অবসরের পর ফের মাঠে বিরাট, কেকেআরকে চিন্তায় ফেলেছে বৃষ্টির পূর্বাভাস

আইপিএল ফাইনাল ইডেনে করতে হলে বৃষ্টির সঙ্গে লড়াই করতে হবে। তাই ৩ জুন আইপিএল ইডেন থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভাবনা বোর্ডের। ভাবনা বললে ভুল হবে। সরকারি সিলমোহর না পড়ায় নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে আমেদাবাদে ফাইনাল হওয়া একপ্রকার নিশ্চিত। ৩ জুন আসতে অনেক দেরি। তার আগে স্থগিত থাকা আইপিএলের প্রথমদিনের ম্যাচ বৃষ্টিতে ধুয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এমনই আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের খবরে। তাই চাপে কেকেআর। খেলা না হলে পয়েন্ট ভাগ হয়ে যাবে। আর তা হলে আরসিবির প্লে অফে চলে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন থাকবে না। কিন্তু কেকেআর। তারা ভেবেছিল ১৫ পয়েন্ট নিয়ে বসে থাকবে। যদি সুযোগ আসে তা হলে প্লে অফ খেলবে। না হলে বাপি বাড়ি যা। কিন্তু শনিবার খেলা না হলে কেকেআর বড় জোর ১৪ পয়েন্টে যেতে পারবে। সেটা হলে কেকেআরের প্লে অফ খেলার আশা ছেড়ে দিতে পারে। এমন হলে বেঙ্গালুরুর ম্যাচ কেন সরিয়ে নেওয়া হল না। কেন প্রশ্ন তোলা হল না এমন আবহাওয়া হলে বেঙ্গালুরুতে খেলা করা সম্ভব নয়। বোর্ড বলবে না। কারন ম্যাচ না হলে পয়েন্ট ভাগ হয়ে যাবে। আর এটা নিয়ে বোর্ড কর্তাদের মাথাব্যথা নেই। কিন্তু ফাইনালে তো পয়েন্ট ভাগ করা সম্ভব নয়। রিজার্ভ ডে থাকলে পরদিন খেলা হবে। তাই ইডেন চলে গেল হিসেবের বাইরে। সে যাই হোক, আরসিবি ম্যাচে ফিরে আসা যাক। টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর বিরাট কোহলি আবার মাঠে নামছেন। মনে হয় না এই ম্যাচে মানসিক দিক থেকে তিনি চাপ অনুভব করবেন। অনেক ভেবে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই নিজের ডেরায় খেলতে নামার আগে আবেগ কাজ করবে না। বরং আরসিবি ফ্যানদের কিছু ফিরিয়ে দিতে চাইবেন। ফিরিয়ে দেওয়া মানে ট্রফি জিতে তাদের হাতে তুলে দেওয়া। এবার সেদিকে ছুটবেন বিরাটরা। তবে লক্ষ্যে পৌঁছতে অনেকটা পথ ছুটতে হবে। বিরাট আছে। তাই স্বপ্ন দেখতে ক্ষতি কি। ইডেনে আইপিএলের প্রথম ম্যাচ হয়েছিল বিরাট বনাম রাহানের লড়াইয়ের মধ্যে। সেই ম্যাচে আরসিবি জিতেছিল। তাই ফিরতি ম্যাচে জয়ের সঙ্গে বদলা কথাটা জড়িয়ে আছে। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে প্রথমদিনের প্র্যাকটিসে রাহানের সঙ্গে দেখা হয় বিরাটের। এক সপ্তাদে ক্রিকেটের দুই নক্ষত্রের অবসরে রাহানেও অবক হয়ে গিয়েছেন। তাই দেখা হতে জড়িয়ে ধরেন বিরাটকে। কি কথা হল তা অবশ্য জান যায়নি। রাহানে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বললে হয়েতো কিছুটা জানা যেত। কিন্তু সেট আর হল কোথায়। নিজে না এসে পাঠিয়ে দিলেন মণীষ পান্ডেকে। এখন তাঁর কথা শুনে কি আর হবে। তাই সেদিকে কান না দিয়ে অঙ্কের হিসেবে সকলে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। আরসিবির খেলা বলে চমক দেওয়ার অপেক্ষায় আরসিবি ফ্যানরা। ম্যাচের থেকে তাঁদের নজর সেদিকে বেশি। তবু ক্রিকেট আছে। থাকবেও। আর তাঁদের মধ্যে থাকবেন বিরাট। একটা দারুন ইনিংসের সঙ্গে জয় দেখতে পেলে আরসিবি ফ্যানদের পয়সা উশুল। তবে পয়সা উশুল হবে কিনা তা নিয়ে চিন্তা থেকে যাচ্ছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, শনিবার সাড়ে সাতটা থেকে বৃষ্টি শুরু হবে। হালকা থেকে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। রাত যত বাড়বে, বৃষ্টি সেই হারে বাড়বে। তাই কেকেআরের চিন্তা সেই বৃষ্টি নিয়ে। পয়েন্ট ভাগ হয়ে গেলে শেষ ম্যাচের গুরুত্ব থাকবে না। তাই জয় দিয়ে শেষ করা ভাবনায় থাকলেও আবহাওয়া দপ্তরের আগাম খর তাদের স্বস্তি দিচ্ছে না। তাই খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা বেঙ্গালুরুতে বেড়েই চলেছে।
চিরতরে ঘুমের দেশে ধীমান দত্ত

