জয়ের সরণী ধরে এগোচ্ছে শ্রীভূমি

শ্রীভূমি খেলার একটি মুহূর্ত। ফাইল ছবি।
গম্ভীরের পর ই মেলে শামিকে খুনের হুমকি

২২ এপ্রিলের পর ৪ মে। ১৩ দিনের মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেটের দুজন তারকা খুনের হুমকি পেলেন। পহেলগাঁও কান্ডের পরপরই ভারতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীরকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। ২২ এপ্রিল তিনি এক ঘন্টার মধ্যে দুটি ইমেল পান। দুটিতেই লেখা ছিল – আই কিল ইউ। এরপর আবার ইমেল। এবার টার্গেট মহম্মদ শামি। রবিবার দুপুরে ( দুটো থেকে তিনটের মধ্যে) একটি ইমেল আসে। সেখানে শামিকে খুনের হুমকির কথা লেখা ছিল। শামির ভাই হাসিব এই খবরের সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, ইমেল পাওয়ার পর তারা স্থানীয় আমরোহা পুলিশ স্টেশনে যোগাযোগ করেন। তাদের ইমেল দেখানো হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি তারা দেখছেন। এই ইমেল কারা পাঠাচ্ছে! এর মধ্যে কি অন্য কোনও ব্যাপার আছে। গম্ভীর ইমেল পাওয়ার পর স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যাপারটি দেখতে বলেছিলেন। পরে তদন্থ করে পুলিশ গুজরাটের ২১ বছরের জিগনেশ সিং পারমারের সন্ধান পান। দেখা যায় তাঁর ইমেল অ্যাকাউন্ট থেকে গম্ভীরের কাছে মেল আসে। একজন ইজ্ঞিনিয়র ছাত্র জিগনেস কেন এমন ইমেল পাঠাতে গেলেন। তাঁর পরিবার পুলিশকে জানিয়েছিল, জিগনেস একজন মানসিক রোগী। তবে পুলিশ এ নিয়ে আলাদা করে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তারপর শামির ঘটনা। এভাবে কেন ক্রিকেটারদের টার্গেট করা হচ্ছে! এর পিছনে কারা কাজ করছে। জিগনেসের মতো মানুষ হলে আলাদা কথা। না হলে…! এখনও পুলিশের কাছ থেকে শামির ইমেল নিয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।
টুটুর পদত্যাগ নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে

ক্লাব টেন্টে কার্যনির্বাহি কমিটির সভার শেষে বক্তব্য রাখছেন সচিব দেবাশিস দত্ত। পাশে প্রাক্তন ফুটবলার মানস ভট্টাচার্য। সোমবার।
মোহনবাগানে ফিফার আচমকা নিষেধাজ্ঞা

ঘটনার সূত্রপাতের নায়ক জেসন কামিন্স।
টি২০ ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ানকে সই করাল সিএসকে

