শহরে রশিদ, মাধির উত্তরের অপেক্ষায় ইস্টবেঙ্গল

মাধি তালালের(Madih Talal) উত্তরের অপেক্ষায় ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। এই মরসমে তাঁকে নাকি দলে রাখতে চাইছেন না ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। সেই কথা নাকি ইতিমধ্যে ম্যানেজমেন্টকে জানিয়েও দিয়েছেন তিনি। সেই মতো ইস্টবেঙ্গল চেষ্টা শুরু করলেও, মাধিই(Madih Talal) যেন খানিকটা বেঁকে বসেছেন। কারণ ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) তাঁর সঙ্গে সম্পর্কটা একটা সমঝোতার মাধ্যমে শেষ করতে চাইছে। কিন্তু সেই প্রস্তাব আবার মানতে নারাজ এই তারকা ফরাসি ফুটবলার। আর তাতেই চিন্তাটা ক্রমশ বাড়ছে। মাধির সঙ্গে দীর্ঘ চুক্তি ইস্টবেঙ্গলের। সেক্ষেত্রে তাঁকে এখন ছেড়ে দিতে হলে প্রায় এক বছরের টাকা দিতে হবে। যে অঙ্কটাও বেশ বড়। সেই কথা মাথায় রেখেই মাধি তালালের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল। তাঁকে নাকি সমঝোতার কথাও বলা হয়েছে ম্যানেজমেন্টের তরফে। তবে যতবারই তাঁকে বলা হয়েছে তিনি রাজি হননি। এবারও তাঁর সঙ্গে কথাবার্তা শুরু হয়েছে। তবে মাধি তালালের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও উত্তর আসেনি। অন্যদিকে হামিদের পরই শহরে চলে এলেন মহম্মদ রশিদও(Mohammed Rashid)। সকলের অলক্ষ্যেই শহরে পৌঁছলেন এই তারকা প্যালেস্তাইনি ফুটবলার। তাঁর আসার কথা ছিল ১৬ সেপ্টেম্বর। কিন্তু প্রায় তিন দিন আগেই নাকি নিজের অ্যাপার্টমেন্টে চলে এসেছেন ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) এই তারকা ফুটবলার। ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতি শুরু ২০ তারিখ। প্রত্যেক ফুটবলারই আসছেন ১৯ সেপ্টেম্বর। কিন্তু রশিদের(Mohammed Rashid) স্ত্রী সন্তান সম্ভাবা। সেই কারণেই কয়েকদিন আগেই চলে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রশিদ। কারণ প্রস্তুতি শুরুর আগের দিন হলে সেভাবে সবকিছু ভালো ভাবে দেখে নেওয়ার সুযোগ পাবেন না তারা। সেই কারণেই আগে আসার সিদ্ধান্ত। যে ফ্ল্যাটে তারা থাকছেন সেখানে সবকিছু ভালো ভাবে গুছিয়ে নিতে চেয়েছিলেন রশিদ। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ইস্টবেঙ্গলের বাকি সব ফুটবলাররাই চলে আসছেন।
মোলিনার লক্ষ্য এবার এশিয়ার সেরা, মনবীরের পরিবর্ত প্রস্তুত স্প্যানিশ কোচের

শেষবার আইএসএল(Indian Super League) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বারবারই মোহনবাগান(MBSG) কর্তাদের মুখে শোনা যেত সবুজ-মেরুনের এশিয়ার সেরা হওয়ার কথা। এএফসি এসিএল-২ তে (AFC Acl-2) আহাল এফকের বিরুদ্ধে নামার আগে হোসে মোলিনার মুখেও সেই কথাই শোনা গেল। ভারত সেরা তো হয়েই গেছে তারা, এবার মোলিনার(Jose Molina) পাখির চোখ এশিয়া মহাদেশের সেরা দল হওয়ার। আহাল এফকের বিরুদ্ধেই সেই যাত্রাটা শুরু করতে চলেছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড(MBSG)। অচেনা প্রতিপক্ষ হলেও, সবুজ-মেরুন কোচ থেকে ফুটবলারদের চোখে মুখে আত্মবিশ্বাসের ছাপই দেখা গেল। সেইসঙ্গে আহাল শিবিরে কোনও বিদেশি নেই। কিন্তু তুর্কমেনিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলাররা রয়েছেন। সেই জন্য বেশ সাবধানী মোলিনা। তুর্কমেনিস্তানের এই দলের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে নামছে তারা। তার আগে মোলিনার(Jose Molina) নীল নক্সা তৈরি হয়ে গিয়েছে। অন্তত তাঁর কথা থেকেই তা স্পষ্ট। বরং মোলিনা(Jose Molina) কাছে খানিকটা চিন্তা প্রথম একাদশের একটা কী দুটো জায়গা। না কোনও সমস্যা নয়, তাঁর ফুটবলারদের দক্ষাতাটাই মোলিনাকে এই ভাবনায় ফেলেছে খানিকটা। চোট রয়েছে মনবীর সিংয়ের(Manvir Singh)। তবে সেটা নিয় খুব একটা চিন্তিত নন হোসে মোলিনা(Jose Molina)। সেই