ভুল শুধরে জয়ে ফিরলাম, বললেন গিল

জয়ের অন্যতম নায়ক আকাশদীপের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
ধন্য মনে করছেন জকোভিচ

স্বদেশিকে হারিয়ে উইম্বলডনে ১০০তম ম্যাচ জয়ের সাক্ষী থাকলেন নোভাক জকোভিচ। ফাইল চিত্র।
কেরালা ব্লাস্টার্সের তরুণ গোলকিপার সোম কুমার আবার স্লোভেনিয়ায়; ম্যাচ খেললেন নতুন দলের হয়ে

তরুণ গোলরক্ষক সোম কুমারকে গত মরশুমে সই করিয়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। কিন্তু আইএসএল খেলতে আসার আগেই স্লোভেনিয়ার এন কে অলিম্পিজা লুব্লজানার হয়ে খেলেছেন সোম। সেই দলের জার্সিতে খেলেছিলেন ১৩টি ম্যাচ। যার মধ্যে ৬টি ক্লিনশিটও ছিল এই ফুটবলারের। কিন্তু কেরালা ব্লাস্টার্সে যোগ দেওয়ার পর সুযোগ পাননি এই তরুণ গোলকিপার। খেলেছিলেন মাত্র তিনটি ম্যাচে। সেই নিয়ে হতাশই ছিলেন এই গোলরক্ষক। স্বাভাবিকভাবেই পরবর্তীতে উইন্টার ট্রান্সফার-উইন্ডোতে আবার স্লোভেনিয়া ফিরে যান তিনি। সেখানে যোগ দেন নতুন ক্লাব এন. কে র্যাডমলিতে। বিদেশে ফিরে নিজের ছন্দ ফেরানোই অন্যতম লক্ষ্য ছিল তাঁর। অবশেষে গত শুক্রবার এই দলের জার্সিতে অভিষেক ঘটে বছর কুড়ির এই ভারতীয় গোলরক্ষকের। ক্রোয়েশিয়ার প্রথম সারির দল হাদউক স্প্লিটের বিরুদ্ধে তাঁকে মাঠে নামিয়েছিলেন কোচ। প্রথমার্ধের শেষে কোচ তাকে তুলে নেন। তবে জানা গিয়েছে, সোমের খেলায় সন্তুষ্ট নতুন দলের কোচ।
ক্রিসপিন বললেন আইডব্লিউএল সমৃদ্ধ হবে এই সাফল্যে!