প্রয়াত ধীমান দত্ত।
টুটুর পদত্যাগ নিয়ে বাগানে নাটক

দেবাশিস দত্তের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন সৃঞ্জয় বোস। শুক্রবার ভবানীপুর ক্লাব টেন্টে।
ময়দানে মশাল জ্বলছেই

ইস্টবেঙ্গল ম্যাচের একটা মুহূর্ত। (ফাইল চিত্র)
স্বমূর্তি ধারণ করছেন সিনার

ইতালিয়ান ওপেনে ধীরে ধীরে নিজেকে খুঁজে পাচ্ছেন সিনার।
শনিবার ফের শুরু হচ্ছে আইপিএল, প্লে অফের আশা বাঁচিয়ে রাখতে মরিয়া কেকেআর

শনিবার থেকে ফের শুরু হচ্ছে আইপিএল। বেঙ্গালুরুতে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর মধ্যে ম্যাচ দিয়ে আবার শুরু হবে টুর্নামেন্ট।আরসিবি এই ম্যাচ জিতলেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে যাবে। অন্যদিকে প্লে অফের ক্ষীণ আশা বাঁচিয়ে রাখতে জিততেই হবে কেকেআরকে।কিন্তু আবহাওয়ার জন্য ম্যাচ হওয়া নিয়ে রয়েছে ঘোরতর অনিশ্চয়তা। রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। তবে দুই দলই তৈরি। কেকেআর তারকা মনীশ পাণ্ডে জানিয়ে দিলেন, বেঙ্গালুরুতে খেলা তাঁর কাছে সব সময়ই স্পেশ্যাল। তাঁরা পেশাদার ক্রিকেটার তাই মাঝের বিরতির জন্য তাঁদের কোনও সমস্যা হবে না, বরং এই সময়টায় নিজেদের আরও গুছিয়ে নিতে পেরেছেন। প্লে অফের আশা জিইয়ে রাখতে শেষ দুটি ম্যাচ জিততে মরিয়া টিম কেকেআর, জানিয়ে গেলেন মনীশ। গতবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কেকেআর, কিন্তু এবার তেমন ছন্দে নেই। তবে মনীশরা মনে করেন দুটো পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। শনিবার সামনে আরসিবি। আর ২৫ তারিখে সামনে সানরাইজার্স, এই দুটি ম্যাচই এখন পাখির চোখ নাইটদের। প্লে অফের অঙ্ক খুবই জটিল। গুজরাট, আরসিবি, মুম্বই, পঞ্জাব – সবাই এগিয়ে রয়েছে কেকেআরের চেয়ে, তাই শুধু দুটি ম্যাচ জিতলেই হবে না, অন্য দলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। কেকেআরের অনুকূলে যেতে হবে বেশ কিছু ম্যাচের ফল। তবে সেসব নিয়ে না ভেবে নিজেদের ম্যাচ দুটি জিতে আশা বাঁচিয়ে রাখাই লক্ষ্য নাইটদের।
কেরলে আসছেন না মেসি

মেসি দর্শন থেকে বঞ্চিত হতে চলেছে কেরল।
এভারেস্ট জয় করেও ফেরা হল না সুব্রতর

এভারেস্ট জয় করেও ঘরে ফেরা হল না সুব্রতর।
ডায়মন্ডহারবারকে মডেল করে এগোতে চায় রেনবো

