বিরাটকে শ্রদ্ধা জানাতে কেকেআর ম্যাচে আরসিবি ফ্যানরা সাদা জার্সিতে মাঠে থাকবেন

এ এক অভিনব শ্রদ্ধা। তাঁদের ভাবনাকে স্যালুট জানাতে হয়। হ্যাঁ, আরসিবি ফ্যানরা ১৭মে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসবেন সাদা জার্সিতে। সত্যি এ এক অবাক করার মতো ব্যাপার। আইপিএলে আরসিবি সাধারনত লাল-কালো জার্সিতে মাঠে নামে। কখনও তাঁদের আবার সবুজ জার্সিতেও খেলতে দেখা যায়। কিন্তু এবার অন্য ভূমিকায় দেখা যাবে বিরাট কোহলি ফ্যানদের। কেন এমন ভাবনা! সোমবার টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন বিরাট কোহলি। পাঁচদিনের ক্রিকেটের ফরম্যাট তাঁর পছন্দের। সেই ফরম্যাট থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। এটা কতটা কষ্টের তা আরসিবি ফ্যানরই শুধু নয়, জানে গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। সেই মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানাতে আরসিবি ফ্যানরা এক বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। সবাই টেস্টের সাদা জার্সিতে মাঠে আসবেন। এবং এক বার্তায় তাঁরা সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছেন, আপনারা এই ম্যাচ মিস করবেন না। সবাই আসুন। এটাই সঠিক সময় আমাদের সকলের তরফ থেকে বিরাটকে শ্রদ্ধা জানানোর। আবেদনে আরও অনেক কিছু লেখা আছে। এই অবাক করা কান্ড ঘটাতে হলে আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন। তার জন্য ফ্যানরা চাঁদা তুলছেন। সেই টাকা দিয়ে তর স্টেডিয়ামের বাইরে সাদা জার্সি হাতে নিয়ে দাঁড়াবেন। মাঠে যাঁরা আসবেন, তাঁদের সকলের হাতে সেই টি শার্ট তুলে দেবেন। চাহিদা একটাই- সাদা জার্সি গায়ে মাঠে প্রবেশ করুন। এটাই বিরাটকে শ্রদ্ধা জানানোর সেরা পন্থা। শোনা যাচ্ছে, ফ্যানদের এই আবেদন দারুনভাবে সাড়া ফেলেছে। সবাই চান এমন কিছু করা হোক যা বিরাটকে বরন করে নেওয়ার ক্ষেত্রে সেরা হয়ে থাকবে। বিরাট সম্ভবত বৃহস্পতিবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে দলের সঙ্গে আসবেন প্র্যাকটিস করতে। বিরাটরা এবারের আইপিএলে ভাল জায়গায় আছে। প্লে অফ খেলা প্রায় নিশ্চিত। এখন অপেক্ষা কেকেআরকে হারিয়ে প্লে অফ খেলা পাকা করা। সেই প্র্যাকটি দেখতে স্টেডিয়ামে অনেক মানুষ আসবেন। আগেও তাঁরা এসেছেন। এবারের আসাটা অন্য কারনে। টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর ঘরের মাঠে আরসিবি খেলতে নামছে। একথাও বলা যায় যে বিরাটের সেকেন্ড হোম এখন বেঙ্গালুরু। সেখানে তিনি সাদা বলের ক্রিকেটে ব্যাট হাতে মাঠে নামবেন। এবং সেখানেই ফ্যানদের অভিনব পন্থা। ফ্যানদের এই উপহারে বিরাট কি সহজ ও স্বাভাবিক থাকতে পারবেন। মনে হয় না। তিনিও মানুষ। ১৮ বছর ধরে এই ফ্যানদের জন্য কিছু একটা করার চেষ্টা তিনি চালিয়ে এসেছেন। এবারও লক্ষ্যে ছুটছেন। পারবেন কি বিরাট আইপিএল ট্রফি ফ্যানদের জন্য জিততে। এমনটা হলে সেটাই হবে ফ্যানদের কাছে তাঁর সেরা উপহার।
পোপকে খেলার প্রস্তাব দিলেন সিনার

পোপের হাতে রাকেট তুলে দিয়ে খেলার প্রস্তাব দিলেন সিনার
বৃষ্টিতে খেলা বাতিল হতে পারে, তাই আইপিএল ফাইনাল সরতে চলেছে

