৫ নয়, ভূমিপুত্র ৯ চাই

ঘরোয়া লিগে প্রথম একাদশে ভূমিপুত্রর সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে আইএফএ অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাল বাংলা পক্ষ।
“দু-বছরের মধ্যে সিনিয়র দলে বৈভব”

বৈভব সূর্যবংশীকে দু-বছরের মধ্যে সিনিয়র ভারতীয় দলের হয়ে খেলতে দেখবেন কোচ অশোক।
ভারতের শেষ সলতে শ্রীকান্ত

রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের শেষে বিজয় হাসি হাসলেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত।
বিরল ঘটনা, ইউরোপা লিগ ফাইনালের পর কম পড়ে গেল পদক, পেলেন না কয়েকজন ফুটবলার

অবিশ্বাস্য! অকল্পনীয়! ইউরোপা লিগ ফাইনালের পর পুরস্কার বিতরণের সময় কম পড়ে গেল পদক! যার জেরে পদক পেলেন না চ্যাম্পিয়ন টটেনহ্যাম হস্পারের কয়েকজন ফুটবলার। উয়েফার পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, ফুটবলার ও সাপোর্ট স্টাফদের সংখ্যা বেশি হয়ে য়াওয়ায় এই বিপত্তি। তাঁরা বাকি পদক শীঘ্রই চ্যাম্পিয়ন দলকে পাঠিয়ে দেবে। কিন্তু উয়েফার মত সংস্থার টুর্নামেন্টে এমন ঘটনায় বিস্মিত ফুটবলবিশ্ব। ফাইনালে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়ে ১৭ বছর পর ট্রফি খরা কাটিয়েছে টটেনহ্যাম। সব পদক হাতে না পেলেও চ্যাম্পিয়ন হয়ে ঘুশিতে ভাসছেন ম্যান অফ দ্য ম্যাচ রোমেরো। তিনি জানান, “আমরা পরিষ্কার চ্যাম্পিয়ন। আমরা খুব খুশি। এভাবে শেষ করাটা আমাদের প্রাপ্য ছিল। আমাদের নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। আজ তাদের চুপ করিয়ে দেওয়া গিয়েছে।“ অধিনায়ক সন হিউন মিন বলেন, “এই দিনটার জন্য আমরা স্বপ্ন দেখেছি। এটা আজ ঘটল। আমি আজ পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ।“ অধিনায়কসহ কয়েকজন পদক হাতে না পাওয়ায় সেলিব্রশনের ষোলোকলা হয়ত পূর্ণ হল না। উয়েফা নাকি জানিয়েছিল কতজনের পদক থাকবে, কিন্তু শোনা যাচ্ছে ফুটবলার ও সাপোর্ট স্টাফের সংখ্যা নাকি তার চেয়ে বেশি হয়ে গিয়েছিল। তবে এমন ভুল বোঝাবুঝিতে বিস্মিত সকলেই।
কোহলি-রোহিতের অবসর নিয়ে মুখ খুললেন জাতীয় কোচ গৌতম গম্ভীর

প্রায় একসঙ্গে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। অনেক প্রশ্ন, অনেক জল্পনা, কেন হঠাৎ করে সরে গেলেন ওঁরা? অনেক আলোচনা হয়েছে। এবার এ ব্যাপারে মুখ খুললেন জাতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর। গম্ভীর স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিলেন অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যেকের নিজের। টিম ম্যানেজমেন্ট বা নির্বাচকদের কাউকে জোর করার অধিকার নেই। তাঁর বক্তব্য, কখন কে শুরু করবে বা কখন শেষ করবে, সেটা তাঁর সিদ্ধান্ত, অন্য কারও কিছু বলার নেই। সেটা কোচ হতে পারে, নির্বাচকরা হতে পারে, যে কেউ হতে পারে, কারও অধিকার নেই কাউকে বলা যে অবসর নাও কিংবা অবসর নিও না। কোহলি, রোহিত ও অশ্বিন অবসর নেওয়ায় অনেক তরুণের কাছে সুযোগ এসে গেল। গম্ভীর আশাবাদি তরুণরা নিজেদের প্রমাণ করবে। গম্ভীর বলেন, হ্যাঁ এটা ঠিকই যে আমরা দুজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে পাবো না। তবে এটাই সময় তরুণরা এসে বলুক, ঠিক আছে আমি তৈরি। জসপ্রীত বুমরাকে বাইরে রেখেও চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ের প্রসঙ্গ টেনে জাতীয় দলের কোচ বলেন, আমি ঠিক এটাই বলতে চাইছি, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বুমরা ছিল না, কিন্তু কাউকে পাওয়া না গেলে অন্যরা এগিয়ে এসে দেশের জন্য ভাল কিছু করুক। আশার কথা অনেকেই সুযোগের জন্য অপেক্ষা করছে। গম্ভীরের সামনেও এবার বড় চ্যালেঞ্জ, কোহলি রোহিতকে ছাড়া তরুণদের নিয়ে দলটাকে ভালভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
ইংল্যান্ডগামী দলে শামি অনিশ্চিত

