ফাইনাল ঘিরে ইডেনে হাতাহাতি

হাতাহাতিতে জামা ছেঁড়া অবস্থায় ইডেন ছাড়ছেন দলের এককর্তা।
হারলেন সিন্ধু, শেষ আটে চিরাগরা

লড়েও হার মানলেন সিন্ধু।
হতাশ সুনীলরা চললেন হংকং

অনুশীলনে ভারতীয় দল। ফাইল চিত্র।
যুক্তরাষ্ট্রে চমক রাহুলের

৭ নম্বর জার্সি পরেই নজর কেড়ে নিলেন রাহুল কেপি।
বেঙ্গালুরুর ট্র্যাজেডিতে বাকরুদ্ধ, মর্মাহত দেশের ক্রিকেট মহল

আরসিবি ট্র্যাজেডির পর একদিকে চলছে বিতর্ক। দায় কার, তা নিয়ে জোর আলোচনা। পাশাপাশি বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসছে শোকবার্তা। মর্মাহত, বাকরুদ্ধ গোটা বিশ্বের ক্রিকেট মহল। হতবাক দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। ৮৩-র বিশ্বজয়ী তারকা সৈয়দ কিরমানি বলেন, তাঁদের সময়ে এত বেশি টিভি চ্যানেল ছিল না। এত বেশি হাইপ উঠত না। তাই এখন এমন ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা বাড়ে। নিরাপত্তার সব দিক খতিয়ে দেখে নেওয়া উচিত ছিল। সচিন তেন্ডুলকর জানান, বিরাট বড় ট্র্যাজেডি। ক্ষতিগ্রস্ত সব পরিবারকে হৃদয় থেকে সমবেদনা জানিয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার। অনিল কুম্বলে পোস্ট করেছেন, ক্রিকেটের জন্য দুঃখের দিন। গভীর সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। মদনলাল রীতিমত ক্ষিপ্ত। আরসিবি ম্যানেজমেন্টের খারাপ পরিকল্পনাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে বলেন, পরের দিনই তাড়াহুড়ো করে এমন অনুষ্ঠান করার কী দরকার ছিল? যুবরাজ সিং, ইরফান পাঠান, মনোজ তিওয়ারিরাও সমবেদনা জানিয়ে পোস্ট করেছেন। আরসিবির কিংবদন্তি দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার এবি ডিভিলিয়ার্সও জানিয়েছেন এমন মর্মান্তিক ঘটনায় তাঁর হৃদয় কাঁদছে। কিরমানি, মদনলালরা একেবারে ঠিক জায়গাটাতেই আলা ফেলেছেন। এত তাড়াহুড়ো করার কী দরকার ছিল একটু সময় নিয়ে সব পরিকল্পনা ঠিকমত করেই তো এই অনুষ্ঠান করা যেত। এ কারণেই অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্বকাপ জিতে আসার পর মুম্বইয়ে তো অনেক বড় অনুষ্ঠান হয়েছিল! তখন তো কোনও সমস্যা হয়নি! তাই অনেকেরই তির এই ব্যাপারটার দিকে।
সিনারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন জকোভিচ

প্রত্যাবর্তনের লড়াই জিতে ফিরে এলেন জকোভিচ।
পুলিশের চাঞ্চল্যকর দাবিতে আরসিবি ট্র্যাজেডিতে নতুন মোড়

