ট্র্যাজিক হিরো এমবাপে, লিগ বার্সার

জোড়া গোল করে দলকে জেতানোর নায়ক রাফিনিয়া।
ভারতের তিন ও নীরজ

নীরজ চোপড়াকে ঘিরে ডায়মন্ড লিগে উত্তেজনা তুঙ্গে।
খেলো-তে ‘খেলো’ হল বাংলা

খেলো ইন্ডিয়ায় খেলতে যাওয়া বাংলা দলের ফুটবলাররা। কোচ নাসিম আলি-সহ রয়েছেন টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্যরাও।
বিরাটকে অধিনায়ক করে ইংল্যান্ডে দল পাঠানো হোক: সিধু

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে পাঠানো বিরাট কোহলির একটা ই-মেল ( টেস্ট ক্রিকেট খেলার ইচ্ছে নেই) কত কিছু বদলে দিয়েছে। এখন বিরাটের কথা তাঁদের মনে পড়ছে। তাঁদের মানে সিনিয়র দলের নির্বাচক ও বোর্ড কর্তারা নড়েচড়ে বসেছেন। যেভাবেই হোক তাঁরা বিরাটকে ইংল্যান্ডের বিমানে তুলে দিতে পারলে হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন। এই অবস্থায় ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজ্যোত সিং সিধু এক সহজ রেসিপি বাতলে দিলেন। নির্বাচকদের বলছেন, রোহিত নেই। এখন বিরাটকে অধিনায়ক করে ইংল্যান্ডে দল পাঠানো হোক। ইংল্যান্ডের মাঠে বিরাটের মতো একজনকে দরকার। শুধু বাইশ গজে লড়াই করার জন্য নয়, প্রতিপক্ষকে টেক্কা দিতে হলে তাদের চোখে চোখ রেখে এগোতে হবে। কথা বলতে হবে। অন্তত সাত বা আটমাসের জন্য বিরাট অধিনায়ক থাকুক। স্টপগ্যাপ অধিনায়ক হিসেবে কাজ চালাক বিরাট। তারপর জুনিয়র কাউকে অধিনায়ক করা যেতে পারে। এতে সব দিক থেকেই লাভ হবে। নির্বাচক ও বোর্ড কর্তারা এটা ভেবে দেখতে পারে। টেস্ট ক্রিকেট থেকে রোহিত অবসরে । বিরাটও দলের সঙ্গে ইংল্যান্ড না গেলে আগেই হেরে যাওয়া মানসিকতা নিয়ে ভারত মাঠ নামবে। দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার অনেকদিন ধরে টেস্ট খেললেও তাঁদের মানসিকতা সেই পর্যায়ে নেই। এখানে দরকার সেয়ানে টক্কর দেওয়ার কোন একজন ক্রিকেটারকে। সেটা বিরাট সামনে থাকলে হবে। কিন্তু তিনি বোর্ডকে জানিয়ে দিয়েছেন আর টেস্ট ক্রিকেট খেলবেন না। এখানেই সমস্যা বেড়েছে। আবার সিধুর ভাবনার সঙ্গে একমত নয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তারা স্টপগ্যাপ অধিনায়কের থিওরিতে যেতে নারজ। এখন বিরাটকে দলের শহ্গে যেতে হলে একজন সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে থাকতে হবে। সেটা কি বিরাট মেনে নেবেন। তার থেকেও বড় কথা সিদ্ধান্ত বদলে তিনি কি আবার টেস্ট ক্রিকেট খেলতে মাঠে নামবেন! এক ভিডিও বার্তায় সিধু বলেছেন, বিরাটের ভাবনা সঠিক। নিজেকে বিচার করলে বলতে হবে মহৎ। কিন্তু সময়ের গরমিল করে ফেলেছে। এটা উপযুক্ত সময় নয়। ভারতীয় দল একটি কঠিন সিরিজ খেলতে যাচ্ছে। এই সময় নিজের থেকেও দেশ বা দল আগে। সেট মাথায় রাখতে হবে। এতদিন দেশের জন্য অনেক ঘাম ঝরিয়েছে। দেশকে অনেক সাফল্য এনে দিয়েছে। কিন্তু সেটা তো পুরো শেষ হয়ে যায়নি। কাজ এখন বাকি। এখনও ওকে ছুটতে হবে। ওর মধ্যে এখনও ক্রিকেট আছে। ফিটনেসের দিক থেকে প্রশ্ন নেই। তা হলে কেন সরে যাবে! তাঁর ভিডিও বার্তায় সিধু নিজের অভিষেক ম্যাচের কথা টেনে এনেছেন। বলেছেন ১৯৮৭ বিশ্বকাপের এক কঠিন ম্যাচের আগে সুনীল গাভাসকর প্রচন্ড জ্বরে কাহিল হয়ে পড়ে। ১০৩ জ্বর। খেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তো কপিল দেব ওর ঘরে ঢুকে জানেত চাইল কেমন আছ। সুনীল বলল ৫০ ভাগ ফিট বলতে পারি। শুনে কপিলের মুখে হাল্কা হাসি। কপিল বুঝে যায়, পরের ম্যাচে সুনীলকে পাওয়া যাবে। কী করে বুঝল কপিল। প্রশ্ন করলে কপিল বলে, সুনীল বলেছে ৫০ ভাগ ফিট। আমি বিশ্বাস করি, সুনীল ৫০ ভগ ফিট মানে অন্য যে কোনও ক্রিকেটারের ১০০ ভাগ ফিটের থেকেও বেশি। তাই ও খেলবে। বিরাট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কেন হঠাৎ করে ৩৮ বছর আগের ঘটনাকে টেনে আনলেন সিধু। আসলে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, বিরাট ফিট। অবশ্যই ম্যাচ ফিট। তাই ওকে মাঠে নামিয়ে দিলে বাকি কাজ ও নিজে করে দেবে। তার জন্য আগে যা করতে হবে, সেটা নির্বাচক বা বোর্ড কর্তারা করুক। সেটা হলে বিরাটকে নিয়ে মনে হয় না চিন্তা থাকবে।
বিমান থেকে নেমে এলেন পন্টিং

পাঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের পাশে দঁাড়িয়ে কথা বলছেন রিকি। ফাইল চিত্র।
পাক সফরে যেতে নারাজ বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। পাকিস্তান যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে বসেছেন ক্রিকেটাররা।
ইংল্যান্ডে সফল নয় বিরাট, তা হলে শচীনকে দিয়ে জোর করার চেষ্টা কেন!

এটা ঘটনা। ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে সাফল্য নেই বিরাট কোহলির। তুলনায় অস্ট্রেলিয়ার মাঠে দাপটের সঙ্গে ব্যাটিং করেছেন। তবে গতবছরের শেষদিকে অস্ট্রেলিয়ার মাঠে টেস্ট সিরিজে তিনি রান পাননি। শুরুটা ( একটা সেঞ্চুরি) দারুন করেও হারিয়ে যান। অফস্ট্যাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিয়ে বারবর আউট হয়েছেন। এমন পারফরম্যান্সে বিরক্ত হয়ে নিজেই সতীর্থদের বলেছিলেন, আর নয়। আমি আর টেস্ট সিরিজ খেলব না। তাঁর কথা শুনে সতীর্থরা ভেবেছিলেন, বিরাট বুঝি মজা করছেন। দেশে ফিরে এ নিয়ে আর কথা হয়নি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সেখানে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর সকলে ভুলে গিয়েছিলেন টেস্ট সিরিজ নিয়ে বিরাটের পুরনো কথা। এরই মাঝে ইংল্যান্ড সিরিজ চলে এল। তখনও নিজেকে নিয়ে সেভাবে ভাবেননি। রোহিত অধিনায়ক হয়ে ইংল্যান্ড যাবেন। এটা যেমন রোহিত ভেবেছিলেন, তেমনই বিরাটের মনে হয়েছিল এই সিরিজে নিজেকে যাচাই করা। কিন্তু সব কিছু গোলমাল হয়ে গেল। নির্বাচকদের সঙ্গে মিটিংয়ে বসে টিম ম্যানেজমেন্ট ঠিক করে রোহিতকে অধিনায়ক করা হবে না। এবার নতুন একজন অধিনায়ককে দরকার। তরুন ক্রিকেটার হলে ভাল হয়। আগামিদিনে সে দলকে টেনে নিয়ে যাবে। এই খবর বাইরে আসার পর রোহিত বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে নিজের ভবিষ্যত পড়ে নিতে চান। বুঝে যান এ ব্যাপারে বোর্ড হাত গুটিয়ে থাকছে। আর তখনই অবসরের সিদ্ধান্ত। এটা সবাই এতদিনে জেনে গিয়েছেন। বিরাটের ক্ষেত্রেও ঘটনা অনেকটা একইরকম। নির্বাচকরা চাইছিলেন, ইংল্যান্ড সিরিজে বিরাটকে দেখে নেওয়া হবে। রান পেলে ভাল, নইলে ইংল্যান্ড সিরিজের পর জানিয়ে দেওয়া হবে তাঁকে নিয়ে কিছু ভাবা হচ্ছে না। রোহিতের সঙ্গে কথা বলার পর পর্দার