কুলদীপের দুর্ধর্ষ বোলিং, বড় জয় দিয়ে শুরু ভারতের

এশিয়া কাপে(Asia Cup) শুরুটা বেশ ভালো ভাবেই করল ভারত(India Cricket Team)। প্রথম ম্যাচেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহীকে ৯ উইকেটে হারাল টিম ইন্ডিয়া। তবে ম্যাচের নায়ক কুলদীপ যাদব(Kuldeep Yadav)। দীর্ঘদিন পর এই এশিয়া কাপের মঞ্চেই সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। ধারেভারে পিছিয়ে থাকা আমিরশাহী হলেও, একাই তাদের সেরা চার উইকেট তুলে নিয়ে জয়ের রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিলেন কুলদীপ(Kuldeep Yadav)। মাত্র ৫৭ রানেই শেষ হয়ে গিয়েছিল এদিন সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে এই ম্যাচটাই ছিল ভারতের কাছে প্রস্তুতি পর্ব। দীর্ঘ জল্পনা কাটিয়ে এই ম্যাচেই ভারতের প্রথম একাদশে ফিরেছিলেন সঞ্জু স্যামসন। যদিও তাঁকে আর ব্যাট হাতে নামতে হয়নি। টস জিতে এদিন ভারত প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। শুরু থেকেই চাপে পড়ে গিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। বল হাতে প্রথম উইকেটটা জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah) তুললেও, এরপর একাই কার্যত প্রতিপক্ষকে ধসিয়ে দেন কুলদীপ যাদব(Kuldeep Yadav)। আর তাতেই শেষ আরব আমিরশাহীর বড় রানের ইনিংসের সমস্ত আশা। ১০০ রানের গন্ডীও টপকাতে পারেনি তারা। ৫৭ রানে শেষ হয়ে আরব। চার উইকেট কুলদীপের। শিবম দুবের উইকেট ৩ টি। ব্যাট হাতে এরপর নামা থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন শুভমন গিল এবং অভিষেক শর্মা। আধ ঘন্টার মধ্যেই ম্যাচ জিতে নেয় টিম ইন্ডিয়া।
হতাশা বাড়ছে ঋষভ পন্থের

চোট সারিয়ে ঘরের মাঠে সম্ভবত ফেরা হচ্ছে না ঋষভ পন্থের(Rishabh Pant)। সবকিছু ঠিকঠাক চললে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেই হয়ত মাঠে ফরতে চলেছেন ঋষভ পন্থ। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টেই পায়ের পাত ফ্র্যকচার হয়েছিল তাঁর। অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন না পড়লেও তাঁর সেরে উঠতে এখনও বেশ খানিকটা সময় লাগবে বলেই মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant) নিজেও সোশ্যাল মিডিয়াতে তাঁর হতাশা প্রকাশ করেছেন। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। ঋষভ পন্থ নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি সেখানে লিখেছেন, “কবে যে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠব”। আর ভারতীয় তারকা উইকেট কিপারের এই মন্তব্যের পরই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে নানান গুঞ্জন। তবে সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের(West Indies) বিরুদ্ধে তাঁর ফেরার সম্ভাবনা নাকি খুবই কম। প্রথমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেই তাঁর ফেরার একটা সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু যতটা সেরে ওঠার প্রয়োজন ছিল তাঁর, ততটা নাকি হয়নি। প্রথমে শোনা গিয়েছিল ঋষভ পন্থের(Rishabh Pant) সেরে উঠতে সময় লাগবে প্রায় চার থেকে ছয় সপ্তাহ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ঋষভ পন্থের মাঠে নামার মতো পরিস্থিতি নেই। এশিয়া কাপের(Asia Cup) পরই ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে নামবে ভারতীয় দল। ঋষভকে অবশ্য এখনও অপেক্ষাই করতে হবে। সূত্রের খবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের আগেই সম্পূর্ণ সেরে উঠতে পারেন তিনি। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।
পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন শ্রেয়স, শেষ হতে পারত কেরিয়ারও

পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)! শেষ হয়ে যেতে বসেছিল তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ার! অবশেষে জীবনের সেই ভয়ঙ্কর অধ্যায়ের কথা সকলের সামনে আনলেন ভারতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। আর বোর্ডের(BCCI) সেন্ট্রাল কন্ট্র্যাক্ট থেকে তাঁর বাইরে চলে যাওয়ার কারণটাও যে এটাই তা বলতে কোনও দ্বিধা করেননি এই তারকা ক্রিকেটার। এবারের এশিয়া কাপেও(Asia Cup) ভারতীয় দলে সুযোগ হয়নি তাঁর। অবশেষে সেই বিষয় নিয়েই মুখ খুললেন তিনি। দুবছর আগে ইংল্যান্ডে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। সেই সময় অস্ত্রোপচারও হয়েছিল এই তারকা ক্রিকেটারের। তারপর অবশ্য মাঠে ফিরতে বেশ খানিকটা সময় লেগে গিয়েছিল এই তারকা ক্রিকেটারের। মাঝের সময়টা যে একটা বিভীষিকা ছিল সেটাই এবার বলে ফেললেন শ্রেয়স। সেই সময় নাকি তাঁর একটা পা পক্ষাঘাতেও আক্রান্ত হয়েছিল। এই খবর সামনে আসার পর থেকেই হৈচৈ শুরু হয়ে গিয়েছে। ভারতীয় দলের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নায়ক ছিলেন শ্রেয়স(Shreyas Iyer)। যদিও সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ থেকে এশিয়া কাপের মঞ্চে ভারতীয় দলেও সুযোগ পাননি তিনি। এই নিয়ে নানান সমালোচনাও চলছে। এর মাঝেই শ্রেয়সের এমন মন্তব্য কিন্তু বেশ হৈচৈ ফেলে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে। অস্ত্রোপচারের পরই পক্ষাঘাতের সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি। সেইসঙ্গে আপও বেশ কিছু শারীরিক সমস্যায় পড়েছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার। এমনকি হাঁটার ক্ষেত্রেও নাকি সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি। এই প্রসঙ্গেই শ্রেয়স আইয়ার জানিয়েছেন, “আমি কতটা যন্ত্রনার মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলাম সেটা কেউই অনুভব করতে পারবে না। সেই সময় কার্যত আমার একটা পা একেবারে প্যারালাইজ হয়ে গিয়েছিল। মেরুদন্ডে অস্ত্রোপচার হলে সেখানে একটি রড বসিয়েও কাজ চালানো যায়। কিন্তু আমার সমস্যা হয়েছিল নার্ভে। আমার জন্য সেটা সত্যিই খুব ভয়ঙ্কর হয়ে গিয়েছিল”। এশিয়া কাপে ভারতীয় দলে সুযোগ না হলেও, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের আগে ভারতীয়-এ দলে জায়গা পেয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া সফরে ফের একবার শ্রেয়স আইয়ার ভারতীয় দলে জায়গা করে নিতে পারেন কিনা সেটাই দেখার।
আইএফএ শিল্ডে সিনিয়র মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল!

পুজোর পর সুপার কাপের(Super Cup) আগেই ফের একবার মুখোমুখি হতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ও মোহনবাগান(MBSG) সিনিয়র ফুটবল দল! সম্ভাবনা তেমনই দেখা দিয়েছে, কারণ দীর্ঘদিন পর ফের হতে চলেছে আইএফএ(IFA) শিল্ড! তাও আবার সিনিয়র পর্যায়ে। এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত না হলেও আইএফএ কিন্তু শিল্ড(Ifa Shield) আয়োজনের তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে। ফেডারেশনের(AIFF) কাছে নাকি আবেদনও করা হয়ে গিয়েছে। সরকারীভাবে অবশ্য ফেডারেশনের তরফে এখনও পর্যন্ত সেভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে মৌখিকভাবে নাকি