মাধি ইস্যুতে ইস্টবেঙ্গল শ্যাম রাখবে নাকি কুল রাখবে

মাধি তালালকে(Madih Talal) নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) এখন শ্যাম রাখি না কুল রাখি অবস্থা। এই ফরাসি ফুটবলারকে অস্কারের(Oscar Bruzon) অপছন্দ। রাখতে চাইছেন না তিনি। আবার মাধিও নাকি কোনওরকম সমঝোতার পথে হাঁটতে চাইছেন না। অর্থাত্ যে টাকা তাঁর পাওয়ার কথা সেটাই তিনি চাইছেন। আর তাতেই যত সমস্যায় পড়েছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। তবে পরিস্থিতি যে বেশ জটিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গত মরসুমের আইএসএলের(Indian Super League) মাঝেই এসিএল চোট পেয়ে মাঠ থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন মাধি তালাল। এখনও পর্যন্ত মাঠে ফেরার মতো অবস্থায় নেই তিনি। যদিও শোনা যাচ্ছে তিনি নাকি রিহ্যাব শুরু করেছেন। এবার আইএসএল শুরু হচ্ছে দেরীতে। মনে করা হচ্ছিল এই ফরাসি তারকা ফুটবলারকে বোধহয় ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) নিয়ে আসবে। কিন্তু সেখানে আবার বাধ সেধেছেন লাল-হলুদ কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। মাধি তালালকে(Madih Talal) তাঁর নাকি পছন্দ নয়। তিনি একজন ভালো বিদেশি স্ট্রাইকারকে দলে চাইছেন। সেই মতো ইস্টবেঙ্গল মাধি তালালের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু করেছিল। যদি কোনও একটা সমঝোতা করা যায়। তবে মাধিকে ছেড়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু মাধি(Madih Talal) নাকি সমঝোতার পথে হাঁটতে নারাজ। পুরো টাকা পেলে তবেই তিনি ক্লাব ছাড়বেন। তাঁর সঙ্গে এখনও চুক্তির মেয়াদ বাকি রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। আর এতেই ইস্টবেঙ্গল খানিকটা ব্যাকফুটে। সূত্রের খবর মাধি তালালের বেতনের অর্থ আটকে রাখলেও, এই মাসের মধ্যেই নাকি সেই টাকা দিয়ে দেওয়া হবে। কারণ ইস্টবেঙ্গলের থিঙ্ক ট্যাঙ্কের আশঙ্কা মাধি যদি ফিফার কাছে চলে যায়। সেক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে পারে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। সেই কথা মাথায় রেখেই মাধিকে তাঁর বেতন দেওয়ার পদ্ধতিটাও শুরু করে দিতে চলেছে তারা। অন্যদিকে আবার মাধিকে দলে রাখতে নারাজ ইস্টবেঙ্গলের প্রধান কোচ অস্কার ব্রুজোঁও(Oscar Bruzon)। তিনি এই মরসুমে একজন ভালো স্ট্রাইকার দলে নিতে চাইছেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে পছন্দও করে ফেলেছেন তিনি। তাদের তালিকা করে হেড অব ফুটবলের কাছেও দিয়ে দিয়েছেন অস্কার ব্রুজোঁ। সূত্রের খবর তাদের সঙ্গে এক প্রস্থ কথাবার্তাও হয়ে গিয়েছে। তবে জানুয়ারি উইন্ডোর আগে নেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু সমস্যা তো সেই মাধিকে ছাড়া নিয়েই। অর্থাত্ মাধিকে রেখেই যে নতুন বিদেশি ইস্টবেঙ্গলকে রাখতে হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
গোয়ায় সুপার কাপ! জিএফএ-কে আয়োজন করার চিঠি দিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন

