ঘরোয়া লিগে ভূমিপূত্রের সংখ্যা বাড়ল

এবার থেকে ঘরোয়া লিগে পঁাচজন বাংলার ছেলেকে খেলা বাধ্যতামূলক করল আইএফএ। যা গতবছর ছিল চারজন। একজন বাড়িয়ে শুধু থেমে থাকল না আইএফএ। আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আগামীবছর ঘরোয়া লিগে সেই সংখ্যাটা গিয়ে পঁাচের জায়গায় ছয় হবে। যা এতদিন থেকে প্রতিটি দলকে জানিয়ে দিল আইএফএ। ফলে বাংলার ফুটবলারদের দলে অন্তর্ভুক্ত করানো নিয়ে আর কোনও সমস্যা থাকবে না। বৃহস্পতিবার আইএফএ ঘরোয়া লিগে নিয়ে আলোচনা সভায় বসেছিল। সেখানে একজন ভূমিপুত্র বাড়াবার প্রস্তাব আনতেই দুই প্রধান ইস্টবেঙ্গল ও মহামেডান আপত্তি জানায়। মোহনবাগান বৃহস্পতিবারের সভায় ছিলই না। তাই সবুজ-মেরুন শিবিরের বক্তব্য জানা যায়নি। কিন্তু দুই প্রধানের মূল বক্তব্য ছিল, ইতিমধ্যে তঁারা ঘরোয়া লিগের জন্য দলগঠন করে ফেলেছেন। তাই তঁারা জানতেন না। ফলে এবার যেন একসঙ্গে দুজন ভূমিপুত্রের সংখ্যা বাড়ানো না হয়। আইএফএ বক্তব্যটা যুক্তিসঙ্গত মনে করে সরে আসে। তখন ঠিক হয়, একজন বাড়ানো হবে। পরের বছর সেই সংখ্যাটা নিয়ে যাওয়া হবে ছয়ে। তারমানে ছয়জন বাংলার ছেলেকে প্রথম একাদশে রাখা বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে। এবার যা থাকছে পঁাচজন। ্এদিনের সভায় আরও ঠিক হয়েছে, ঘরোয়া লিগে প্রতিটি প্রিমিয়ার ডিভিসনে খেলা ক্লাবগুলো ৪০জন ফুটবলার সই করাতে পারবে। যারমধ্যে ভূমিপুত্রের সংখ্যা থাকা চাই ১৫জন। এরচেয়ে কম সই করালে চলবে না। এই প্রসঙ্গে নিজস্ব অভিমত ব্যক্ত করতে গিয়ে আইএফএ সভাপতি অজিত বন্দে্যাপাধ্যায় বলছিলেন, “বড় ক্লাবগুলোর একটা সমস্যা আছে আমরা তা মানছি। তাই তারা যা বলেছে তা এবার মেনে নেওয়া হয়েছে। তবে এতিদন থেকে আমরা প্রতিটি ক্লাবকে জানিয়ে দিচ্ছি, আগামী বছর এই সংখ্যাটা পাল্টে যাবে। ছয়জন হয়ে যাবে বাংলার ভূমিপুত্র। আর পঁাচজন আন্তরাজ্য ছাড়পত্র নিয়ে আসা ফুটবালররা খেলতে পারবে।” আগে থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া আছে বলে ২৫ জুন থেকে প্রিমিয়ার ডিভিসনের খেলা শুরু হবে। তবে এবার পুজো অনেক আগে হবে। তারজন্য আইএফএ চাইছিল দিন পঁাচেক এগিয়ে আনতে। যেহেতু সিদ্ধান্ত আগে থেকে নেওয়া হয়ে আছে তাই আর দিন বদল করা হয়নি। বৃহস্পতিবারের সভায় আরও ঠিক হল, প্রথম ম্যাচের আগে কমপক্ষে ২১জনকে সই করানো বাধ্যতামূলক। তার কমে সই করালে দলকে মাঠে নামতে দেওয়া হবে না। প্রশ্ন হল, ২৫ জুন লিগ শুরু করা সম্ভব হবে কি করে? যেহেতু প্রিমিয়ার ডিভিসনের উপর মামলা করে বসে আছে ডায়মন্ডহারবার দল? আইএফএ সভাপতি জানিয়ে দিলেন তাতে কোনও সমস্যা হবে না। তিনি বলছিলেন, “ডায়মন্ডহারবার মামলা করেছে ২০২৪-২৫ লিগের উপর। আমরা এবার চালু করছি ২০২৫-২৬ সালের লিগ। লিগটাই তো সম্পূর্ন আলাদা। তাই এই লিগকে আটকানো যায়না। সুতরাং লিগ করতে কোনও সমস্যা হবে না।” ্আইএফএ আশাবাদী কিছুদিনের মধ্যে মামলার রায় বেরিয়ে যাবে।
কোহলি ভারতীয় ক্রিকেটের পথপ্রদর্শক ঃ নাসের হুসেন

