এখন থেকে লক্ষ্যে স্থির থাকতে চান বিনো

যাবতীয় সিচুয়েশন ধরে ধরে শেখাচ্ছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ বিনো জর্জ।
চারটে গোল পরিশ্রমের ফসল বললেন কার্দোজা

প্রতিটি গোলের পর এভাবেই উদযাপন করেছে মোহনবাগান।
মেয়ের জন্য কোর্টে নাচলেন জকোভিচ

অনায়াসে জিতে খেলার পর উচ্ছ্বাসে ভাসলেন জকোভিচ।
জোটাকে নিয়ে ভেঙে পড়ল ফুটবল মহল
প্রয়াত হলেন দিয়েগো জোটা ও তঁার ভাই আন্দ্রে সিলভার।
তিনজন চিনা খেলোয়াড়কে দিব্যাংশীর হারানোর একটা রহস্যঃ বাড়িতে রোবটের সঙ্গে নিবিড় অনুশীলন!

এশিয়ান যুব চ্যাম্পিয়নশিপে ৩৬ বছর পর অনূর্ধ্ব-১৫-য় সিঙ্গলসে সোনা জিতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করল মুম্বইয়ের কান্দিভেলির ১৪ বছরের মেয়েটা। নাম দিব্যাংশী ভৌমিক। কমলেশ মেহতার মত ন’বারের জাতীয় চ্যাম্পিয়ন, বর্তমানে টিটিএফআই-এর সাধারণ সম্পাদকও মুগ্ধ দিব্যাংশীর খেলায়। বলেছেন, “ওর মনের জোর প্রশংশনীয়। খেলার স্টাইলও খুব আধুনিক।” কোভিডের সময় দিব্যাংশীর বাবা রাহুল বাড়িতে একটা টেবিল টেনিস এনেছিলেন। রোজ প্রায় ৫ ঘন্টা করে বাড়িতে প্র্যাক্টিস করত মেয়েটা বাবা আর বোনের সঙ্গে। তারপরেও ওর প্রথম ন্যাশনালসে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিতে হয়েছিল। রাহুল ভৌমিক জানিয়েছেন ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে, “লক্ষ্য করতাম চিনা খেলোয়াড়দের প্রধান সম্পদ ওদের বল কন্ট্রোল। তার জন্য ওরা যন্ত্রের মত অনুশীলন করে কন্ট্রোলটা বাড়ায়।” রাহুল ভৌমিক তারপরই বাড়িতে আনেন একটা পাওয়ার ওমেগা রোবট। শুরু হয় দিব্যাংশীর সেই রোবটের সঙ্গে অবিরাম অনুশীলন। রোবতে প্রোগ্রামিং করে দেওয়া হত বিশেষ বিশেষ শট। তার বিরুদ্ধে দিব্যাংশী হাজারটা করে শট মারত! এশিয়ান যুব চ্যাম্পিয়নশিপে পরপর তিনজন চিনা খেলোয়াড়কে হারিয়ে সিঙ্গলসে সোনাজয়ের পর আজ দিব্যাংশী নিশ্চয়ই উপলব্ধি করছে রোবটের ভূমিকা। বাবার ভূমিকাও কম নয়। ২০২২-২৩-এ প্রথম আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোয় অংশ নেওয়ার সময় দিব্যাংশীর কোনও স্পনসর ছিল না। কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করেছেন ওর বাবা। ২০২৪-এ একটু স্বস্তি আসে রাহুল ভৌমিকের যখন মুম্বইয়ের একটি স্পোর্টস ফাউন্ডেশন দিব্যাংশীর সঙ্গে চুক্তি করে। এর পাশাপাশি রাহুল জাতীয় কোচ ম্যাসিমো কনস্ট্যানটিনির কাছেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এশিয়ান যুব চ্যাম্পিয়নশিপের আগে ম্যাসিমো নিজে দিব্যাংশীর সঙ্গে অনুশীলন করতেন জাতীয় শিবিরে। চিনা খেলোয়াড়দের দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা করতেন। তবে দিব্যাংশী কিন্তু উচ্ছ্বাসে ভাসছে না এরপরও। সে জানে সাফল্যের আসল মাপকাঠি সিনিয়র পর্যায়ে।
বাগানে বেজে উঠল মোহন বঁাশি

