প্রাক্তনদের পরামর্শে ভারতীয় কোচের দিকেই ঝুঁকে ফেডারেশন; আই লিগে তিন বিদেশির বেশি নয়

জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী সমিতির বৈঠকে বুধবার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল দুই দ্রোনাচার্য কোচ, আর্মান্দো কোলাসো এবং বিমল ঘোষকে। তাদের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হরজিন্দার সিং, ক্লাইম্যাক্স লরেন্স, সাবির আলি, তাবাবি দেবী, সাবির পাশা এবং জাতীয় দলের ডিরেক্টর সুব্রত পাল। সিনিয়র জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে মানালো মার্কুয়েজের পদত্যাগের পর, বুধবার প্রাক্তন কোচেদের কাছে নতুন জাতীয় কোচ নিয়োগ নিয়ে পরামর্শ নেওয়া হয়। ফেডারেশন সূত্রের খবর, প্রাক্তন কোচেরা ফেডারেশনের শীর্ষকর্তাদের ভারতীয় কোচ নেওয়ার পরামর্শই দিয়েছেন। ফেডারেশন সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপনের নোটিশ দিয়ে নতুন জাতীয় কোচ নিয়োগ করবেন। জানা গিয়েছে, অক্টোবরে এশিয়ান কাপের দুটো কোয়ালিফায়ারের অন্তত দু’মাস আগে নতুন কোচ নিয়োগ করার কথা ভেবেছেন ফেডারেশনের শীর্ষকর্তারা। এছাড়া, বুধবারের বৈঠকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেডারেশন। প্রতিভাবান তরুণ ভারতীয় ফুটবলারদের স্কাউটিং-এর দিকে তাকিয়ে তাদের সিদ্ধান্ত আসন্ন মরশুমের আই লিগের ম্যাচে একসঙ্গে তিন বিদেশির বেশি কোনও ক্লাব খেলাতে পারবে না। এফএসডিএলের সঙ্গে এমআরএ চুক্তি পুনর্নবীকরণের উদ্যোগও এই মুহুর্তে ফেডারেশন নিচ্ছে না। সুপ্রিম কোর্টের চুড়ান্ত নির্দেশের অপেক্ষায় তারা রয়েছে। যদিও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী সমিতির এক সদস্য বুধবার দিল্লি থেকে ফোনে বললেন, “আইএসএল সম্প্রতি আইএসএলে রেলিগেশন চালু হবে না বলে যে শর্ত আরোপ করতে চাইছিল সেই বিষয়ে আজ বৈঠকে বিরোধিতা করা হয়েছে। আমরা এফএসডিএল-কে মেল পাঠিয়ে অনুরোধ করব তারা যেন পরিকল্পনাটা বদলায়।” একইসঙ্গে ফেডারেশন ওই মেলে আরও একটি অনুরোধ করবে বলে জানা গিয়েছে যে, আসন্ন আইএসএলেও ক্লাবগুলো যেন সিনিয়র জাতীয় দলের কথা ভেবে আইএসএলে তিন বিদেশির বেশি একসঙ্গে না খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ভারত অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়াকে শো-কজ নোটিশ পাঠাবে ফেডারেশন। কারণ, কার্যনির্বাহী সমিতির সদস্য হয়েও বাইচুং সম্প্রতি একটি সাংবাদিক বৈঠকে ফেডারেশন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছিলেন। সিকিম থেকে ফোনে ভাইচুং-এর জবাব, “মুখ বন্ধ করার চেষ্টা এটা। কিন্তু কল্যাণ চৌবের নেতৃত্বাধীন ফেডারেশন যেভাবে ভারতীয় ফুটবলকে তলানিতে নিয়ে গিয়েছে, যেভাবে কলঙ্কিত করেছে তাতে আর কেউ মুখ না খুলুক, আমি মুখ খুলব, প্রতিবাদ করব।” সার্ক ফুটবল থেকে একটা আবেদন ফেডারেশনে এসেছে যে সার্ক দেশগুলোর অর্ন্তভূক্ত কোনও ফুটবলার যদি ভারতীয় লিগে খেলে তাহলে ‘ঘরোয়া’ ফুটবলার বলে বিবেচনা করা হোক। বুধবারের বৈঠকে এই আবেদনকে স্বাগত জানানো হয়েছে, কিন্তু কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আগামি ৭ অক্টোবর ভুবনেশ্বরে ফিফা-এআইএফএফ এলিট অ্যাকাডেমি পরিদর্শন করতে আসতে পারেন আর্সেন ওয়েঙ্গারের নেতৃত্বাধীন একটি ফিফার দল। ফেডারেশনো সেদিন চাইছে ওখানে এজিএমের আয়োজন করতে।
ইরাককে গুঁড়িয়ে দিল ভারত

ইরাকের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে ভারতীয় দল।
অসুস্থ জকোভিচ ফিরলেন, কঁাদলেন গফ

অসুস্থ জকোভিচ কোর্টের পাশে চেয়ারে বসে বিশ্রাম নিচ্ছেন।
ফুটবলের নতুন বিনোদনঃ চিনে চালু হল রোবট-ফুটবল লিগ!