শামির ইংল্যান্ড সফরে যাওয়া নিয়ে ঘোর অনিশ্চিয়তা।
বিপদ সঙ্কেত বুমরার

যশপ্রীত বুমরা জানিয়ে দিলেন ইংল্যান্ড সফরে তঁাকে সব ম্যাচে পাওয়া যাবে না।
ট্রাক ড্রাইভারের ছেলে ভারতীয় দলে, যুবরাজের ছয় ছক্কাই প্রেরণা হরভনসের

বাবা ট্রাক ড্রাইভার। কানাডায় থাকেন। কিন্তু ভারতের হয়ে খেলার স্বপ্ন সফল করতে বাবার সঙ্গে কানাডায় যাননি ছেলে হরভনস। হরভনস সিং পাঙ্গালিয়া। গুজরাটের গান্ধীধামের ক্রিকেটার। ভারতের যুব দলে সুযোগ পেয়েছিলেন আগেই। এবার প্রথম ইংল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন। আয়ুশ মাত্রের নেতৃত্বে ভারতে যে অনূর্ধ্ব ১৯ দল যাচ্ছে ইংল্যান্ড সফরে, সেই দলেই আছেন হরভনস। ট্রাক ড্রাইভার বাবা দমনদীপ সিং এবং কাকা শখের ক্রিকট খেলতেন। বাবা হরভনসকে বলেছিলেন, তাঁর সঙ্গে কানাডায় চলে যেতে। কানাডার হয়ে খেলার চেষ্টা করতে, কিন্তু হরভনস রাজি হননি। গোটা পরিবার কানাডায় চলে গেলেও তিনি মায়ের সঙ্গে ভারতে থেকে যান। ভারতের জার্সি পরার স্বপ্ন নিয়ে এগোতে থাকেন। দমনদীপ বলেন, “অনেক অভিনন্দনবার্তা পাচ্ছি। আজ বারবার মনে পড়ছে যখন হরভনস আমাকে বলেছিল না, সে কানাডায় যাবে না। ভারতের হয়ে খেলবে।“ হরভনসের আইডল যুবরাজ সিং। যুবির সেরা ফর্মের খেলা তিনি দেখেননি, তবে স্টুয়ার্ট ব্রডকে মারা ছয় ছক্কার ভিডিও দেখে যুবিতে মজে যান হরভনস। বাবা দমনদীপ আরও জানান, “২০১২ সালে সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন যখন আমাদের শহরে অ্যাকাডেমি তৈরি করল, তখন ৬ বছর বয়সে হরভনসকে সেই অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করে দিই।“ ১৭ সদস্যের ভারতীয় অনূর্ধ্ব ১৯ দল ইংল্যান্ডে যাচ্ছে। সেখানে পাঁচটি একদিনের ম্যাচ ও দুটি চারদিনের ম্যাচ খেলবেন হরভনসরা।
আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেও শেষবেলায় বড় সাফল্য ঋষভদের

