একটা রয়েছে তেমনটা কিন্তু নয়। কারণ আগামী ২৯ নভেম্বর হবে সেমিফাইনাল। ক্লাবের তরফ থেকে ম্যাচ কলকাতায় চাওয়া হলেও, সেখানে বাজেটের দিকে নজর রয়েছে বিনিয়োগকারী সংস্থারও। এছাড়া অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হল প্রতিপক্ষ শিবির। সেমিফাইনাল থেকে ফাইনাল যদি কলকাতায় করতে হয় সেক্ষেত্রে অন্যান্য দল গুলোরও একটা সম্মতির প্রয়োজন রয়েছে। ইস্টবেঙ্গল সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলেও তাদের প্রতিপক্ষ কে হবে তা এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত হয়নি। তারাও যে রাজি হবে তাও কিন্তু নয়। তবে ইস্টবেঙ্গল তাদের মতো করে একটা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বাজেটের দিকটাও ভাবতে হচ্ছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্টকে। আর যদি শেষপর্যন্ত না হয় তবে, গোয়াতেই খেলতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। দিন ঠিক হয়ে গিয়েছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।
যুবভারতীতে সেমিফাইনাল খেলবে ইস্টবেঙ্গল!

মোহনবাগানের(MBSG) সঙ্গে ডার্বি ড্র। চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের সুপার কাপ থেকে ছিটকে দিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। কিন্তু সেমিফাইনাল কোথায় খেলবে লাল-হুদ ব্রিগেড? সবকিছু ঠিকঠাক চললে যুবভারতীতেই সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নামতে পারে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। ইতিমধ্যে ফেডারেশনের(AIFF) সঙ্গে সেই কথাবার্তাও হয়ে গিয়েছ। শুরু হয়ে গিয়েছে বাজেট প্রস্তুতির কাজ। খরচ ঠিকঠাক থাকলেই সুপার কাপের সেমিফাইনালে যুবভারতী স্টেডিয়ামে(Yuvabharati Stadium) নামবে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলেও, কবে সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল ম্যাচ হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত দিন ঠিক করেনি ফেডারেশন(AIFF)। তবে শোনা যাচ্ছে ২৯ কিংবা ৩০ নভেম্বর সেমিফাইনাল হতে পারে সেই মতো নাকি প্রস্তুতিও চলছে। এরইমাঝে এবার ঘরের মাঠে সেমিফাইনাল খেলার আবেদন ইস্টবেঙ্গলের। ঘরের মাঠে সমর্থকদের অ্যাডভান্টেজটা কাজে লাগানোর জন্যই নাকি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। ডার্বিত মোহনবাগানের(MBSG) সঙ্গে ড্রয়ের পরই নাকি ইস্টবেঙ্গলের তরফে সেই আবেদন করা হয়ে গিয়েছ ফেডারেশনের কাছে। ফেডারেশনও যে খুব একটা গররাজি তা কিন্তু নয়। তাদের তরফ থেকে বলা হয়েছে এমনটা যদি করতে হয় তবে সম্পূর্ণ খরচ বইতে হবে ইস্টবেঙ্গলকেও(Eastbengal)। একপ্রকার ইস্টবেঙ্গলও রাজি। সেই মতো ম্যানেজমেন্ট বাজেট করাও শুরু করে দিয়েছে। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে, তবে যুবভারতী স্টেডিয়ামেই সেমিফাইনালের আয়োজন হতে পারে। সেই মতো চেষ্টাই শুরু করে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। একইসঙ্গে আগামী ২৯ কিংবা ৩০ নভেম্বর হতে পারে সেই এবারের সুপার কাপের সেমিফাইনাল। ঘরের মাঠে যদি সত্যিই সেমিফাইনাল হয়, সেটা যে ইস্টবেঙ্গলের কাছে একটা বড় পাওনা হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