কলকাতা লিগ শুরুর আগে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করে দিল রেনবো এসি। বৃহস্পতিবার মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে নতুন লক্ষ্য নিয়ে পথ চলার অঙ্গীকার। অনির্বাণ আদিত্যসহ ম্যানেজমেন্টের সকলে তো ছিলেনই, উপস্থিত ছিলেন দলের ফুটবলাররাও। ছিলেন দলের টিডি দেবজিৎ ঘোষ। প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় যুক্ত হলেন রেনবো ক্লাবের সঙ্গে। তিনি জানিয়ে দিলেন ডায়মন্ডহারবার এফসিকে মডেল করে এগোবে রেনবো। কলকাতা প্রিমিয়র ডিভিসনের দল রেনবো এসি। টিডি দেবজিৎ ঘোযকে সামনে রেখে এগোচ্ছে তারা। এবার আরও কয়েকজন ভাল ফুটবলারকে নিয়ে দল গড়া হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে ফুটবলারদের হাতে জার্সি ও টুপি তুলে দেওয়া হল। ফুটবল দলকে নিয়ে নানান পরিকল্পনার রূপরেখা তৈরি হয়ে গেল। লিগের আগে ১৫ দিনের আবাসিক শিবির করবে রেনবো। রাজীব ব্যানার্জি জানান, তিনি ক্লাবের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে থেকেই কাজ করবেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যেভাবে তিনি ডায়মন্ডহারবারকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন, সেই মডেলেই এগোবে রেনবো। প্রসঙ্গত তিন বছরের মধ্যে আইলিগে ঢুকে পড়েছে ডায়মন্ডহারবার। কিবু ভিকুনাকে সামনে রেখে দ্রুত গতিতে উথ্থান। এটাই উদ্দীপ্ত করছে রেনবোর কর্মকর্তাদের। আগামি দিনে রেনবোকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর তাঁরা।
আইপিএল ফাইনাল নিয়ে নাটক, ২০ দিন আগে বোর্ড কোথা থেকে খবর পেল ৩ জুন কলকাতায় বৃষ্টি হবে