লখনউ সুপার জায়ান্টাস: ২ উইকেটে ২৩৫ (২০ ওভার) গুজরাট টাইটানস: ৯ উইকেটে ২০২ (২০ ওভার) এক সপ্তাহ স্থগিত থাকা আইপিএল ফের শুরু হওয়ার আগে লখনউ সুপার জায়ান্টাসের কর্নধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা পুজো দিতে গিয়েছিলেন তিরুপতি মন্দিরে। কেন! সেকথা জানা যায়নি। হয়তো ব্যক্তিগত কোনও কারনে, না হয় আইপিএলে দলের সাফল্যের জন্য মন্দিরে পুজো দিতে যাওয়া। তার ফল কিন্তু তিনি পেয়ে গেলেন। ফের চালু হওয়া আইপিএলের প্রথম ম্যাচে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছে লখনউ। বিদায় নিলেও লিগের বাকি ছিল। সেখানে নিজেদের প্রমান করলেন ক্রিকেটাররা। এটাই তঁদের আসল চেহারা। যা হয়ে গিয়েছে, সেটা কল্পনা না হলেও বাস্তব নয়। আমেদাবাদে আসল লখনউকে দেখা গেল। বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে। এখানে তাঁরা জ্বলে উঠলেন। সেই আলোয় হারিয়ে গেল গুজরাট টাইটান্স। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে ভাল মতো আছেন শুভমান গিলরা। সেই দলের বোলারদের বিরুদ্ধে আক্রমনাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করলেন মার্করান ও মার্শরা। বোলারদের লাইন গরমিল হয়ে গেল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিরাট রানের ইনিংস গড়লেন লখনউয়ের ওপেনাররা। সঙ্গে তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা নিকোলাস পুরন। বাকিদের মাঠে নেমে কিছু করার ছিল না। আর এতেই যে রান তুলে দিলেন তা দেখে আন্দাজ করা গিয়েছিল এই ম্যাচ গুজরাট বের করতে পারবে না। সেটাই হল। ৩৩ রানে ম্যাচ জিতে গেল লখনউ। দল গঠনের সময় মনে হয়েছিল, লখনউয়ের ব্যাটিং যে কোনও দলকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ফর্মে থাকলে হয়তো লখনউ নিজেদের অনেক আগে খুঁজে পেত। গোটা টুর্নামেন্টে ঋষভের পিঠে ব্যর্থতার ট্যাগ লাগিয়ে দেওয়া হল। ওপেনাররাও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। তাঁরা আলোয় ফিরলেন টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার পর। এটাই হয়তো পাওয়ার খাতায় লেখা থাকবে। এক নম্বরে দলকে হারিয়ে তারা বিদায় নিয়েছে, এটাই বা কম কিসের। গুজরাট টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু আমেদাবাদের উইকেটে বোলাররা কিছুই করতে পারলেন ন। প্রথম উইকেটে ৯.৫ ওভারে উঠল ৯১ রান। মার্করাম (৩৬) আউট হয়ে ফিরে যাওয়ার পর মার্শের সঙ্গে জুটিতে পুরান প্রতিপক্ষ বোলরদের নিয়ে ছিনিমিনি খেললেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে উঠল ১২১ রান। ম্যাচ তো সেকানেই শেষ। মিচেল মার্শ (৬৪ বলে ১১৭) সেঞ্চুরি পেলেন। ঋষভ এসে দুটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৬ বলে ১৬ রান করলেন। এভাবেই উঠে এল ২৩৫রান। ব্যস আর কি চাই। বোলিংয়ে একটা কথা বলার আছে। একসময় এই ফরম্যাটে ভয়ঙ্কর রশিদ খান কেন নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না। এই ম্যাচে ২ ওভারে দিলেন ৩৬ রান। ভাবা যায়! এই বিশাল রানের পাল্টা দিতে হলে ঝড়ের গতিতে রান তুলতে হবে। সেই চেষ্টা করলেন ব্যাটসম্যানরা। সুদর্শন (১৬ বলে ২১) গিল (২০ বলে ৩৫), বাটলার (১৮ বলে ৩৩), রাদারফোর্ড (২২ বলে ৩৮), সরফরাজ খানরা ( ২৯ বলে ৫৭) ছুটেও পারলেন না। তবু রাদারফোর্ড ও সরফরাজ যতক্ষন ছিলেন, আশায় ছিল গুজরাট। কিন্তু তাঁরা আউট হওয়ার পর সব শেষ। তবে একটা কথা বলতেই হয়, প্লে অফ খেলতে যাওয়ার আগে এই ধাক্কা হয়তো গুজরাটকে ধাক্কা দিয়ে নতুন করে তৈরি হতে সাহায্য করবে। এই ম্যাচের পর গুজরাট ১৩ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট। উল্টোদিকে কেকেআরকে পিছনে ফেলে লখনউ উঠে এল ছয় নম্বরে। তাদের পয়েন্ট ১৩ ম্যাচে ১২।