কপালটাই খারাপ ভন্স বেদির। কদিন আগে বেঙ্গালুরুতে আরসিবির বিরুদ্ধে খেলার কথা ছিল বেদির। শেষ মুহূর্তে হাঁটুতে চোট পাওয়ায় তিনি প্রথম একাদশের বাইরে চলে যান। তাঁর জায়গায় দলে ঢুকে পড়েন দীপক হুডা। পরে জানা যায় যে এই মরশুমে মাঠে নামা হবে না বেদির। তাঁর লিগামেন্ট ছিঁড়ে গিয়েছে। ৫৫ লাখ টাকায় বেদিকে দলে নিয়েছিল সিএসকে। তা হলে কি আরসিবি ম্যাচে ধোনি মাঠের বাইরে থাকতেন। কারন বেদি একজন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। তিনি থাকলে ধোনি নিশ্চয় নিজেকে সরিয়ে নিতেন। সেই ভন্সের বদলি হিসেবে সিএসকে সই করাল ঘরোয়া ক্রিকেটে নজর কাড়া উরভিল প্যাটেলকে। সিএসকে সরকারিভাবে এখনও একথা জানায়নি। তবে উরভিলের বাড়ি থেকে এই খবরের সত্যতা জানা গিয়েছে। তাঁরা বলেছেন, খবর সত্যি। উরভিল সই করেছে। গুজরাটের ২৬ বছরের ছেলে উরভিল। ২০২৩ আইপিএল মরশুমে তিনি গুজরাট টাইটান্সে ছিলেন। তারপর অকশনে অবিক্রিত থাকায় সিএসকের পক্ষে সুবিধা হয়ে গেল। তারা উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান উরভিলকে ৩০ লাখ টাকায় দলে নিয়ে নিল। এখন বুধবার ইডেনে তাঁকে খেলানো হবে কিনা তা জানা যায়নি। সুযোগ পেতে পারেন। সম্ভাবনা আছে। কারন আইপিএল থেকে ছিটকে যাওয়ার পর আগামি মরশুমের দিকে তাকিয়ে দল গড়ার কাজ করছে সিএসকে। সেই হিসেবে ইডেনে উরভিলকে পরীক্ষা করে নেওয়া হতে পারে। আয়ুষ মাত্রে মাঠে নেমে নিজেকে প্রমান করেছেন। এখন দেখার পালা উরভিলকে। ২০২৪-২০২৫ ঘরোয়া ক্রিকেটে নজর কেড়েছেন উরভিল। তিনি মুস্তাক আলি টুর্নামেন্টে ত্রিপুরার বিরুদ্ধে ২৮ বলে সেঞ্চুরি করেন। তিনি এখন এই ফরম্যাটে দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান। এখানেই থেমে থাকেন নি। মুস্তাক আলিতে আরও একটি সেঞ্চুরি করেছেন। এখনও পর্যন্ত ৪৭টি টি২০ ক্রিকেটে উরভিল রান করেছেন ১১৬২। গত মরশুমে মুস্তাক আলিতে ৬টি ম্যাচে তিনি করেছেন ৩১৫ রান। সেঞ্চুরি দুটি। গড় ৭৮। স্ট্রাইক রেট ২৩০। এখানেই থেমে নেই। তিনি যে একজন আক্রমনাত্মক ব্যাটসম্যান তার প্রমান আরও একবার মেলে বিজয় হাজারে ট্রফিতে। সেখানে তিনি ৪১ বলে সেঞ্চুরি করেন। কদিন আগে জাতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার ওয়াসিম জাফর জানিয়েছিলেন, সিএসকে তিনজন ক্রিকেটারকে ট্রায়ালের জন্য ডেকেছে। যার মধ্যে একজন হলেন উরভিল। আরও দুজন ক্রিকেটার তাদের ট্রায়ালে আছে। এখন দেখার ব্যাপার, তাদের দলে নেওয়া হয় কিনা। ঋতুরাজ গায়কোয়াডের হাতে চোট পাওয়ার পর সিএসকে পরিবর্ত হিসেবে একজন ক্রিকেটারকে খুঁজছিল। তখন তারা মুম্বইয়ের ১৭ বছরের আয়ুষ মাত্রেকে সই করায়। মাত্রে দলে আসার পর নিজেকে প্রমান করেছেন। ধোনি তাঁর পারফরম্যান্সে খুশি। এখন থেকে তাঁকে চ্যাম্পিয়ন বলে ডাকছেন। ধোনির হাত পিঠে থাকলে যে কোনও ক্রিকেটারের মানসিক চাপ কমে যায়। অনেক হাল্কাভাবে খেলতে পারেন। মাত্রে ইডেনেও খেলবেন। এখন অপেক্ষা উরভিলকে খেলতে দেখা যায় কিনা।
সব খেলা থেকেই শেখেন, ইডেনে আইপিএল ম্যাচ দেখতে এসে জানালেন সাউথগেট