গোয়া ফুটবল অ্যাসোশিয়েশনকে (জিএফএ) এই মরশুমের সুপার কাপ আয়োজন করার চিঠি দিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ)। শুক্রবার জিএফএ অফিস বন্ধ হওয়ার মিনিট দশেক আগে এই চিঠি পেয়েছে জিএফএ। যে কারণে ফেডারেশনকে কোনও উত্তর দেওয়া সম্ভব হয়নি জিএফএ-র। শনিবার এগজিকিউটিভ কমিটির মিটিং ডেকেছেন জিএফএ-র সচিব আলডেয়ার ডি ক্রুজ। তারপর তারা চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেডারেশনকে জানিয়ে দেবে। ১৬ দলের সুপার কাপে খেলবে ১৩টা আইএসএল দল আর ৩টে আই লিগ দল। ফেডারেশনের চিঠিতে বলা হয়েছে ফতোর্দা, নেহরু স্টেডিয়াম, জিএমসি এবং বাম্বোলিম স্টেডিয়াম সুপার কাপের জন্য প্রস্তুত করতে। একইসঙ্গে ১৬টি দলের লজিস্টিক্সেরও ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে চিঠিতে। ২৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার কথা সুপার কাপ। জিএফএ-র হাতে সময় থাকছে দেড় মাস। জিএফএ-র এক কর্তা শুক্রবার জানালেন, প্রত্যেকটি মাঠই তৈরি আছে। কিন্তু গোয়ায় ইতিমধ্যে ফুটবল মরশুম হয়ে গিয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে গোয়া প্রো-লিগ। শনিবারের বৈঠকে সেই হিসেবে বসবেন জিএফএ-র কর্তারা যে সুপার কাপের সময় যেন ঘরোয়া লিগের ম্যাচের সূচি না থাকে।
শনিবারের ম্যাচও বাতিল; বাংলার ফুটবলের সঙ্গে আর কোনও সম্পর্ক রাখতে চান না সাদার্ন কর্তা

মহামেডান স্পোর্টিং-এর বিরুদ্ধে দল নামায়নি ক্লাব। শনিবার কালিঘাট এমএসের বিরুদ্ধেও দল নামাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে এই মরশুমে কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে অবনমনে চলে যাওয়া সাদার্ণ সমিতি। যে কারণে শনিবারও রেলিগেশন রাউন্ডের এই ম্যাচ বাতিল করতে হল আইএফএ-কে। সাদার্ণ কর্তা সৌরভ পালকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে সৌরভ বললেন, “আমি তো আগেই জানিয়ে দিয়েছি, কলকাতা লিগে আর খেলব না। গত তিন বছর ধরে কলকাতা লিগে ম্যাচ-গড়াপেটা হচ্ছে। আমি একা প্রতিবাদ করে একা হয়ে গিয়েছি। কারও কোনও হেলদোল নেই। এমনকী, সংবাদমাধ্যমেরও অধিকাংশই আপোষ করছে। তাই কলকাতা লিগ, আরও পরিষ্কারভাবে বললে বাংলার ফুটবলের সঙ্গেই আমি আর সম্পর্ক রাখতে চাই না। জলপাইগুড়িতে অ্যাকাডেমি করছি। গ্রাসরুট ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ব্যস্ত থাকব। তার বাইরে আর কোনও সম্পর্ক রাখব না।” তাহলে সাদার্ন সমিতি ক্লাবের ক্লাবের ভবিষ্যৎ কী? আইএফএ প্রেসিডেন্ট এবং কালিঘাট এমএসের সর্বময় কর্তা অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, আইএফএ-র লিগ কমিটি চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এই ব্যাপারে।
সুপার কাপের প্রস্তুতি ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করবে ইস্টবেঙ্গল

সুপার কাপ(Super Cup) কী খেলবে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)! এই নিয়ে একটা জল্পনা শুরু হয়েছিল। কারণ বেশ কয়েকটা জায়গায় ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্টের ধোঁয়াশা ছিল। এতকিছু সত্ত্বেও গত বৃহস্পতিবারই সুপার কাপ খেলার কথা ফেডারেশনকে(AIFF) চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্টের তরফে। সরকারীভাবে না হলেও, শোনা যাচ্ছে সুপার কাপ কোথায় হবে, কতজন বিদেশি খেলানো যাবে এবং যাবতীয় সমস্ত