এএফসি ওমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইস্টবেঙ্গলের সামনে গতবারের চ্যাম্পিয়ন

বহু প্রতিকূলতার বাধা পেড়িয়েই এবার এএফসি ওমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগ(AWCL) মূল পর্বে সাফল্যের খোঁজে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। বৃহস্পতিবারই হয়ে গেল তার গ্রুপ বিন্যাস। সেখানেই এবার ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) সামনে জোড়া চ্যালেঞ্জ। একদিকে যেমন তাদের গ্রুপে গতবারের চ্যাম্পিয়ন চিনের উহান জিয়াংডা(Wuhan Jiangda)। সেইসঙ্গে ফেডারেশনের ফুটবল ক্যালেন্ডার এখন থেকেই যেন খানিকটা চিন্তায় ফেলে দিয়েছে লাল-হলুদ মহিলাদের দলের কোচ অ্যান্টনি অ্যান্ড্রুসকে। তবে লাল-হলুদ কোচ কিন্তু আত্মবিশ্বাসী। চিনের উহান জিয়াংডা যে কতটা শক্তিশালী দল তা সকলেরই জানা। গতবারের এএফসি ওমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগ(AWCL) চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল তারা। সেই দলের বিরুদ্ধে খেলাটা যে বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একইসঙ্গে তাদেরই ঘরের মাঠে খেলতে হবে মহিলাদের লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। সেইসঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) গ্রুপেই আবার রয়েছে ইরানের বাম খাতুন এবং উজবেকিস্তানের পিএফসি নাসাফ। এখন থেকেই অবশ্য ব্লু প্রিন্ট তৈরি করতে শুরু করে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। সময় নষ্ট নয়। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকেই এএফসি ওমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূল পর্বের প্রস্তুতি পর্বে নেমে পড়বে লাল-হলুদ ব্রিগেড। কারণ সামনেই রয়েছে ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলের এশিয়ান কাপের ম্যাচ। দলের অনেকেই সেখানে চলে যাবেন। সেই কারণে প্রস্তুতিটা এখন থেকেই শুরু করে দিতে চান তিনি। দলে যে খুব একটা বদল আসবে না তার ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ নিজেই। এবার শুধুই প্রস্তুতি শুরুর অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে। ফেডারেশনের ফুটবল ক্যালেন্ডার নিয়ে চিন্তা থাকলেও, অ্যান্টনি অ্যান্ড্রুস কিন্তু আশাবাদী। মহিলাদের এএফসি ওয়েম্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ভালো পারফরম্যান্সই প্রদর্শন করে এসেছে ইস্টবেঙ্গলের মহিলা ফুটবল দল। সামনে কঠিন প্রতিপক্ষ হলেও, ইস্টবেঙ্গল সাফল্যের খোঁজে লড়াই করতে প্রস্তুত। এএফসি ওমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূল পর্বে ইস্টবেঙ্গলের গ্রুপ উহান জিয়াংডা বাম খাতুন এফসি ইস্টবেঙ্গল পিএফসি নাসাফ
ইউনাইটেড কলকাতাকে উড়িয়ে জয়ের ধারা অব্যহত বিষ্ণুদের

নতুনভাবে সেজে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) মাঠ। সেখানে যাত্রাটা জয় দিয়েই করল লাল-হলুদ ব্রিগেড(Red and Gold)। সুপার সিক্সে ইউনাইটেড কলকাতাকে(UKSC) ৩-০ গোলে হারিয়ে যাত্রাটা শুরু করল বিনো জর্জের দল। তবে বেশ কিছু সুযোগ নষ্ট না করলে, হয়ত আরও বড় ব্যবধানে জিততেই পারত ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। দুরন্ত পারফরম্যান্স পিভি বিষ্ণু(PV Bishnu), গুইতেদের। কলকাতা লিগে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। এদিন দলে বেশ কয়েকজন ফুটবলাররা ছিলেন না। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল যে পারফরম্যান্স দেখাল তাতে সেই সমস্ত ফুটবলারদের অভাব খুব একটা ধরা পড়ল না। ইউনাইটেড কলকাতার বিরুদ্ধে নামার আগে প্রধান চিন্তা ছিল ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) সৌভিক চক্রবর্তী, জেসিন টিকেদের না থাকাটা। সেই কথা মাথায় রেখেই ছকটা সাজিয়েছিল লাল-হলুদ টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে প্রতিপক্ষকে এদিন মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও সুযোগই দিলেন না নাসিব(Naseeb), বিষ্ণুরা(PV Bishnu)। ইউনাইটেড কলকাতা প্রথমার্ধে খানিকটা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও, দ্বিতীয়ার্ধে আর ইস্টবেঙ্গলের ঝড় থামাতে পারেনি তারা। প্রথমার্ধে নতুন প্রতিপক্ষকে বুঝতে খানিকটা সময় নিয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। আক্ররণ করলেও সেগুলো দানা বাঁধছিল না। তবে অমন সিকের পাস থেকে প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে নাসিবের গোলে এগিয়ে যায় লাল-হলুদ ব্রিগেড। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ গোলেই। বিরতির পর থেকে মাঠে শুধুই ছিল ইস্টবেঙ্গলের দাপট। সেইসঙ্গে গ্যালারী থেকে বারবার জয় ইস্টবেঙ্গল স্লোগানের গর্জন। খেলা শুরুর তিন মিনিটের মধ্যে পিভি বিষ্ণুর অসাধারণ গোল। এর কিছুক্ষণের মধ্যে ফের একটা আক্রমণ, গুইতের গোলে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নেয় বিনো জর্জের লাল-হলুদ বাহনী। এদিন ইস্টবেঙ্গল আরও বেশকিছু ভালো সুযোগ পেয়েছিল। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের দক্ষতায় বেঁচে গিয়েছিল ইউনাইটেড কলকাতা। নয়ত ইস্টবেঙ্গলের গোলের সংখ্যা যে আরও বাড়তেই পারত তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
কলকাতা লিগের সম্প্রচারকে আইএসএলের মানে নিয়ে যেতে চায় শ্রাচী স্পোর্টস

সম্ভবত তিন দশক পর কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিডশন লিগের সম্প্রচার হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায়। বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগের সুপার-সিক্স’ বা চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের ম্যাচে ২০ জনের প্রোডাকশন দলের নেতৃত্বে ‘বিগ-লেন্স’ বক্স-লেন্স’ ক্যামেরার মত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার হল। ৯০-এর শেষের দিকে কলকাতা প্রিমিয়ার লিগ এবং আইএফএ শিল্ডের ম্যাচ লাইভ-স্ট্রিমিং করার সময়ও এরকম আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করেছিল আইএফএ-র সেই সময়ের কমার্শিয়াল পার্টনার ইএসপিএন। এই বিষয়ে শ্রাচী স্পোর্টসের কর্ণধার রাহুল টোডি বললেন, “কলকাতা এবং বাংলার ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকে আমার মনে হয়েছে কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের সম্প্রচারের মানকে এমন একটা পর্যায়ে উন্নত করতে হবে যাতে দর্শকদের মনে হয় তারা আইএসএল দেখছে। ‘সুপার-সিক্সের’ ম্যাচ আমাদের অ্যাপ এসএসইএনের মাধ্যমে যারা দেখলেন আজ তাদেরও এই অনুভূতিটাই হবে বলে আমার আশা। এর পর আমরা বেঙ্গল প্রিমিয়ার লিগও শুরু করব। সেই লিগের লাইভ-স্ট্রিমিংও অত্যাধুনিক মানেরই হবে।” আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্তও টোডীর সঙ্গে একমত হয়ে বললেন, “বৃহস্পতিবার চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং দেখে আমার মনে হল ভারতের টপ-টায়ার লিগের সম্প্রচারের সঙ্গে কলকাতা লিগের সম্প্রচারকে অনায়াসে তুলনা করা যায়।”
রাজ্য ক্রীড়া দফতর ও আইএফএ-র উদ্যোগে শুরু স্বামী বিবেকানন্দ কাপ জেলা ক্লাব ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ

স্বামী বিবেকানন্দের(Swami Vivekananda) শিকাগো বক্তৃতার ১৩৩ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে রাজ্যের ক্রীড়া দপ্তর ও আইএফএ (IFA) যৌথ উদ্যোগে শুরু হচ্ছে ‘স্বামী বিবেকানন্দ কাপ জেলা ক্লাব ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ’(Swami Vivekananda cup)। নবান্নের অ্যানেক্স ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে এ কথা জানিয়ে ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস(Arup Biswas)। আর সেই ঘোষণা অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর হাওড়ার বেলুড়ে শুরু হলো এই প্রতিযোগিতা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হলো রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যায়াতনের মাঠে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন মোহনবাগান(Mohunbagan), ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal), মহামেডান(Mohammedan)—এই তিন প্রধানের প্রাক্তন খেলোয়াড় ও কর্তারা। মঞ্চে ছিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি, আইএফএ সভাপতি অজিত ব্যানার্জি ও সচিব অনির্বাণ দত্তও। প্রথমে প্রতিটি জেলার মধ্যে প্রতিযোগিতা হবে। ২৩ জেলার প্রতিটিতে প্রায় ৮টি দল খেলবে। সেখান থেকে সেরা দুটি দল যোগ দেবে আন্তঃজেলা পর্যায়ে। গোটা টুর্নামেন্টে মোট ৩৯০টি ম্যাচ হবে, যা চলবে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত। উদ্বোধনী দিনে প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এভারগ্রিন স্পোর্টস বনাম মাকড়দহ ইউনিয়ন-এর মধ্যে। ম্যাচে মাঠ ভর্তি ছিল স্থানীয় দর্শকে অরূপ বিশ্বাস বলেন, “ভারতের ফুটবলের অগ্রগতি সম্ভব নয় বাংলার প্রতিনিধিত্ব ছাড়া। জেলার প্রান্তিক প্রতিভারা সুযোগ পেলেই দেশের ফুটবলে নতুন রক্ত আসবে। এই প্রতিযোগিতা শুধু ফুটবল জনপ্রিয় করবে না, জাতীয় স্তরে প্রতিভা জোগানেও সাহায্য করবে।” বর্তমানে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ভারত ১৩৭ নম্বরে। মন্ত্রীর কথায়, রাজনৈতিক টানাপোড়েন দেশের ফুটবলের অগ্রগতিকে অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছে। তাই এই চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে উঠে আসা তরুণরাই হতে পারে ভবিষ্যতের ভরসা, জানান ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।
আশঙ্কা সত্যি করে গ্রীসের পথেই জকোভিচ

শেষপর্যন্ত আশঙ্কাটাই সত্যি হল। দেশ ছেড়ে অন্য দেশেই পাড়ি দিতে চলেছেন নোভাক জকোভিচ(Novak Djokovic)। এখনও পর্যন্ত সরকারী ভাবে কিছু ঘোষণা না হলেও, গ্রীসে(Greece) সপরিবারে থাকার ব্যবস্থা নাকি কার্যত করে ফেলেছেন ২৪টি গ্র্যান্ডস্লামের মালিক। ইতিমধ্যেই নাকি তাঁর দুই মেয়েকে এথেন্সের আন্তর্জাতিক স্কুলে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করে ফেলেছেন জোকার(Novak Djokovic)। এমনকি সেখানে থাকার বাড়ি নেওয়াও কার্যত পাকা। গোল্ডেন ভিসার(Golden Visa) আবেদনও করে দিয়েছেন এই তারকা সার্বিয়ান টেনিস খেলোয়াড়। তিনি তবে সার্বি ছাড়েন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলে। বেশ কয়েকদিন আগেই নোভাক জকোভিচ(Novak Djokovic) তাঁর দেশ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। সরকারের বিরোধিতা এবং এরপর সরকারের রোষে পড়ার ফলেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্তটা একপ্রকার নিয়েই ফেলেছিলেন তিনি। তবে সরাসরি সেই কথা এখনও পর্যন্ত জানাননি নোভাক জকোভিচ। গ্রীসে গোল্ডেন ভিসা পেলেই যে সার্বিয়া ছাড়ছেন জোকার তা বলাই যায়। তিনিই প্রথম সার্বিয়ান টেনিস খেলোয়াড়, যিনি ভেঙে দিয়েছেন নাদাল, ফেডেরারদের মতো তারকাদের নানান রেকর্ড। বরবারই টেনিস কোর্টে তিনি প্রতিবাদী চরিত্র। কোর্টের বাইরেও নোভাক একই রকম। সম্প্রতি সার্বিয়াতে সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন ছাত্র ও যুব সমাজ। সরকারের নীতি থেকে নানান কোরাপশন নিয়ে সরব হয়েছিল যুব সমাজ। আর তাদের দিকেই নিজের সমর্থন দিয়েছিলেন নোভাক জকোভিচ। