‘বিতর্কিত’ পেনাল্টিতে কাতারের কাছে হার দশজনের ভারতের

দোহায় অনূর্ধ্বূ-২৩ এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ার্সে শনিবার রাতে তাদের দ্বিতীয় গ্রুপ লিগের ম্যাচে শক্তিশালী কাতারের বিরুদ্ধে ১-২ গোলে হেরে গেল ভারত। কাতারের হয়ে গোল করলেন আল-হাশমি আল-হুসেন এবং জাসেম আল শারশানি। ভারতের গোলটি করেছেন মুহম্মদ সুহেল। প্রথম ম্যাচে বাহরিনের বিরুদ্ধে নজর কাড়ার পর শনিবারও তার ফুটবল বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টি আকর্ষণ করল। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ে ভারত। তবে পিছিয়ে পড়েও লড়াই তারা ছাড়েনি। রক্ষণকে জমাট করে কাউন্টার অ্যাটাকে সমতা ফেরানোর চেষ্টায় ছিলেন পার্থিব গগৈরা। দ্বিতীয়ার্ধে মহম্মদ সুহেল স্কোরলাইনে সমতা ফেরান। ভারত আবার প্রবলভাবে ম্যাচে ফেরে। কাতারের রক্ষণভাগ সেই সময় যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েছিল। কিন্তু ৬৫ মিনিটে জোড়া হলুদ কার্ডে মাঠ ছাড়তে হয় ভারতীয় ডিফেন্ডার পরমবীর সিংকে। তারপরই পেনাল্টি পায় কাতার। পেনাল্টি নিয়ে রেফারির কাছে আপত্তিও জানিয়েছেন ভারতীয় ফুটবলাররা। সেই পেনাল্টিতে কাতার দ্বিতীয় গোল করে তিন পয়েন্ট পায়। ১১টি গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন আর দু’নম্বরে থাকা দল এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। দু’ম্যাচে ৩ পয়েন্ট পাওয়া ভারতের লক্ষ্য এখন শেষ ম্যাচে ব্রুনেই-এর বিরুদ্ধে ৩ পয়েন্ট পাওয়া। মূল পর্বে যেতে হলে যা ভীষণভাবে প্রয়োজন।
টানা দু’বার ইউএস ওপেন জয় সাবালেঙ্কার

নজির গড়ে ইউএস ওপেন জিতলেন এরিনা সাবালেঙ্কা। গত ১১ বছরে প্রথম মহিলা হিসাবে টানা দু’বার ইউএস ওপেন শিরোপা জিতলেন সাবালাঙ্কা। এর আগে ২০১২, ২০১৩, ২০১৪ সালে টানা তৃতীয় বার ইউএস ওপেন জিতেছিলেন সেরেনা উইলিয়ামস। আসলে, চলতি বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন এবং ফরাসি ওপেনের ফাইনালেও উঠেছিলেন তিনি। শিরোপার অনেক কাছ থেকে ফিরতে হয়েছিল। অবশেষে আমেরিকায় শাপমুক্তি হল ২৭ বছরের এই টেনিস তারকার। তাই আনন্দও যেন দ্বিগুণ ছিল। শনিবার মার্কিন তারকা আমান্ডা আনিসিমোভাকে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে দিলেন বেলারুশের এই টেনিসকন্যা। বিপক্ষের ঘরের মাঠে দর্শকদের চিৎকারের মধ্যেও টানা দ্বিতীয়বার ইউএস ওপেনের মুকট জিতে সাবালেঙ্কা বললেন, “হয়তো পরের বার সমর্থন পাব।” নিউ ইয়র্কের আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে ইউএস ওপেন ফাইনালে অষ্টম বাছাই আনিসিমোভাকে দেড় ঘণ্টার লড়াইয়ে পরাস্ত করলেন সাবলাঙ্কা। খেলার ফলাফল ৬-৩, ৭-৬। ফলাফলই বলে দিচ্ছে, অনায়াসেই জিতেছেন বেলারুশ তারকা। কেবল আনিসিমোভাকে নন, সাবলাঙ্কা হারালেন খেলা দেখতে আসা হাজার পঁচিশেক দর্শককেও। যাঁরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ঘরের মেয়েকে পূর্ণ দমে সমর্থন করে গিয়েছেন। কিন্তু সাবলাঙ্কার অনবদ্য টেনিস এবং অভিজ্ঞতার সামনে পার পেলেন না ‘ঘরের মেয়ে’। ম্যাচ জেতার পর আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি সাবালাঙ্কা। কোর্টের মধ্যেই হাঁটু মুড়ে কেঁদে ফেলেন। এরপর সোজা দৌড় লাগান গ্যালারিতে। সেখানে তখন জয়ের আনন্দে মশগুল তাঁর কোচ এবং কোচিং স্টাফেরা। তাঁদের সঙ্গে জয় উদযাপন করলেন। দেখা গেল, কোচ তাঁকে রুপোলি রঙের পোশাক উপহার দিচ্ছেন। এরপর প্রেমিককে চুমুও খেলেন।