একটা সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে ফেডারেশনের তরফে। তবে এখনই সেই নিয়ে সরকারীভাবে কিছু বলতে নারাজ রাজ্য ফুটবল নিয়ামক সংস্থা। পুরনো দিনের উন্মাদনা ফেরাতে তারা এবার মরিয়া। জাঁকজমক ভাবেই ছয় দলের শিল্ডকে পুজোর পরই ফুটবল প্রেমীদের উপহার দিতে চাইছে বাংলার ফুটবল নিয়ামক সংস্থা। শেষ দুবছরে ঐতিহ্যের আইএফএ শিল্ড(Ifa Shield) হয়নি। তা নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি বঙ্গ ফুটবল মহলে। যদিও শিল্ড বহু আগেই সিনিয়র থেকে জুনিয়র পর্যয়ে নেমে গিয়েছিল। তবে এবার সেই চিত্রটাই বদলাতে চলেছে। আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্তের মতে জুনিয়র নয়, এমন ঐতিহ্যশালী প্রতিযোগিতা সিনিয়র পর্যায়েই হওয়া উচিৎ। আর এই প্রচেষ্টা যদি সফল হয়, তবে সেখানে মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গলের একেবারে সিনিয়র ফুটবলারদের দেখতে পাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। অন্তত দুই ক্লাব শিবিরের অন্দরে এমনই কথা ঘুরপাক খাচ্ছে। আরও পড়ুনঃ জ্বলছে নেপাল, মন ভালো নেই শ্যাম থাপার এই প্রসঙ্গে অনির্বাণ দত্ত(Anirban Dutta) জানিয়েছেন, “আমরা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে আইএফএ শিল্ড আয়োজনের ইচ্ছার কথা জানিয়েই ফেডারেশনকে চিঠি দিয়েছিলাম। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনওরকম জবাব আসেনি। তখন ওরা আমাকে বলেছিল এখন ওরা সুপার কাপ নিয়ে ভাবছে। আমরা ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছি যে আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে হবে সুপার কাপ। অর্থাৎ আমাদের শিল্ড আয়োজনে কোনও বাধা নেই। বেশ কিছু বাইরের দলের সঙ্গে কথাবার্তা হয়েছে আমাদের। তবে যতক্ষণ ণা পর্যন্ত ফেডারেশনের তরফে অনুমতি পাচ্ছি, ততক্ষণ কিছুই করা যাচ্ছে না”। আরও পড়ুনঃ প্রস্তুতি ম্যাচ গোলশূন্য, রবসনের ফর্ম স্বস্তি দিচ্ছে মোলিনাকে বাইরের দল গুলো খেলার ব্যপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান এবং মহমেডানের সঙ্গে কথাবার্তা হয়নি। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal), মোহনবাগানও(Mohunbagan) নাকি এই প্রতিযোগিতার দিকে নজর রয়েছে। লাল-হলুদ ক্লাব সূত্রে খবর মোহনবাগান ফুল টিম খেলালে, তারাও নামতে চলেছে এই প্রতিযোগিতাতে। অর্থাৎ সুপার কাপের আগেই ফের একবার দুই প্রধানের বিদেশি সহ গোটা দলকে একে অপরের সম্মুখীন হতে দেখা যাবে। এমনটা সত্যি হলে উত্তাপের পারদ যে ফের চড়বে তা বলাই যায়।
নেটে আনকোরা পেসারের কাছে ক্লিন বোল্ড গিল!

আর মাত্র কয়েক ঘন্টা বাকি। এরপরই এশিয়া কাপে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর(UAE) বিরুদ্ধে নামবে ভারত(Indian Cricket Team)। সেই ম্যাচ দিয়েই আবার টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে ভারতীয় দলের সহ অধিনায়ক হিসাবে অভিষেক হবে শুভমন গিলের(Shubman Gill)। কিন্তু তার আগেই গিলের ফর্ম নিয়ে হঠাৎ হৈচৈ শুরু হয়ে গিয়েছে। তাও আবার নেটে একেবারে আনকোরা বোলারের কাছেই আটকে গেলেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। আর এই ঘটনা কিন্তু ভারতীয় শিবিরের চিন্তা বাড়াতেও পারে। এশিয়া কাপে(Asia Cup) ফেভারিটের তকমা নিয়েই মাঠে নামছে ভারতীয় দল। সেখনে ওপেনিংয়ে অভিষেক শর্মার সঙ্গে দেখা যাবে শুভমন গিলকে। যখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে সেই সময়ই নেটে বড়সড় ধাক্কা। একেবারে আনকোরা বোলারের কাছে ক্লিন