গুরপ্রীতের হাত ধরে ইতিহাস ভারতের, নতুন অধ্যায়ের সূচনা খালিদের

সমালোচিত গুরপ্রীতের(Gurpreet Singh) হাত ধরেই খালিদের নতুন ভারতের উত্থান। কাফা নেশনস(Cafa Nations Cup) কাপে ওমানকে টাই ব্রেকারে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল মেন ইন ব্লুজ ব্রিগেড। আর তাতেই ভারতীয় ফুটবলে ওখন উচ্ছ্বাস। আর এই ম্যাচ দিয়েই হয়ত দল গঠন নিয়ে হওয়া সমস্ত সমালোচনার জবাবটা দিলেন খালিদ জামিল(Khalid Jamil)। টাই ব্রেকারে ম্যাচের ফলাফল ভারত ৩ এবং ওমান ২। আর তাতেই চওড়া হাসি ভারতীয় ফুটবলারদের মুখে। তাজাকিস্তানের মাটিতে নতুন ইতিহাস তৈরি করল মেন ইন ব্লুজ ব্রিগেড। খালিদ জামিল(Khalid Jamil) কোচ হওয়ার পরই প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল এই কাফা নেশনস কাপ। সেখানেই দল গঠন নিয়ে বহু প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন তিনি। তবে উত্তরটা তুলে রেখেছিলেন। তাজাকিস্তানে ওমানকে হারানোরই সেই জবাবটা হয়ত দিলেন খালিদ জামিল। তবে এদিন গুরপ্রীতের(Gurpreet Singh) বিশ্বস্ত হাত যদি ভারতকে না বাঁচাত, তবে ম্যাচের ভিলেনের নাম যে উদান্ত সিং হত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ম্যাচের শুরুর দিকে খানিকটা এগিয়ে ছিল ওমানই। ভারত আক্রমণে গেলেও, ওমানের চাপই ছিল বেশি। যদিও প্রথমার্ধে গোলের মুখ খুলতে পারেনি কোনও শিবিরই। সেই সময়ও গুরপ্রীতের(Gurpreet Singh) হাতই ছিল ভারতের অন্যতম প্রধান ভরসা। তবে বিরতির পরই এগিয়ে যায় ওমান। ম্যাচের বয়স তখন ৫৫ মিনিট। সময় যত এগোয় ভারতের ওপর চাপও বাড়তে থাকে। তবে পাল্টা আক্রমণও শুরু করে মেন ইন ব্লুজ ব্রিগেড। অবশেষে সাফল্য ৮৮ মিনিটে। পরিবর্ত ফুটবলার হিসাবে আসা উদান্ত সিং ম্যাচে ফেরায় ভারতীয় দলকে। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচের ফলাফল ১-১। খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও ম্যাচের ফলাফল ১-১। অবশেষে টাই ব্রেকার। আর সেখানেই এদিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন গুরপ্রীত সিং সান্ধু। তাঁর জোড়া সেভ বাঁচিয়ে দেয় ভারতীয় দলকে। তবে উদান্ত সিং টাইব্রেকার মিস করায় খানিকটা হলেও চিন্তায় পড়েছিল খালিদের ভারত। কিন্তু শেষপর্যন্ত গুরপ্রীতের বিশ্বস্ত হাতেই ব্রোঞ্জ এল মেন ইন ব্লুজ ব্রিগেডের। খালিদের হাত ধরে এবার বোধহয় এক নতুন অধ্যায় শুরু হল ভারতীয় ফুটবলে।
এশিয়া কাপের আগে বুমরাকে বার্তা ভরতের!