মোহনবাগান ম্যাচের একটা মুহূর্ত (ফাইল চিত্র)।
বাংলার ব্যাডমিন্টনে ‘উদিত সূর্য’ অর্যমা

গোয়ায় অনুষ্ঠিত সারা ভারত প্রতিযোগিতায় অনূর্ধ্ব-১৫ বিভাগে রানার্স হয়ে মঞ্চে সার্টিফিকেট নিয়ে দঁা়ড়িয়ে অর্যমা।
বিশ্বকাপকে অতিক্রম করে এগিয়ে গেল ক্লাব বিশ্বকাপ

গোল করার পর ক্লাব ফুটবল বিশ্বকাপে এভাবেই উদযাপনে মেতে উঠেছেন ফুটবলাররা।
তিন কোচকে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত সিএবি-র, প্রশ্ন উঠছে সৌজন্যবোধের অভাব নিয়ে!

প্রণব রায়, শিবসাগর সিংহ ও চরণজিৎ সিংহ। বাংলার তিন প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং বর্তমান কোচ। এই তিন কোচকে আগাম কোনও বার্তা না দিয়েই সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিএবি-র বর্তমান পরিচালন সমিতি। নজিরবিহীনভাবে এই কোচেরা সিএবি-র এই সিদ্ধান্তের অনুমান করছেন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে আচমকা অপসারিত হওয়ার পর! তাঁদের পরিবর্ত কে হবেন, সেই নামও কার্যত চূড়ান্ত। যে খবর বেশ কয়েকদিন ধরেই ঘুরপাক খাচ্ছে ময়দানে। তিন কোচই মুখে কিছু বলেননি এখনও পর্যন্ত। কিন্তু যেভাবে বঙ্গ ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা তিন অভিজ্ঞ কোচকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে তারা যে অপমানিত হয়েছেন সেই নিয়ে সন্দেহ নেই। জানা গিয়েছে ঘনিষ্ঠমহলে ক্ষোভ, হতাশাও প্রকাশ করেছেন। প্রণব রায় ছিলেন গত মরশুমে ছিলেন বাংলার অনূর্ধ্ব ২৩ দলের হেড কোচ। সবচেয়ে বড় কথা, তাঁর সঙ্গে সিএবি-র চুক্তি রয়েছে ৩১ জুলাই অবধি। প্রাক্তন বাঁহাতি স্পিনার শিবসাগর ছিলেন বাংলার অনূর্ধ্ব ২৩ মহিলা দলের দায়িত্বে। আর অনূর্ধ্ব ১৯ মহিলা দলের কোচ ছিলেন চরণজিৎ। প্রণব রায়কে যে বাংলার অনূর্ধ্ব ২৩ পুরুষ দলের দায়িত্বে রাখা হবে না, সেই ইঙ্গিত আগে থেকেই ছিল। সেই জায়গায় দেখা যেতে পারে ঋদ্ধিমান সাহাকে। গত মরশুমে অবসর নেওয়ার পর ঋদ্ধিমান পুরোদস্তুর কোচিংয়ে আসতে চলেছেন। বেঙ্গল প্রো টি-২০ লিগে তিনি সার্ভোটেক শিলিগুড়ি স্ট্রাইকার্সের মেন্টর ছিলেন। প্রণবের পাশাপাশি সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে শিবসাগর ও চরণজিৎকেও। তাঁদের পরিবর্তে মহিলাদের অনূর্ধ্ব ১৯ ও ২৩ দলের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে রুমেলি ধরকে। বাংলার ক্রিকেট মহলের প্রশ্ন, এই অসৌজন্য কি প্রাপ্য ছিল তিন কোচের? পদ্ধতিতে স্বছ্বতা আনা যেত নে? তিনজনের সঙ্গে সিএবি-র তরফ থেকে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি। ব্যক্তিগত স্তরেও কেউ কথাবার্তা বলেননি। বলা হয়নি যে, ধন্যবাদ। আপনাদের আর রাখা হচ্ছে না। তিন কোচই অপসারণের খবর জানতে পেরেছেন কোচ ও পদাধিকারীদের নিয়ে তৈরি সিএবি-র হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে সোমবার তাঁদের আচমকা সরিয়ে দেওয়ার পর। শোনা গেল, সিএবি-র চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার চিন্ময় নায়েক তাঁদের গ্রুপ থেকে ‘রিমুভ’ করে দিয়েছেন। তিনজনের কাছে অপসারণের কোনও খবর ছিল না। অন্যদের ফোন পেয়ে তাঁরা গ্রুপ খুলে দেখেন। এবং আবিষ্কার করেন, তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বেঙ্গল প্রো টি-২০ টুর্নামেন্টে গতবার চ্যাম্পিয়ন লাক্স শ্যাম কলকাতা টাইগার্সের মহিলা দলের কোচ ছিলেন চরণজিৎ। শিবসাগর ছিলেন হারবার ডায়মণ্ডস মহিলা দলের কোচ। যে দল এবার সেমিফাইনালে খেলেছে। বাংলার মহিলাদের অনূর্ধ্ব ২৩ দলের দায়িত্বে শিবসাগর ছিলেন ২ বছর। তার মধ্যে একবার বোর্ডের ওয়ান ডে টুর্নামেন্টে সেমিফাইনালে খেলেছে বাংলা। টি-২০ টুর্নামেন্টে একবার কোয়ার্টার ও একবার প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে বাংলা। সিএবি-র একাংশ বলছে, পারফরম্যান্স চোখধাঁধানো না হলেও হেলাফেলা করার মতোও নয়। তিন কোচকে যে সরিয়ে দেওয়া হতে চলেছে, সোমবার এপেক্স কাউন্সিলের বৈঠকে তা নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। সিএবি থেকে যদিও বলা হচ্ছে, তিন কোচেরই চুক্তি ফুরিয়েছিল বেঙ্গল প্রো টি-২০ টুর্নামেন্টের আগেই। সেই চুক্তি আর নবীকরণ না করা হলে তাতে নিয়মে বাধা নেই। তবে বাংলার ক্রিকেটের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত কর্তা থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটার – একটা বিষয়ে সকলেই কার্যত একমত। কোচত্রয়ীর বিদায় আরও একটু সম্মানের হতে পারত।
কুলদীপকে প্রথম একাদশে না দেখে বিস্মিত গাভাসকার, সৌরভ