আড়ালে থাকা অনেক কিছু বিরাটের সামনে আসে। তিনিও ঠিক করেন, এখানেই থেমে যাওয়া উচিত। টেস্ট ক্রিকেট খেলার দরকার নেই। তারপর ইমেল করে বোর্ডকে সরে যাওয়ার কথা জানিয়ে দেন। এই মেল পাওয়ার পর টনক নড়ে বোর্ডের। রোহিত বেরিয়ে গিয়েছেন। বিরাটও চলে গেলে দল চাপে পড়বে। মিডলঅর্ডারে দলের হল ধরবেন কে! তরুন ক্রিকেটারদের উপর কতটা ভরসা করা যায়! তাই বিরাটকে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বলা হয়। নতুন করে ভাবতে বলা হয়। এটাও শোনা যায়, বিরাটকে রাজি করাতে বোর্ড একজন প্রাক্তন ক্রিকেটারের সাহায্য নিতে চলেছে। যাঁর কথা শুনে বিরাট নতুন করে ভাবতে বসবেন। তিনি কে! হ্যাঁ, শচীন তেন্ডুলকরকে এই কাজে লাগাবার কথা ভাবেন বোর্ড কর্তারা। সেটা কি সম্ভব হবে! শচীনের কথা শুনে বিরাট আবার নিজেকে নিয়ে ভাবতে বসবেন! মনে হয় না। সিদ্ধান্ত বদলাতে হলে বিরাটকে একবার বললে তিনি দেশের কথা ভেবে একটা সিরিজ খেলে দিতেন। কিন্তু কেন তিনি খেলবেন। নির্বাচকদের মিটিংয়ে যখন বিরাট নিয়ে অন্য ভাবনায় তাঁরা ব্যস্ত ছিলেন, তখন তো একবার কথা বলে নিতে পারতেন। বলতেই পারতেন বিরাট তোমাকে নিয়ে আমরা এমন ভাবনা ভেবে রেখেছি। তোমার কি মত আমাদের জানাও। সেটা তাঁরা করেননি। কিন্তু ক্রিকেটারদের নিয়ে মিটিংয়ের কথা বাইরে আসতে দেরি হয়নি। এখন কেন তাঁকে নিয়ে টানাটানি! রোহিতকে যে কারনে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবা হয়, সেই একই কারনে বিরাটকেও বাইরে রাখা যায়। ইংল্যান্ডের মাঠে বিরাট এখনও পর্যন্ত খেলেছেন ১৭টি ম্যাচ। রান করেছেন ১০৯৬। গড় ৩৩.২১। দুটি সেঞ্চুরি, পাঁচটি হাফ সেঞ্চুরি। সেরা ইনিংস ১৪৯। শেষ সিরিজে (২০২১) বিরাট পাঁচ ম্যাচে করেছেন ২৪৯ রান। গড় ২৩.৬৬। পরিসংখ্যান বলছে, ইংল্যান্ডে বিরাটকে দারুন সফল ক্রিকেটার বলা যায় না। তা হলে তাঁকে নিয়ে এত টানাটানি কেন! নির্বাচকদের সঙ্গে টিম ম্যানেজমেন্ট সামনে তাকাতে চান। সেটাই তাঁরা করুন। দুই সিনিয়র ক্রিকেটারকে নিয়ে নিজেদের উপরও চাপ বাড়াবার দরকার নেই। তরুনদের সামনে ছাতা চাঁরা নিজেরা ঘোরাতে পারবেন। তাই এখন বিরাটকে দলে নিতে এত জোরাজুরি কেন! এর তো কোনও কারন দেখা যাচ্ছে না।
রোহিতের জায়গা নিতে চলেছেন গুজরাট টাইটান্সের সাই সুদর্শন

