সাফে সেরা ভারত

বাংলাদেশকে হারিয়ে জয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে গেলেন ভারতীয় জুনিয়র ফুটবলাররা।
ভারতকে নিয়ে পাকিস্তান হকি বিপাকে

২০২৩ সালে এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতে খেলতে আসা নিয়ে ওয়াঘা সীমান্তে অপেক্ষায় দঁাড়িয়ে পাকিস্তান হকি দল।
পাঞ্জাব এগোচ্ছে, বৈভব-যশ্বসীর ঝোড়ো ইনিংসেও রাজস্থানকে জেতাতে পারল না

পাঞ্জাব কিংস: ৫ উইকেটে ২১৯ (২০ ওভার) রাজস্থান রয়্যালস: ৭ উইকেটে ২০৯ (২০ ওভার) রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন টস করতে এসে জনিয়েছিলেন, বৈভবকে ওপেনার ছাড়া অন্য কিছুতে তাঁরা ভাবছেন না। বৈভব এত ভাল খেলছে যে ওকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে রাজি নই। তাই আমি ওপেন থেকে তিনে নেমে আসব। যে ভাল খেলছে তাকে সন্মান জানাতেই হবে। এখানে বয়স ব্যাপার নয়। যে ভাল খেলছে, তার সম্পর্কে এর বেশি কিছু বলার দরকার নেই। পাঞ্জাবের বড় ইনিংসে (৫ উইকেটে ২১৯) জবাব দিতে নেমে শুরুটা অবশ্য বৈভব করেননি। অর্শদীপকে মেরে রান তোলার দিকে বেশি নজর দেন যশ্বসী। প্রথম ওভারে আসে ২২ রান। তারপর উল্টোদিকে থাকা বৈভব হাল ধরেন। তিনিও কম যাননি। বড় ইনিংসকে চ্যালেঞ্জ জানাতে হলে এমন মারকাটারি ইনিংস খেলার দরকার পড়ে। সেটাই রাজস্থানের দুই ওপেনার শুরু থেকে করতে থাকেন। মানসিক দিকে থেকে যশ্বসী অনেক বেশি অভিজ্ঞ। তুলনায় বৈভব কিছুটা হলেও পিছিয়ে। কিন্তু সেটা মাঠে আর দেখা যাচ্ছে কোথায়! মাত্র১৫বল খেলে ৪০ রান করে আউট হলেন বৈভব।এর মধ্যে ছিল ৪টি বাউন্ডারি ও ৪টি ওভার বাউন্ডারি। সব থেকে বড় কথা এই ফরম্যাটে সবাই স্ট্রাইক রেটের দিকে তাকিয়ে থাকেন। বৈভবের ইনিংসে স্ট্রাইক রেট ২৬৬.৬৬। ভাবা যায়! ১৪ বছরের বৈভবের হাতে মার খেতে দেখা গেল এই ফরম্যাটে ভয়ঙ্কর অর্শদীপকেও। তিনি ২ ওভারের দেন ৩৮ রান। পাওয়ার প্লে -তে রাজস্থান তোলে ১ উইকেটে ৮০ রান। ব্যক্তিগত ৪০ রানে ব্রা-র কাছে হার মানেন বৈভব। আউট হয়ে কিছুক্ষণ উইকেটে তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন। বিশ্বাস করতে পারছিলেন না এভাবে তাঁকে আউট হয়ে ফিরতে হবে। ৭৯ রানে প্রথম উইকেট পড়ার পর জয়পুরের মানুষ ভেবেছিলেন পাঞ্জাবের রান টপকে ম্যাচ বের করে নেবেন স্যামসনরা। প্লে অফ খেলার জায়গায় তাঁরা নেই। কিন্তু ম্যাচে জিতে আইপিএল শেষ করতে পারলে মানসিক দিক থেকে তো চাঙ্গা থাকা যায়। সেটা হলে দলের অন্দরমহলের চেহারা বদলে যায়। কিন্তু বৈভব আউট হওয়ার পর যশ্বসী দলের রানকে সেভাবে টেনে নিয়ে যেতে পারেননি। জয়পুরের প্রচন্ড গরমে কাহিল হয়ে পড়েছিলেন। তারপর উল্টোদিকের উইকেটে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন, একটার পর একটা উইকেট চলে যাচ্ছে। স্যামসন, পরাগ কেউ দাঁড়াতে পারলেন না। মাঝে ধ্রুব জুরলে (৫৩) দলকে টানলেন। তিন্তু দলকে জেতানোর জন্য সেই রান যথেষ্ট ছিল না। অনেকটা এগিয়েও শেষ রক্ষ হল না। রাজস্থান ২০৯ রানে আটকে গেল। পাঞ্জাব দশ রানে ম্যাচ জিতে প্লে অফের দিকে এক পা সামনে ফেলল। এই মরশুমে রাজস্থান বিরাট কিছু করতে পারেনি। লিগ টেবিলের দিকে তাকালে সেটা মনে হবে। কিন্তু মাথায় রাখতে হবে যে তারা চারটি ম্যাচে দশ বা তার কম রানে ম্যাচ হেরেছে। একটি ম্যাচ হেরেছে সুপার ওভারে। সেই ম্যাচের রেজাল্ট উল্টো হলে বলা য়ায় না রাজস্থান প্লে অফ খেললেও খেলতে পারত। সেটা হল না বলে তাদের খেলা নিয়ে কথা উঠতেই পারে। পাঞ্জাব জিতলেও তাদের শুরুটা একদম ভাল হয়নি। দলের ৩৪ রানে মধ্যে তিন উইকেট চলে যায়। মিডলঅর্ডারে এসে নেহাল (৭০) ও অধিনায়ক শ্রেয়স (৩০) ম্যাচ ধরেন। পরে এসে শশাঙ্ক সিং ৩০ বলে ৫৯ রানের একটা ঝোড়ো ইনিংস খেলে দিতে পাঞ্জাব দুশো রানের গন্ডী পার করে। তারপর বোলিংয়ে হরপ্রিত ব্রার (২২ রানে ৩) নজর কেড়ে ম্যাচের সেরা হন। চাহাল উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে ব্যাটসম্যানদের আটকে দেন। জিতে পাঞ্জাব ১২ ম্যাচে ১৭ পয়েন্টে দাঁড়াল। রাজস্থান ১৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে ৯ নম্বরে দাঁড়িয়ে।
রোহিতকে ওপেনারে আনা ভুলেননি শাস্ত্রী