জায়গায় সাহালকে(Sahal) খেলানোর ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে কিয়ান নাসিরিকেও তৈরি রাখছেন কোচ। একইসঙ্গে দলের নতুন বিদেশিদের নিয়েও যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী মোহনহাগানের স্প্যানিশ বস। প্রস্তুতি ম্যাচে রবসন রোবিনহোকে মাত্র ১০ মিনিট খেলিয়েই তাঁকে নিয়ে সন্তোষের কথা বলছেন মোলিনা। খুব সম্ভবত এই ম্যাচেও তাঁকে দেখা যেতে পারে উইং পজিশনেও। এছাড়া শুভাশিস, রডরিগেজ, কামিন্সরা তো রয়েছেনই নিজেদের সেরা ছন্দে। আর তাদের ওপর ভর করেই তো মোলিনা(Jose Molina) এবার এশিয়ার সেরা হওয়ার যাত্রাটা শুরু করতে চলেছেন। Caption is in the video 🔥🤌#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন pic.twitter.com/z9R7pqABtc — Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) September 15, 2025 মোলিনা জানিয়েছেন, “আমাদের দলে মনবীরের চোট আছে। তবে বাকি প্রত্যেক ফুটবলারই একেবারে ফিট রয়েছেন। আমরা প্রস্তুত রয়েছি”। ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে হোসে মোলিনা জানিয়েছেন, “প্রস্তুতি নিয়ে আমি যথেষ্ট সন্তুষ্ট। আমার দলের ফুটবলাররা সকলে যথেষ্ট সময় পেয়েছেন। আমরা এর আগে গোয়ার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি। সেখানে যথেষ্ট ভালো পারফরম্যান্স করেছি আমরা। আমরা এবার প্রমাণ করতে চাই যে শুধুমাত্র ভারতের সেরা দল নই। এশিয়ার মঞ্চেও নিজেদের প্রমাণ করতে চাইছি। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত ভালো একটা সুযোগ”। কয়েকদিন আগেই এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে একটা প্রস্তুতি ম্যাচে নেমেছিল মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট। সেখানে শুরু থেকে দুই বিদেশিতে খেলেছিলেন মোলিনা। শেষ মুহূর্তে রবসন রোবিনহো সহ বাকি সব বিদেশিদেরই দেখে নিয়েছিলেন মোলিনা। দল নিয়ে তিনি বেশ আত্মবিশ্বাসী। মনে কার হচ্ছে আহার এফকের বিরুদ্ধে শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে পারে মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট। তবে শুরু থেকেই পেত্রাতোসকে খেলানো হবে কিনা তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত খানিকটা ধোঁয়াশা রয়েই যাচ্ছে। দলের প্রস্তুতি নিয়ে মোলিনা বেশ সন্তুষ্ট। এবার আহালকে হারিয়ে মোলিনার ব্রিগেড শুরুটা জয় দিয়ে করতে পারে কিনা সেটাই দেখার। অন্যদিকে মোহনবাগান সেভাবে তাদেরকে না দেখতে পেলেও, বিগত দুই মাস ধরে মোহনবাগানের সমস্ত ভিডিও দেখেই তৈরি হয়েছে তারা। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।
ব্রাত্য সিরাজই আইসিসির সেরা খেলোয়াড়

এশিয়া কাপে(Asia Cup) ব্রাত্য। কিন্তু সেই মহম্মদ সিরাজই(Mohammed Siraj) আইসিসির(ICC) তালিকায় এবার সেরা ক্রিকেটার। অগাস্ট মাসে আইসিসির মাসের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেলেন মহম্মদ সিরাজ(Mohammed Siraj)। কিন্তু সেই সিরাজই আবার ভারতের এশিয়া কাপের দল থেকে ব্রাত্য। দল থেকে বাদ পড়ার সেভাবে কখনোই মুখ খোলেননি সিরাজ। এই পুরস্কারটাই যে সিরাজের জবাব তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কারটাই পেলেন এবার তিনি। ইংল্যান্ডের(England) বিরুদ্ধে শেষ টেস্টে দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ(Mohammed Siraj)। কার্যত সিরিজ ড্র করার অন্যতম প্রধান কারিগড়ই ছিলেন মহম্মদ সিরাজ। কঠিন সময়ে ব্রিটিশ শিবিরের সেরা তিন ব্যাটারকে সাজঘরে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। শুধু তাই নয় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেই সিরিজে ব্যাটেও রান এসেছিল সিরাজের। তাঁর পারফরম্যান্সেরই পুরস্কারটা এবার পেলেন মহম্মদ সিরাজ। আইসিসির(ICC) এই পুরস্কার পেয়ে আপ্লুত মহম্মদ সিরাজ(Mohammed Siraj)। মুখে কিছু না বললেও, এটাই যে সিরাজের জবাব তাও বলার অপেক্ষা রাখে না। সিরাজ জানিয়েছেন, “আইসিসির মাসের সেরা পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতিটাই আমার কাছে সম্পূর্ণ আলাদা। তেন্ডুলকর-অ্যান্ডারসন ট্রফিটা আমার কাছে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এমন একটা লড়াইয়ের মঞ্চের সদস্য হতে পারাটাও বিরাট ভাগ্যের”। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টেস্টের দুই ইনিংসেই ভারতীয় দলের প্রধান ভরসা ছিলেন মহম্মদ সিরাজ। বুমরার অনুপস্থিতিতে সিরাজের বোলিংয়ের সামনেই বিধ্বস্ত হয়েছিল ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ। দুই ইনিংস মিলিয়ে মহম্মদ সিরাজ একাই তুলে নিয়েছিলেন ৯টা উইকেট। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে সবচেয়ে কঠিন সময়ে ইংল্যান্ডের সেরা তিন ব্যাটারকে সাজঘরে ফিরিয়েছিলেন তিনি। শেষ দিন ইংল্যান্ডের জেতার জন্য রান একেবারেই বেশি বাকি ছিল না। কিন্তু সিরাজ ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। আর তাতেই সাফল্য। সিরাজের সেই পারফরম্যান্স দেখেই অগাস্টের সেরা টেস্ট ক্রিকেটার হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। তবে এশিয়া কাপের দলে কিন্তু সুযোগ পাননি তিনি।
এখনই এশিয়া কাপ থেকে ম্যাচ-রেফারিকে সরানোর দাবি পাক বোর্ডের!

এখনই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফ্টকে এশিয়া কাপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থাকে (আইসিসি) চিঠি দিয়ে এই আবেদন করেছে পিসিবি। কারণ ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে রবিবার ম্যাচ-রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেননি। রবিবার সূর্যকুমার যাদবেরা করমর্দন করেননি পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে। টসের পর পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আঘাকে এড়িয়ে যান সূর্যকুমার। এছাড়া ম্যাচ শেষ হওয়ার পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় ভারতীয় সাজঘরের দরজা। পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে কোনও রকম সৌজন্য বিনিময় করেননি ভারতীয়েরা। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ পিসিবি কর্তারা। প্রতিবাদে রবিবারই পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বয়কট করেন। পিসিবির পক্ষ থেকে আগেই মৌখিক প্রতিবাদ জানানো হয়। তাতেই থেমে থাকেনি তারা। এ বার আইসিসিকে চিঠি দিয়ে প্রতিবাদ জানালেন পাকিস্তানের ক্রিকেটকর্তারা। ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় ম্যাচ রেফারি পাইক্রফ্টের অপসারণ দাবি করা হয়েছে। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘আইসিসির দ্বারস্থ হয়েছে পিসিবি। ম্যাচ রেফারির বিরুদ্ধে আইসিসির আচরণবিধি এবং এমসিসির নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। এশিয়া কাপ থেকে ম্যাচ রেফারিকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানিয়েছে পিসিবি।’’ নকভি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলেরও (এসিসি) চেয়ারম্যান। পাক বোর্ডের মতে, ভারতের আচরণ খেলোয়াড়ি মানসিকতার পরিপন্থী। প্রথমে এসিসির কাছে পদক্ষেপের আর্জি জানানো হয় পাকিস্তান দলের পক্ষ থেকে। তবে বিসিসিআইয়ের এক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আইসিসি-র নিয়মাবলীতে এরকম কোনও শর্ত লেখা নেই যে, ম্যাচের পর দু’দলের ক্রিকেটারদের হাত মিলিয়ে সৌজন্য বিনিময় করতে হবে। জ়িম্বাবোয়ের প্রাক্তন ক্রিকেটার ম্যাচ রেফারি হিসাবে বেশ অভিজ্ঞ। ১০৩টি টেস্ট, ২৪৮টি এক দিনের ম্যাচ এবং ১৮৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন। মহিলাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বেশ কিছু ম্যাচেও দায়িত্ব সামলেছেন।
সরকারি হাসপাতালে ৩০ লিটার স্তন্যদুগ্ধ দান করলেন জ্বালা গুট্টা

অভিনব উদ্যোগ নিলেন প্রাক্তন জাতীয় ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় জ্বালা গুট্টা (Jwala Gutta)। একটি সরকারি হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ৩০ লিটার স্তন্যদুগ্ধ দান করলেন তিনি। গত এপ্রিলে জ্বালা এবং তাঁর স্বামী অভিনেতা-প্রযোজক বিষ্ণু বিশালের দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয়। এই কন্যা সন্তানের জন্মের পরেই জ্বালার এই উদ্যোগ। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে জ্বালা এই খবর জানিয়েছেন। সমাজমাধ্যমে এই খবরটি জানিয়ে জ্বালা লিখেছেন, ‘‘মায়ের দুধ জীবন বাঁচায়। প্রি-ম্যাচিয়োর (যারা নির্দিষ্ট সময়ের আগেই জন্মায়) এবং অসুস্থ শিশুদের জন্য দুধ দান করলে তাদের জীবন বদলে যেতে পারে। যাঁরা দুধ দান করতে সক্ষম, তাঁরা কোনও কোনও পরিবারের কাছে নায়ক হয়ে যেতে পারেন। এই ব্যাপারে আরও জানুন, এই বক্তব্য শেয়ার করুন এবং মিল্ক ব্যাংকগুলির পাশে দাঁড়ান।’’ শুধু প্রি-ম্যাচিয়োর এবং অসুস্থ শিশুদের জন্যই নয়, জ্বালার এই উদ্যোগ মা-হীন সন্তানদের জন্যও। তিনি নিজে গত চার মাস ধরে স্তন্যদুগ্ধ দান করছেন। শোনা গিয়েছে, জ্বালার এই উদ্যোগের নেপথ্যে রয়েছে তাঁর মেয়ের জন্ম। কয়েক মাস আগে এক সাক্ষাৎকারে বিষ্ণু জানিয়েছিলেন, ‘‘তিনি আর জ্বালা প্রায় দু’বছর ধরে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু জ্বালার বয়স ৪১ হয়ে যাওয়ায় সেটা সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে দীর্ঘ আইভিএফ চিকিৎসার মধ্যে জ্বালাকে যেতে হয়েছে। “পাঁচ-ছ’টি ব্যর্থ সাইকেলের পর জ্বালা হাল প্রায় ছেড়ে দিয়েছিল। সেই সময় আমির খানের (Amir Khan) পরামর্শে আমরা মুম্বই যাই। আমিরই আমাদের এক জন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান এবং ১০ মাস ধরে তিনি তাঁর বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে জ্বালাকে রাখেন। তারপর দু’তিনটে আইভিএফ সার্কেলের পর জ্বালা গর্ভবতী হয়। আমির খান স্যর না থাকলে আমাদের সন্তান হত না।’’
চলতি মাসের শেষেই রিহ্যাব শুরু করতে পারেন ঋষভ পন্থ

সময়ের আগেই কি সেরে যেতে পারেন ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant)। সূত্রের তরফ থেকে কিন্তু তেমনই একটা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সবকিছু ঠিকঠাক চললে অক্টোবরের শুরু থেকেই বিসিসিআইয়ের(BCCI) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে প্রস্তুতিও শুরু করে দিতে পারেন ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant)। না তবে জোরকদমে প্রস্তুতি সারতে পারবেন না তিনি। তবে হাল্কা প্রস্তুতিতে নেমে যেতে পারবেন তিনি। আর এই খবরটা যে ভারতীয় শিবিরের কাছে অনেকটাই স্বস্তি যোগাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের(Indian Cricket Team) অন্যতম সেরা পারফর্মার ছিলেন ঋষভ পন্থ। তাঁর হাত ধরেই একের পর এক ম্যাচ থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। গোটা সিরিজে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার। কিন্তু চতুর্থ টেস্টেই ঘটে আসল অঘটন। প্রথম দিনই পায়ের পাতায় বড়সড় চোট পান তিনি। সেখানেই তাঁর পায়ের পাতায় হাল্কা চিড়ও ধরে। এরপরই ছিটকে যান ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant)। যদিও দ্বিতীয় ইনিংসে আর সেই পা নিয়ে নামতে পারেননি ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant)। তবে দেশের প্রয়োজনে তিনি