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়াতে বারবার সরকার বিরোধিতা করতেও দেখা গিয়েছিল জকোভিচকে(Novak Djokovic)। ছাত্রদের সমর্থন করে তাদের উদ্দেশ্যে এক অভিনব সোয়েটারও পরেছলেন টেনিস জগতে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ডস্লামের মালিক। সেই জোকারকেই নাকি এবার দেশ ছাড়তে হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে সরকারে রোষে নাকি পড়েছেন তিনি। সার্বিয়ায় ছাত্র আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৬ জন। তাদের উদ্দেশ্যে নিজের অস্ট্রলিয়ান ওপেনও উৎসর্গ করেছিলেন নোভাক জকোভিচ। আর এই সমস্ত ঘটনাই নকি তাঁর দেশের সরকার একেবারে ভালো চোখে দেখেনি। শোনা যায় এরপর থেকেই জোকারের ওপর নাকি চাপ বাড়তে শুরু করেছিল। পরিবারের ঝুঁকি এড়াতে এবং প্রতিবাদ জানাতেই এরপর দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলেছিলেন নোভাক জকোভিচ। গ্রীসেই কার্যত নিজের গোটা পরিবারকে নিয়ে চলে যাচ্ছে জকোভিচ। শোনা যাচ্ছে সেখানে নাকি তিনি ভিলাও নিয়ে ফেলেছেন। একইসঙ্গে গোল্ডেন ভিসার আবেদনও করা হয়ে গিয়েছে। সেটা হাতে পেলেই হয়ত নোভাক জকোভিচ পাকাপাকি ভাবে গ্রীসে চলে যাবেন। তবে পরবর্তীতে টেনিস প্রতিযোগিতায় তিনি কোন দেশের হয়ে অংশগ্রহন করবেন তা নিয়েই চলছে জল্পনা।
রোহিতের এলিট তালিকায় অভিষেক শর্মা

টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে ভারতীয় দলের ওপেনারের পজিশন পেয়েছেন অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। প্রথম ম্যাচ থেকেই নিজেকে প্রমাণ করে আসছেন। এবার রোহিত শর্মার(Rohit Sharma) সঙ্গে এক আসনে নিজের জায়গাও করে নিলেন অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। সংযুক্ত ঈরব আমিরশাহীর(UAE) বিরুদ্ধে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন অভিষেক। প্রথম বলেই ছয় হাঁকান তিনি। আর তাতেই রোহিত শর্মাদের এলিট তালিকায় নিজের নাম তুলে ফেললেন এই তরুণ ক্রিকেটার। টি টোয়েন্টিতে এর আগে রোহিত শর্মা(Rohit Sharma), যশস্বী জয়সওয়াল এবং সঞ্জু স্যামসনের(Sanju Samson) এই রেকর্ড ছিল। গত বুধবার এশিয়া কাপের মঞ্চে সেই রেকর্ডটাই ভেঙে দিলেন অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। তাঁর হাত থেকে এল একের পর এক বড় শট। তবে প্রথম বলেই অভিষেকের লম্বা ছয় সকলকে কার্যত হতবাকই করে দিয়েছিল। এশিয়া কাপের মঞ্চে প্রথম দিন থেকেই যে সকলের নজর কাড়তে শুরু করেছে তিনি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যশস্বী জয়সওয়ালের এবার সুযোগ হয়নি। এশিয়া কাপে(Asia Cup) অভিষেক শর্মাকেই(Abhishek Sharma) সুযোগ দিয়েছেন নির্বাচকরা। প্রথম ম্যাচেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধে নেমেছিল ভারতীয় দল। সেখানেই দুরন্ত ফর্মে ছিলেন ভারতীয় দলের বোলাররা। বিশেষ করে কুলদীপ যাদব এবং শিবম দুবে। এই দুজনের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ৫৭ রানেই শেষ হয়ে গিয়েছিল সংযুক্ত আরব অমিরশাহী। ভারতের জেতাটা তখন ছিল শুধুই সময়ের অপেক্ষা। সেখানে শুর থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন ভারতীয় দলের তরুণ ওপেনার অভিষেক শর্মা। প্রথম বলেই ছয় হাঁকান তিনি। সেইসঙ্গেই রোহিত শর্মার এলিট তালিকায় এই তরুণ তারকা ক্রিকেটার। তাঁর সঙ্গে শুভমন গিলও ছিলেন সমান মেজাজে। দুই তারকার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে মাত্র ২৭ বলে ম্যাচ জিতে নিয়েছিল ভারতীয় দল। সেটাও কিন্তু একটা বিরল রেকর্ড। টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে এত কম বল খেলে কোনও দলই এখনও পর্যন্ত জয়ের স্বাদ পয়ানি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে সেই রেকর্ডটা এশিয়া কাপের শুরুতেই করে ফেলল টিম ইন্ডিয়া। একইসঙ্গে অভিষেক শর্মার এই রেকর্ড। তিনি হয়ত শেষপর্যন্ত থাকতে পারেননি ঠিকই, কিন্তু রেকর্ড বুকে নিজের নামটা পাকাপাকি করে ফেলেছিলেন অভিষেক। এর আগে টি টোয়েন্টিতে প্রথম বলেই ওভার বাউন্ডারি হাঁকানোর রেকর্ড ছিল রোহিত শর্মা, যশস্বী জয়সওয়াল এবং সঞ্জু স্যামসনের। চতুর্থ ভারতীয় ব্যাটার হিসাবে সেই তালিকায় এবার নতুন সংযোজন অভিষেক শর্মা। সামনে আরও ম্যাচ রয়েছে। অভিষেকের ব্যাটে নতুন রেকর্ড আসে কিনা সেটাই দেখার।