আবেগের শেষ নাম ছিল বিরাট কোহলি। (ফাইল চিত্র)
বন্ধু বিরাটকে আগে কেন পছন্দ করতেন না, জানালেন ডিভিলিয়ার্স

বিরাট কোহলি এবং এবি ডিভিলিয়ার্স – দুই বন্ধু, দুই সতীর্থ, দুই কিংবদন্তি। আর আরসিবিতে তাঁদের বন্ধুত্বটাও কিংবদন্তি হয়ে গিয়েছে। সেই বন্ধু কোহলির সম্পর্কে বিরাট মূল্যায়ন এবির। তিনি জানিয়ে দিলেন, বন্ধুত্ব হওয়ার আগে চিনতাম বিরাটকে, কিন্তু পছন্দ করতাম না। কারণ ও এত ভাল ক্রিকেটার এবং আমারই মত এত লড়াকু যে ওর বিরুদ্ধে খেলাটা ছিল সত্যিই খুব যন্ত্রণার। ১৪ বছর পর টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন বিরাট কোহলি। সেই অবসর নিয়ে বিশেষজ্ঞদের নানান মূল্যায়ন। নানা মত। কেন এত তাড়াতাড়ি অবসর নিলেন, সেটা নিয়ে বিস্ময়ও প্রকাশ করেছেন অনেকে। কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত তো বলেই দিয়েছেন তিনি এখনও নিবার্চক প্রধান থাকলে কোহলিকে সিদ্ধান্ত বদলাতে রাজি করাতেন। এবং বোর্ডের উচিত ছিল, কোহলিকে নেতৃত্ব দেওয়া। মনে করেন চিকা। এমন আবহেই কোহলি সম্পর্কে এমন মূল্যায়ন করে বন্ধুর প্রতি তাঁর কতটা শ্রদ্ধা, এবি বুঝিয়ে দিলেন আবার। ডিভিলিয়ার্স জানান, যখন দুজনে প্রতিপক্ষ দলে খেলতেন, তখন দুজনের একই রকম লড়াকু মানসিকতা হওয়ায় অনেক অসন্তাষ তৈরি হত। কিন্তু যখন ওকে ভালভাবে জানলাম, তখন আমরা ফ্যামিলি ফ্রেন্ড হয়ে উঠলাম। ভাই হয়ে উঠলাম। এবং উইকেটে দুজনের জুটিটাও উপভোগ করতে লাগলাম। ২০১১ সালে এবি আরসিবিতে যোগ দেন। ২০২১-এ আইপিএলের পর অবসর নেওয়ার আগে পর্যন্ত ১১ বছর কোহলির সঙ্গে জুটি বেঁধে খেলেছেন। আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা জুটি। আইপিএলের ইতিহাসে জুটিতে সবচেয়ে বেশি রান। ৭৬ ম্যাচে ৩ হাজার ১২৩ রান। দশটি শতরানের পার্টনারশিপ। সেই বন্ধুর অবসরের সময় এবি তো একটু বেশি আবেগপ্রবণ হবেনই!
জাদেজাকে নেতৃত্বে চান অশ্বিন

