বিদেশিহীন আহালের কাছে বড় ধাক্কা মোলিনার মোহনবাগানের

দ্বিতীয়ার্ধে রবসন(Robson Robinho), ম্যাকলরেনকে(Jamie Maclaren) একসঙ্গে খেলিয়েও গোলের মুখ খুলতে ব্যর্থই হল মোহনবাগান(MBSG) সুপারজায়ান্ট। বিদেশিহীন আহাল এফকের(Ahal FK) কাছে ঘরের মাঠে ১-০ গোলে হারতে হল হোসে মোলিনার(Jose Molina) মোহনবাগানকে(MBSG)। ঘরের মাঠের সুযোগ সেভাবে কাজে লাগাতেই পারল না মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট। বরং একের পর এক সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল সবুজ-মেরুন ব্রিগেডকে। আহালের ১৭ নম্বর জার্সিধারি যে ফুটবলারকে নিয়েই এবার সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছিল, তাঁর গোলেই হারতে হল মোহববাগানকে। এই ম্যাচের আগে রবসন রোবিনহোর(Robson Robinho) দিকে সবচেয়ে বেশি নজর ছিল সকলের। হবে নাই বা কেন ম্যাচের আগে তাকে যে কোচ দশে দশ নম্বর দিয়েছিলেন। কিন্তু রবসনকে প্রথম একাদশে রাখেননি তিনি। হয়ত রবসনকে নিয়ে শেষ মুহূর্তে চমক দেওয়ারই একটা পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। ম্যাচ শেষ হওয়ার ১৫ মিনিট আগে রবসনকে নামিয়েছিলেন এই মোলিনা। রবসনের শটটা মিস না হলে ম্যাচের ভবিষ্যত পাল্টাতেও পারত। কিন্তু সেটা হয়নি। শেষপর্যন্ত যুবভারতীতে তিন পয়েন্ট খুইয়েই মাঠ ছাড়তে হল মোলিনার(Jose Molina) ব্রিগেডকে। এদিন প্রথমার্ধের থেকে দ্বিতীয়ার্ধে বারবার চাপ তৈরি করলেও, বহু সুযোগ নষ্টের খেসারতই দিতে হল সবুজ-মেরুণ ব্রিগেডকে। প্রথমার্ধের শুরু থেকে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছিল মোহনবাগান। কিন্তু সেভাবে সুযোগ তারা তৈরি করতে পারেননি। কিয়ান নাসিরির একটা সুযোগ এবং লিস্টন কোলাসোর আক্রমণ ছাড়া সেভাবে চোখে পড়েনি মোহনবাগানের আক্রমণ। বরং আহাল কয়েকবার বেশ চাপে ফেলে দিয়েছিল মোহনবাগানকে। এদিনের ম্যাচে কয়েকবার তো বিশালের জন্যও বেঁচেছে মোহনবাগান। বিরতির পর ছক বদল মোহনবাগানের। আক্রমণে ঝাঁজও বেড়েছিল। কিন্তু বারবারই আটকে যাচ্ছিল তারা। পাল্টা আক্রমণও কিন্তু চালিয়ে যাচ্ছিল আহাল এফকে। মোহনবাগানকে নিয়ে যে তারা ভালোভাবেই প্রস্তুত হয়ে এসেছিল, তা বারবারই এদিনের ম্যাচে বোঝা যাচ্ছিল। একের পর এক সুযোগ নষ্টের চাপ বাড়াতে পরপর ম্যাকলরেন এবং রবসনকে মাঠে পাঠিয়ে দেন কোচ মোলিনা। রবসন রোবিনহো সুযোগ পেয়েও গিয়েছিলেন। তাঁর শট পোস্টে না লাগলে ফলাফল অন্যরকম হতেই পারত। কিন্তু শেষপর্যন্ত তা হয়নি। ম্যাচের বয়স যখন ৮৩ মিনিট সেই সময় এনওয়ের আনায়ের গোলেই এগিয়ে যায় আহাল এফকে। মোহনবাগান আর ফিরে আসতে পারেনি ম্যাচে। প্রথম পর্বের ম্যাচে হেরে সবুজ-মেরুন যে খানিকটা চাপে পড়ে গেল তা বলাই যায়।
৩১-এই ফুটবলকে বিদায় জানাল বিশ্বকাপ জয়ী উমতিতি