আরসিবি ট্র্যাজেডির পর কেটে গেল বেশ কয়েক ঘন্টা। এখনও বিহ্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারেনি গোটা দেশ। এখনও সকলের মনে ঘুরছে প্রশ্নটা, কী করে ঘটল এমন মর্মান্তিক ঘটনা? এবং সেই প্রশ্নটা, স্টেডিয়ামের বাইরে যখন এমন ভয়াবহ ঘটনা ঘটছে, তখনও কী করে ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান চলল? আরসিবি ম্যানেজমেন্ট অবশ্য জানিয়েছে, তাঁরা ঘটনার কথা জানতে পারার পরই অনুষ্ঠান ছোট করে দেন। উচ্চতম কর্তৃপক্ষ যা নির্দেশ দিয়েছে, তাঁরা সেইমতই কাজ করেছেন। বিরাট কোহলি ও অধিনায়ক রজত পাতিদার সমর্থকদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখার পরই বন্ধ করে দেওয়া হয় অনুষ্ঠান। এই বিতর্কের মাঝেই অতুল ওয়াসন জানিয়েছেন, তিনি বিশ্বাস করেন না বাইরে এমন ঘটনা ঘটেছ এটা কোহলি তখন জানতে পেরেছিলেন। কোহলি পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন, তিনি বাকরুদ্ধ। তিনি ক্ষতবিক্ষত। কোহলি ও অনুষ্কা বেঙ্গালুরু ছেড়ে মুম্বইয়ে ফিরে গিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুজনকে মুম্বই এয়ারপোর্টে দেখা গিয়েছে। এই ঘটনায় এবার নতুন বিতর্ক মাথা চাড়া দিল। বেঙ্গালুরু পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাঁরা নিরাপত্তার কারণে বুধবার কোনও উৎসব করতে নিষেধ করেছিলেন। অনুষ্ঠানটি রবিবার করার কথা বলেছিলেন। আরসিবি ম্যানেজমেন্ট ও রাজ্য সরকার – দুপক্ষের কাছেই এই অনুরোধ রাখা হয়েছিল, কিন্তু রাজি হয়নি আরসিবি ফ্র্যাঞ্চাইজি। আরসিবি নাকি জানিয়েছিল, রবিবার পর্যন্ত তাঁদের বিদেশি ক্রিকেটাররা থাকবেন না, তাই বৃহস্পতিবারই অনুষ্ঠান করতে হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে নাকি ওপেন প্যারেড করতে নিষেধ করা হয়েছিল এবং সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে পরিকল্পনা করেই অনুষ্ঠান করার কথা বলা হয়েছিল। এদিকে বিসিসিআইও জানিয়েছে, পরিকল্পনায় হয়ত বড় ঘাটতি ছিল। এখন এই বিতর্ক চলবে, তবে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেল। এখন সম্পূর্ণ তদন্ত করে কার ব্যর্থতায় এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল সেটা খুঁজে বার করারই চেষ্টা চলছে।
চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে পদপৃষ্টে ১১ জনের মৃত্যু বিরাটকে ক্ষতবিক্ষত করেছে