এখনও সরকারিভাবে ভারতীয় ক্রিকেট কর্তারা কিছু জানাননি। কিন্তু ভারত-পাকিস্তান লড়াই শেষ হওয়ার পর আইপিএল নিয়ে ভাবনা চিন্তার মাঝে উঠে আসে ইডেন থেকে ফাইনাল সরানো হবে। সেই ম্যাচ নিয়ে যাওয়া হবে আমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এমন কি প্লে অফে একটি কোয়ালিফায়ার ম্যাচ হওয়ার কথাও ছিল কলকাতায়। সেই ম্যাচও হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। কেন ম্যাচ সরানো হবে! এ নিয়ে সিএবির তরফ থেকেও কোনও কিছু জানানো হয়নি। শুধু বলা হচ্ছে যে বোর্ডের কাছ থেকে আমরা কিছু খবর পাইনি। তাই নিশ্চিত করে কিভাবে বলব! আগে জানি, তারপর আমরা জানিয়ে দেব। বোঝা গেল পাশ কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। তাঁরা কি বলবেন। নতুন করে কিছু তো বলার নেই। বোর্ড জানিয়ে দিলে সেই কথায় সিলমোহর দিয়ে বাংলার ক্রিকেট কর্তারা মিডিয়ার সামনে নিয়ে আসবেন। ততদিন মুখে কুলুপ এঁটে থাকই ভাল। ফাইনাল তো বটে, কোয়ালিফায়ারও সরে গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কেন ফাইনাল সরানোর কথা বলা হচ্ছে। বোর্ডের কাছ থেকে যে ইমেল সিএবিতে এসেছে, সেখানে লেখা আছে বৃষ্টির কারনে ফাইনাল বানচাল হতে পারে। সেই বৃষ্টির হাত থেকে ফাইনালকে বাঁচাতে ম্যাচ সরানোর কথা ভাবা হচ্ছে। এর অন্য কোনও ব্যাখ্যা নেই। কিসের বৃষ্টি! শক্তির দাপটে সব কিছু লন্ডভন্ড হয়ে যেতে পারে। আবহাওয়া দপ্তর থেকে শক্তির ব্যাপারে এখনও কিছু জানা যায়নি। আর যদি সেই দাপটে সব কিছু লন্ডভন্ড হয়েও যায়, তাতে ফাইনাল কেন আটকে যাবে। ২৩ মে থেকে ২৫ মের মধ্যে আবহাওয়া হঠাৎ বদলে যেতে পারে। যদিও তা মানছে না আবহাওয়া দপ্তর। মেনে নিলেও ফাইনাল হওয়ার কথা ৩ জুন। সেখানে বৃষ্টি কোথায়! বলা হচ্ছে বৃষ্টি এলেও তা ম্যাচ বাতিল করে দেওয়ার মতো হবে না। কিছুটা বাধার সৃষ্টি করতে পারে। এর বেশি কিছু নয়। তা হলে বোর্ডের কাছে এমন খবর কোথা থেকে এল। এটাই এখন চাপে ফেলে দিয়েছে বাংলার ক্রিকেট কর্তাদের। আইপিএল শুরুর আগে ঘোষণা হয়েছিল, কেকেআর গতবারের চ্যাম্পিয়ন দল বলে এবারের ফাইনাল কলকাতায় হবে। শুধু ফাইনাল নয়, প্লে অফে একট কোয়ালিফায়ার ম্যাচও ইডেন পাচ্ছে। এখন দেখা যাচ্ছে সব কিছু হাতের বাইরে চলে গেল। ত হলে এবারের মতো ইডেনে আইপিএল শেষ! কারন, কেকেআরের লিগের বাকি দুটি ম্যাচ বাইরের মাঠে হবে। সূচি এখনও সামনে না এলেও শোনা যাচ্ছে শনিবার বা রবিবার কেকেআর বেঙ্গালুরুতে খেলবে আরসিবির বিরুদ্ধে। পরের ম্যাচ হায়দরাবাদে। প্রতিপক্ষ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তাই প্লে অফ ও ফাইনাল সরে গেলে ইডেনে এবার আরে কোনও ম্যাচ দেখতে পাবেন না ক্রিকেটপ্রেমীরা। অজিঙ্কে রাহানেরা বৃহস্পতিবার চিন্নাস্বামীতে প্র্যাকটিসে নামছে। আসলে লিগের প্রস্তুতি তারা শুরু করে দিতে চায়। ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। মাথাব্যথা বিদেশিদের নিয়ে। তবে রাসেল, নারাইন ও পাওয়েলরা দুবাইয়ে থাকায় সেখান থেকে বেঙ্গালোর আসায় সমস্যা নেই। গুরবাজ কাবুল থেকে দুবাই এসে ভারতে ঢুকবেন। তবে তাঁদের নিয়ে আপডেট এখনও পর্যন্ত কেকেআর শিবির থেকে জানানো হয়নি। না জানালেও এটা ধরে নেওয়া যে আরসিবি ম্যাচে বিদেশি নিয়ে চিন্তা থাকবে না রাহানেদের।
