ব্রাজিলের সাম্বায় কলকাতা মাতাতে চান রবসন

ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) সব চেষ্টা মাটি করে রবসন রবিনহোকে(Robson Robinho) দলে তুলে নিয়েছে মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট(MBSG)। সবুজ-মেরুন জার্সিতে এএফসি ম্যাচেই তাঁর অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুযোগ পেলে গোটা শহরকে এবার ব্রাজিলের(BRAZIL) সাম্বার(Samba) তালে মাতাতে চান তিনি। হ্যাঁ তেমন ইঙ্গিতটাই যেন পাওয়া গেল তাঁর গলা থেকে। মোহনবাগান সুপারজায়ান্টের সোশ্যাল মিডিয়াতে সাম্বা শোনালেন রবসন রোবিনহো(Robson Robinho)। ব্রাজিল মানেই আমাদের সামনে দুটো ছবি সবার আগে ভেসে ওঠে। প্রথম তো অবশ্যই ফুটবল। আর দ্বিতীয় সাম্বা(Samba) নাচ। যা গোটা বিশ্বকে মাতিয়ে দেয়। এবার তাতেই চলেছে মোহনবাগান জনতা থেকে গোটা দেশ। রবসন রোবিনহো(Robson Robinho) তে তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছেন। এএফসির(AFC) মঞ্চ থেকেই সেই সাম্বার ঝলক দেখা যায় কিনা সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন সকলে। বেশ কয়েকদিন আগেই মোহনবাগানের প্রস্তুতিতে যোগ দিয়েছেন রবসন রোবিনহো(Robson Robinho)। তাঁকে ঘিরে কিন্তু মোহন জনতার আগ্রহ খুব একটা কম নয়। তিনি নিজেও হয়ত সেটা কলকাতায় পা রেখেই বুঝে গিয়েছেন। এএফসির গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আহাল এফকে-র বিরুদ্ধে নামার আগেই রবসন রোবিনহোর গলায় সাম্বা গানের সুর। একেবারে ব্রাজিলিয় ভাষা এবং সেই ছন্দে। 🇧🇷 Samba time for the Mariners ⏳😉 Robson Robinho joins us for a new episode of MBSG TV, releasing this Sunday on our YouTube channel! 😍 #MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন pic.twitter.com/nOSvUygq1C — Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) September 13, 2025 দলের সতীর্থদেরও সেই গান তিনি ইতিমধ্যে শিখিয়ে দিয়েছেন কিনা তা অবশ্য জানা নেই। তবে যুবভারতীতে মোহনবাগান সমর্থকদের জন্য যে রবসন তাঁর সাম্বা স্টাইল নিয়ে বেশ প্রস্তুত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আরও পড়ুনঃ মাধি ইস্যুতে ইস্টবেঙ্গল শ্যাম রাখবে নাকি কুল রাখবে হাতে আর কয়েকটা দিন সময় রয়েছে। শেষ মুহূর্তে জোর কদমে প্রস্তুতি চলছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের। অচেনা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নামার আগে কোনওরকম খামতি রাখতে চাইছেন না হোসে মোলিনা। শক্তি, দুর্বলতা সবই দেখে নিচ্ছেন তিনি। এএফসির প্রথম ম্যাচে যুবভারতীর গ্যালারী রবসনের তালে তাল মিলিয়ে সাম্বা নাচে পা মেলাতে পারে কিনা সেটা তো সময়ই বলবে।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তরুণ ভারতীয় দলের অভিজ্ঞতা ভাবাচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে

পহেলগাম(Pahelgam) ঘটনার এশিয়া কাপেই(Asia Cup) প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান(INDvPAK)। রবিবারের ম্যাচ ঘিরে চড়ছে উত্তেজনার পারদ। সেইসঙ্গে শুরু হয়েছে নানান হিসাব নিকাশ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে কোনওরকম খামতি রাখতে নারাজ ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেখানেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তরুণ ভারতীয় দলের(India Cricket Team) অভিজ্ঞতাই চিন্তার কারণ হতে পারে গৌতম গম্ভীরের(Gautam Gambhir)। ভারতীয় ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা ও পারফরম্যান্সটাই খানিকটা চিন্তায় রাখছে ভারতীয় টিম(Indian Cricket Team) ম্যানেজমেন্টকে। সেদিকেই যে এখন গম্ভীর(Gautam Gambhir) অ্যান্ড কো-এর মূল ফোকাস তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শাহিন আফ্রিদির(Saheen Afridi) বোলিংয়ের বিরুদ্ধে বারবারই বেশ সমস্যায় পড়তে দেখা