সকলকে অবাক করে হঠাৎই ফুটবল ছাড়ার সিদ্ধান্ত বিশ্বকাপ(Fifa World Cup) জয়ী ফরাসি তারকা স্যামুয়েল উমতিতির(Samuel Umtiti)। কেরিয়ার গ্রাফটা তাঁর শুরুটা ভালো ভাবে হলেও, একাধিক চোট আঘাতের জন্য বারবার মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে তাঁকে। একটা সময় বিশ্ব ফুটলের ভবিষ্যৎ তারকা হিসাবে দেখা হত স্যামুয়েল উমতিতিকে(Samuel Umtiti)। কিন্তু সবকিছুতেই তাঁর অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল এই চোট আঘাত। আর তাতেই শেষপর্যন্ত ১৩ বছরের কেরিয়ারে ইতি টানলেন স্যামুয়েল উমতিতি। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে(2018 Fifa World Cup) দুরন্ত ফর্মে ছিলেন স্যামুয়েল উমতিতি। ফ্রান্সের(France) বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম প্রধান কারিগড় ছিলেন তিনি। শুধুমাত্র দেখের জার্সিতে নয়, ক্লাবের জার্সিতেও একসময় দুরন্ত ছন্দে ছিলেন স্যামুয়েল উমতিতি(Samuel Umtiti)। বার্সেলোনায়(Barcelona) একসময় লিওনেল মেসির(Lionel Messi) সতীর্থও ছিলেন তিনি। কিন্তু বারবার চোট আঘাতটাই তাঁর কেরিয়ার গ্রাফটা নীচের দিকে নামিয়ে দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেই তাঁর অবসর গ্রহনের কথা জানিয়েছেন স্যামুয়েল উমতিতি(Samuel Umtiti)। সেখানেই তিনি লিখেছেন, “নানান চড়াই উতরাইয়ের মধ্যে দিয়ে তৈরি হওয়া এই কেরিয়ারে এবার সময় এসেছে ইতি টানার। এটা আমার প্যাশন। এই খেলাকে আমি আমার সবটা দিয়েছি। আর কোনওরকম খারাপ আফসোস নিয়ে অবসরটা নিচ্ছি না। যে সমস্ত ক্লাব, সভাপতি এবং কোচেদের সঙ্গে কাজ করেছি তাদের সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ”। দেশের পাশাপাশি ক্লাব ফুটবলেও বেশ সফস তিনি। বিশেষ করে বার্সেলোনার জার্সিতে স্যামুয়েল উমতিতির সাফল্যটাই সবচেয়ে বেশি রয়েছে। ক্যাটালুনিয়ানদের ১৩৩টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এছাড়া দুটো লা লিগা ট্রফিও রয়েছে উমতিতির ক্যাবিনেটে। এছাড়া ফ্রান্সের হয়ে খেলেছেন দুটো বিশ্বকাপ। ২০১৮ সালে ফাইনালের মঞ্চেও প্রথম একাদশে ছলেন স্যামুয়েল উমতিতি। সেই কেরিয়ারেই এবার ইতি টেনে অবসরের পথে চলে গেলেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জয়ী তারকা ফুটবলার।
আল জাওয়ারের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ফুটবলই অস্ত্র মানোলোর

মোহনবাগানের(MBSG) বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচটাই আল জাওয়ারের বিরদ্ধে নামার আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে এফসি গোয়াকে(FC Goa)। আইএসএল চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে নিজেদের শক্তি থেকে দুর্বলতা সবটাই দেখে নিয়েছেন গোয়ার(FC Goa) কোচ। বুধবার এসিএল-২ এর আল জাওয়ারের বিরুদ্ধে নামছে এফসি গোয়া। প্রতিপক্ষের প্রতি সমীহ থাকলেও শুরু থেকেই যে তারা ভয়হীন ফুটবল খেলবে তা বলতে কোনও দ্বিধা নেই এফসি গোয়া কোচ মানোলো মার্কুয়েজের(Manolo Marquez)। এই ম্যাচের আগেই রক্ষণে জেরিকে নিয়েছে তারা। যদিও তাঁকে খেলানো হবে কিনা তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চয়তা নেই। তবে গোয়া যে প্রস্তুত তা মানোলোর হাবে ভাবেই স্পষ্ট। এবার এসিএল টুয়ের(AFC