টেস্ট ক্রিকেটে বিরাটের অবসর ইতিহাসের পাতায় আলাদা জায়গা পাবে: শর্মা

এই শর্মা হলেন রাজকুমার শর্মা। বিরাট কোহলির ছেলেবেলার কোচ। দশ বছর বয়স থেকে শুরু করে বিশ্ব ক্রিকেটে মেগাস্টার বিরাট। অনেকেই ছেলেবেলার কোচকে ভুলে যান। মনে রাখতে চান না। কিন্তু বিরাট অন্যজাতের মানুষ। এখনও রাজকুমারকে নিয়ে তিনি নানা মহলে কথা বলেন। বিদেশে তাঁর খেলা দেখার জন্য সব ব্যবস্থা করে দেন। দিল্লিতে থাকলে প্রায়ই রাজকুমারের ক্যাম্পে গিয়ে ছোট বাচ্চাদের উৎসাহ দেন। তাঁদের সঙ্গে মাঠেও নেমে পড়েন। এসব থেকে বোঝা যায় যে কোচের সঙ্গে বিরাটের সম্পর্ক এখও অটুট আছে। তো সেই রাজকুমার এখন কি বলছেন! বিরাটের অবসরে মানসিক দিক থেকে অনেকটাই ভেঙ্গে পড়েছেন। অনেকের মতো তাঁর কাছেও কোনও আভাস ছিল ন। তবে বিরাটের এই সিদ্ধান্তকে তিনি সন্মান করেন। স্যালুট জানান। বলছেন, ও যা করে তাতে আমার সব সময় সায় থাকে। জানি হঠাৎ করে কোনও সিদ্ধান্ত বিরাট নেয় না। অনেক ভাবনা চিন্তা করে এই জায়গায় এসেছে। কোনও ক্রিকেটার অবসর হঠাৎ করে নিয়ে ফেলে না। ভাবতে সময় নেয়। বিরাটও করেছে। তারপর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে। এ ব্যাপারে একটা কথাই বলব, টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিরাটের অবসর ইতিহাসের পাতায় আলাদা জায়গা পাবে। ক্রিকেট বিশ্ব যখন বিরাটকে চাইছে, তখন নিজেকে সরিয়ে নিল। এটাও জানতে হয়। সেই কাজটা করে ক্রিকেট দুনিয়াকে চমকে দিল। তাই ওর সিদ্ধান্ত ক্রিকেট মহল মনে রাখবে। এখানেও বিরাটের আলাদা কীর্তি। বিরাটের কথায় দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দেখতে গিয়েছিলেন। খেলা শেষে বিরাট নিজে ফোন করে জানতে চেয়েছিলেন, কেমন লাগল তাঁর ইনিংস। রাজকুমার বলেন, বিরাটের সব ম্যাচই দেখি। কখনও মাঠে বসে। কখনও আবার টিভির পর্দায়। কোনও ম্যাচ বাদ যায় না। ফোন করলে কথা বলি। জানতে চায় কোনও ভুল চোখে পড়ল কিনা। কী বলব! ওর সব ইনিংস আমার ভাল লাগে। ফিটনেসকে এমন জায়গয় নিয় গিয়েছিল যে কোনও ক্রিকেটর ওর সঙ্গে পাল্লা দিতে পারবে না। তাই মনে হয়েছিল আরও কয়েক বছর খেলা চালিয়ে যাবে। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়াল। ওর মনে হয়েছে তাই এই কাজ করেছে। আগেই বলেছি, ওর সব কাজকে স্যালুট করি। ক্রিকেট দুনিয়ায় যা করেছে, তা কেউ ভুলে যেতে পারবে না। তরুনদের কাছে একজন আদর্শ ক্রিকেটার হয়ে উঠতে পেরেছিল। এটাও বলছি, কখন থামতে হয় সেটাও জানতে হয়। গোটা বিশ্ব চাইলেও ওর মনে হয়েছে এরপর টেস্ট ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়া উচিত নয়। তাই সরে দাঁড়িয়েছে। এটা তো ক্রিকেট দুনিয়ায় উদাহরন হয়ে থাকবে। বিরাট সব পারে, সেটা আরও একবার প্রমান করে দিল।
অবসর নিচ্ছি না, জানিয়ে দিলেন শামি