গিয়েছে ভারতীয় দলের ব্যাটারদের। এবারের এশিয়া কাপেও(Asia Cup) যে পাকিস্তানের বল হাতে প্রধান ভরসা সেই আফ্রিদি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেখানেই ভারতের চিন্ত খানিকটা বাড়াতে পারে ওপেনিংয়ে অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। এই প্রথমবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামবেন তিনি। সঙ্গে শুভমন গিল(Shubman Gill) থাকলেও, তাঁরও যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলার খুব একটা অভিজ্ঞতা রয়েছে তেমনটা নয়। আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানকে আটকাতে ফিনিশার নিয়েই ভারতীয় শিবিরে আলোচনা অন্যদিকে ভারতীয় দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব(Suryakumar Yadav)। কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেই সূর্যের ব্যাটেই রান এসেছে ৫ ম্যচে ৬৪। গড় মাত্র ১২। এই দিকটা যে ভারতীয় দলের চিন্তা বাড়াতে পারে তা বলাই যায়। মিডল অর্ডারে তিলক বর্মারও একই অবস্থা। একমাত্র এই দলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পারফরম্যান্সের গ্রাফ উর্ধ্বমুখী হার্দিক পান্ডিয়া(Hardik Pandya)। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে যেমন দুরন্ত ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। তেমনই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে হার্দিকের পারফরম্যান্সই উল্লেখযোগ্য। ব্যাট হাতে যেমন রান রয়েছে হার্দিকের। তেমনই বল হাতেও হার্দিকের ঝুলিতে রয়েছে উইকেট। এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭ ম্যাচে ৯১ রান করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। তেমনই আবার বোলিংয়ে তাঁর শিকার ১৩ উইকেট। হার্দিকের ওপর যে এই ম্যাচে দায়িত্ব অনেকটাই বেশি থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্যদিকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের অন্যতম তুরুপের তাস জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah)। বরাবরই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুরন্ত ফর্মে থাকেন তিনি। অভিজ্ঞ বুমরার দিকে যে এই ম্যাচেও তাকিয়ে রয়েছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বারবারই বুমরাহকে সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে পাক শিবিরকে। এবারও সেই বুমরার নেতৃত্বেই পাক ব্যাটারদের ওপর যে ভারতের চাপ বাড়ানোর কৌশল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে অর্শদীপ সিং ভালো ছন্দে রয়েছেন। সেইসঙ্গে স্পিন আক্রমণে কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তী সিরিজের শুরুটা দুরন্ত ভাবে করেছেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তারা সেই ফর্ম ধরে রাখতে পারলে যে ভারতই ফ্রন্টফুটে থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
পাকিস্তানকে আটকাতে ফিনিশার নিয়েই ভারতীয় শিবিরে আলোচনা

উত্তাপের পারদ চড়ছে। রবিবার এশিয়া কাপে(Asia Cup) মেগা ডুয়েলে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান(INDvPAK)। রহেলগাম ঘটনা হওয়ার পর এই প্রথমবার দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী দল একে অপরের মুখোমুখি হবে। সেই ম্যাচের আগে ফিনিশারের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে সেটা নিয়েই এখন চিন্তায় ভারতীয় ক্রিকেট ম্যানেজমেন্ট। হাতে অপশন রয়েছে অনেক, কিন্তু কাকে সেই পজিশনে পাঠানো হবে তা নিয়েই চলছে নানান হিসাব নিকাশ। তবে মনে করা হচ্ছে যে সঞ্জু স্যামসন(Sanju Samson) কিংবা হার্দিক পাণ্ডিয়া(Hardik Pandya), এই দুজনের মধ্যেই কোনও একজন তারকাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সঞ্জু স্যামসনকে(Sanju Samson) নাকি পাঁচ নম্বরেও খেলোনোরও একটা ভাবনা রয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। তবে ভারতীয় দলের ব্যটিং কোচ কিন্তু তাঁর ব্যাটিং লাইনআপকে নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী। ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক(Sitangshu Kotak) জানিয়েছেন, “আমাদের সকলেই যথেষ্ট প্রস্তুত যেকোনও জায়গায় ব্যাটিং করার জন্য ম্যাচ ফিনিশ করার জন্য। আমাদের দলে চার থেকে পাঁচজন আগ্রাসী ব্যাটাররা রয়েছেন। তারা যেকোনও পরিস্থিতিতে যেকোনও জায়গায় নিজেদের সেরাটা দিতে পারে। এমনও হতে পারে কোনও ম্যাচে সঞ্জু হয়ত পাঁচ নম্বরে ব্যাটিং করল”। এই ম্যাচ ঘিরে নানান কথাবার্তা শুরু হয়েছে। পহেলগাম ঘটনার জেরে অনেকেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ বয়কট করা নিয়েও আওয়াজ তুলতে শুরু করেছে। সোশ্যাব মিডিয়া জুড়ে নানান স্লোগানও উঠছিল। এমনকি সুপ্রিম কোর্টে বয়কটের জন্য আবেদনও হয়েছিল। যদিও পরে তা নাকোচ হয়ে গিয়েছিল। এই ঘটনার প্রভাব কী ভারতীয় ক্রিকেটারদের ওপর পড়েছে। যদিও টিম ম্যানেজমেন্টের সাফ বার্তা, ক্রিকেটাররা এসবের থেকে অনেকটাই দূরে রয়েছেন। সীতাংসু কোটাক জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা ক্রিকেটের ওপরই প্রধান ফোকাস করছে। বাইরের কোনও কিছুর দিকেই তাদের নজর নেই। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল ভারতীয় দলের বোলার থেকে ব্যাটাররা। সেই ম্যাচে কুলদীপ যাদব ছিলেন দুরন্ত ফর্মে। এই ম্যাচেও যে ভারতের প্রথম একাদশে খুব একটা বদল হবে না তা বলাই যায়। তবে প্রতিপক্ষ শিবিরে রয়েছেন শাহিন আফ্রিদি। সেখানে ভারতের ওপেনার আবার একেবারেই তরুণ ক্রিকেটার অভিষেক শর্মা। তিনি কীভাবে সেই চ্যালেঞ্জ সামলান সেদিকেও যে সকলের নজর রয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
চরম পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিকূলতার মধ্যেও ছাত্র-ছাত্রীদের পদকগুলোই কুণালের চালিকাশক্তি!

সুদীপ পাকড়াশীঃ ক্যারাটে তার বাঁচার ঢাল। জাতীয় এবং আর্ন্তজাতিক পদকগুলো তার নিঃশব্দ প্রতিবাদ। আর ছাত্র-ছাত্রীদের পদকগুলো তার স্বপ্নপূরণের লড়াই। শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। খেলাধুলোর শিক্ষক। কিন্তু তার স্বপ্নকে লালন করার কোনও সঙ্গী পাননি তিনি। নির্মম এক সত্যি যেখানে সন্তান তার স্বপ্ন, ইচ্ছেকে বাস্তবায়িত করার লড়াইয়ে বাবা-মা-কেও পেলেন না! পথভোলা পথিক হয়ে ঘর থেকে কুণালকে বেরিয়ে পড়তে হল তার বাবা আর মায়ের নিয়মিত, অবিরাম মানসিক অত্যাচারে! ছ’বছর হয়ে গেল কুণাল ঘর ছেড়েছেন। মাধ্যমিক পাস করার পর স্কুল ছাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। “টাকা রোজগারের প্রচণ্ড মানসিক চাপ। যেভাবেই হোক না কেন! এই মানসিক যন্ত্রণা যা পরবর্তীতে শারীরিক অত্যাচারে রূপান্তরিত হয়ে গিয়েছিল তাতে আত্মহত্যা করার কথা ভাবতে হত যদি না ঘর ছাড়তাম,” কুণাল বললেন। সমাজ কি এই জীবনগুলোকে অর্ন্তদৃষ্টি দিয়ে দেখে যাদের ঘর থেকেও নেই? খাতায় কলমে যাদের সবাই থেকেও আসলে কেউ নেই? ২৫ বছর বয়সী কুণাল বলছেন, “ক্যারাটে দেখেছিল। বারুইপুরে আমার রবিউল হক স্যার দেখেছিলেন। ক্যারাটে আমাকে ধ্বংসস্তুপ থেকে বাঁচার শক্তি জুগিয়েছিল। আমি বাংলার হয়ে কেরল ন্যাশানালে সোনা জিতেছি। কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে সোনা জিতেছি। এছাড়াও খেলোয়াড় জীবনে জিতেছি অজস্র পদক। জাপানের ‘ব্ল্যাকবেল্ট সেকেন্ড-ডানের’ মত আন্তর্জাতিক ডিগ্রি আমার ঝুলিতে এসেছে। ক্যারাটে আমাকে ভেসে যাওয়া জীবনের স্রোত থেকে আবার ফিরিয়ে এনেছে আর পদকগুলো আমাকে ধ্বংসস্তুপে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া সেই মানুষদের বিরুদ্ধে নিঃশব্দ প্রতিবাদ।” অবশ্য ডিগ্রি আর এতগুলো পদকপ্রাপ্তিতেও কুণালের ভাগ্যে শিকে হেঁড়েনি। খড়দহ পুরসভায় ‘অতি স্বল্প’ বেতনের একটা অস্থায়ী চাকরি। ঘরভাড়া এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় খরচ করার পর তাকে দিনের পর দিন নিদ্রাহীন রাত কাটাতে হয়। যে কারণে ফিজিওথেরাপি, ম্যাসিওরের কাজ শিখেছেন রোজগারটা বাড়ানোর জন্য। জাতীয় দলের হয়ে পর্তুগালে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন শিতো-রিও স্টাইলের এই খেলোয়াড় এবং কোচ। কিন্তু প্রকট আর্থিক প্রতিকূলতায় সঙ্গে সঙ্গে পর্তুগাল যাওয়ায় প্রত্যাখ্যান করেছেন। এখন তার স্বপ্ন মূলত দুটো। এশিয়ান ক্যারাটে ফেডারেশনের সার্টিফিকেট পাওয়া বিচারক হওয়া। আর শিক্ষক হিসেবে নিজেকে আরও ভালভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। তা শৈশবের একটা স্বপ্নকে বাস্তবের ছবিতে রুপান্তরিত করা। ২০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে নিয়ে চলছে তার ক্যাম্প। সেখান থেকে দিশান ঘোষের মত ছাত্ররা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও পদক জিতছে। আর ছোট ছোট সাফল্যগুলো কুনালের ইচ্ছেশক্তি আরও বাড়িয়ে দিছে! মাথায় আসছে না প্রত্যেকদিনের ওই ছবিগুলো যে ভোর ৫টা-য় উঠে যেতে হবে পুরসভায় চাকরিটা করতে। সেখানে সহকর্মীরা বলবেন, “তুমি কী এমন স্পোর্টসম্যান যে তোমার চাকরিটা পাকা হবে! তুমি প্রোমোশন পাবে!”
বিসিসিআই সভাপতি পদে লড়তে পারেন হরভজন সিং!

বিসিসিআইয়ের(BCCI) সভাপতি কি এবার হরভজন সিং(Harbhajan Singh)। পজার বিনির পরবর্তী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি কে হবেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে জোর জল্পনা। কয়েকদিন আগে সেখানে সচিন তেন্ডুলকরের(Sachin Tendulkar) নাম শোনা গিয়েছিল। যদিও শেষপর্যন্ত তা হচ্ছে না। তিনি নিজেই সেই কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর থেকেই শোনা যাচ্ছে হরভজন সিংয়ের কথা। সূত্রের খবর পঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের(Punjab Cricket Association) তরফেও নাকি তাঁকে মনোনীত করার পরিকল্পনা ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়(Sourav Ganguly) বিসিসিআইয়ের(BCCI) সভাপতি হওয়ার পর থেকেই বোর্ডের সভাপতি হওয়ার ধারাটা বদলে গিয়েছে। তারকা প্রাক্তন ক্রিকেটারকেই এখন বোর্ড সভপতি করার পদ্ধতি শুরু হয়ে গিয়েছে। সৌরভের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই ভারতীয় ক্রিকেটের মসনদে বসেছিলেন বিশ্বকাপ জয়ী রজার বিনি(Roger Binny)। এবার শোনা যাচ্ছে হরভজন সিংকে নাকি পঞ্জাব ক্রিকেট সংস্থা মনোনীত করতে চলেছেন। যদিও এই প্রসঙ্গে বোর্ড কিংবা হরভজন সিংয়ের(Harbhajan Singh) তরফ থেকে এখনই সেভাবে কিছু বলা হয়নি। এবারের আবার নতুন নিয়ম হয়েছে রাজ্য সংস্থা যাকে মনোনীত করবেন তিনিই লড়তে পারবেন বোর্ড সভাপতি হওয়ার জন্য। সেখানে হরভজন সিং(Harbhajan Singh) যে বেশ জোরালো প্রার্থী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ভারতীয় দলের জার্সিত বহু সাফল্য রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলেছেন ৩৭৬টি ম্যাচ। সেইসঙ্গে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ৭০০ উইকেট। এছাড়াও আম আদমি পার্টির রাজ্যসভা সাংসদও হয়ছিলেন এই ৪৫ বর্ষীয় তারকা ক্রিকেটার। এই মাসের পর থেকেই শুরু হয়ে যাবে বোর্ড নির্বাচনের যাবতীয় প্রক্রিয়া। এই মাসের ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্তই মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে। এরপর ২০২৩ সালে মনোনয়ন প্রত্যাহার করার দিন ধার্য করা হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর হবে বিসিসিআইয়ের নির্বাচন। সেদিন আবার এশিয়া কাপের ফাইনালও রয়েছে। শুধুমাত্র সভাপতি পদের লড়াই-ই নয়। বোর্ডের আরও অন্যান্য পদের লড়াইও হবে একইসঙ্গে। আপাতত লোঢা নিয়ম মেনেই তৈরি হচ্ছে নির্বাচনের খসড়া। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার। তবে অনেকেই মনে করছেন যে হরভজন সিং নাকি লড়াইয়ে খানিকটা এগিয়েই রয়েছেন।