ঐতিহ্য ভেঙে প্রয়াত জোটার প্রবেশ উইম্বলডনে

প্রয়াত জোটাকে শ্রদ্ধা জানাতে উইম্বলডনে কালো আর্মব্যান্ড পরার অনুমতি দেওয়া হল।
ডুরান্ডে নামছে তিন প্রধান

ডুরান্ড কাপের ট্রফি উন্মোচন ও পতাকা নেড়ে উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। শুক্রবার নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে।
ফিফার ব্যান তুলতে প্রয়োজন প্রায় ৪ কোটি টাকা! নতুন ছেলেদের লড়াইয়ে খুশি কোচ

অ্যালেক্সিস কাসিমভের বকেয়া না মেটানোয় বৃহস্পতিবার ফিফার রেজিস্ট্রেশন-ব্যানের চিঠি পেয়েছে মহমেডান স্পোর্টিং। ক্লাবকর্তারা নিশ্চিত, এখানেই শেষ নয়। প্রাক্তন কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ থেকে ফ্রাঙ্কার মত আরও যে কয়েকজন প্রাক্তন বিদেশি ফুটবলার ফিফায় বকেয়া না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন, তাদের টাকা মেটানোর নির্দেশও ফিফা অবিলম্বে পাঠাবে। সেই টাকার পরিমাণ কম নয়। সবমিলিয়ে প্রায় ৪ কোটি টাকা! তাতেও ক্লাবের শীর্ষকর্তারা বিচলিত নন! শুক্রবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষকর্তা এই প্রসঙ্গে জানালেন, পুরো টাকাটাই ক্লাব দিয়ে দেবে, ক্ষেপে, ক্ষেপে। একটু সময় লাগতে পারে। নতুন বিনিয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে ক্লাবের আলোচনা এখনও পর্যন্ত ইতিবাচক জায়গায় আছে। শুক্রবার আনকোরা নতুন ছেলেদের নিয়ে কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে তাদের প্রথম ম্যাচে মহমেডান স্পোর্টিং ২-২ গোলে ড্র করল কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে। কোচ মেহরাজউদ্দিন ওয়াডু ছেলেদের লড়াইয়ে সন্তুষ্ট। বললেন, “স্বস্তির খবর যে, ট্রায়াল থেকে নেওয়া যে পাঁচজন নতুন ছেলেকে নেওয়া হয়েছে তারা প্রথম ম্যাচে ভরসা দিয়েছে। আগামিদিনে এরা দলের সম্পদ হতে পারে। মাত্র ১০ দিনের প্র্যাক্টিসে অনভিজ্ঞ ফুটবলারদের নিয়ে আজ এক পয়েন্ট পেয়ে আমি খুশি।”
দশজনের বিরুদ্ধেও আটকে গেল লাল-হলুদ

বিরতির বঁাশি বাজার আগের মুহূর্তে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন গুইতে।
দু-বার এগিয়েও ড্র মহামেডানের

সংঘবদ্ধতার ছাপ ফেলতে ব্যর্থ হল মহামেডান।
মুগ্ধ সৌরভ; গিলও বললেন নতুনভাবে ব্যাটিং উপভোগ করছেন!