টেস্ট ক্রিকেট শুরুর আগে রোহিতের সঙ্গে করমর্দন করছেন শাস্ত্রী। (ফাইল চিত্র)
মোদির বার্তায় আপ্লুত নীরজ

নীরজ চোপড়াকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। (ফাইল চিত্র)
বিরাটকে ভারতরত্ন দিয়ে সন্মান জানানো হোক: রায়না

ভারতীয় ক্রিকেটে একজন ক্রিকেটারকে এমন সন্মান দেওয়া হয়েছে। তিনি আর কেউ নন, শচীন তেন্ডুলকর। ভারতীয় ক্রিকেটে তাঁর অনবদ্য পারফরম্যান্সের কথা মাথায় রেখে সরকারের পক্ষ থেকে এই সন্মান দেওয়া হয়। তারপর ভারতীয় ক্রিকেটে কারোর নাম এই সন্মানের জন্য ভাবা হয়নি। জাতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার সুরেশ রায়না শনিবার এক টিভি চ্যানেলে বিরাট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জানান, বিরাটকেও ভারতরত্ন দেওয়া উচিত। দেশের জন্য বিরাটের অবদানের কথা মাথায় রেখে এমনটা হলে সব থেকে ভাল হয়। ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে বিরাট যা করেছে, তা আলাদা করে বলার কিছু নেই। পরিসংখ্যান বলে দেয় বিরাট কি করেছে। তাই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের উচিত এ নিয়ে সরকারের সঙ্গে কথা বলা। বিরাট এমন একজন ক্রিকেটার যার জন্য বিশ্ব ক্রিকেট পাগল। ওর অবসরের কথা জানার পর বিশ্বের তারকারা সন্মান জানিয়েছে। পাশাপাশি এমন প্রশ্নও তুলেছে -এখন কেন! এটা শুধু ক্রিকেট দুনিয়া নয়, ক্রীড়াজগতের সবাই বিরাটের অবসরকে মেনে নিতে পারেনি। তাই নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে তাদের মনের কথা জানিয়েছে। এমন ক্রিকেটারকে বড় সন্মান দেওয়া উচিত। আমার মনে হয় ভারতরত্ন দেওয়াই যুক্তযুক্ত হবে। রায়না এখানেই থেমে থাকেননি। শনিবার রাতে বেঙ্গালুরুতে কেকেআরের বিরুদ্ধে আরসিবির খেলা ছিল। বৃষ্টির জন্য খেলা ভেস্তে যায়। কিন্তু বিরাটকে দেখতে আরসিবি ফ্যানরা স্টেডিয়াম ভরিয়ে তুলেছিল। সবাই বিরাটের টেস্ট জার্সি গায়ে মাঠে এসেছিলেন। এট কি প্রমান করে। বিরাটের প্রতি ভালবাসা তাঁদের এভাবে মাঠে টেনে নিয়ে এসেছিল। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের রজার বিনি স্ট্যান্ডে একটি বিরাট ব্যানার নিয়ে এসেছিলেন তাঁরা। সেই ব্যানারে লেখা ছিল- আমরা সবাই তোমাকে ভালবাসি বিরাট। বিরাট নিয়ে মানুষ কতটা যে পাগল এই একটা উদাহরনে তা প্রকাশ পায়। রায়না মনে করেন, এই ছবি দেখে একটা কথাই বলা উচিত যে বিরাটকে আলাদাভাবে সন্মান জানানো উচিত। বিরাটকে ফেয়ারওয়েল দিতে দিল্লিতে বোর্ড একটি ম্যাচের ব্যবস্থা করতে পারে। দিল্লি এই কারনেই বলছি যে সেখানে ম্যাচ হলে বিরাটের পরিবার, ওর ছেলেবেলার কোচ সবাই মাঠে এসে বিরাটকে অভিনন্দন জানাতে পারে। এর থেকে বড় কিছু তো বিরাটকে দেওয়া সম্ভব নয়। এমনটা করতে পারলে বিরাটের প্রতি বোর্ডের ভাবমূর্তিও ভাল হবে। এখন বোর্ড এ নিয়ে ভেবে দেখতে পারে।
দিল্লি প্লে অফ খেললে নায়ার, মুকেশকে পাবে না