যে নামতে প্রস্তুত ছিলেন সেই কথাও জানিয়েছিলেন ঋষভ পন্থ। এরপরই অবশ্য ছিটকে গিয়েছিলেন ভারতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। এরপর থেকেই ঋষভ পন্থের মাঠে ফেরা নিয়ে নানান জল্পনা হয়েছিল। নিজেই তাঁর ক্রাচ নিয়ে চলার ভিডিও দিয়েছিলেন ঋষভ পন্থ। সেইসঙ্গে তাঁর পায়ে বাঁধা ছিল টেপও। এবার তাতেই স্বস্তি। ঋষভ পন্থের পায়ে বাঁধা টেপ নাকি খুলে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। শুধুমাত্র তাই নয়, ঋষভ পন্থ নাকি এখন অনেকটা স্বাভাবিক ভাবে হাঁটতেও শুরু করে দিয়েছেন। আর এই ছবিটা যে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে অনেকটাই স্বস্তি যোগাচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে প্রশ্ন হল ঋষভ পন্থ কবে ফের ভারতীয় দলে ফিরবেন। চলতি মাসের শেষে কিংবা পরবর্তী মাসেই নাকি বিসিসিআইয়ের(BCCI) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে ফিরতে চলেছেন ঋশভ পন্থ। সেখানে হাল্কা রিহ্যাবও শুরু করতে পারেন ভারতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। সামনেই রয়েছে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে। সেখানে ঋষভ পন্থকে ভারতীয় দলের ফেরানোর একটা মরিয়া চেষ্টা চলছে। কিন্তু তিনি কতটা খেলার মতো অবস্থায় থাকবেন তা এখন থেকেই অবশ্য বলা সম্ভব হচ্ছে না। এরপরই আবার রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ। শেষপর্যন্ত ভারতীয় দলের জার্সিতে ঋষভ পন্থ কবে ফেরেন সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
মনোবিদের ক্লাস, জাতীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্র্যাক্টিসে প্রথম জাতীয় সাফল্য, বলছে অহনা

সুদীপ পাকড়াশীঃ জাতীয় পর্যায়ে প্রথম রূপো জয়। দিল্লিতে সম্প্রতি জাতীয় র্যাঙ্কিং টেবিল টেনিস টুর্নামেন্টে অনূর্ধ্ব-১৫-য় রূপো জিতল বাংলার অহনা রায়। গত দু’বছর ধরে যার টেবিল টেনিস চর্চার কেন্দ্র চেন্নাইয়ে রমন টিটি হাই-পারফরম্যান্স সেন্টার। গত মরশুমে সাফল্য আসেনি। এই মরশুমেও প্রথম জাতীয় র্যাঙ্কিং টুর্নামেন্টে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল। দিল্লিতে রূপো পাওয়ার রহস্য কী? চেন্নাই থেকে ফোনে কথা বলার সময় অহনা জানাল, মূল পরিবর্তন এসেছে আত্মবিশ্বাসে। বড় ম্যাচ জেতার মনসংযোগ তৈরি হয়েছে। “রমন স্যারের অ্যাকাডেমিতে প্রায়ই মনোবিদের ক্লাস করি আমরা। নারায়ণ আইয়ার আমাদের ক্লাস নেন। সেই ক্লাসটা আমার কাজে লেগেছে। একইসঙ্গে ট্রেনিংয়ের সময় বাড়িয়েছি। সারাদিনে প্রায় ৭ ঘন্টা অনুশীলন চলে বিভিন্ন সেশনে। আরও গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাডেমিতে জাতীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্র্যাক্টিস করার সুযোগ পাওয়া। তাতে ফিটনেস যেমন উন্নত হয়েছে, টেকনিকও ভাল হয়েছে,” বললেন অহনা। উত্তর ২৪ পরগণার নৈহাটিতে মিহির ঘোষের অ্যাকাডেমিতে যার খেলার শুরু। দিল্লিতে ফাইনালে হেরেছেন মহারাষ্ট্রের নায়িশা রেওয়াসকরের বিরুদ্ধে। তার আগে হারিয়েছেন বাংলার প্রতীতি পালকে। কিন্তু অহনার মনে রয়েছে অঙ্কোলিকা চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ৩-২ ফলে জেতা। একটা লড়াকু ম্যাচ্য জেতার পর নিজের খেলার পরিবর্তনটা বিশ্লেষণ করতে হয়ত সুবিধে হয়। টেবিল টেনিসের বাইরে ক্রিকেট অহনার প্রিয় খেলা এবং সেখানেও অহনার নিঃশব্দ শিক্ষকের নাম বিরাট কোহলি! “মাঠে বিরাটের আগ্রাসন, নিখুঁত হওয়ার জন্য প্র্যাক্টিসে ওর একাগ্রতা-এগুলো শেখার চেষ্টা করি,” অহনার মন্তব্য। নিজের জেতা ম্যাচের ভিডিও দেখে মোটিভেশন আনে অহনা। এবার সে জীবনে প্রথমবার দুবাইয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে। তার আগে অহনার প্রস্তুতিতে অবশ্যই থাকবে ‘বিরাট-পাঠ’!