এশিয়া কাপে(Asia Cup) ভারতীয় দলে রয়েছেন জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah)। তাঁর হাতেই যে ভারতের পেস অ্যাটাকের ব্যাটন থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু প্রশ্ন অন্য জায়গায়। জসপ্রীত বুমরাহ কী এশিয়া কাপের সবকটা ম্যাচ খেলবেন। এই প্রশ্ন এখন সব জায়গাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। প্রাক্তন ভারতীয় দলের বোলিং কোচ ভরত অরুণ(Bharat Arun) কিন্তু জসপ্রীত বুমরাকে সবকটা ম্যাচ খেলার বার্তাই দিচ্ছেন। সেইসঙ্গে বুমরার(Jasprit Bumrah) রিদিম ধরে রাখার ব্যপারটা যে একটা বড়সড় ফ্যাক্টর হবে তা বলতে কোনও দ্বিধা নেই ভরত অরুণের। কয়েকদিন আগেই শেষ হয়েছে ইংল্যান্ড বনাম ভারত(ENGvIND) টেস্ট সিরিজ। সেখানে পাঁচ ম্যাচের সিরিজের মধ্যে মাত্র তিনটি ম্যাচই খেলেছিলেন জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Baumrah)। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের জন্যই যে এমন সিদ্ধান্তটা নেওয়া হয়েছিল। আর ভরত অরুণও কিন্তু সেদিকেই বাড়তি নজর দিচ্ছেন। জসপ্রীত বুমরাহকেই বিশেষ করে দেশের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বার্তা দিচ্ছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন বোলিং কোচ। আরও পড়ুনঃ এশিয়া কাপে প্রথম একাদশে সঞ্জুকে নিয়ে জল্পনা এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে ভরত অরুণ জানিয়েছেন, “দেশের জার্সিতে জসপ্রীত বুমরাহকে ফের একবার দেখতে সবসময়ই আমার ভালো লাগে। তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটা তো বুমরাকেই নিতে হবে। তবে আমার মনে হয় বুমরার উচিৎ সবকটা ম্যাচে খেলার সিদ্ধান্তটা নেওয়া। সেইসঙ্গে আমি এটাও মনে করি যে এই ফর্ম্যাটের প্রতিযোগিতাতে জসপ্রীত বুমরার সেভাবে বিশ্রাম নেওয়ার কোনওরকম প্রয়োজন পড়বে না। তিনি বোলিং করলে আরও একটা দিকে নজর দেওয়া উচিৎ, সেটা হল বুমরার রিদিমটা”। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বুমরার(Jasprit Bumrah) ঝুলিতে উইকেট এলেও, সেভাবে চেনা ছন্দে দেখা যায়নি জসপ্রীত বুমরাহকে। তাঁর পারফরম্যান্স, ওয়ার্কলোডের জন্য সবকটা ম্যাচ না খেলতে পারার সিদ্ধান্ত নিয়েও কিন্তু নানান প্রশ্ন উঠেছিল। তবে এশিয়া কাপ হবে টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে। সেখানেই জসপ্রীত বুমরার থেকে সাফল্যের আশাতেই সকলে।
আই লিগের প্রস্তুতিতে কিবু তাকিয়ে সুপার কাপের দিকে

সুদীপ পাকড়াশীঃ ভারতীয় ফুটবলে এক বিরল কীর্তির সামনে দাঁড়িয়ে ডায়মন্ড হারবার এফসি-র স্প্যানিশ কোচ কিবু (Kibu Vicuna)। আই লিগ-৩ এবং আই লিগ-২-এর পর ডায়মন্ড হারবার এই মরশুমে এলিট আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হলে কিবু ভিকুনাই ভারতীয় ফুটবলে একমাত্র কোচ হবেন যার কোচিংয়ে একটা দল টানা তিনটে লিগ চ্যাম্পিয়ন হবে। কিন্তু সোমবার প্যারালাল স্পোর্টসের সঙ্গে কথা বলার সময় ৫৪ বছর বয়সী স্প্যানিশ কোচের সেই নিয়ে ভাবনা নেই! বরং তাকে হতাশ লাগল। বললেনও, “আই লিগের মত কঠিন লিগে চ্যাম্পিয়ন হতে হলে শুধু দক্ষ বিদেশি নয়, ফুটবলারদের প্রয়োজন ম্যাচিওরিটি, ধারাবাহিকতা দেখানোর মনের জোর। আর তার জন্য প্রয়োজন প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলা। কোথায় সেই টুর্নামেন্ট? ডুরান্ড কাপ খেলেছি। আমরা তো জানিই না এরপর কী।” ডায়মন্ড হারবার এফসি (Diamond Harbour