বোল্ড হয়ে গিয়েছেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। যদিও তার আগে বেশ ভালো ছন্দেই ছিলেন ভারতের এই তারকা ক্রিকেটার। নেটে বেশ কয়েকটা ভালো কভার ড্রাইভও খেলেছিলেন তিনি। কিন্তু এরপরই যেন ছন্দ পতন। লোকাল ক্রিকেটারের বলেই ক্লিন বোল্ড ভারতীয় দলের তারকা ব্যাটার। যদিও এই ঘটনাকে একেবারেই আমোল দিতে চাইছে না টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেকেই তুলছেন প্রশ্নও। শুভমন গিল(Shubman Gill) না পারলেও ভারতীয় দলের আরেক ওপেনার কিন্তু দুরন্ত ফর্মে ছিলেন এদিন। অভিষেক শর্মার ব্যাট থেকে ছিল শুধুই বড় শটের ঝলক। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধে খেলার পরই ভারতীয় দল আগামী রবিবার খেলবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। কার্যত সেই ম্যাচের প্রস্তুতি মঞ্চই হতে চলেছে এই ম্যাচ। তার আগে শুভমন গিলের ব্যর্থতাটা একটু হলেও ভাবাবে। দীর্ঘদিন পর ফের ভারতীয় টি টোয়েন্টি দলে সুযোগ করে নিয়েছেন শুভমন গিল। বিশেষ করে শেষবার আইপিএলে তাঁর পারফরম্যান্স ছিল দেখার মতো। সেই কারণেই যে প্রত্যাবর্তন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাও আবার সহ অধিনায়ক পদে ফিরেছেন শুভমন গিল। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধেই ওপেনার হিসাবে নামবেন তিনি। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।
জ্বলছে নেপাল, মন ভালো নেই শ্যাম থাপার

গণ অভ্যুত্থানে জ্বলছে নেপাল(Nepal)। দেশ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী সহ বহু মন্ত্রীরা। জ্বলছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে বহু স্থাপত্য। নিজের দেশের এই ছবিটাই যেন মেনে নিতে পারছেন না প্রাক্তন কিংবদন্তী ফুটবলার শ্যাম থাপা(Shyam Thapa)। নেপালের এমন ছবি তাঁর কাছে বেদনার। মন ভালো নেই ভারতীয় ফুটবলের দুর্ধর্ষ তারকার। প্রতিবাদ হোক। কিন্তু সেই প্রতিবাদের এই ধারাটাতেই আপত্তি শ্যাম থাপার(Shyam Thapa)। গত কয়েকদিন ধরেই নেপালে(Nepal) অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। দীর্ঘদিন ধরে ধিকি ধিকি জ্বলতে থাকা আগুনে ঘি ঢালার কাজটা করেছিল সরকারের ফেসবুক(Facebook), ইনস্টাগ্রাম(Instagram) সহ ২৭টি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি। এরপরই গণ বিস্ফোরণ ঘটেছে নেপালের(Nepal) মাটিতে। রাস্তায় নেমেছে গোটা যুব সমাজ সহ নেপালের বাসিন্দারাও। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্ফু জারি হলেও, জনরোষ এখনও পর্যন্ত আটকানো সম্ভব হয়নি। নেপাল জুড়ে এখন শুধুই যেন ধ্বংসলীলা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর নেপালের এমন পরিস্থিতি দেখে মন খারাপ শ্যাম থাপারও। তাঁর নেপালকে যেন চিনতে পারছেন না তিনি। বারবার চোখে জল চলে আসছে। একসময় নেপালের বহু স্টেডিয়াম সহ নানান জায়গায় খেলেছেন তিনি। সেই স্মৃতিই যেন ভেসে উঠছে শ্যাম থাপার(Shyam Thapa) মনে। মন খারাপ নিয়ে শ্যাম থাপা(Shyam Thapa) বলছিলেন, “আমি সত্যিই বুঝতে পারছি না যে কী হচ্ছে নেপাল জুড়ে এটা। সমস্ত ঐতিহাসিক নিদর্শন জ্বলছে। বড় বড় স্থাপত্য জ্বলছে। মানুষদের মারধোর করা হচ্ছে। হচ্ছে লুঠপাঠ। নেপালের যে অবস্থা আমি দেখছি সত্যিই অত্যন্ত দুঃখ পাচ্ছি। কেন হবে না বলুন, আমি যে নেপাল থেকেই এসেছি। সেখানে আমি যেমন খেলেছি, তেমনই কোচিংইও করেছিলাম। বহু স্মৃতি রয়েছে আমার সেখানে। ভয় যতটা না পাচ্ছি, তার থেকেও বেশি দুঃখ পাচ্ছি আমি। অবশ্যই প্রতিবাদ হোক। কিন্তু সেটার একটা ধরণ রয়েছে। কিন্তু