প্রি-সিজন ট্রেনিংয়ের ফল এই পারফরম্যান্স, বলছেন অস্কার

সুপার কাপে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে শুক্রবার ড্র করে শেষ চারে নিশ্চিত হওয়ার পর ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজোর মনে হচ্ছে এই পারফরম্যান্সের অন্যতম কারণ, প্রাক-মরশুম ট্রেনিং। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুক্রবার রাতে তার বিশ্লেষণ, “মে মাস থেকে পরিকল্পনায় বসেছিলাম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে। শুধু বিদেশি ফুটবলার নেওয় নয়, কী ধরণের বিদেশি ফুটবলার নেওয়া হবে সেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। গত মরশুমের ব্যর্থতার পর সাবধানে, পরিকল্পনা করে বিদেশি নির্বাচন করা হয়েছে। বিদেশিদের মধ্যে শুধু সল ক্রেসপোকে রেখে দেওয়া হয়েছিল।” অস্কার একইসঙ্গে জানিয়েছেন, ডুরান্ড কাপের আগেই লাল-হলুদের দল গড়া শেষ হয়ে গিয়েছে এবার। গত মরশুমের বিদেশিদের মধ্যে ক্লাব ছেড়ে দিয়েছে দিয়ামান্তাকোস, মাদি তালাল, রিচার্ড সেলিস, মেসি বাউলি হিজাজি মাহের আর হেক্টর ইউস্তেকে। পরিবর্তে এসেছেন কেভিন সিবিলে, হামিদ আহদাদ, মিগুয়েল ফেরেরা, মহম্মদ রশিদ আর হিরোশি ইবুশুকি। “এই বিদেশিদের সঙ্গে অনেক মাস আগে থেকে আমরা কথা বলছিলাম, তাদের ফিটনেস লেভেল, সাম্প্রতিক ম্যাচের পারফরম্যান্স-সব খুটিঁয়ে খুঁটিয়ে দেখে তারপরই তাদের নেওয়া হয়েছে,” যোগ করলেন অস্কার। সুপার কাপের এখন বিরতি। নভেম্বেরের শেষ সপ্তাহে সেমি-ফাইনাল এবং ফাইনাল হওয়ার কথা। তার আগে ইস্টবেঙ্গলে এখন এক সপ্তাহের বিশ্রাম। অস্কার বলছেন, “জুলাইয়েই আমরা শুরু করে দিয়েছিলাম প্রি-সিজন ট্রেনিং। তারই ফল দল সুপার কাপে পাচ্ছে। দলে বোঝাপড়া বেড়েছে। এবার আমরা সতর্ক হয়ে দল গড়েছি, প্রস্তুতিও নিয়েছি।” সুপার কাপে চ্যাম্পিয়ন হলে আবার ইস্টবেঙ্গল এএফসি ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার সুযোগ পাবে। কিন্তু স্প্যানিশ কোচ সতর্ক। জানাচ্ছেন, সাম্প্রতিক ব্যর্থতার পর ট্রফি নিয়ে কথা বলার অধিকার এখনও তাদের হয়নি! তাই তিনি ফুটবলারদের সবসময়ই সতর্ক করছেন এই বলে, “সুপার কাপে সেমি-ফাইনালে উঠে তৃপ্ত হওয়ার প্রশ্নই নেই। মরশুমের শুরু এখন। নিজেদের আরও সংগঠিত করার সময়।” সেমিফাইনালে ওঠার পর, দলের শক্তি সম্পর্কে তার একটাই মন্তব্য, “ভারতের যে কোনও বড় দলের সঙ্গে আমরা সমানে সমানে টক্কর দিতে পারি।”
চেন্নাই বধের পরই ডার্বির দামাম বাজিয়ে দিলেন অস্কার