FC) কয়েকটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার চেষ্টা করেছিল। গত সপ্তাহে কলকাতার কয়েকটি প্রিমিয়ার ডিভিশনে খেলা দলকে তারা আবেদন করেছিল প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার জন্য। কিন্তু দলগুলো রাজি হয়নি। কোচের পরামর্শ অনুযায়ী ক্লাব কর্তৃপক্ষ এখন ভাবছে জামশেদপুর এফসি, ওড়িশা এফসি-র মত আইএসএল দলকে অনুরোধ করবে প্রস্তুতি ম্যাচে খেলার জন্য। কিন্তু সেই দলগুলোও, জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত ম্যাচ খেলার অবস্থায় পৌঁছয়নি। অগত্যা কিবু ভিকুনার সামনে এখন সুপার কাপ। ২৫ অক্টোবর থেকে যা শুরু হওয়ার কথা। আর কলকাতা লিগ শেষ হওয়ার পর, সুপার কাপের আগে যদি এবারের আইএফএ শিল্ড অনুষ্ঠিত হয় তাহলে সেটা ডায়মন্ড হারবার এফসি-র কাছে বাড়তি পাওনা হতে পারে। ডুরান্ড কাপের ফাইনালে নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি-র কাছে হারকে স্বাভাবিক বলছেন কিবু। “ওরা আইএসএলে খেলা অভিজ্ঞ দল। পূর্ণশক্তির বিদেশি ফুটবলার নিয়ে ওরা খেলেছিল। কিন্তু তারপরও ডুরান্ড কাপ একটা টুর্নামেন্ট যেখানে আমরা তিন্টে আইএসএলের দলকে হারিয়েছি। আগামিদিনে, পরবর্তী টুর্নামেন্টে নামার আগে এই প্রাপ্তিটা ফুটবলারদের কাছে নিশ্চয়ই মোটিভেশনের কাজ করবে,” কিবুর সংযোজন।
ওজন কমিয়েছেন রোহিত, রহস্য ফাঁস করলেন ডায়েটিশিয়ান

সদ্য ইয়ো ইয়ো টেস্টে পাশ করেছেন রোহিত শর্মা(Rohit Sharma)। কয়েকদিন আগেই বিসিসিআইয়ের(BCCI) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে ফিটনেস ট্রেনিংয়ে নেমেছিলেন ভারতীয় ওডিআই দলের অধিনায়ক। সেখানেই রোহিত শর্মা সকলকে চমকে দিয়েছেন। বিশেষ করে তাঁর একটি সাম্প্রতিক ছবি সকলকে অবাক করে দেওয়ার মতোই। কারণ রোহিত শর্মা (Rohit Sharma) প্রায় ৮ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছেন। এরপর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে নানান জল্পনা। অনেকেই জানতে চাইছেন কেমনভাবে এই কয়েকদিনে এতটা ওজন কমালেন রোহিত শর্মা(Rohit Sharma)। আইপিএল(IPL) চলার মাঝেই টেস্ট ফর্ম্যাট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন রোহিত শর্মা(Rohit Sharma)। টি টোয়েন্টি থেকে তো আগেই বিদায় নিয়েছেন তিনি। আইপিএলের পর থেকে রোহিত শর্মাকে অবশ্য আর ভারতীয় দলের জার্সিতে দেখা যায়নি। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেই হয়ত ভারতীয় দলের(Indian Cricket Team) জার্সিতে ফের একবার দেখা যেতে চলেছে এই তারকা ক্রিকেটারকে। তার আগে অবশ্য রোহিত চেহারাই এখন সকলের চর্চার বিষয়। রোহিত শর্মা(Rohit Sharma) সম্প্রতি বোর্ডের ইয়ো ইয়ো টেস্টে নেমেছিলেন। যদিও তিনি এশিয়া কাপ খেলছেন না। তবুও রোহিতকে ডাকা হয়েছিল এই প্রস্তুতি শিবিরে। সেখানেই রোহিতের ওজন যখন মারা হয় সকলেই হতবাক। প্রায় ৮ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছেন এই তারকা ক্রিকেটার। আইপিএলের পর থেকে এই কয়েক মাসে রোহিতের এমন ওজন কমানোর রহস্য সকলে জানতে চাইছে। অবশেষে সেই রহস্যই এল সকলের সামনে। না কোনওরকম সাপ্লিমেন্ট বা মেডিক্যাল ড্রাগ নিয়ে তিনি এমনভাবে ওজন কামাননি। রোহিতের ট্রেনারই জানালেন আসল রহস্য। রোহিত শর্মার ফিটনেস ট্রেনার ফার্নান্দো জানিয়েছেন, “আমি রোহিত শর্মার ডায়েটিশিয়ান হিসাবে কাজ করেছিলাম। সেখানে তিনি কার্ডিওভাসকুলার ফিটনেসে অত্যন্ত ভালো ভাবে কাজ করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত পরিশ্রম করেছিলেন। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন যে তিনি সম্প্রতি ইয়ো ইয়ো টেস্ট পাশ করেছেন। সেটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ একটা ফিটনেস টেস্ট তা সকলেই জানেন। সেখানেই বোঝা যায় যে তিনি ম্যাচের জন্যও তিনি কতটা প্রস্তুত”। অনেকেই জিএলপি ড্রাগের কথা বলতে শুরু করেছিলেন। কারণ সেরেনা উইলিয়ামস ওজন কমানোর জন্য এই ড্রাগের ব্যবহার করেছিলেন। তবে কি রোহিতও এমনই কিছু করেছিলেন। রোহিত শর্মার ডায়েটিশিয়ান কিন্তু জানিয়ে দিয়েছেন। সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টা এবং কঠোর ট্রেনিংয়েই নিজের ওজন কমিয়েছেন রোহিত শর্মা। তাঁকে নিয়ে কিন্তু এখন বেশ চর্চা চলছে।
পুজোর আগেই প্রস্তুতিতে ইস্টবেঙ্গল, নতুন বিদেশি নেওয়ার তোড়জোড়ও শুরু লাল-হলুদে

দিমিত্রি দিয়ামনতাকসকে(Dimitri Diamantakos) ছেড়ে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। কিন্তু সেই জায়গায় কোন বিদেশি ফুটবলার লাল-হলুদ শিবিরে আসবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত সেভাবে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। যদিও আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) প্রস্তুতি। ১৯ তারিখই কোচ সহ বাকি সমস্ত ফুটবলাররা শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। কিন্তু দিয়ামনতাকসের পরিবর্ত ফুটবলার নিয়ে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। সেই নিয়েই নাকি এখন তোরজোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার। ডুরান্ড কাপে সেমিফাইনালে পৌঁছলেও শেষরক্ষা করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। সেখানে ডায়মন্ডহারবার এফসির কাছে হেরে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। এরপর তাদের নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি। তবে সেই ম্যাচের পরই কোচ সহ সমস্ত বিদেশি ফুটবলাররা ফিরে গিয়েছেন নিজেদের দেশে। আপাতত লম্বা ছুটিতেই রয়েছে। বিশেষ করে আইএসএল(Indian Super League) নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণেই এমনটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। এখনও পর্যন্ত আইএসএলের দিন ঘোষণা করা হয়নি। তবে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) প্রস্তুতি শুরু করতে আর দেরী করতে চাইছে না। গতবার ব্যর্থতার জন্য বহু সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল লাল-হলুদ টিম ম্যানেজমেন্টকে। এবার খোলনোলচে বদলে একেবারে ফিরতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল। সেখানেই শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। তবে সময় নষ্ট করতে আর চাইছে না ইস্টবেঙ্গল। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিতে চলেছে অস্কার(Oscar Bruzon) অ্যান্ড কো। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরই শিবিরে যোগ দিচ্ছেন সকলে। একইসঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের দিমিত্রি দিয়ামনতাকসের পরিবর্ত ফুটবলার নেওয়ার ভাবনাও শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে এখনই কাউকে ভাবেনি তারা। ট্রান্সফার উইন্ডো শেষ হয়ে গিয়েছে। ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) নাকি ফ্রি প্লেয়ার নেওয়ার ভাবনাতেই রয়েছে। সূত্রের খবর আইএসএলের দিন ঘোষণার অপেক্ষাতেই সকলে ইস্টবেঙ্গল টিম ম্যানেজমেন্ট। থংবই সিংটোর(Thangboi Singto) নজরে নাকি বেশ কয়েকজন ফুটবলার রয়েছেন। তবে এখনই তাদের সঙ্গে কথা বাড়াচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল। কারণ আইএসএল নিয়ে সেভাবে কোনও নিশ্চয়তা নেই। তবে শোনা যাচ্ছে ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে নাকি আইএসএল শুরু হওয়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও সেটাও নির্ভর করছে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির ওপরই। ফেডারেশনের তরফে এখন পর্যন্ত টেন্ডার ডাকা হয়নি। তারই প্রতীক্ষাতে রয়েছে এখন সকলে। তবে ইস্টবেঙ্গল যে বিদেশি নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্য়দিকে মোহনবাগান থেকে আরেক ফুটবলার তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল। ১৭ বর্ষীয় প্রীতম গায়েনকে দলে তুলে নিল লাল-হলুদ ব্রিগেড।
এশিয়া কাপে প্রথম একাদশে সঞ্জুকে নিয়ে জল্পনা

আগামী ১০ সেপ্টেম্বর এশিয়া কাপের মঞ্চে প্রথম ম্যাচে নামবে ভারত। প্রথম ম্যাচেই তাদের প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। কিন্তু সেই ম্যাচে ভারতীয় দলের(India Team) প্রথম একাদশ কী হবে। এই নিয়েই যত চিন্তা। বিশেষ করে ভারতীয় দলের টপ অর্ডার থেকে উইকেটকিপার ব্যাটার হিসাবে কাকে দেখা যাবে। এই নিয়েই এই মুহূর্তে যত চিন্তা ভাবনা শুরু হয়েছে। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী প্রথম ম্যাচে নাকি ভারতীয় দলের প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কময় সঞ্জু স্যামসনের(Sanju Samson)। এশিয়া কাপেও সুযোগ পেয়েছেন ভারতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক শুভমন গিল(Shubman Gill)। আবার সহ অধিনায়কের দায়িত্ব রয়েছে তাঁরই কাঁধে। তিনি যে প্রথম একাদশে অটোমেটিক চয়েজ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একেবারে ওপেনিংয়েই অভিষেক শর্মার সঙ্গে দেখা যাবে তাঁকে। সেইসঙ্গে ভারতীয় দলের বোলিং আক্রমণ সামলানোর ব্যাটন থাকছে সেই জসপ্রীত বুমরার ওপরই। তবে এই ম্যাচে বুমরার(Jasprit Bumrah) অন্যতম সঙ্গী হতে চলেছেন অর্শদীপ সিং। Preps in full swing 💪 The countdown to 𝙈𝙖𝙩𝙘𝙝 𝘿𝙖𝙮 begins ⏳#TeamIndia | #AsiaCup2025 pic.twitter.com/3SC57XILxD — BCCI (@BCCI) September 7, 2025 কিন্তু সকলের মনে প্রশ্ন হল উইকেটের পিছনে দায়িত্ব কে সামলাবেন। সবকিছু ঠিকঠাক চললে এবার এই ম্যাচে সেই দায়িত্বে সঞ্জু স্যামসন(Sanju Samson) নন বরং জীতেশ শর্মাকেই(Jitesh Sharma) দেখা যেতে চলেছে সেই জায়গায়। এই মুহূর্তে আইসিসির অ্যাকাডেমিতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সারছে ভারতীয় দল। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। দেখে নেওয়া যাক ভারতীয় দলের প্রথম একাদশ কেমন হতে চলেছে। অভিষেক শর্মা শুভমন গিল তিলক বর্মা সূর্যকুমার যাদব অক্ষর পটেল হার্দিক পান্ডিয়া জীতেশ শর্মা কুলদীপ যাদব বরুণ চক্রবর্তী অর্শদীপ সিং জসপ্রীত বুমরাহ আইসিসির অ্যাকাডেমিতে(Icc Academy) এবার একসঙ্গে নয়, ভাগে ভাগেই গিয়েছেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা। ইতিমধ্যে প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় দল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কয়েকদিন আগেই সিরিজ ড্র করে ফিরেছে টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু এবার চ্যালেঞ্জটা আরও একটু কঠিন। গৌতম গম্ভীরের(Gautam Gambhir) কোচিংয়ে এই প্রথমবার এশিয়া কাপের মঞ্চে ভারতীয় দল। তাঁর কোচিংয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল ভারতীয় দল। অর্থাৎ গম্ভীরকে নিয়ে যে সকলের প্রত্যাশার পারদটা অনেকটাই তুঙ্গে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আইসিসির অ্যাকাডেমিতে এখন গম্ভীরের তত্ত্বাবধানেই শুরু হয়ে গিয়েছে সূর্যকুমার যাদবদের প্রস্তুতি। প্রথম ম্যাচে সহজ প্রতিপক্ষ হলেও, ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট যে একেবারেই ঝুঁকি নিতে নারাজ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
বিরাটের পর কুম্বলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ গেইলেরও

অনিল কুম্বলে ডিক্টেটর(Anil Kumble)! শুনতে অবাক লাগলেও এমনই গুরুতর অভিযোগ এবার তুললেন ক্যারিবায়ন তারকাও। ভারতীয় দলে অনিল কুম্বলে(Anil Kumble) কোচ হওয়ার পর থেকেই একটা চাপা অসন্তোষ শুরু হয়েছিল। সেই সময় ভারতী দলের অধিনায়ক ছিলেন বিরাট কোহলি। ড্রেসিংরুমে কুম্বলে একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছেন বলেই অভিযোগ এনেছিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। এবার দেশের গন্ডী ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতেও কুম্বলের বিরুদ্ধে সেই একই অভিযোগ। আর অভিযোগ করলেন খোদ ক্যারিবিয়ান বস ক্রিস গেইল(Chris Gayle)। পঞ্জাব কিংস নাকি অনিল কুম্বলের জন্যই চাড়তে হয়েছিল ক্রিস গেইলকে(Chris Gayle)। এতদিন এই প্রসঙ্গ নিয়ে মুখ না খুললেও শেষপর্যন্ত সেই মুখ আর বন্ধ রাখতে পারলেন না ক্যারিবিয়ান আইল্যান্ডের এই তারকা ক্রিকেটার। কুম্বলের কোচিংয়ে অত্যন্ত অসম্মানিত বোধ করেছিলেন তিনি। শুধুমাত্র তাই নয় গেইলের আক্ষেপ তাঁর সঙ্গে নাকি একেবাপেই সিনিয়র ক্রিকেটার সুলভ আচরও করা হয়নি। কুম্বলের বিরুদ্ধে গেইল(Chris Gayle) মুখ খোলার পর থেকেই কিন্তু বিশ্ব ক্রিকেট মহলে শুরু হয়ে গিয়েছে নানান আলোচনা। ক্রিস গেইল(Chris Gayle) জানিয়েছেন, “আমি সত্যিই সেই সময় ভেঙে পড়েছিলাম। বিশেষ করে অনিল কুম্বলের সঙ্গে কথা বলার পর। তাঁকে নিয়ে যেমন হতাশ ছিলাম, তেমনই ফ্র্যাঞ্চাইজি যেভাবে চলছিল তাতেই বেশ হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। রাহুল আমাকে আশ্বাস দিয়েছিল যে পরের ম্যাচেই আমাকে খেলানো হবে কিন্তু আমিই শেষপর্যন্ত বেড়িয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম”। গেইল আরও জানিয়েছেন, “পঞ্জাব কিংসে আমি অত্যন্ত অসম্মানিত বোধ করেছিলাম। সেখানে একেবারেই একজন সিনির ক্রিকেটারের মতো ব্যবহার আমি পাইনি”। অনিল কুম্বলের বিরুদ্ধে আগেও এই একই অভিযোগ করেছিলেন বিরাট কোহলি। বিশেষ করে ভারতের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হারের পরই কুম্বলের বিরুদ্ধে একনায়কতন্ত্রের অভিযোগ তুলেছিলেন সেই সময় ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। কার্যত ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন বিরাট। এরপর অবশ্য ভারতীয় দলের কোচের পদ ছেড়েছিলেন অনিস কুম্বলে। এবার সেই একই পথে হেঁটেছেন ক্রিস গেইলও। এর ফলে একাধিক প্রশ্নও কিন্তু উঠতে শুরু করে দিয়েছে। তবে কী কুম্বলের বিরুদ্ধে আসা সমস্ত অভিযোগ গুলো একেবারেই সত্যি? শুরু হয়েছে নয়া জল্পনা। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।