Acl 2) একই গ্রুপে পড়েছে এফসি গোয়া এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর(Cristiano Ronaldo) আল নাসের। রোনাল্ডোর দলের বিরুদ্ধে খেলতে পারার সুযোগটা যে তাদের দলকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে তা বলতে কোনও দ্বিধা নেই মানোলো মার্কুয়েজের(Manolo Marquez)। এই ম্যাচে নামার আগে দলের প্রস্তুতি নিয়ে কিন্তু বেশ আত্মবিশ্বাসের সুরই শোনা যাচ্ছে এফসি গোয়া কোচের মুখে। তিনি জানিয়েছেন, “মোহনবাগানের বিরুদ্ধে আমরা একটা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলেছিলাম এবং সেখানে আমাদের যথেষ্ট ভাল প্রস্তুতি হয়েছে। অন্যন্য দলের প্রাক মরসুম প্রস্তুতি সুরুর আগে আমরা আরও অনেক বেশি সময় পাব প্রস্তুতির জন্য। দূর থেকে দেখে অনেক কিছুই মনে হয়। কিন্তু আমি যখন ভাল ভাবে পর্যবেক্ষ করলাম আমার দলকে, তাদের ফোকাস যে একেবারে সঠিক জায়গায় ছিল তা স্পষ্ট দেখতে পেয়েছি”। আল জাওয়ারের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার পরিকল্পনা রয়েছে এফসি গোয়ার। দলের প্রত্যেক ফুটবলারদের ভয়হীন ফুটবলার খেলারই সাফ বার্তা দিয়েছেন মানোলো মার্কুয়েজ। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে।
পাইক্রফটকে সরাবে না আইসিসি, নাম তুলে নেবে পাকিস্তান!

পাকিস্তানের দাবী নস্যাত করল আইসিসি(ICC)। আর তাতেই কি এবার এশিয়া কাপের মঞ্চ থেকে নাম তুলে নেবে পাকিস্তান(Pakistan)! অ্যান্ডি পাইক্রফটকে সরানোর দাবি নিয়ে আইসিসির(ICC) দ্বারস্থ হয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড(PCB)। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচে হ্যান্ডশেক কান্ডটা একেবারেই মেনে নিতে পারছে না পাকিস্তান। আর তাতেই ম্যাচ রেফারির বিরুদ্ধে প্রচ্ছন্ন মদতের অভিযোগ তুলে তাঁকে অপসারণের দাবিতে আইসিসির(ICC) কাছে সরব হয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড(PCB। কিন্তু তাদের সেই দাবি মানা হবে না বলেই জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার তরফে। অর্থাৎ পাইক্রফটকে(Andy Pycroft) সরানো হবে না বলেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আইসিসির(ICC) তরফে। এরপরই শুরু হয়েছে জল্পনা। তবে কী এশিয়া কাপ থেকে নাম তুলে নিচ্ছে পাকিস্তান। কারণ সেরকমই তো হুমকি দিয়েছিল তারা। পাকিস্তানের(PCB) বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা(India Cricket Team) হাত মেলানোর সৌজন্য দেখাননি। আর সেটাই যেন মেনে নিতে পারছে না পাকিস্তান। তারা এটাকে ক্রিকেটের নিয়ম উলঙ্ঘন বলেই দাবি করছে এবং এই ঘটনার পিছনে ম্যাচ কমিশনারের মদত থাকারই অভিযোগ তুলেছে। তাদের মতে ভারতীয় ক্রিকেটাররা এমন আচরণ করলেও সেখানে ম্যাচ কমিশনার নাকি কোনওরকম পদক্ষেপ করেননি, বরং মুখ বন্ধ রাখারই সিদ্ধান্ত নিয়ছিলেন। এরপরই আইসিসির(ICC) দ্বারস্থ হয়েছিলেন পাক ক্রিকেট বোর্ডের(PCB) কর্তারা। পাইক্রফটকে তাঁর পদ থেকে অপসারণ করানোর জন্য। নইলে তারা নাকি এশিয়া কাপ থেকে নাম