স্লোভেনিয়ার দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাবে সুযোগ পেলেন ১৯ বছরের হৃদয়া জৈন

হৃদয়া জৈন। বয়স ১৯ বছর। কর্ণাটকের বাসিন্দা। মিনার্ভা অ্যাকাডেমি থেকে উঠে এসেছেন। দিল্লি এফসিতে খেলছিলেন গত মরশুমে। স্লোভেনিয়ার দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাব এনকে ব্রিঞ্জে গ্রোসুপজে-তে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। সোম কুমার এবং নীহার মনিরামার পর তৃতীয় ভারতীয় ফুটবলার হিসেবে তার স্লোভেনিয়ার ফুটবল লিগে খেলার সুযোগ পাওয়া। কেরালা ব্লাস্টার্সের প্রাক্তন গোলকিপার সোম কুমার অবশ্য স্লোভেনিয়ার প্রথম ডিভিশন লিগের দল এনকে রাদোমিজে-তে সই করেছেন। হৃদয়া গত মরশুমে দিল্লি এফসি-র হয়ে আই লিগে ২১ ম্যাচে চারটে গোল করেছিলেন। মিডফিল্ডেই মূলত খেলেন হৃদয়া। কিন্তু স্ট্রাইকারের ভূমিকায়ও তাকে গত আই লিগে খেলতে দেখা গিয়েছে। আই লিগ চলাকালীনই স্লোভেনিয়ার ক্লাব থেকে স্কাউটরা এসেছিলেন এবং হৃদয়া জৈনের খেলা দেখে তারা ওকে সই করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
এশিয়া কাপের প্রস্তুতির কথা অধিনায়ক সুর্যকুমারেরঃ সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে ভারত্তোলন, স্টিপল চেজ করে ফিট হওয়া

ছয় সপ্তাহ সময় পেয়েছিলেন এশিয়া কাপের আগে নিজেকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলার জন্য। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি ভিডিও পোস্টে জানা গিয়েছে কীভাবে ভারতের অধিনায়ক সুর্যকুমার যাদব সপূর্ণ সুস্থ হয়ে এশিয়া কাপ খেলতে যাচ্ছেন। দল ঘোষণার সময়ও নির্বাচকদের দুশ্চিন্তা কমেনি। কারণ তখনও সুর্যকুমার বেঙ্গালুরুতে, সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে রিহ্যাব প্রোগ্রামের মধ্যে ছিলেন। গত আইপিএলের শেষে চোট পয়েছিলেন সুর্যকুমার। তারপর জার্মানিতে গিয়ে অস্ত্রোপচার করিয়ে ফিরে এসে সেন্টার অফ এক্সেলেক্সে শুরু করেন রিহ্যাব প্রোগ্রাম। তিন ধাপের নিবিড় অনুশীলন ছিল সেই রিহ্যাব প্রোগ্রাম। সুর্যকুমারের প্রথম পর্যায়ের অনুশীলনে ছিল কোমরে দড়ি বেঁধে দৌড়, ভারত্তোলন, স্টিপল চেজের মত ইভেন্টে অংশ নেওয়া। পর্যবেক্ষণে ছিলেন সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের অভিজ্ঞ ফিজিওরা। দ্বিতীয় পর্বের রিহ্যাবে ছিল নেটে ব্যাটিং। সুর্য জানিয়েছেন সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে পরিকাঠামো বিশ্বমানের। তিনটে মাঠ, ৬০ থেকে ৭০টা পিচ। অধিনায়ক বলেছেন, “যে কোনও ক্রিকেটার বোর্ডের অনুমতি নিয়ে এখানে অনুশীলন করলে তার উপকার হবে। তৃতীয় স্তরের রিহ্যাবে সুর্যকুমার ম্যাচ খেলেছেন, সেন্টার অফ এক্সেলেন্সেরই নিজস্ব দলের সঙ্গে। মেরেছেন নিজের পুরোনো শটগুলো। ছ’সপ্তাহ পর তাকে ফিটনেসের ছাড়পত্র দিয়েছে সেন্টার অফ এক্সেলেন্স।