কদিন ধরে নানা মহলে কথাটা ঘুরপাক খাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিতে চলেছেন মহম্মদ শামি। সম্ভবত ইংল্যান্ড সিরিজে যাবেন না। তিনি যাবেন না বললে ভুল হবে, তাঁর পারফরম্যান্স দেখে নির্বাচকরা হয়তো দলে নেবেন না। সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন শামি নিজেই। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে লিখলেন, এমন খবর করার কোনও যুক্তি আছে বলে মনে হয় না। আমর সঙ্গে এ নিয়ে কেউ কোনও কথা বললেন না। নিজের মনে এমন কিছু লেখার কি দরকার ছিল। আসল রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির অবসরের সিদ্ধান্ত জানার পর অনেকে ধরে নিয়েছিলেন, সেই পথ ধরে হাঁটবেন শামিও। শোনা যাচ্ছিল, নির্বাচকরা তাঁর পারফরম্য়ান্সে খুশি নন। আইপিএলে মোটেও ছন্দে নেই তিনি। ২০২৩ বিশ্বকাপে শামি চার ম্যাচ মাঠের বাইরে থাকার পর ফিরে এসে চমক দিয়েছিলেন। বলা যায়, ভারতীয় বোলিংকে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। হ্যাঁ, বুমরা থাকার পরও একথা বলতে হচ্ছে। তারপর চোটের কারনে হারিয়ে যান শামি। প্রায় দেড় বছর এভাবে কেটে যায়. এরপর ফিট হয়ে মাঠে ফিরে এসে সেই মেজাজে তাঁকে দেখা যায়নি। এমনকি আইপিএলেও পুরনো চেহারায় তিনি নেই। কেন এমন হচ্ছে! এটাই মাথাব্যথার কারন হয়ে উঠেছে নির্বাচকদের। তাঁদের চোখে বুমরা পুরো ফিট নন। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কথা মাথায় রেখে তাঁকে পুরো সিরিজ নাও খেলানো হতে পারে। তাঁর সঙ্গে শামির অবস্থাও যদি এমন হয়, তা হলে দলকে টানবেন কে! তাই শামিকে নিয়ে দ্বিধায় নির্বাচকরা। এ খবর বাইরে আসার পর সবাই ধরে নিয়েছিলেন, শামিও হয়তো রোহিত ও বিরাটের পথে হাঁটবেন। এর পিছনে কারনও ছিল। সত্যি এবারের আইপিএলে শামিকে আগের চেহারায় দেখা যায়নি। গুজরাট টাইটান্স প্রথমবার আইপিএলে আসার পর শামি দলের বোলিংকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সেরা বোলারের শিরোপাও পেয়েছিলেন। টানা দুবছর ভাল পারফরম্যান্স করার পর থেকে শামি হারিয়ে গেলেন। চোট সারিয়ে দেশের হয়ে খেলতে নেমে চমক নেই। আইপিএলে সাড়ে দশ কোটি টাকায় তাঁকে কেনে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। কিন্তু কোথায় কি! তাঁর শেষ ম্যাচের কথা খুব তাড়াতাড়ি ভুলতে চাইবেন। শামি সেই ম্যাচে চার ওভারে দেন ৭৪ রান। আর একটু হলে আইপিএল ইতিহাসে রেকর্ডের খাতয় তাঁর নাম উঠত। এই শামিকে কেউ চেনেন না। তাই প্রশ্ন, তিনি কি ইংল্যান্ড সিরিজে নিজেকে প্রমান করতে পারবেন। পারলে ভাল, না হলে তাঁকে কিন্তু দল থেকে ছিটকে যেতে হবে। জল সেদিকে গড়িয়ে চলেছে। ইংল্যান্ড সিরিজে পাঁচ বা ছয় পেসার নিয়ে ভারতীয় দল যাবে। বুমরা ও শামি ছাড়াও দলে থাকার সম্ভাবনা সিরাজ, প্রসিদ্ধ, মুকেশ, আকাশদীপরা। তাই জায়গা পাকা করতে হলে আগের মেজাজে ফিরতে হবে শামিকে। এবং সেটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হয়, তত ভাল।
নীরজকে কর্ণেল পদ দিল সেনাবাহিনি

নীরজকে কর্ণেল পদ দিয়ে সম্মানিত করল সেনাবাহিনি
আনসেলোত্তিকে কোচ করায় প্রশ্ন তুললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট

১৯৬৫-র পর প্রথম কোনও বিদেশি কোচ নিয়োগ কল ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন। দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কার্লো আনসেলোত্তিকে। আর এবার সেই নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্বয়ং সে দেশের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন ব্রাজিল ফুটবল দলের জন্য কেন বিদেশি কোচ। ব্রাজিলেই অনেক ভাল কোচ আছেন বলে তিনি মনে করেন, তাই নিজের বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। প্রেসিডেন্ট অবশ্য আনসেলাত্তির দক্ষতা সম্পর্কে শ্রদ্ধাশীল। তারপরেও যদিও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “ইতালীয় আনসেলোত্তি কখনও ইতালির জাতীয় দলের কোচ হননি। কেন তিনি ইতালির সমস্যা সমাধান করতে পারছেন না? ২০২২ বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনই করতে পারেনি ইতালি।“ আনসেলোত্তিকে অবশ্য খুব ভাল ট্যাকটিশিয়ান বলে উল্লেখ করে লুলা বলেন, আশা করব প্রথমে ব্রাজিলকে বিশ্বকাপের মূলপর্বে তুলবেন এবং তারপর সম্ভব হলে বিশ্বকাপটা এনে দেবেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে সেলেকাওরা এই মুহূর্তে চতুর্থ স্থানে আছে। আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর ও উরুগুয়ের পরে রয়েছে ব্রাজিল।
আইপিএলের বাকি ম্যাচে চিয়ার লিডার ও ডিজে বন্ধের ডাক দিলেন গাভাসকর

১৭ তারিখ থেকে আবার শুরু হচ্ছে আইপিএল। ভারত-পাকিস্তান টেনশনের আবহে সপ্তাহ খানেক বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হচ্ছে, তবে বাকি ম্যাচগুলিতে চিয়ার লিডার ও ডিজে বন্ধের ডাক দিলেন সুনীল গাভাসকর। তাঁর বক্তব্য, পাকিস্তানের আক্রমণে যাঁরা নিহত হয়েছেন, তাঁদের পরিবারের মানুষদের সেন্টিমেন্টকে শ্রদ্ধা জানাতে এসব বন্ধ রেখে শান্তভাবে ম্যাচগুলি করা উচিত। সানি বলেন, “আমি আশা করব এসব বন্ধ করে ম্যাচগুলি এমন পরিবেশে হওয়া উচিত যাতে মৃতদের পরিবারের মানুষদের সেন্টমেন্টকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানো যায়।“ আরও বলেন, “খেলা হোক। দর্শকরা আসুন, কিন্তু এই ব্যাপারটা মাথায় রাখুন।“ এদিকে জানা যাচ্ছে, বিদেশি ক্রিকেটাররা বেশিরভাগই আসছেন বাকি ম্যাচগুলি খেলার জন্য। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের কয়েকজন ক্রিকেটার বাদ দিলে বাকিরা সকলেই চলে আসছেন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, কলকাতা নাইট রাইডার্স ও গুজরাট টাইটানস পুরো শক্তির দল নিয়েই খেলতে পারবে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ প্লে অফের দৌড় থেকে ছিটকে গেলেও বাকি ম্যাচগুবি খেলার জন্য আসছেন প্যাট কামিন্স ও ট্রেভিস হেড। তবে রাজস্থান রয়্যালসের জোফ্রা আর্চার ও সিমরন হেটমায়ারের আসা নিয়ে অনিশ্চয়তা আছে। তাদের বোলিং কোচ শেন বন্ডকেও সম্ভবত পাবে না রয়্যালস। আরসিবি পাবে না জস হ্যাজলউডকে। দিল্লি পাবে না মিচেল স্টার্ককে। বেঙ্গালুরুতে কেকেআর ও আরসিবি ম্যাচ দিয়ে ফের শুরু হবে আইপিএল। তবে কলকাতা থেকে ম্যাচ সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কারণ হিসাবে জানানো হয়েছে ওই সময় কলকাতায় বৃষ্টির পূ্র্বাভাস রয়েছে, অন্যদিকে আহমেদাবাদ, দিল্লি ও মুম্বইয়ের আবহাওয়া ভাল থাকবে, তাই ম্যাচগুলি সেখানে করার সিদ্ধান্ত।