প্রথম ভারত সফরে এসে চুটিয়ে ক্রিকেট উপভোগ করছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ফুটবল ম্যানেজার গ্যারেথ সাউথগেট। জয়পুরের সোয়াই মান সিং স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালসের ম্যাচে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। রবিবার ইডেনেও দেখা গেল কেকেআর বনাম রাজস্থান রয়্যালসের ম্যাচে। হাড্ডাহাড্ডি, উত্তেজক ম্যাচ উপভোগ করলেন। সাউথগেটকে নিয়ে কৌতুহল ছিল দেখার মত। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ফুটবল ম্যানেজার জানালেন, তিনি ভালবাসেন ক্রিকেট। ছোটবেলায় নিয়মিত সারাদিন ধরে টেস্ট ক্রিকেট দেখতেন। সুনীল গাভাসকর, কপিল দেবদের সময় চুটিয়ে ক্রিকেট উপভোগ করতেন, ইডেনে দাঁড়িয়ে জানিয়ে গেলেন সাউথগেট। তিনি বলেন, “যখন আমি ইংল্যান্ডের হয়ে ফুটবল খেলছি, তখন অনেক ক্রিকেটারের সঙ্গে আলাপ ছিল। গত বছর বেন স্টোকস এসেছিল ইংল্যান্ড শিবিরে। আসলে আমি সব খেলার বিভিন্ন কোচেদের থেকে শিখতে চাই, তাই আমি এখানে এসেছি। সব খেলাই দ্রুত বদলাচ্ছে। তাই বিভিন্ন খেলার কোচের থেকে অনেক কিছু শেখার থাকে। প্রথমবার ভারতে এলাম। দুর্দান্ত অনুভূতি।“ ইডেনে দুর্দান্ত একটা ম্যাচ দেখলেন। শেষ বলে ফয়সলা হল। কেকেআর ১ রানে জিতল। মাঠে বসে দেখলেন ১৬টি ওভার বাউন্ডারি হল। তাঁর ছক্কা মারার দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হেসে ফেলে সাউথগেট নিজেকে এক নম্বরে রাখলেন।
এনসি ক্লাসিকের টিকিট মূল্য ১৯৯-৪৪,৯৯৯

টোকিও অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন নীরজ চোপড়া, ২০১৬ অলিম্পিকে সোনা জয়ী থমাট রোহলার, তিনবারের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন তুরস্কের জান জেলেনি। ফাইল চিত্র
বৈভবকে অনুকরণ কোরো না, আয়ুষকে সতর্ক করলেন বাবা যোগেশ

এবারের আইপিএল মাতাচ্ছেন দুই টিন এজার। রাজস্থান রয়্যালসের বৈভব সূর্যবংশী ও চেন্নাই সুপার কিংসের আয়ুষ মাত্রে। ১৪ বছরের বৈভব আর ১৭ বছরের আয়ুষকে নিয়ে সোরগোল পড়ে গিয়েছে। এই বয়সেই সকলকে চমকে দিয়েছেন এই দুই ভবিষ্যতের তারকা। বয়সটা ১৪ বলেই হয়ত, মাত্র ৩৫ বলে শতরান করে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসাবে শতরানের নজির গড়ার জন্যই হয়ত বৈভবকে নিয়ে একটু বেশি আলোচনা। আর ঠিক এই জায়গাটাতেই ভয় পাচ্ছেন আয়ুষের বাবা। অযথা চাপ নিয়ে ফেলছেন না তো আয়ুষ? বাবা যোগেশের চিন্তা সেটাই। আয়ুষকে বাবার সতর্কবার্তা, বৈভবকে অনুকরণ করতে যেও না। যোগেশ মাত্রে বলেন, “দু`জনে দু`ধরণের ক্রিকেটার। আমি আয়ুষকে বলেছি, যদি কেউ বৈভবের সঙ্গে তুলনা করে সেটা মাথায় রেখো না। এটাও বলেছি, বৈভবকে অনুকরণ করে ওর মত ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করার দিকে তাকিও না। আমি বিশ্বাস করি আয়ুষের এখন অযথা নিজের ওপর চাপ তৈরি করা উচিত নয়। বড় কিছু করার কথা ভাবতে হবে। এখনও অনেক দূর যেতে হবে।“ রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের পরিবর্তে সিএসকে দলে এসেছেন আয়ুষ। এখনও পর্যন্ত ৪ ইনিংসে করে ফেলেছেন ১৬৩ রান। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ৪৮ বলে ৯৪ রানের বিস্ফারণ ঘটিয়েছেন। আয়ুষের বাবা যোগেশ জানান, এই ইনিংসের পর স্বয়ং ধোনি আয়ুষকে উদ্দীপ্ত করে বলেছেন, খুব ভাল খেলেছো। ভবিষ্যতে এভাবেই খেলে যাও। তিনি আরও বলেন, এটা হয়ত দু-একটা কথা, কিন্তু আয়ুষ জানে ধেনির এই প্রশংসা
ঋষভকে শেহবাগ, পুরনো ভিডিও দেখার পাশাপাশি কথা বল ধোনির সঙ্গেও