আইপিএল প্লে অফে খেলা এখনও নিশ্চিত নয় দিল্লি ক্যাপিটালসের। ১১ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তারা লিগ টেবিলে পাঁচ নম্বরে দাঁড়িয়ে। প্ল অফ খেলতে গেলে তাদের বাকি তিনটি ম্যাচ জিততেই হবে। এই অবস্থায় খারপ খবর পেল দিল্লি ক্যাপিটালস। তারা প্লে অফে গেলেও দলের দুই সদস্য করুন নায়ার ও মুকেশ কুমারের সার্ভিস পাবে না। কারন এঁরা দুজনেই ভারতীয় এ দলের হয়ে ইংল্যান্ড সফরে যাবে। দেশের হয়ে খেলা সবার আগে। সেখানে আইপিএল খেলা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। তাই লিগের খেলা খেললেও প্লে অফ সম্ভব হবে না। দিল্লি লিগের প্রথম ম্যাচ খেলবে রবিবর গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধেষ ২১ মে তারা খেলবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে। ২৪ মে তাদের প্রতিপক্ষ পাঞ্জাব কিংস। এখানেই শেষ নয়, ২৬ মে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে মুম্বইকে হারতে হবে। তাই যদি বা কিন্তুর উপর দাঁড়িয়ে দিল্লির প্লে অফ খেলার ভবিষ্যত। তবু আগে থেকে তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এই দুই ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিতে হবে। শুধু এই দুই ক্রিকেটার নয়, দিল্লির হাতছাড় হয়েছে আরও চার ক্রিকেটার। এঁরা হলেন, ফাফ ডুপ্লেসি, মিচেল স্টার্ক, জ্যাক ফ্রেজার ম্যাকগুর্ক, ডোনোভান ফেরেরা। তাই ছয়জন ক্রিকেটারের সার্ভিস পাচ্ছে না দিল্লি। তবে লিগের কোনও একটি ম্যাচে হেরে গেলে দিল্লির প্লে অফ খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তখন আর ক্রিকেটার ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপার নিয়ে ভাবতে হবে না। আইপিএল প্লে অফ শুরু হবে ২৯মে। তার আগে অবশ্য ভারতীয় এ দলের ক্রিকেটাররা ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওন হবে। ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে তাদের প্রথম খেলা ৩০ মে। দবে এ ব্যাপারে নায়ার বা মুকেশ শুধু নন, আর দুটি দল থেকে ক্রিকেটার ভারতীয় এ দলের হয়ে ইংল্যান্ডে যাচ্ছেন। আছেন হর্ষিত রান। কেকেআর আইপিএল থেকে ছিটকে যাওয়ায় তাদের কোনও অসুবিধ হবে না। লখনউ সুপার জায়ান্টসের ছবি এখনও পরিস্কার নয়। তাদের থেকে ভারতীয় এ দলে জায়গা পেয়েছেন শার্দুল ঠাকুর ও আকাশদীপ। ভারতীয় সিনিয়র দল ইংল্যান্ড যাওয়ার আগে সেরা ক্রিকেটারদের নিয়ে এ দল গড়া হয়েছে। কারন এখান থেকে সিনিয়র দলে বেশ কিছু ক্রিকেটার জায়গা পাবেন। ভারতীয় এ দলে নির্বাচিত ক্রিকেটাররা হলেন- অভিমন্যু ঈশ্বরন (অধিনায়ক), যশ্বসী জয়সওয়াল, করুন নায়ার. ধ্রুব জুরেল (সহ অধিনায়ক), নীতিশ কুমার রেড্ডি, শার্দুল ঠাকুর, ইশান কিষান, মানব সুতার, তানুষ কোটিয়ান, মুকেশ কুমার, আকাশদীপ, হর্যিত রানা, আনসুল কামবোজ, খলিল আমেদ, ঋতুরাজ গায়কোয়াড, সরফরাজ খান, তুষার দেশপান্ডে ও হর্য দুবে।
শেষ সলতে নিভে গেল সিটির