মৃতের পরিবারদের পাশে আরসিবি। তাদের সঙ্গে কর্নাটক রাজ্য ক্রিকেট সংস্থা যৌথভাবে দিচ্ছে ৫ লাখ টাকা। কর্নাটক সরকার দিচ্ছে ১০ লাখ টাকা। তাহলে কি একজন মানুষের প্রাণের দাম ৫ লাখ টাকা! যারা আইপিএলে ক্রিকেটার দলে নেওয়ার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করেন, তাদের কাছে এই অর্থ দান মেনে নেওয়া যায় না। মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে অন্তত প্রত্যেককে ২৫ লাখ টাকা করে দেওয়া উচিত ছিল। একটা জীবনের দাম তাতেও পূরণ হয় না। তবু এই টাকা দিয়ে পরিবার কিছু করতে পারবেন। যাদের কাছে ছেলে বা মেয়ে ছিল একমাত্র সম্বল। সেখানে আরসিবির কাছ থেকে এই ভাবনা আশা করা যায় না। আরসিবি দেখাতে পারতো আমরা মাঠে নেমে ক্রিকেট খেলি। মাঠের বাইরে আমরা তোমাদের একজন। এই বার্তার সঙ্গে বড় অঙ্কের টাকা দিলে আরসিবি দেশের ক্রিকেট মহলেই নয়, ১৫০ কোটি মানুষের মন জয় করে নিতে পারত। সেটা আর হল কোথায়! https://x.com/RCBTweets/status/1930303952983339405?t=LB70yp0IcNYPNN1FClJuvA&s=19 বুধবার সন্ধ্যায় চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) সংবর্ধনা অনুষ্টানের আগে বিরাট কোহলিরা জানতেও পারেননি কি ঘটনা ঘটে গিয়েছে। চ্যাম্পিয়নদের দেখতে আসা ক্রিকেট ফ্যাানদের নিয়ে মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি অনেক কথাই বললেন। চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ক্রিকেট ফ্যানদের উৎসর্গ করলেন। মিনিট কুড়ির অনুষ্টানের পর ১১ জনের মৃত্যুর খবর তিনি পান। শুনে এতটাআই হতাশ হয়ে পড়েন যে কথা বলার ভাষা তিনি হারিয়ে ফেলেন। দেরি না করে ইনস্টাগ্রামে যা পোস্ট করলেন তা পড়লে প্রাক্তন অধিনায়কের মনের কথা জানা যায়। তিনি লিখলেন, একথা শোনার পর নতুন করে কোনও কথা বলার ভাষা আমার নেই। আমার হৃদয় ক্ষতবিক্ষত। আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মঙ্গলবারের রাতের উৎসব বেঙ্গালুরুতে এসে বুধবার সন্ধ্যায় এভাবে অন্ধকারে ঢাকা পড়ে যাবে তা আগে কে ভেবেছিলেন! কিন্তু সেটাই হল। উৎসব বিষাদে ঢাকা পড়ে গেল। ১১ জন ক্রিকেট ফ্যানের প্রান কেড়ে নিল আরসিবির বিজয় উৎসব। অনেকেই বলছেন, এর কি কোনও দরকার ছিল। এই অনেকের দলে আছেন তিরাশির বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন দলের অন্যতম সদস্য সৈয়দ কিরমানি। তিনি বলেন, আমাদের সময় এত মিডিয়া ছিল না। ছিল না এত টিভি চ্যানেল। এখন যুগ বদলেছে। আমরা অতি আধুনিক হয়ে পড়েছি। বলা যায়, তারই খেসারত দিতে হল। এই ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এর দায় কে নেবে! আরসিবি ১৭ বছর পর (১৮ বছরের আইপিএল) আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আমাদের সকলের কাছে বড় খবর। ক্রিকেটারদের অবশ্যই সংবর্ধনা জানানো উচিত। কিন্তু তার আগে সব কিছু দেখে নিয়ে করা যেত। এটা তো জানাই ছিল, ক্রিকেটারদের সামনে থেকে দেখতে মানুষের ঢল নামবে। নিরাপত্তা অনেক বাড়িয়ে নিয়ে, হাতে একটু সময় নিয়ে এটা করা যেতেই পারত। কিন্তু তা আর হল কই। সব কিছু কেমন যেন তাড়াহুড়ো করে সারার চেষ্টা। আর তাতেই এই অঘটন। এর তো ব্যাখ্যা নেই। মঙ্গলবার রাতে রাজ্যের মানুষের প্রতিক্রিয়া প্রশাসন জেনে গিয়েছিল। অনেক রাত পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন জায়গায় উৎসব হয়েছে। এরপর বিরাটরা শহরে এলে কি হতে পারে তার আন্দাজ কি প্রশাসনের কাছে ছিল না। একথ কেউ বিশ্বস করবেন না। খবর ছিল বলে বাস প্যারেড করার অনুমতি আরসিবির মেলেনি। তা হলে নিরাপত্তা বাড়ানো হল না। চিন্নাস্বামীতে সন্ধ্যার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে হলে গেটপাসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শোনা গেল, একজন নিরাপত্তা কর্মীকে সামলাতে হয়েছে ১০০ জন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষকে। এটা কী করে সম্ভব! স্টেডিয়মের গেট খোলার পর মানুষের ঢল এমনভাবে আসে যা কারোর পক্ষে সামাল দেওয়া সম্ভব ছিল না। এবং তাতেই পদপৃষ্ট হয়ে প্রান হারালেন ১১ জন মানুষ। মৃতদের বয়স ১৩ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। আহত হয়েছে অনেকেই। কারোর পা ভেঙ্গেছে। কারোর দেহের অন্য কোথাও লেগেছে। স্টেডিয়ামের কাছে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও ছিল না। দুটি অ্যাম্বুলেন্স কী করে আহ মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে। এই কারনে অনেকে শ্বাসকষ্টে প্রন হারিয়েছেন। আগে থেকে পরিকল্পনা করে এগোতে পারলে হয়তো এমন অবস্থার মধ্যে পড়তে হত না। আহত মানুষের পাশে এখন দাঁড়িয়েছে সরকার। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ সরকার দেবে। কিন্তু মৃতদের পরিবার কি করবে। তাদের ১০ লাখ টাকা দিয়ে সব কিছু সারতে চাওয়া কি সঠিক পথ।
অভিশপ্ত রোনাল্ডো মুক্ত
জার্মানির অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়া পর্তুগিজদের উল্লাস। সঙ্গে রোনাল্ডোও।
বিরাটদের অনেক দেরি হয়ে গেল, তবে পেয়েছে তো: সৌরভ