গিলের সঙ্গে কথোপকথনে অশ্বিন। পাশে উল্লসিত জাদেজার একটা মুহূর্ত। (ফাইল ছবি)
কোহলি-রোহিত অবসর নেওয়ায় প্যানিক করার কিছু নেই : সঞ্জয় মঞ্জরেকর

প্রায় একই সঙ্গে টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে গেলেন বিরাট কোহলি ও সঞ্জয় মঞ্জরেকর। আর তারপরই গোটা দেশে আলোচনা, এবার কী হবে? একসঙ্গে দুই তারকার অবসরে কতটা শূন্যতা তৈরি হবে ভারতীয় দলে, এ নিয়েও আলোচনা আছে। আর এ রকম সময়েই মুখ খুললেন সঞ্জয় মঞ্জরেকর। তিনি স্পষ্টভাষায় জানান, “প্যানিক করার কোনও কারণ নেই। আমাদের দেশে এত বেশি প্রতিভা, কেউ না কেউ জায়গা ভরাট করে দেবে।“ মঞ্জরেকর কয়েক বছর পিছিয়ে গিয়ে উদাহরণও তুলে ধরেন। অনেকটা একই সময়ে অবসর নিয়েছিলেন রাহুল দ্রাবিড়, ভিভিএস লক্ষ্মণ, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, সচিন তেন্ডুলকররা। সঞ্জয় বলেন, যখন প্রায় একসঙ্গে ফ্যাব ফোর অবসর নিয়েছিল, তখনও প্যানিক হয়েছিল, কিন্তু আমরা দেখেছিলাম, কয়েক বছরের মধ্যে ভারত টেস্টের এক নম্বর দল হয়ে উঠেছিল। তাই এখনও প্যানিক করার কোনও কারণ নেই। সঞ্জয় প্রবল আশাবাদি, কোহলি রোহিত না থাকলেও ভারত অন্যতম সেরা টেস্ট দল হিসাবেই থাকবে। তবে তিনি মনে করিয়ে দেন নতুন তারকাদের একটু সময় দিতে হবে। ভারতকে এক নম্বর করে রাখার প্রতিভা ও দক্ষতা আমাদের দেশে আছে। একটু অন্যভাবেও দেখার অনুরোধ করেন তিনি। বলেন, কোহলি-রোহিত দলে থাকা সত্ত্বেও তো নিউজিল্যান্ডের কাছে ০-৩ এ হেরেছি। বিশ্রিভাবে হেরেছি অস্ট্রেলয়ার কাছেও। তাই এই দলের হারানোর কিছু নেই। অল দ্য বেস্ট টিম ইন্ডিয়া!
আরশাদকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য নীরজের

পাকিস্তানের জ্যাভলিন থ্রোয়ার আরশাদ নাদিমের সঙ্গে ভারতের সোনার ছেলে নীরজ।
অবসরের পর প্র্যাকটিসে রোহিত, এরপর রাজনীতিতে!