বেঞ্চ ছেড়ে বারবার উঠে দঁাড়িয়ে নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন পেপ গুয়ার্দিওলা। তবু সিটিকে পারলেন না সাফল্য এনে দিতে।
বৃষ্টিতে খেলা ভেস্তে গেল, আইপিএল থেকে বিদায় রাহানেদের

আইপিএল থেকে ছিটকে গেল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। হ্যাঁ, অনেক অঙ্ক কষে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্কে রাহানে। কিন্তু লাভ কিছুই হল না। বেঙ্গালুরুর মাঠে তাদের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দিল বৃষ্টি। আগাম বার্তা ছিল। আহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছিল, সন্ধ্যের পর থেকে বৃষ্টি ম্যাচে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। সেটাই হল। একটা বলও মাঠে গড়াল না। রাত ১০টা ৫৪ মিনিটে আম্পায়ররা খেলা বাতিল করে দিলেন। এবং একই সঙ্গে এবারের আইপিএল থেকে ছিটকে গেল কেকেআর। পাশপাশি আরসিবি প্লে অফ খেলার লক্ষ্যে এক পা সামনে দিয়ে রাখল। তারা ১২ ম্যাচ খেলে পয়েন্ট পেল ১৭। উল্টোদিকে ১৩ ম্যাচে কেকেআরের পয়েন্ট ১২। এই জায়গা তেকে তাদের প্লে অফ খেলা সম্ভব নয়। এখনও পর্যন্ত তার ছয় নম্বরে দাঁড়িয়ে। শেষ ম্যাচ জিতলেও তার ১৪ পয়েন্টে গিয়ে দঁড়াবে। কিন্তু তাতে লাভের লাভ কিছুই হবে না। অন্য দলগুলি এতটই এগিয়ে রয়েছে যে কেকেআর কখনই তাদের দারে কাছে পৌঁছতে পারবে না। তাই গতবারের চ্যাম্পিয়নরা আপতত ছুটি চলে গেল। শেষ ম্যাচ নিয়মরক্ষার হওয়ার কারনে প্রয়োজন হলে রাসেলরা দেসে ফিরে যাওয়ার টিকিট কনফার্ম করে নিতে পারে। টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর বিরাট কোহলি নিজর ডেরায় মাঠে নেমেছিলেন। ব্যাট হাতে নয়, মাঠ দেখে বুঝতে চেষ্টা করেছিলেন যে এই মাঠে খেলা হওয়া সম্ভব কিনা। আম্পায়ররা জানিয়েছিলেন রাত সাড়ে আটটায় খেলা শুরু করতে পারলে দুই দলই ২০ ওভার করে খেলতে পারবে। কিন্তু তারপর খেলা শুরু হলে ওভার কমবে। ম্যাচের কাট অফ টাইম ছিল ১০টা ৫৪ মিনিট। তখনও খেলা শুরু করতে পারলে পাঁচ ওভারের ম্যাচ হবে। কিন্তু বৃষ্টির কারনে সেটাও হল না। তাই আম্পায়ররা খেলা বাতিল করে দিলেন। বাতিল খেল থকে দুটি এক পয়েন্ট করে পাওয়ায় আরসিবি প্লে অফে পা দিয়ে ফেলল। আর কেকেআরের কাছে পাওয়ার কিছু রইল না। তার এক ম্যাচ বাকি থাকতে ছিটকে গেল। এই ম্যাচে বিরট কোহলিকে সন্মান জানতে আরসিবি ফ্যানরা কোহলি লেখা ১৮ নম্বরের সাদা জার্সি গায়ে মাঠে এসেছিলেন। বিরাটকে শ্রদ্ধা জানাতে ফ্যানদের এ এক অভিনব পন্থা। বৃষ্টি টানা হলেও ফ্যানরা মাঠ ছেড়ে যেতে রাজি ছিলেন না। তারা মনে করেছিলেন পাঁচ ওভারের ম্যাচ হলেও হতে পারে। তরই অপেক্ষা রাত দশটার পরও। কিন্তু সেখানেও বাধা। খেলা হল না। তবু তাদের পাওয়া এবার হয়তো ৮ বছরের খরা কাটতে পারে। আরসিবি আইপিএল জিতবে এই স্বপ্ন চোখে নিয়ে তারা ঘুমোতে যান। সকলের নজর বিরাটের দিকে। তিনি রান করলে সব সম্ভব। এমনদিনে এটাই তাদের চাওয়া।