কিছু জানার পরই নাকি এই নিজের খেলার কথা জানানো হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে এই মরসুমের সুপার কাপ(Super Cup)। সবকিছু ঠিকঠাক চললে এবার গোয়াতেই বসতে চলেছে সুপার কাপের আসর। সেখানে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal), মোহনবাগানের পাশাপাশি অন্যান্য আইএসএল ক্লাব গুলোকেও খেলতে দেখা যাবে। ফেডারেশনের কাছে ইতিমধ্যেই সকলে তাদের সম্মতি জানিয়ে দিয়েছে। সেই কথা মাথায় রেখেই ইস্টবেঙ্গলও(Eastbengal) যে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের প্রস্তুতি শিবিরে শুরু করছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আগামী ২০ অক্টোবর থেকে শুরু হতে পারে ফুটবলারদের রেজিস্ট্রেশন পর্ব। বাইরের অন্যান্য ক্লাব গুলোও এই মাস থেকেই তাদের প্রস্তুতি শুরু করতে চলেছে। কারণ সুপার কাপ দিয়েই রয়েছে এএফসির মঞ্চে পৌঁছে যাওয়ার একটা সুযোগ। তার প্রস্তুতিতেই খুব একটা দেরী করতে চাইছে না কোনও দলই। ইস্টবেঙ্গলও তার অন্যথা নয়। তারাও আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে প্রস্তুতি আরম্ভ করতে চলেছে। মোটামুটি ডুরান্ডের জলই সুপার কাপেও খেলতে চলেছে। সেখানে শুধু ডিফেন্ডার হিসাবে জয় গুপ্তাকে দলে রাখতে চলেছে লাল-হলুদ শিবির।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে গিলের মুখে বিরাট, সচিনের কথা

মাঝে আর একটা দিন। এরপরই এশিয়া কাপের(Asia Cup) গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামছে ভারতীয় দল। সেই ম্যাচেই আবার সহ অধিনায়কের দায়িত্ব রয়েছে শুভমন গিলের(Shubman Gill) কাঁধে। দায়িত্ব যে তাঁর কাঁধে অনেকটাই বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে গিলের মুখে তাঁর দুই অনুপ্রেরণার কথা। সচিন তেন্ডুলকর(Sachin Tendulkar) এবং বিরাট কোহলির(Virat Kohli) কথা মাথায় রেখেই নাকি পাক বধের ছক কষছেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। পহেলগাম(Pahelgam) ঘটনার পর এই প্রথমবার ক্রিকেটের বাইশগজে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান(INDvPAK)। ম্যাচ ঘিরে যে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মাঠের বাইরের পর এবার বাইশ গজেও ভারতীয় দল অপারেশন সিঁদুর করতে পারে কিনা সেটা তো সময়ই বলবে। তবে তার আগে শুভমন গিল(Shubman Gill) দুজনের কথা মাথায় রেখেই নিজেকে প্রস্তুত করছেন। সচিন তেন্ডুলকর ছোট থেকেই শুভমন গিলের(Shubman Gill) কাছে অনুপ্রেরণা। ট্যাকটিকাল জিনিস এবং মানসিক পরিকল্পনায় যেমন সচিন তেন্ডুলকরের খেলা তাঁকে সাহায্য করেছেন। তেমনই আবার ক্রিকেটের বাইশগজে রান পাওয়ার যে খিদেটা রয়েছে, সেটা বিরাট কোহলির থেকেই শিখেছেন তিনি। একটি পডকাস্ট শো-এ শুভমন গিল(Shubman Gill) জানিয়েছেন, “আমার অনুপ্রেরণা দুজন। প্রথম জন হলেন সচিন তেন্ডুলকর। তিনি আমার বাবার প্রিয় ক্রিকেটার। তাঁকে দেখেই কার্যত আমার ক্রিকেট খেলতে আসা। সচিন তেন্ডুলকরের থেকে যতটা শিখেছি সেটা হল মানসিক শক্তি এবং নানান ট্যাকটিকাল জিনিস”। তিনি আরও জানান, “বিরাট কোহলিকে যখন দেখতে শুরু করেছিলাম, সেই সময় থেকেই তাঁর মধ্যে খেলার যে খিদে, দৃড়তা সেগুলোই শিখতে শুরু করেছিলাম”। এই