শুবমান গিলের ২৬৯-এ মুগ্ধ সৌরভ গাঙ্গুলি। এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “অসাধারণ ব্যাটিং গিলের। একেবারে নিখুঁত। ত্রুটিহীন। ইংল্যান্ডে আমার দেখা যেকোনও যুগের সেরা ইনিংসগুলোর মধ্যে একটি। গত কয়েক মাসে অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে শুভমান। সম্ভবত টেস্ট ক্রিকেটে ওপেনিং ওর জন্য সঠিক জায়গা ছিল না। এই টেস্টটা কিন্তু ভারত জিততে পারে।” শুবমানও বৃহস্পতিবারের ইনিংসের পর ব্রডকাস্টার চ্যানেলে জানালেন এতদিন ব্যাটিংটা আনন্দ নিয়ে করতে পারছিলেন না! এখন নতুনভাবে উপভোগ করছেন! বলেছেন, “এর আগের সিরিজগুলোতেও ভালো ব্যাটিং করছিলাম। কিন্তু ৩০-৩৫ করার পর আউট হয়ে যাচ্ছিলাম। বড় রান আসছিল না। একটু বেশিই ফোকাস করতে যাচ্ছিলাম। অনেকেই বলছিলেন, অনেক সময় বেশি ফোকাস করতে গেলে সমস্যা হয়। মাঠে নামার পর মাথায় শুধু একটা জিনিসই ঘুরত, রান করতে হবে। তাই অতিরিক্ত মাত্রায় ফোকাস করা শুরু করেছিলাম। ব্যাটিংকে উপভোগ করার ব্যাপারটা হারিয়ে গিয়েছিল। তারপর ঠিক করি, বেশি ভাবার দরকার নেই। রান নিয়ে বেশি ভাবব না। যতটা সম্ভব লম্বা সময় ব্যাটিং করব। ঠিক ছোটবেলায় যেভাবে ব্যাটিং করতাম, এই সিরিজেও ঠিক সেভাবেই করছি। ব্যাটিংটা উপভোগ করছি। বেশি কিছু ভাবছি না।” সৌরভের পাশাপাশি আর এক কিংবদন্তি ভারতীয় ব্যাটসম্যান সুনীল গাভাসকারও গিলের ব্যাটিংয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সুনীল গাভাসকরের মন্তব্য, ‘‘অসাধারণ। কোনও বিশেষণই যথেষ্ট নয় গিলের জন্য। আশা করি, পরের ডাবল সেঞ্চুরি দেখার জন্য আর ২৩ বছর অপেক্ষা করতে হবে না।’’ শেষ ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। দীর্ঘ ব্যবধান কাটিয়ে বিলেতের মাঠে এল ডাবল সেঞ্চুরি। মাত্র ৩১ রানের জন্য ত্রিশতরান মিস করলেন গিল।
বাংলাদেশে টিম-ইন্ডিয়াকে পাঠাতে চাইছে না বিসিসিআই

বাংলাদেশ যাচ্ছে না ভারতীয় ক্রিকেট দল! একদিনের আন্তর্জাতিক এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগামী ১৩ অগস্ট বাংলাদেশে যাওয়ার কথা ছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলের। সেখানে ১৭ থেকে ৩১ অগাস্টের মধ্যে তিনটি করে একদিনের আর্ন্তজাতিক ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজের সূচি মাস দু’য়েক আগেই প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু সূত্রের খবর, বাংলাদেশে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কেন্দ্রের সবুজ সঙ্কেত পায়নি বিসিসিআই৷ ফলত, সিরিজটি নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বাতিল হওয়ার পেছনে মূল কারণ দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের অবনতি এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার অভাব। সূত্র আরও জানিয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) যৌথভাবে একটি বিবৃতি দেবে যেখানে এই সিদ্ধান্তকে বাতিল না বলে, ‘স্থগিত’ হিসেবে উল্লেখ করা হবে। গতবছর অগস্টে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং পরবর্তী কালে মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অর্ন্তবর্তী সরকার চালানোর সময়ে অনেকটাই বদলে গিয়েছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এবং প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক সম্পর্ক৷ বিসিসিআই সূত্রে জানা গিয়েছে বর্তমানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অশান্তির পরিবেশকেই এই সফর বাতিলের অন্যতম কারণ হিসাবে তুলে ধরা হচ্ছে। বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পর থেকে সেখানে বিশৃঙ্খলার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় প্রত্যেকদিনই নানারকমের হিংসাত্মক ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ, ভারত-বিরোধী স্লোগান, হিন্দু মন্দির ভেঙে দেওয়ার মত উদ্বেগের ঘটনার খবরও নিয়মিত পাওয়া যাছে। তাই এরকম পরিস্থিতিতে ভারত সরকার টিম ইন্ডিয়াকে বাংলাদেশে পাঠানোর ঝুঁকি নিতে চাইছে না। আরও একটি অন্যতম কারণ, ওখানে হিন্দু বিদ্বেষের জন্য দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে রাজনৈতিক সম্পর্কও আগের তুলনায় খারাপ হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনূস ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকবার ভারত বিরোধী মন্তব্যও করেছেন। সব মিলিয়ে বিসিসিআইয়ের কাছে এই মুহুর্তে জাতীয় দলকে ওখানে না পাঠানোই শ্রেয় বলে মনে হচ্ছে।
ইতিহাস গড়েও কষ্টে রয়েছেন গিল

ইতিহাস গড়ার দিনেও শুতে যাওয়ার আগে ফোন চেক করে নিচ্ছেন গিল।