সুদীপ পাকড়াশীঃ রবিবার সকালে তাইল্যান্ডে তাকে ফোনে যখন ধরা গেল তিনি বিমানবন্দরে। নয়াদিল্লির ফ্লাইটে ওঠার অপেক্ষায়। কয়েকটা মিনিট মাত্র! তার মধ্যেই ক্রিসপিন ছেত্রীর তিনটি বাক্য, “আমরা জানতাম আমরা পারব। ভারতে মেয়েদের ফুটবলে নতুন দিগন্ত খুলে গেল।” আর তিন নম্বর কথাটা বোধহয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ, “আইডব্লিউ-এর সমৃদ্ধি হওয়া উচিত এই সাফল্যের পর।” রবিবারই সকালে সিনিয়র জাতীয় মহিলা দলের এই কোচ ইনস্টাগ্রামে এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা করেছেন। “২০০৩-এর ২২ বছর পর সিনিয়র মহিলা দল এশিয়ান কাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল। তাও তখন কোয়ালিফায়ার হত না। সুতরাং সাফল্য তো বলতেই হবে। কিন্তু সাফল্য শুধু জাতীয় দলের নয়।” কোচের সংযোজন, “ভারতে এখন মেয়ের যে পেশাদার ফুটবল লীগ হয়, সেই লিগেও লাগবে এই সাফল্যের ছোঁয়া। যারা দল গড়ে, বিশেষত, যে কর্পোরেট বা প্রাইভেট সংস্থারা এগিয়ে এসেছে মেয়েদের ফুটবলে, তারা উৎসাহিত হবে। আরও শক্তিশালী দল গড়ার লক্ষ্যে বিনিয়োগের পরিমাণ তারা বাড়াতে পারেন। তাতে লিগের ওজন বাড়বে, আরো অভিজ্ঞ এবং দক্ষ বিদেশি ফুটবলারদের এই লিগে আসার সম্ভাবনা বাড়তে পারে। আর আইডব্লিউ-এর মান বাড়লে জাতীয় দলের শক্তিও বাড়বে।” ফেডারেশনের শীর্ষকর্তারাও আবেগে ভাসছেন মেয়েদের সাফল্যে। তাদের মনে হচ্ছে মেয়েদের সফল হওয়ার পেছনের মূল কারণ দুটি। এক, দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি শিবির আর শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা। ছেত্রীর কোচিংয়ে এই মেয়েরা বেঙ্গালুরুতে ক্যাম্প করেছিল ৫০ দিনের। আর রাশিয়া, কোরিয়া রিপাবলিক, উজবেকিস্তানের মত শক্তিশালী দেশগুলোর বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিল। ম্যাচগুলো মেয়েরা হেরেছিল। কিন্তু লাভ? এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ারে ইরাক বা তাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে রিম্পা, সঙ্গীতা বাসফোরদের খেলায় আত্মবিশ্বাস এবং বোঝাপড়া দেখে বোঝা গিয়েছে হেরে যাওয়া প্রস্তুতি ম্যাচগুলো থেকে এরা কি অর্জন করেছিলেন। তাই আগামি বছর মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় এশিয়ান কাপে খেলতে যাওয়ার আগেও ফেডারেশনের পরিকল্পনা একইরকম হওয়ার সম্ভাবনা। দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি শিবির আর অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে এক্সপোজার। এবং ক্রিসপিন ছেত্রীকে কোচ রেখে!
ন’জনে খেলেও বায়ার্নকে বিপর্যস্ত করে ক্লাব বিশ্বকাপের শেষ চারে পিএসজি; গুরুতর চোট মুসিয়ালার

ইন্টার মিয়ামিকে চার গোলের মালা পরিয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখ মুখোমুখি হয়েছিল পিএসজি। শনিবার কোয়ার্টার ফাইনালের মহারণে, বায়ার্নকে ২ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠল ফরাসি ক্লাব। তবে, ম্যাচের শেষার্ধ্বে ৯ জনের পিএসজি’কে পেয়েও গোল করতে পারেনি বায়ার্ন। গুরুতর চোট পেলেন বায়ার্নের তরুণ তারকা মুসিয়ালা। প্রথমার্ধের শেষ হওয়ার ঠিক আগে ভয়ানক চোটের কবলে পড়েন বায়ার্ন মিডফিল্ডার জামাল মুসিয়ালা। পিএসজি গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুমার সঙ্গে সংঘর্ষ হয় তাঁর। স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয় ২২ বছরের এই মিডফিল্ডারকে। বায়ার্ন মিউনিখের স্পোর্টিং ডিরেক্টর ম্যাক্স এবারল খেলার পর জানিয়েছেন, মুসিয়ালাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “চোটের অবস্থা দেখে ভালো মনে হয়নি।” বায়ার্নের প্রধান কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানির কথায়, “ছবি দেখে মনে হচ্ছে গোড়ালিতে বড় রকম আঘাত পেয়েছে। তবে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছি না।” দেজিরে দোয়ের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। এই গোলের পর আরও তেড়েফুঁড়ে ওঠে তারা। ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯০+৬ মি.) বায়ার্নের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন উসমান ডেম্বেলে। এক্ষেত্রে অবশ্য দায়ী বিপক্ষের রক্ষণ। প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবলারের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে বল জালে জড়িয়ে দিতে কোনও ভুল করেননি তিনি। শেষের দিকে ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা ছিল চরমে। ৮২ থেকে ৯২ মিনিটের মধ্যে পিএসজি’র দুই ফুটবলার লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যান। ৮২ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন ডিফেন্ডার উইলিয়াম পাচো। ৯০+২ মিনিটে লুকাস হার্নান্দেজকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। ফলে ম্যাচের শেষভাগে ৯ জন হয়ে যাওয়া পিএসজি’কে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হয় বায়ার্ন। তবে, সেমিফাইনালে নামার আগে দুই ফুটবলারের লাল কার্ড চিন্তায় রাখবে ফরাসি ক্লাবকে।