এশিয়া কাপে(Asia Cup), বিশেষ করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যাটিং লাইনআপে যে ভারতীয় দলের অন্যতম প্রধান অস্ত্র শুভমন গিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কার্যত তাঁর কাঁধেই থাকছে রান করার গুরু দায়িত্ব। গ্রুপের সবচেয়ে হাই ভোল্টেজ ম্যাচে নামার আগে সেই শুভমন গিলের মুখে বারবারই সচিন তেন্ডুলকর এবং বিরাট কোহলির কথা। তাদের কথা মাথায় রেখেই হয়ত পাক বধের ছক কষছেন তিনি। ১৪ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামছে ভারত। সেখানেই অভিষেক শর্মার সঙ্গে ওপেনিংয়ে থাকছেন শুভমন গিল। পহেলগাম ঘটনার পর এই ম্যাচের গুরুত্ব যে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমধ্যে ম্যাচ বয়কটের ডাক দিতে শুরু করেছেন অনেকে। ভারত মাঠে পাকিস্তানকে এবার কড়া জবাবটা দিতে পারে কিনা সেটাই দেখার।
ভারতের আসছেন রোনাল্ডো!

ভারতে আসবেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো(Cristiano Ronaldo)! এসিএল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-২(ACL Champions League 2) তে আল নাসেরের সঙ্গে এক গ্রুপে পড়েছে এফসি গোয়া(FC Goa)। সেখানেই গোয়ার হোম ম্যাচ পড়বে আল নাসেরের বিরুদ্ধে। আর সেই দলেই রয়েছেন সিআরসেভেন। জল্পনাটা বেশ কয়েকদিন ধরেই শুরু হয়েছিল। এবার আল নাসের(Al naser) রোনাল্ডোকে(Cristiano Ronaldo) এসিএল-টুয়ের জন্য রেজিস্টার করাতেই শুরু হয়ে গিয়েছে হৈচৈ। তবে কী সত্যিই রোনাল্ডোকে প্রথমবার ভারতের মাটিতে খেলতে দেখা যেতে চলেছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। প্রথমে শোনা গিয়েছিল রোনাল্ডোর(Cristiano Ronaldo) সঙ্গে নাকি এসিএল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বিদেশের মাটিতে অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলার চুক্তি নেই আল নাসেরের। যদিও তেমনটা সরকারীভাবে জানানো হয়নি। তবে রোনাল্ডোকে রেজিস্টার করানোর পর থেকেই জল্পনা এখন তুঙ্গে। শুধুমাত্র রোনাল্ডোই নন, এসিএল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-২ এর জন্য সাদিও মানে(Sadio Mane), জোয়াও ফেলিক্স(Joao Felix)), কিংসলে কোম্যানদের মতো তারকা ফুটবলারদের সই করানো হয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য। অর্থাৎ তারা যদি আসেন, রোনাল্ডোও(Cristiano Ronaldo) যে সেই দলের আসতে পারেন, এমনি একটা সম্ভাবনা কিন্তু তৈরি হয়েছে। লিওনেল মেসি ভারতের মাটিতে খেললেও, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে কিন্তু এখনও পর্যন্ত ভারতের মাটিতে খেলতে দেখা যায়নি। কিন্তু এসিএল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-২ তে এফসি গোয়া এবং আল নাসের এক গ্রুপে পড়ার পর থেকেই কিন্তু ভারতীয় ফুটবল মহলে রোনাল্ডোর আসা ঘিরে প্রত্যাশার পারদ চড়তে শুরু করেছে। রোনাল্ডো সহ ১২ জন বিদেশি ফুটবলারদের সই করিয়েছে আল নাসের। আগামী ২২ অক্টোবর ঘরের মাঠে আল নাসেরের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে এফসি গোয়া(FC Goa)। তবে প্রশ্ন হল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো নিজে আসবেন কিনা ভারতের মাটিতে খেলতে। কারণ এর আগে