চেন্নাইয়িন এফসিকে হারিয়ে লড়াইয়ে ফিরেছে। কিন্তু এতটুকুতেই উচ্ছ্বসিত হতে নারাজ ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) কোচ অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzo)। চেন্নাইকে ৪-০ গোলে হারানোর পরই ডার্বির দামামা বাজয়ে দিলেন লাল-হলুদ কোচ। ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে ফিরেই অস্কারের(Oscar Bruzon) সাফ বার্তা। চেন্নাই ম্যাচ এখন তাদের কাছে অতীত হয়ে গিয়েছে। এই মুহূর্তে থেকে তাদের লক্ষ্য শুধুই ডার্বি। কারণ পরের ম্যাচেই যে চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে নামবে ইস্টবেঙ্গল। সেই কারণে তো হোটেলে ফিরেই সোজা মোহনবাগানের(Mohunbagan) ম্যাচ দেখতে বসে পড়েছিলেন অস্কার। এখন থেকেই চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের মেপে নিতে চাইছেন তিনি। ডেম্পোর বিরুদ্ধে ড্র করলেও এদিন চেন্নাইয়িন এফসির(Chennaiyin Fc) বিরুদ্ধে শুরু থেকেই দুরন্ত ফর্মে ছিল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। শুরু থেকেই মিগুয়েলকে খেলিয়ে আক্রমণাত্মক ফুটবলেরই ছিক ছিল তাঁর। আর তাতেই এসেছে সাফল্য। চেন্নাইকে চার গোলে হারিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু ম্যাচ শেষে একেবারেই তৃপ্ত হতে নারাজ কোচ অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। কারণ সামনে এখন বড় ম্যাচ। পরের ম্যাচেই সুপার কাপে ডার্বি। আর পরবর্তী পর্বে পৌঁছতে হলে সেই ম্যাচ জেতাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ ইস্টবেঙ্গলের। ম্যাচ জয়ের পর সেটাই কার্যত ফুটবলারদের বুঝিয়ে দিয়েছেন অস্কার ব্রুজোঁ। পারফরম্যান্সে খুশি তো অবশ্যই হয়েছেন। কিন্তু এখন আর চেন্নাই ম্যাচ নিয়ে ভাবতে নারাজ তিনি। ফুটবলারদে বুঝিয়ে দিয়েছেন, যে সামনের ম্যাচে এখন থেকেই ফোকাস করতে হবে। ড্রেসিংরুমে ফিরেই সেই কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। নিজেও এখন থেকেই বোধহয় ছক কষতে আরম্ভও করে দিয়েছেন। ম্যাচ শেষেই হোটেলে ফেরার তাড়া। কারণ একটাই, মোহনবাগানের ম্যাচ দেখা। হোটেলে ফিরেই চোখ রেখেছিলেন টিভির পর্দায়। মোহনবাগান বনাম ডেম্পো ম্যাচেই নজর ছিল তাঁর। এখন থেকেই প্রতিপক্ষকে ভালো করে দেখে নিতে চাইছেন তিনি। বুধবার ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলনে ছুটি। বৃহস্পতিবারই ডার্বির প্রস্তুতিতে নেমে পডড়বে ইস্টবেঙ্গল।
ডেম্পোকে নিয়ে সাবধানী, আবহাওয়াই ভাবাচ্ছে মোলিনাকে

ইস্টবেঙ্গলকে রুখে দিয়েছিল। এবার সেই ডেম্পোর(Dempo Sc) সামনে মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট(MBSG)। ধারেভারে এগিয়ে থাকলেও, ডেম্পোকে কিন্তু একেবারেই হাল্কা ভাবে নিচ্ছেন না মোহনবাগান(MBSG) কোচ হোসে মোলিনা(Jose Molina)। কারণ গত ম্যাচে তারা দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে আটকে দিয়েছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই অত্যন্ত সতর্ক হোসে মোলিনা(Jose Molina)। ইস্টবেঙ্গলের করা ভুল গুলো যাতে তাঁর দল না করে সেদিকেই বাড়তি নজর দিচ্ছেন তিনি। সেইসঙ্গে গোয়ার আবহাওয়াটাও খানিকটা চিন্তায় রাখছে মোহনবাগান কোচ মোলিনাকে(Jose Molina)। কারণ গোয়ার বৃষ্টিতে বারবারই সমস্যায় পড়তে দেখা গিয়েছিল মোহনবাগানকে। বিশেষ করে বল বাড়ানো এবং রিসিভ করার ক্ষেত্রেই সমস্যায় পড়েছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। সেই কারণে তো ভালোভাবেই ডেম্পোর ম্যাচ দেখেছে গোটা দল। সেইভাবেই নিজেদের ছকও প্রস্তুত করেছেন মোহনবাগান কোচ হোসে মোলিনা(Jose Molina)। কিন্তু ডেম্পোকে নিয়ে যেন একটু বাড়তিই সতর্ক তারা। কারণ আবহাওয়া(Climate) যদি আগের দিনের মতোই থাকে, তবে লোকাল দল হিসাবে সেই সুযোগ সম্পূর্ণভাবে কাজে লাগাবে ডেম্পো। সেই মতোই প্রতিপক্ষের শক্তি ও দুর্বলতা মেপেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারল মোহনবাগান। শোনাযাচ্ছে এই ম্যাচেও নাকি দলে খুব একটা পরিবর্তন আনার ভাবনা নেই হোসে মোলিনার। গত ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন ম্যাকলরেন। সেইসঙ্গে লিস্টন, মনবীররাও ছিলেন ছন্দে। এই ম্যাচেও তাদের ওপরই হয়ত ভরসা রাখতে চলেছেন মোলিনা। শিল্ড জিতে এই মুহূর্তে মোহনবাগান যে বেশ আত্মবিশ্বাসী তা প্রথম ম্যাচেই বোঝা গিয়েছে। এখন তাদের লক্ষ্য সুপার কাপ। সেখানে চেন্নাইকে হারিয়ে বেশ কয়েকধাপ এগিয়ে গিয়েছে মোহনবাগান। এবার ডেম্পোকে হারাতে পারলেই কার্যত পরের রাউন্ডের দিকে অনেকটাই এগিয়ে যাবে তারা। সেই কারণেই তো মোলিনার মুখে বারবারই সাবধানতার কথা। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।
চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে গোলে গিল, ফুটবলারদের সতর্ক করছেন অস্কার

মঙ্গলবার চেন্নাইয়িন এফসির(Chennaiyan Fc) বিরুদ্ধে মরণ বাঁচন ম্যাচ ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal)। এই ম্যাচ থেকে পয়েন্ট নষ্ট করলে কার্যত সুপার কাপের(Super Cup) পরের ম্যাচে যাওয়ার আশা শেষই হয়ে যাবে ইস্টবেঙ্গলের। তবে সেই ম্যাচেও ডেম্পোর বিরুদ্ধে খেলা প্রথম একাদশই কার্যত রাখতে চলেছেন অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। পরিবর্তন বলতে একটাই হতে পারে। শুধুমাত্র দেবজিতের পরিবর্তে গোলে খেলবেন প্রভসুখন গিল(Prabhsukhan Gill)। গত ম্যাচ ড্র করার পর নানান কথাবার্তা হলেও, এই ম্যাচেও মিগুয়েলকে রিজার্ভেই রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লাল-হলুদের কোচ। ডেম্পোর বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও শেষপর্যন্ত ড্র করতে হয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে(Eastbengal)। আক্ষেপ কিছুতেই মিঠছে না অস্কারেরOscar Bruzon)। বারবারই ঘনিষ্ঠ মহলে সেই আক্ষেপের কথা বলছেন লাল-হলুদ কোচ। এবার চেন্নাইয়িনের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। সেখানেই নামার আগে ফুটবলারদের বারবার সতর্ক করে দিচ্ছেন অস্কার ব্রুজোঁ। এদিন প্রস্তুতিতে নেমেও সেই কথাই নাকি বারবার ফুটবলারদের উদ্দেশ্যে বলেছেন অস্কার। দলগতভাবে ভালো পারফরম্যান্স করলেও, বারবারই কিছু ব্যক্তিগত ভুলের খেসারত দিতে হচ্ছে ইস্টবেঙ্গলকে(Eastbengal)। চেন্নাইয়িন এফসির বিরুদ্ধে নামার আে সেদিকেই বিশেষ নজর দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের প্রধান কোচ। ফুটবলারদের সেই দিকগুলো বারবারই বুঝিয়েছেন তিনি। এই ম্যাচে একটা ভুলই যে তাদের সমস্ত আশা শেষ করে দিতে পারে তা ভালোভাবেই জানেন অস্কার ব্রুজোঁ। সেভাবেই তো ছকও সাজাচ্ছেন তিনি। চেন্নাইয়িন এফসির বিরুদ্ধেও পাঁচ বিদেশিতেই মাঠে নামবেন অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। গত ম্যাচে সেভাবে কিছু করতে না পারলেও, এই ম্যাচেও হিরোশি ইবুসুকির(Hiroshi Ibusuki) ওপরই ভরসা রাখছেন ইস্টবেঙ্গলের প্রধান কোচ। এছাড়া ক্রেসপো(Crespo), কেভিন(Cavin), রশিদরা(Mohammed Rashid) তো থাকছেনই। বদল হচ্ছে শুধুমাত্র গোলরক্ষকের পজিশনে। গত ম্যাচে দেবজিতকে নামালেও তিনি সেভাবে পারফরম্যান্স করতে পারেননি। বরং প্রথম গোলের ক্ষেত্রে তাঁর পরিকল্পনা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এই ম্যাচে অবশ্য দলের প্রধান গোলরক্ষক প্রবসুখন গিলকেই ফেরাচ্ছেন অস্কার। এটুকু বাদ দিলে দলে কোনওরকম বদল আনতে অস্কার নারাজ। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ চেন্নাই যে বেশ শক্তিশালী দল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাদের শক্তি, দুর্বলতার কথা মাথায় রেখেই চলল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। অস্কারের বারবার একটাই বার্তা, মঙ্গলবারের ম্যাচে কোনওরকম ভুল করা যাবে না। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।
চেন্নাইয়িন ম্যাচের আগে অস্কারের মুখে এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের উদাহরণ

সুপার কাপ শুরু হয়েছে ডেম্পোর বিরুদ্ধে ২-২ ড্র-য়ে। এবার ইস্টবেঙ্গলের সামনে মঙ্গলবার চেন্নাইয়িন এফসি। সেমিফাইনালে ওঠা নিশ্চিত করতে হলে ক্লিফোর্ড মিরান্ডার চেন্নাইয়িন এফসি-র বিরুদ্ধে জিততেই হবে। তার আগে সোমবার ট্রেনিং-য়ের পর ফুটবলারদের মনের জোর বাড়াতে কোচ অস্কার ব্রুজোর মুখে এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে ইস্টবেঙ্গলের পারফরম্যান্সের কথা। বলেছেন, “এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের প্রথম ম্যাচের কথা মনে করুন। আশানুরূপ ফলাফল হয়নি। পরবর্তীতে আমরা কিন্তু ঘুরে দাঁড়িয়েছিলাম। ছেলেদের সেটাই বুঝিয়েছি। ২০১০ সালের বিশ্বকাপে স্পেনও প্রথম ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে গিয়েছিল। সেই স্পেনই কিন্তু বিশ্বকাপ জিতেছিল। আমাদের তেমনই নির্ভুল ফুটবল খেলতে হবে।” আরও বলেছেন, “চেন্নাইয়িন ম্যাচ আমাদের জন্য ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ। আমাদের দল খারাপ খেলেনি। ওরা সুসংহতই রয়েছে। তবে মনঃসংযোগের অভাব আমাদের ভুগিয়েছে। সেই কারণে পুরো ৯০ মিনিট নিখুঁত ফুটবল খেলতে হবে। কোনওভাবেই মনঃসংযোগ হারালে চলবে না।“ মোহনবাগানের কাছে ০-২ গোলে হেরে সুপার কাপ অভিযান শুরু হয়েছে ক্লিফোর্ড মিরান্ডার চেন্নাইয়িন এফসি’র। ২০২৩ সালে ওড়িশা এফসি’কে সুপার কাপ এনে দেওয়া কোচ মিরান্ডা চাইবেন ইস্টবেঙ্গলকে রুখে দিয়ে সুপার কাপে পয়েন্টের খাতা খুলতে।