২০২৩ এর ১৯ নভেম্বর। আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। ২০২৫ এর ৩ জুন। আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। দুবছরের মধ্যে মোতেরার মাঠে প্রায় একই ঘটনা চোখে পড়ল। দুটির মধ্যে মিল যেমন আছে, তেমন অমিলও আছে। প্রথমটি ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের পর শুধু ভারতীয় ক্রিকেট দল নয়, কেঁদেছিল গোটা দেশ। আর দ্বিতীয়টি এখনও টাটকা। আইপিএল ফাইনালে বিরাট কোহলিরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বিরাট কাঁদলেন। কাঁদল বিরাটের ফ্যানরাও। মোতেরা ব্যর্থতায় জলে চোখ ভরিয়ে দেয় না, আনন্দেও চোখে জল এনে দেয়। তাঁদের অপেক্ষার অবসান হল দীর্ঘ ১৮ বছরের মাথায়। একটু দেরিতে হলেও ট্রফি এল তো। সেটই মনে করিয়ে দিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বুধবার মিডিয়ার সামনে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানালেন, হ্যাঁ, সেরার শিরোপা জিততে অনেকটা দেরি হয়ে গেল। তবে সাফল্য এল তো! সেটাই কম কিসের। আইপিএল একটা নতুন চ্যাম্পিয়নকে পেল। এটা মানতেই হবে, এবারের টুর্নামেন্টে ওরা শুরু থেকে ভাল ক্রিকেট খেলে এসেছে। ফাইনালেও একই ধারা ধরে রেখেছে। তাই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সৌরভের কাছে আইপিএল পর্ব এখানেই শেষ। কিন্তু ক্রিকেট শেষ হল না। সামনে ইংল্যান্ড সিরিজ। ভারতীয় দলে খেলতে দেখা যাবে না বিরাট ও রোহিতকে। তাঁদের অবর্তমানে ভারতীয় দল কতটা ভাল পারফরম্যান্স মেলে ধরতে পারে তা দেখার ব্যাপার। তাদের সামনে এটা একটা চ্যালেঞ্জ। প্রসঙ্গ উঠতে সৌরভ বলছিলেন, ভারতীয় দল আশা করি ভাল ক্রিকেট খেলবে। এবারের দলটিকে কেন নতুন বলে মনে হচ্ছে। ২০২১ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাঠে ভারতের যে দলটি খেলছিল, সেখানেও তো অনেক করুন ক্রিকেটার ছিল। তা-ও ভারতীয় দল সিরিজ জিতেছিল। সেদিনের কথা কেউ একবারও বলছেন না। তাই এবার কিছু একটা হতে পারে বলে আমার বিশ্বাস। অপেক্ষায় আছি বুমরা কতটা ফিট হয়ে খেলতে পারবে। বুমরা যদি পাঁচটি টেস্ট খেলতে পারে, তা হলে ভারত কিছু একটা রে দেখাতে পারে। ইংল্যান্ডের কথা উঠলে আমার ১৯৯৬ সালের কথা মনে পড়ে। আমার সঙ্গে রাহুলেরও সেই সিরিজে অভিষেক হয়েছিল। আমরাও ভাল ক্রিকেট খেলেছিলাম। এবার কেউ হয়তো সেভাবে আলোচনায় চলে আসতে পারে। করুন নায়ারকে নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। ভারতীয় এ দলের হয়ে ডবল সেঞ্চুরি করলেন নায়ার। টেস্ট সিরিজে বিরাটের জায়গায় তাঁকে কি খেলানোর কথা ভাবা যেতে পারে! সৌরভ এই সিদ্ধান্তটি গিলর উপর ছেড়ে দিলেন। বললেন, আইপিএলে গিল গুরাটকে ভাল নেতৃত্ব দিল। আশা করি জাতীয় দল নিয়েও এমনভাব চলতে পারবে। নায়ার খেলবে কি খেলবে না, সেটা পুরোপুরি গিলের উপর নির্ভর করবে। গিল চাইলে খেলবে, নইলে নয়। আরও অনেকে তো দলে আছে। তাদের মধ্যে থেকে কেউ একজন চার নম্বরে চলে আসবে। এখনও সময় আছে। তাই আলাদা করে ভাবনা চিন্তার সময়ও আছে। এখনই আলোচনা করার দরকার নেই।