রোহিত শর্মা কি নতুন ইনিংস শুরু করতে চলেছেন! ক্রিকেট মাঠের বাইরে এমনই গুঞ্জন। বলা হচ্ছে, এবার রাজনীতিতে নামতে পারেন রোহিত শর্মা। হঠাৎ করে কেন একথা ছড়িয়ে পড়ল! বুধবার সকালে মহারাস্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাডনাবিশের বাড়িতে যান রোহিত। সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকার ছাড়া কিছু নয়। রোহিতের হাতে মুখ্যমন্ত্রী ফুলের বুকে তুলে দেন। তাঁরা দুজনে বেশ কিছু সময় গল্প করে কাটান। কী কথা হয়েছে তা প্রকাশ্যে আসেনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রোহিত দেখা করতে এলে যা হয়, সেটাই হয়েছে। ক্যামেরার ঝলকানি। মিষ্টি মুখ। কোনও কিছু বাদ গেল না। এখানে ব্যাপারটি শেষ হয়ে গেলে এত কথার কিছু ছিল না। কিন্তু সেটা হল কোথায়! তাঁর বাড়ি থেকে রোহিত বেরিয়ে যাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র বিভিন্ন ছবি পোস্ট করে দেন। আর এখানেই চমক। দুয়ে দুয়ে চার হতে বেশি সময় লাগল না। হঠাৎ করে কেন রোহিত কেন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে। তবে কি রাজনীতিতে নামার পরিকল্পনা আছে হিটম্যানের। তিনি নিজে এ নিয়ে কোনও কথা বলেননি। আলাদা করে কিছু জানাননি মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্রও। কিন্তু তাতে কি হয়েছে। টি২০ ক্রিকেট থেকে গতবছর অবসর নিয়েছেন। এবার টেস্ট ক্রিকেট থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন। পড়ে রইল শুধু ওয়ান ডে ক্রিকেট। সেটাই বা কতদিন চলবে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি! আর তো কিছু করার থাকছে না। আইপিএল চালিয়ে গেলেও সেটাই বা কতদিনের বছরে দুই থেকে আড়াই মাস। বাকি সময় রোহিত করবেন কি! এখান থেকে গুঞ্জন শুরু হয়ে যায়। রোহিত হয়তো রাজনীতিতে নামতে পারেন। সে যাই হোক, রাজনীতিতে এলেও এখনই তা সম্ভব নয়। সেটা হয়তো আর দুবছর পার করে হতে পারে। রোহিত নিজে কি চাইছেন, সেটাও জানার ব্যাপার আছে। সরকারের কাছ থেকে কিছু দাবিও থাকতে পারে তাঁর। অ্যাকাডেমি করতে চান রোহিত। তার জন্য সরকারের কাছ থেকে জমি চাইতে পারেন। কিন্তু সেটাই বা হয় কি করে। রোহিতের অ্যাকাডেমি আছে। তিনি নিজে সেভাবে দেখভাল করতে পারেন না। তাঁর ভাই দায়িত্ব নিয়ে দেখেন অ্যাকাডেমি। তাই এমন কিছু ভাবনা তাঁর আছে বলে কেউ মনে করছেন না। যাই হোক, আগামিদিনে হয়তো রোহিতের পরিকল্পনা জানা যাবে। সকালে মুখ্যমুন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ফিরে আসার পর আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের খেলার প্রস্তুতিতে নেমে পড়েন রোহিত। প্র্যাকটিসে কোনও কিছু খামতি ছিল না। বোঝা গিয়েছে, মানসিক দিক থেকে তিনি নিজেকে অনেক সামলে নিয়েছেন। প্রায় এক সপ্তাহ হতে চলল টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। এখন থেকে শুধু সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁকে খেলতে দেখা যাবে। তার প্রথম ধাপ আইপিএল। ২১ মে ওয়াংখেড়েতে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে তাঁরা খেলতে নামবেন। পরের ম্যাচ পাঞ্জাব কিংস। লিগ টেবিলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স চার নম্বরে রয়েছে। ১২ ম্যাচে তারা ১৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে। প্লে অফ খেলতে হলে তাদের অন্তত একটি ম্যাচ জিততেই হবে। তাই প্রথম টার্গেট দিল্লির বিরুদ্ধে জয়। রোহিতের লক্ষ্যও তাই। হিটম্যানের কেরামতি ২১ মে থেকে শুরু হয়ে গেল।
নিষ্প্রভ মেসি, হতাশ মায়ামি
নিষ্প্রভ মেসিকে বারবার বাধা দিয়ে অকেজো করে দিল ভূমিকম্প বাহিনি।
বার্সাকে হতাশ করল রিয়াল
রিয়ালের হয়ে প্রথম গোল দিয়ে জেতানোর উচ্ছ্বাসে মেতে গেলেন রামন।