অগ্রগতির যুগ। প্রযুক্তির যুগ। মহাকাশ থেকে ভূখণ্ড। প্রতিমুহূর্তে লড়াই চলছে বিশ্বের সুপার-পাওয়ারদের মধ্যে। চিন তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য। তারা শুধু বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশ নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। তাদের লক্ষ্য ফুটবলকে ২২ শতকে পৌঁছে দেওয়া। যেখানে খেলার বিপণন পৌঁছে যাবে শিল্পের পর্যায়ে! তার প্রস্তুতিতে বেজিং-এ শুরু হয়ে গেল রোবট ফুটবল লিগ! যার নাম রো-বো লিগ। চারটে বিশ্ববিদ্যালয়ের দল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি এক একটি দলে তিনজন করে রোবট। যে কোম্পানি তৈরি করেছে রোবোটগুলো, সেই বুস্টার রোবোটিক্স জানিয়েছে যারা খেলছে তাদের খেলায় মানুষের কোনও ভূমিকা নেই। নেই কোনও রিমোট কন্ট্রোল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় প্রত্যেকটি দলের ফুটবলারদের আগে থেকে প্রতিটি মুভমেন্ট সেট করে দেওয়া হয়েছে। এমনকী তাদের স্ট্র্যাটেজিও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। তবে খেলার সময় অনেক রোবট ফুটবলার মাটিতে পড়ে গিয়েছে। তখন তাদের স্ট্রেচারে শুইয়ে মাঠের বাইরে নিয়ে গিয়েছে মানুষ! বুস্টার রোবোটিক্সের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন এই লিগটা করে তারা দেখে নিতে চায় কীরকম সাড়া আসছে। তারপর বেজিংয়ে-ই তারা আয়োজন করবে রোবো-লিগের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ। চেয়ারম্যান ছেং হাওয়ের আরও পরিকল্পনা মানুষ-বনাম রোবটের একটা ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করার। “হার-জিত নিয়ে আমরা ভাবছি না। মানুষের বিরুদ্ধে রোবটদের ফুটবল খেলিয়ে আমরা দেখতে চাই এবং দেখাতেও চাই যে রোবটরাও খেলার যোগ্য। তাদের খেলাও দর্শকদের কাছে আকর্ষণীয় হতে পারে,” বলেছেন ছেং হাও। আরও যে কত কিছু দেখানোর পরিকল্পনা এই রোবট কোম্পানির আছে সেটা সময় বলবে!
এনবিএ-র অন্যতম সেরা চরিত্র ক্রিস্ট্যাল নিউ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম!

তার নাম ক্রিস্ট্যাল নিউ। আমেরিকার বাস্কেটবল মহলে খ্যাতি ‘রেড পাণ্ডা’ নামে। ১৯৯৩ থেকে, মানে ৩২ বছর ধরে পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় খেলা এনবিএ এবং ডব্লিউএনবিএ-র মঞ্চে নিউ জনপ্রিয়তম এক চরিত্র। কি করেন তিনি? ম্যাচের বিরতিতে নেমে পড়েন বাস্কেটবল কোর্টে। একটা সাত ফুটের ইউনি-সাইকেলে চেপে। মাথার ওপর থাকে বিভিন্ন সাইজের ধাতুর বল। একদম সার্কাসের মত, ব্যালেন্সের খেলা দেখান তিনি। এনবি এবং ডব্লিউএনবিএ-র অজস্র ম্যাচের বিরতিতে তিনি দর্শকদের মনোরঞ্জন করেছেন। ওকেলাহামা সিটি-তে গত মাসে হওয়া পাঁচটা এনবিএ ফাইনালের বিরতিতেও ক্রিস্ট্যাল নিউ ছিলেন মূখ্য আকর্ষণ। সেই ক্রিস্ট্যাল নিউ মঙ্গলবার ডব্লিউএনবিএ-র কমিশনার্স কাপের ফাইনাল, ইন্ডিয়ানা ফিভার আর মিনেসোতা লিঙ্কসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের বিরতিতে খেলা দেখাতে গিয়ে সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতরভাবে আহত। কোমর এবং হাতের কনুইয়ে গুরুতর চোট লেগেছে। হুইল চেয়ারে করে তাকে কোর্ট থেকে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ২০১৩-র পর নিউ-এর পক্ষে আর এই কাজ নিয়মিতভাবে করা সম্ভব হচ্ছিল না। বাবা ক্যানসারে আক্রান্ত হলেন। মা-ও ছিলেন শয্যাশায়ী। দুজনের চিকিৎসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজনীয়তা ছিল সেটা নিউ মাঝে মাঝে খেলা দেখিয়ে রোজগার করতেন। খাদ্যনালীর ক্যানসারে আক্রান্ত বাবা মারা গেলেন। তারপর ২০১৫-য় আবার বাস্কেটবল কোর্টে ফেরা রেড পাণ্ডা-র! সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “বাবাকে হারিয়েছি। তারপরেও বাস্কেটবল কোর্টের কথা ভাবলে মনে হচ্ছিল জীবনে এখনও কিছু বেঁচে আছে। কোর্তে নামার পর গ্যালারি থেকে ওই চিৎকারটা, আমাকে নিয়ে উন্মাদনা, ক্লাবকর্তাদের ভালবাসা-প্রাণশক্তিটা কোর্ট ছাড়া কোথায় পেতাম? তাই আবার ফিরলাম।” কিন্তু মঙ্গলবার যে দুর্ঘটনা ঘটল তারপর এনবি-এর অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র ‘রেড পান্ডা’
এখন রিয়ালের মালি গার্সিয়া

গোল করিয়ে আর্নল্ড জড়িয়ে ধরলেন গোলদাতা গার্সিয়াকে।