সুপার ফোরেও পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মেলাবেন না সূর্যরা

এশিয়া কাপের(Asia Cup) মঞ্চ বলে শুদু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলছে ভারতীয় দলের(India Team Cricketers) ক্রিকেটাররা। কিন্তু প্রতিপক্ষ শিবিরের প্রতি সূর্যকুমার যাদবরা যে কোনওরকম সৌজন্য প্রদর্শন(No Handshake) করবে না তা ফের একবার বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে ভারতীয় দলের(Indian Cricket Team) তরফে। এই ম্যাচের পরও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুপার ফোরের মঞ্চে দেখা হওয়ার সুযোগ রয়েছে দুই দলের। সেখানেও যে ভারতীয় দল কোনওরকম সৌজন্যমূলক আচরণ দেখাবে না বোর্ডের তরফেও নাকি স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। পহেলগাম ঘটনার প্রতিবাদেই যে এমন সিদ্ধান্ত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গ্রুপর্বের ম্যাচে নামার আগেই বহু হৈচৈ হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয়েছিল বয়কটের ডাক। যদিও খেলার মাঠে সেই রাস্তায় হাঁটেনি ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা। কিন্তু পহেলগাম ঘটনা তারা ভুলতে পারেনি। সেই জঘন্য ঘটনা ভোলারও নয়। তারই অন্যতম প্রতিবাদ ছিল পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত না মেলানোর(No Handshake)। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭ উইকেটে জিতেছে ভারত। সেই ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষ ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত না মেলানোরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আর এই সিদ্ধান্ত নাকি একেবারে বিসিসিআইকে(BCCI) জানিয়েই নিয়েছিলেন ক্রিকেটাররা। এশিয়া কাপের মঞ্চে যেহেতু খেলা সেজন্য তাদের নামতেই হত মাঠে। কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা হিসাবে তারা বেছে নিয়েছিলেন এমনই একটা পদ্ধতিকে। আলোচনা করেই নাকি ঠিক হয়েছিল যে একজনও পাক ক্রিকেটারের সঙ্গে হাত মেলানো(No Handshake) হবে না। বোর্ড সূত্রে জানানো হয়েছে, “যদি ক্রিকেটের রুলবুক দেখা হয় তবে সেখানে এমন কোনও নিয়মের কথা উল্লেখ নেই। হ্যাঁ ক্রিকেটাররা সৌজন্য দেখিয়েই একে অপরের সঙ্গে হাত মেলানো হয়। এমন কোনও নিয়ম যখন নেই সেখানেই ভারতীয় দলের ক্রিকেটারাও হাত না মিলিয়ে কোনওরকম নিয়ম ভাঙেনি বলেই মনে করছি আমরা”। এই গ্রুপ পর্বের পর পের একবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার সুযোগ রয়েছে ভারতীয় দলের। ভারত সুপার ফোরে পৌঁছে গিয়েছে ইতিমধ্যে। হিসাব যা বলছে পাকিস্তানও সেখানে পৌঁছতে চলেছে। আবারও একবার পাকিস্তানের মুখোমুখি হতে পারে ভারতীয় দল। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে। তবে সেখানেও যে ভারত পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলাবে না তাও একপ্রকার ঠিক হয়ে গিয়েছে।