এসিএল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-২ এর বহু ম্যাচ থেকেই কিন্তু নিজের নাম সরিয়ে নিয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। কারণ তাঁর চুক্তি অনুযায়ী বিদেশের মাটিতে খেলতে যাওয়ার ব্যাপারটা নাকি পুরোপুরি রোনাল্ডোর ওপরই নির্ভরশীল। গত মরসুমে মাত্র একটি ম্যাচই বিদেশির মাটিতে খেলতে দেখা গিয়েছি সিআর সেভেনকে। তবে রোনাল্ডো ছাড়াও ইউরোপের তাবড় তাবড় তারকা ফুটবলারদের এসিএল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-২ এর জন্য সই করানো হয়েছে। তাদেরও যে ভারতের মাটিতে ভক্ত সংখ্যা কম নেই তা বলাই যায়। তবে ভারতীয় ফুটবল সমর্থকরা কিন্তু এখন থেকেই রোনাল্ডোর আসার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে নেহেরু স্টেডিয়ামে রোনাল্ডো নামেন কিনা সেটাই দেখার।
বৈদ্যুতিন সামগ্রী চুরি, ফ্লাডলাইটে ম্যাচ হবে না ইস্টবেঙ্গল মাঠে

নতুন ভাবে সেজেছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ক্লাবের মাঠ প্রাঙ্গন। সেখানেই সুপারসিক্সের প্রথম ম্যাচে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। ইউনাইটেড কলকাতার(UKSC) বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সও করেছে তারা। ম্যাচও জিতেছে। কিন্তু এতকিছুর মাঝেও খারাপ খবর ইস্টবেঙ্গলে। মাঠে ফ্লাড লাইট থাকলেও ঘরের মাঠে সেই আলোতে খেলার উপায় নেই লাল-হলুদ ফুটবলারদের। কারণ ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) মাঠের ফ্লাড লাইটের(Flood Light) বৈদ্যুতিন সামগ্রী চুরি হয়ে গিয়েছে। আর তাতেই ফ্লাড লাইটের নীচে খেলার সম্ভাবনা আপাতত শেষ। দুপুরে ম্যাচ। ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ইউনাইটেড কলকাতার বিরুদ্ধে বিধ্বংসী মেজাজে। কিন্তু গ্যালারী ভরেনি। স্বভাবতই লাল-হলুদ শিবিরের শীর্ষকর্তার কাছে প্রশ্ন উঠেছিল। তাঁর মুখেই উঠে এসেছিল যে দুপুরের ম্যাচের জন্য অফিস থেকে অনেক সমর্থকই হয়ত আসতে পারেননি। সেই সময়ই ফ্লাড লাইটে খেলানোর কথা ওঠে। এরপরই দেবব্রত সরকারের কথায় কার্যত সকলে হতবাক। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ফ্লাড লাইটের বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নাকি বেশ কয়েকদিন আগে চুরি হয়ে গিয়েছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও খানিকটা যেন হতাশ লাল-হলুদ ক্লাবের কর্তারা। শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের(Debabrata Sarkar) কথায়, “রাস্তার দিকের ফ্লাড লাইটের প্লাগ গুলো চুরি হয়ে গিয়েছে। এমনটা কীভাবে হয় তা বুঝতে পারছি না। তবে খুবই খারাপ ব্যপার। প্রায় ১২ থেকে ১৪ লক্ষ টাকার জিনিস চুরি গিয়েছে। এটা আমাদের গ্যালারীও নয়। পিডব্লুডি দেখা শোনা করে। আবার মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে”। চুরির অভিযোগ পুলিশের কাছে দায়েরও করা হয়েছিল বেশ কয়েকদিন আগে। পুলিশ তদন্তও শুরু করেছিল। কিন্তু এরপর আর ক্লাবের কাছে কোনও খবর নেই। ইস্টবেঙ্গল সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচে ৩-০ গোলে জিতেছে। কিন্তু এই গরমে প্রিয় ক্লাবের খেলা ঘরের মাঠে ফ্লাড লাইটে দেখার কোনও উপায় আর রইল না লাল-হলুদ সমর্থকদের।