দ্বিতীয় টেস্টে ভারতের প্রথম একাদশ দেখে অসন্তুষ্ট দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর। কুলদীপ যাদবকে না দেখে তিনি বিস্মিত। জশপ্রীত বুমরাহ নেই প্রথম একাদশে। তিনটি পরিবর্তন আনা হয়েছে দলে। আকাশদীপ, ওয়াশিংটন সুন্দর ও নীতীশ রেড্ডি দলে ঢুকেছেন। গাভাসকর মনে করে কুলদীপের অন্তর্ভুক্তি ভারতের বোলিংকে শক্তিশালী করত। কারণ বার্মিংহ্যামের পিচ স্পিনার সহায়ক বলে মনে করা হচ্ছে। সানিকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”কুলদীপকে দলে না নেওয়ায় আমি অবাকই হয়েছি। এরকম পিচে বল ঘুরবে বলে মনে করা হচ্ছে, সেখানেই সুযোগ দেওয়া হল না কুলদীপকে।” গাভাসকরের সংযোজন, ”টপ অর্ডার যদি প্রত্যাশিত রান করতে না পারে, তাহলে সাত নম্বরে নামা ওয়াশিংটন ও আটে নামা নীতীশ রেড্ডির পক্ষে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে না। প্রথম টেস্টে তোমরা দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮৩৫ রান করেছিলে। সেই রানটা কম নয়। ফলে ব্যাটিংয়ে নয়, উইকেট নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও শক্তি বাড়ানো উচিত ছিল।” জশপ্রীত বুমরাহকে প্রথম একাদশে না দেখায় অবাক হয়েছিলেন রবি শাস্ত্রীও। সব মিলিয়ে পিছিয়ে থাকা একটা দলের প্রথম একাদশ খুশি করতে পারেনি প্রাক্তন ক্রিকেটারদের। গাভাসকরের মত দেশের আর এক প্রাক্তন আধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলিও ওয়াশিংটন সুন্দরকে প্রথম একাদশে নেওয়ায় বিস্মিত। সৌরভ বলেছেন, “আমার মনে হয় না, এই টেস্টে ভারতের দুজন সেরা স্পিনার খেলছে।” রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে কুলদীপ যাদব প্রথম একাদশে ঢুকবেন, সেটাই প্রাক্তনদের ধারণা ছিল।