ইদানীং আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর অনেক কিছু প্রায় মিলিয়ে দিচ্ছে। কবে বৃষ্টি হতে পারে! কতক্ষণ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা! এমন অনেক কিছু সামনে নিয়ে আসছে যা পরে সঠিক হিসেবে প্রমান হচ্ছে। তাই বলে শহরে কবে বৃষ্টি হবে তা ২০ দিন আগে বলা সম্ভব নয়। একটা আভাস দেওয়া যেতে পারে। এর বেশি নয়। অদ্ভুত ব্যাপার এটাই যে আইপিএল ফাইনাল নিয়ে কিছুদিন আগে থেকে নাটক শুরু হয়ে গিয়েছে। বোর্ডের কাছে খবর, আইপিএল ফাইনাল বৃষ্টিতে ধুয়ে যেতে পারে। কোথা থেকে এমন খবর পেলেন। হয়তো গুগল দেখে নিশ্চিত হয়েছেন। তাই বলে গুগলের কথা একশো শতাংশ নিশ্চিত করে ধরা হচ্ছে কেন! একথাও শোনা যাচ্ছে, ৩ জুন আইপিএল ফাইনালের দিন ৩৪ শতাংশ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এটা অবশ্য আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানায়নি। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বলেন, এত আগে থেকে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। পাঁচ বা সাতদিন আগে আবহাওয়া নিয়ে অনেকটাই পাকা খবর দেওয়া যেতে পারে। তার আগে নয়। কিছুটা আন্দাজ করা যেতে পারে। এর বেশি নয়। আইপিএল ফাইনাল হাতছাড়া হচ্ছে! সঙ্গে প্লে অফের আরও একটি ম্যাচ। এমন আভাস বাংলার ক্রিকেট কর্তারা কিছুদিন আগেই পেয়ে যান। ভারত-পাকিস্তান লড়াই স্থগিত হওয়ার পর আইপিএল নতুন করে শুরু করার পরিকল্পনা করেন বোর্ড কর্তারা। টুর্নামেন্টের দিনক্ষণও জানিয়ে দেন। বলা হয়, ১৭ মে আইপিএল শুরু। কোথায় খেলা হবে! সেই সেন্টারগুলির নামও জানানো হয়। বোর্ড ৬টি সেন্টারে আইপিএলের বাকি ম্যাচ ( ১৭টি ম্যাচ) শেষ করতে চায়। সেই সেন্টারগুলির মধ্যে কলকাতার নেই। এই ১৭টি ম্যাচের মধ্যে কিন্তু ফাইনালও রয়েছে। এর অর্থ, প্লে অফের ম্যাচের সঙ্গে ফাইনালও শহর থেকে চলে যাবে। এখানে আরও একট চালাকি আছে। বলা হয়, বোর্ডের তরফ থেকে বলা হয়, প্লে অফ কোথায় হবে তা পরে জানানো হবে। কিন্তু সেন্টার বাছাইয়ের সময় কলকাতার নাম এল না কেন! কেকেআর প্লে অফ খেলার যোগ্যতা পাবে কিনা তা নিয়ে সবাই সংশয়ে। লিগের বাকি দুটি ম্যাচ জিতলেও প্লে অফ নিশ্চিত নয়। এটা সকলে ধরেই নিয়েছেন। হয়তো বোর্ডও তাই ভেবেছে। সেই কারনেই কি লিগের বাকি ম্যাচের সঙ্গে একটি প্লে অফ ও ফাইনাল ম্যাচে কলকাতার নাম লেখা হল না! হতে পারে। বোর্ড সরকারিভাবে এখনও কিছু জানায়নি। তবে ইশারায় বুঝিয়ে দিয়েছে কলকাতাকে হিসেবের মধ্যে রাখা হচ্ছে না। কেন! ওই যে শুরুতে বলা হয়েছে, বৃষ্টি হতে পারে। বাংলার ক্রিকেট কর্তারা একশো ভাগ নিশ্চিত হতে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ইমেলে প্রশ্ন করা হয় চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে জুনের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত শহরের আবহাওয়া কেমন থাকবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর মেলের জবাবে জানায় এত আগে থেকে এর উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। অন্তত পাঁচদিন আগে বলা যেতে পারে। এখানেই প্রশ্ন, আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর যেখানে উত্তর দিতে পারছে না, সেখানে বোর্ড ২০ দিন আগে কী করে নিশ্চিত হয়ে গেল। তা হলে কি কলকাতাকে ম্যাচ না দেওয়ার ফন্দি। ফাইনাল সরিয়ে আমেদাবাদে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। তেমনই তো মনে যাচ্ছে। কলকাতাকে আটকাতে বোর্ড আবার ব্রডকাস্টারদের সামনে নিয়ে এসেছে। বলা হচ্ছে, টুর্নামেন্ট এক সপ্তাহ পিছিয়ে যেতে তাদের সমস্যা হয়েছে। এরপর বৃষ্টিতে কোনও ম্যাচ ভেসে গেলে তখন আবার নতুন করে ঝামেলা। কলকাতায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে ম্যাচ বাতিল হতে পারে। তাই এমন জায়গায় ম্যাচ করা হোক, যেখানে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তা হলে কি দাঁড়াল। বন্দুক ব্রডকাস্টারদের ঘাড়ে রাখা হল। নিজেদের দোষ ঢাকতে এমন চাল চালল বোর্ড। বাংলার ক্রিকেট কর্তারাওও হাত গুটিয়ে নেই। বোর্ডের পাঠনো মেলের জবাবে তাঁরা জানিয়েছেন, ৩ জুন ইডেনে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও ম্যাচ বাতিল হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হবে না। আর ইডেনে বৃষ্টি হলেও ম্যাচ করা সম্ভব। বৃষ্টি থামার ৪৫ মিনিটের মধ্যে ম্যাচ শুরু করা যাবে। ইডেন ভারতের অন্যতম স্টেডিয়ামের মর্যাদা এমনি পায়নি। সব দিক থেকে ইডেন তৈরি। তা হলে হঠাৎ করে আইপিলের প্লে অফের একটি ম্যাচ ও ফাইনাল সরিয়ে নেওয়ার কথা উঠছে কেন! বাংলার ক্রিকেট কর্তারা লড়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তাঁরাও জানেন এই লড়াইয়ে জেতা কঠিন। বোর্ড যখন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, তখন সেই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়াবে না। সেই সিদ্ধান্ত অন্যায় হলেও ক্ষতি নেই। আমেদাবাদে ভারতীয় ক্রিকেটের মেগা অনুষ্ঠান করার ভাবনা বোর্ড সচিব জয় শাহর আমল থেকে শুরু হয়েছে। এখন তিনি আইসিসি চেয়ারম্যান হলে কি হয়েছে। তাঁর ইচ্ছে বা ভাবনার কদর তো হারিয়ে যেতে পারে না। বাংলার ক্রিকেট কর্তারা যাই বলুন, বৃষ্টিকে সামনে এনে, ব্রডকাস্টারদের দোহাই দিয়ে ম্যাচ সরিয়ে নেওয়া হবে। এতে কার কি করার আছে। ওই যে কথায় আছে- জোর যার, মুলুক তার…! এখানেও তাই।