ঋষভ পন্থের কি হল! কোনও কিছু ঠিকভাবে করতে পারছেন না। দলের সাফল্য নেই। তাঁর ব্যাটে রানও নেই। কেন এমন হচ্ছে! তবে কি ভাল খেলার খিদে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সেটাই বা হবে কীভাবে! এই ফরম্যাটে তাঁর দাপট দেখে অকশন থেকে তুলে নিয়েছিল লখনউ সুপার জায়ান্টাস। ভেবেছিল এবার বাজি জেতা যাবে। আইপিএলে আসার পর লখনউ দারুন কিছু করে দেখাতে পারেনি। এমন কি গৌতম গম্ভীর দলের মেন্টর হিসেবে কাজ করার সময়ও সাফল্য দেখা দেয়নি। কিন্তু এবার অনেক আগে থেকে আলাদা করে পরিকল্পনা করে তারা এগিয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাদের উপর কেউ বাজি লাগাতে ভরসা পাচ্ছেন না। রবিবার রাতে পাঞ্জাব কিংসের কাছেও হেরে গেল লখনউ। অধিনায়ক ঋষভ আবার ব্যর্থ। তিনি করলেন ১৮ রান। কেন এমন হচ্ছে ঋষভের! লখনউ সুপার জায়ান্টাসের অন্যতম কর্নধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা হতাশ দলের অধিনায়ক ঋষভ পন্থের পারফরম্যান্সে। ২৭ কোটি টাকা খরচ করে অকশন থেকে নিয়েছিলেন ঋষভ পন্থকে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ১০ ম্যাচে করেছেন ১২৮ রান। গড় ১২.৮০। স্ট্রাইক রেট-৯৯.২২। রোল মডেল ধোনির থেকেও ঋষভের পারফরম্যান্স খারাপ। এ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বীরেন্দ্র শেহবাগ বলছেন, জানি না, অ্যাক্সিডেন্টের ঘটনা মাথা থেকে বের করে দিতে পেরেছে কিনা ঋষভ। অনেক সময় এগুলি মাথায় ঘুরপাক খায়। তাই নিজের সেরাটা বের করে আনতে পারে না। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে ঋষভের উচিত ওর আগে খেলা ভাল ইনিংসগুলির ভিডিও নিয়মিত দেখা। এই ভাল ইনিংসগুলি দেখলে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে। সেই রানগুলি তো ঋষভ নিজেই করেছে। সেদিন পারলে এখন কেন নয়! সব থেকে বড় ব্যাপার ভি়ডিও দেখলে আজকের ভুলগুলি সামনে ভেসে উঠবে। এগুলি কেউ শুধরে দিতে পারবে না। বড় জোর দেখিয়ে দেবে। তবে বাকি কাজটা ঋষভের নিজের। আরও একট কাজ করতে পারেন ঋষভ। সেটাও বলে দিয়েছেন শেহবাগ। তাঁর মতে হাতের সামনে মোবাইল আছে। সব ক্রিকেটারদের নাম্বারও আছে। যাকে খুশি ফোন করতে পারে। আলোচনা করতে পারে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে। আমার মনে হয় সবাই ওকে সাহয্য করবে। ওর যদি মনে হয় নিজের রোল মডেল ধোনির সঙ্গে কথা বললে সব ঠিক হয়ে যাবে, তা হলে দেরি করছে কেন! এখনই ধোনিকে ফোনে সব কিছু খুলে বলা। ধোনি ওকে পথ বাতলে দেবে। কিন্তু এভাবে দিনের পর দিন পারফরম্যান্স হতে থাকলে ঋষভ সমস্যায় পড়বে। সত্যি কথা বলতে কি অ্যাক্সিডেন্ট থেকে ফিরে ক্রিকেট মাঠে নামর পর ওর কাছ থেকে ভাল ইনিংস দেখা যাচ্ছে না। অনেক ম্যাচ হয়ে গেল। এখনও রান না পেলে কেউ ওর কথা মনে রাখবে না। ঋষভকে মনে রাখতে হবে প্রচন্ড দেরি করে ফেলেছে। আরও আগে উচিত ছিল ওর বন্ধু ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলা। এখন যে কট ম্যাচ আছে, সেখানে রান করুক। এই মরশুমে একটা হাফ সেঞ্চুরি ইনিংস খেলেছে ঋষভ। এবার একটা বড় ইনিংস খেলে দিলে পুরনো ফর্মে ফিরতে দেরি হবে ন।
বাবা রাজি নয়, নিয়মের জাঁতাকলে না আটকালে বৈভবকে চায় বাংলা

রবিবার রাতে ইডেনে বৈভবের সঙ্গে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।