কখনোও সেটা সবকিছু ধ্বংস করে না। এদের বোঝাবার কোনও লোক নেই। শুধু লুঠপাঠ চলছে”। তিনি আরও জানান, “একবার সেই দেশে রাজার সময় এমন অবস্থা দেখেছিলাম আমি। সেই সময় আমি নেপালে ছিলাম। সেই সময় একদম এমনই অবস্থা হয়েছিল। সেই সময় আমি ভয়ও পেয়েছিলাম। এবার যা হচ্ছে দেখছি সেই একই পরিস্থিতি যেন তৈরি হয়েছে। আমি বুঝতে পারছি না যুব সমাজ কী করছে এটা। পার্লামেন্ট জ্বলছে। সমস্ত বড় বড় স্থাপত্য জ্বলছে, গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি বুঝতে পারছি না লেখা পড়া করার এটা কী ফল হচ্ছে”। বাইসাইকেল কিক খ্যাত শ্যাম থাপা ভারতে থাকলেও তাঁর পরিবারের বহু সদস্যরা কিন্তু এখনও নেপালেই থাকেন। কাকা, ভাই, মামা-রা সকলেই নেপালে থাকেন। এমন পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন শ্যাম থাপাও। তিনি বলছিলেন, “আমার ভাই, কাকারা সকলে সেখানেই আছেন। তাদের সঙ্গে আমার ফোনে কথা হয়েছে। আমার বহু আত্মীয়রা রয়েছেন সেখানে। এমনকি আমার মামা তো একসময় নেপালের মন্ত্রীও ছিলেন। কিন্তু কখনোই এমনটা দেখিনি নেপালের অবস্থা। সবচেয়ে খারাপ লাগছে নিজেদের নিদর্শন, ঐতিহাসিক স্থাপত্য ধ্বংস করছে ওরা”। নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি সহ অন্যান্য মন্ত্রীদেরও বাড়ি ঘর জ্বলছে। পুড়িয়ে মারা হয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীকেও। গোটা নেপাল জুড়ে এখন অচলাবস্থা চলছে। যত শীঘ্র সম্ভব সব ঠিক হোক এমনটাই চাইছেন নেপালে জন্মানো দেশের কিংবদন্তী ফুটবলার শ্যাম থাপা।
প্রস্তুতি ম্যাচ গোলশূন্য, রবসনের ফর্ম স্বস্তি দিচ্ছে মোলিনাকে

এসিএলের ম্যাচে(ACL) নামার আগে এফসি গোয়ার(FC Goa) বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে নেমেছিল মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট(MBSG)। শেষ মুহূর্তে নিজেদের শক্তি, দুর্বলতাটাই দেখে নিতে চাইছেন হোসে মোলিনা। তবে এদিনের প্রস্তুতি ম্যাচে সকলের নজর কিন্তু ছিল ব্রাজিলিয়ান তারকা রবসন রোবিনহোর(Robson Robinho) দিকেই। কিন্তু সেই রবসনই(Robson Robinho) খেললেন মাত্র দশ মিনিট। তবে সেটুকু সময়েই যে ঝলক দেখালেন, তা কিন্তু সকলের বেশ নজর কেড়েছে। তবে ম্যাচ শেষ হয়েছে গোলশূন্য ভাবেই। গোয়ার জালে বল জড়াতে না পারাটা কি চিন্তায় ফেলবে মোহনবাগান(MBSG) কোচ মোলিনাকে(Jose Molina)। না তেমনটা কিন্তু নয়। সূত্রের খবর দলের পারফরম্যান্সে নাকি বেশ সন্তুষ্টই হয়েছেন মোলিনা। কিছু জায়গায় মেরামত প্রয়োজন। এই কদিনে সেদিকেই নজর দেবেন তিনি। এদিন প্রায় ৮০ মিনিট দুই বিদেশিতে খেলেছিল মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট। সেখানেই বহু সুযোগ তৈরি করেছিলেন লিস্টন, শুভাশিসরা। চোটের জন্য থাপাকে নিয়ে বাড়তি ঝুঁকি নেননি মোহনবাগান কোচ। তেমনই আবার বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল আলবার্তো রডরিগেজকেও। এদিন শেষ দশ মিনিটের জন্য খেলেছিলেন রবসন রোবিনহো। সেখানেই শুভাশিসের বাড়ানো বল নিয়ে যেভাবে প্রতিপক্ষ বক্সে আক্রমণ চালিয়েছিলেন, সেই ছবি দেখে সকলেই কিন্তু হতবাক। অস্কার যে পজিশনে রবসনকে(Robson Robinho) খেলাতেন, মোলিনাও কিন্তু সেই উইংয়েই ব্যবহার করলেন এই ব্রাজিলিয়ানকে। যদিও গোলের মুখ খুলতে পারেননি তারা। গোয়াও সেভাবে মোহনবাগানের রক্ষণকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারেনি। আগামী বুধবার মোহনবাগানের অনুশীলনে ছুটি। বৃহস্পতিবার থেকে প্রস্তুতিতে নেমে পড়বে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।