ইংল্যান্ড সফরে ভারতীয় এ দলের অধিনায়ক হতে পারেন। এখানেই শেষ নয়, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে তিনি দলে ঢকে পড়বেন। ১৫ জনের দলেই নয়, প্রথম একাদশে চলে আসবেন তামিলনাড়ুর ব্যাটসম্যান ভরদ্বাজ সাই সুদর্শন। ভারতীয় ক্রিকেট মহলে এখন এটাই বড় খবর। দলে অনেক তরুন ক্রিকেটার আসবেন। কিন্তু তাঁদের মধ্যে সবার উপরে থাকবেন সাই সুদর্শন। তাঁকে অনেকেরই পছন্দ। ঘরোয়া ক্রিকেট, ভারতীয় এ দল, আইপিএল, মাঠে নামলে সাই সুদর্শনের ব্যাটে রানের জোয়ার। এবারের আইপিএলে গুজরাট টাইটান্সের হয়ে ১১টি ম্যাচে করেছেন ৫০৯ রান। বোঝাই যাচ্ছে তিনি কেমন ফর্মে আছেন। তাঁর খেলা দেখে জাতীয় দলের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী পর্যন্ত বলেছেন, সাই সুদর্শনকে নিয়ে নতুন করে ভাবনার কিছু নেই। এখনই লিখে দেওয়া যায় যে ইংল্যান্ড সফরে ওকে খেলতে দেখা যাবে। আর এখন ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকদের ভাবনায় তামিলনাড়ুর ব্যাটসম্যানটি জায়গা করে নিয়েছেন। বাবা নামি অ্যাথলিট ছিলেন। সাউথ এশিয়ান গেমসে তিনি প্রতিনিধিত্ব করেছেন। মা ছিলেন ভলিবলার। ফলে বাড়িতে খেলার পরিবেশ ছোটবেলা থেকে ছিল। সেই জায়গা থেকে বেড়ে ওঠা সুদর্শনের খেলার দুনিয়ায় হাঁটা স্বাভাবিক ছিল। তাঁর কাজ সহজ করে দেয় তামিলনাড়ু প্রিমিয়ার লিগ। সেখানে খেলেই নজরে পড়েন সাই। ২০২১ সালে ঘরোয়া লিগে তাঁর ব্যাটিং দাপট দেখে সাদা বলের ক্রিকেটে রাজ্য দলের হয়ে মাঠে নেমে পড়েন। পরের বছর রনজিতে খেলেন। এভাবেই বেড়ে ওঠা। ২৩ বছরের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান সাই গতবছর অস্ট্রেলিয়া এ দলের বিরুদ্ধে সে়ঞ্চুরি করেন। পাশাপাশি আইপিএল তো ছিলই। ২০২৩ আইপিএল ফাইনালে ধোনিদের বিরুদ্ধে ৪৭ বলে ৯৬ রান করেন। সেবার গুজরাট হেরে গেলেও সাইকে নিয়ে তখন থেকে ঝড় শুরু হয়ে যায়। এবারও আইপিএলে নজর কেড়েছেন। তাই জাতীয় সিনিয়র দলে তাঁকে নিতে অনেকেই কথা বলা শুরু করে দেন। তখনও রোহিত শর্মা টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেননি। রোহিত থাকলে সাই কোথায় খেলবেন। দলে আছেন শুভমান গিল, যশ্বসী জয়সওয়াল। তা হলে রিজার্ভ ওপেনার হিসেবে তিনি দলের সঙ্গে ইংল্যান্ড যেতে পারেন। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেট থেকে রোহিতের অবসরের ঘোষণার পর সাইয়ের সামনে বন্ধ দরজা খুলে যায়। এখন শুধু টেস্ট অভিষেক হওয়ার অপেক্ষা। ২০ জুন লিডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম টেস্টে মাঠে নেমে পড়তে পারেন সাই সুদর্শন। লিডস টেস্টে দলে এলে কোথায় খেলবেন সাই। তিনি ওপেন করেন। জাতীয় দলেও কি ওপেনার হিসেবে মাঠে নামবেন! এখানেই প্রশ্ন। টিম ম্যানেজমেন্ট কি সিদ্ধান্ত নেন, এখন সেটাই দেখার। ভারতীয় দলে ওপেনিংয়ে অনেকে আছেন। তিনজনের নাম শুরুতেই চলে আসে। তাঁরা হলেন কে এল রাহুল, শুভমান গিল, যশ্বসী জয়সওয়াল। এঁদের সঙ্গে যোগ হচ্ছেন সাই সুদর্শন। তা হলে কি হবে। সুদর্শন কি ওপেন করবেন! হতে পরে। আবার নাও পারেন। রাহুলকে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট মিডল অর্ডারে খেলাবার কথা ভেবে রেখেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে পারথ টেস্টে পেন করতে নেমে রাহুল সেঞ্চুরি করেছিলেন। পরে রোহিতের জন্য নিজের জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলেন। এবার রোহিত নেই। বিরাট নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলার জায়গা এখনও আসেনি। তাই রাহুলকে শুরুতে নিয়ে আসার ভাবনা নেই। তা হলে যশ্বসীর সঙ্গে সাইকে এনে শুভমান তিনে! যশ্বসী বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। সাইও তাই। তেমন হলে যশ্বসীর সঙ্গে শুভমান ওপেনে গিয়ে সাই তিনে খেলতে পারেন। সে যাই হোক, সুদর্শন খেলছেন। হয়ে ওপেনে, নয়তো তিনে। এখন দেখার ব্যাপার এটাই যে তিনি ইংল্যান্ডের মাঠে কি করতে পারেন। সাফল্যের ধারবাহিকতা ধরে রাখতে পারবেন, নাকি নতুন পরিবেশে নিজকে মানাতে গিয়ে হোঁচট খাবেন। সময় সব কিছু বলে দেবে।
আইপিএল খেলতে নারাজ অসিরা

এই মুর্তিতে ফের কি শুরু হওয়া আইপিএলে দেখা যাবে প্যাট কামিন্সকে!
বিধ্বস্ত মায়ামিকে দঁাড়িয়ে দেখলেন মেসি
দ্বিতীয়ার্ধে দলের হয়ে একমাত্র গোল উদযাপনে মেসি।