তুলে নেবে। কিন্তু আইসিসি সাফ জানিয়ে দিয়েছে এমনটা নাকি হবে না। এবার পাকিস্তান কী করে সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলে। আইসিসির একটি সূত্র তরফে এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে কোনওরকম অপসারণই করা হবে না। তার কারণ এমনটা যে হবে তা নাকি এসিসির কর্তারা প্রথম থেকেই জানতেন। আর সেই কমিটিতে পাকিস্তানের সদস্যও ছিলেন। সুতরাং পাকিস্তানের দাবি মানার কোনও সম্ভাবনাই নেই। এমনকি সেখানে পিসিবির ডিরেক্টরও ছিলেন। আর আইসিসির সিদ্ধান্তের জেরে যে পাকিস্তানই সমস্যায় পড়ল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ পাকিস্তান এশিয়া কাপ থেকে নাম তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে নামবে পাকিস্তান। প্রশ্ন উঠছে সেই ম্যাচে পাকিস্তান খেলবে তো। এই নিয়ে গুঞ্জন কিন্তু তুঙ্গে। অন্যদিকে এই ঘটনার পরই পিসিবি তাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অপারেশন ডিরেক্টরকে সরিয়ে দিয়েছে। পাক ক্রিকেট যে এই ঘটনায় বেশ উত্তাল হয়ে উঠেছে তা বলাই যায়।
ভারতীয় দলের নতুন জার্সি স্পনসর অ্যাপলো টায়ার্স

ভারতীয় দলের(India Cricket Team) জার্সি স্পনসরের(Jersey Sponcor) সঙ্গে কথবার্তা প্রায় পাকা হওয়ার ইঙ্গিতটা কয়েকদিন আগেই দিয়েছিলেন রাজীব শুক্লা(Rajib Shukla)। অবশেষে সেটাই হল। এবার ভারতীয় দলের জার্সি স্পনসর হল অ্যাপলো টায়ার্স। মঙ্গলবারই বিসিসিআইয়ের তরফে অ্যাপলো টায়ার্সের(Apollo Tyres) সঙ্গে গাঁটছাড়া বাঁধার কাজ যে হয়ে গিয়েছে তা সরকারীভাবে জানিয়ে দিল বিসিসিআই (BCCI)। আর অ্যাপলো টায়ার্সের হাত ধরেই নাকি এবার আরও বেশি লক্ষ্মী লাভ হতে চলেছে বোর্ডের(BCCI)। সব মিলিয়ে নাকি প্রতি ম্যাচে নাকি প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা পেতে চলেছে ভারতীয় দল। এমনটা হলে যে বিসিসিআইয়ের(BCCI) ভাঁড়ার আরও ভরতে চলেছে তা বলাই যায়। কয়েকদিন আগেই জার্সি স্পনসর(Jersey Sponsor) ড্রিম ইলেভেনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে বিসিসিআই(বমমগ)। স্পোর্টস বিল(েজদীূে বগতত) পাস হওয়ার পরই সেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল বোর্ড কর্তাদের। নতুন বিল অনুযায়ী কোনওরকম বেটিং অ্যাপ কিংবা তার সঙ্গে জড়িত থাকা সংস্থাকে স্পনসর হিসাবে রাখা যাবে না। সেই নির্দেশিকা আসার পরই তড়িঘড়ি এক বছর বাকি থাকতেই ড্রিম ইলেভেনের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে ফেলেছিল বিসিসিআই। ড্রিম ইলেভেনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পরই ভারতীয় দলের নতুন স্পনসর নিয়ে নানান গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছিল। বিশেষ করে নতুন স্পনসর হিসাবে ভারতীয় দলের সঙ্গে কোন সংস্থা তা নিয়েই ছিল আলোচনা। এশিয়া কাপে ভারতীয় দল স্পনসরহীন নামার পর সেই আলোচনা আরও বেড়েছিল। যদিও বোর্ড কর্তারা ড্রিম ইলেভেন যাওয়ার পরই নতুন স্পনসরের খোঁজ করতে ময়দানে নেমে পড়েছিল। দু সপ্তাহ আগেই সরকারী ভাবে নতুন স্পনসরের খোঁজে বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছিল বোর্ডের তরফে। এরপর থেকে নানান সংস্থার কথাবার্তা উঠতে শুরু করেছিল। এমন পরিস্থিতিতেই শেষপর্যন্ত বিখ্যাত টায়ার প্রস্তুতকারক সংস্থা অ্যাপলো টায়ার্সের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্তটা নিয়েই ফেলল বিসিসিআই(BCCI)। একটি সর্বভারতীয় সংস্থার খবর অনুযায়ী ২০২৭ সাল পর্যন্ত নাকি এই টায়ার প্রস্তুত কারক সংস্থার সঙ্গে চুক্তি পাকা হয়ে গিয়েছে বিসিসিআইয়ের। অর্থাৎ হিসাব অনুযায়ী ১৩০ ম্যাচ এই সময়ের মধ্যে খেলবে ভারতীয় দল। সেই সময় ভারতীয় দলের স্পনসর হিসাবে থাকবে এই টায়ার প্রস্তুতকারক দল। শুধুমাত্র তাই নয় ম্যাচ পিছু গত স্পনসরের থেকে নাকি বেশি টাকাও দেবে অ্যাপলো টায়ার্স। ভারতীয় দলের প্রতি ম্যাচে নাকি সাড়ে চার কোটি টাকা দেবে অ্যাপলো টায়ার্স। যেখানে গতবার স্পনরের থেকে ভারতীয় দল পেত চার কোটি টাকা। মনে করা হচ্ছে এশিয়া কাপের পরই হয়ত ঘোষণা হয়ে যাবে নতুন স্পনসরের নাম।
ইডির সমন যুবরাজ, উথাপ্পাকে

এশিয়া কাপ(Asia Cup) চলছে। তারই মাঝে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে এবার ইডির(ED) হানা। দুই ভারতীয় ক্রিকেটারকে সমন পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বেটিং অ্যাপের সঙ্গে যোগ থাকার কারণেই দুই প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটারকে সমন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুবরাজ সিং(Yuvraj Singh) এবং রবিন উথাপ্পাকে(Robin Uthappa) ডেকে পাঠানো হয়েছে ইডির দফতরে। সেখানেই তাদের নাকি জিজ্ঞাসাবাদও করা হতে পারে। বিশেষ করে স্টেটমেন্ট নেওয়ার জন্যই নাকি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইডি। কয়েকদিন আগেই বেটিং সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া ভেঙেছে বিসিসিআই(BCCI)। বিশেষ করে স্পোর্টস বিল(Sports Bill) পাস হওয়ার পরই বেটিং অ্যাপের ওপর নানান বিধি নিষেধ আনা হয়েছে। সেই বিল পাস হওয়ার পরই বেটিং অ্যাপের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল বোর্ড। এমনকি ভবিষ্যতেও এমনটা করা যাবে না বলেই নির্দেশ করা আছে সেই বিলে। সেই নিয়মের গেড়োতেই এবার সমস্যা যুবরাজ সিং(Yuvraj Singh) থেকে রবিন উথাপ্পা। একটি বেটিং সংস্থার নানান বিজ্ঞাপনে দেখা গিয়েছে তাদের। বেটিং অ্যাপের সঙ্গে সংযোগ থাকার কারণেই এবার ইডির নজরে পড়েছেন তারা। বিজ্ঞাপনের পাশপাশি এই বেটিং অ্যাপগুলোর সঙ্গে আর কী কী ভাবে তারা জড়িত সেই সব নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে পারেন দুই ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর ইডির দফতরে রবিন উথাপ্পাকে হাজিরা দেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বরে যাবেন যুবরাজ সিং। তারাই প্রথম নয়। এর আগে এমনই সমস্যায় পড়েছিলেন সুরেশ রায়নাও। তাঁকেও যেতে হয়েছিল ইডির দফতরে। এই দুই ক্রিকেটারের পাশাপাশি সোনু সুদকেও সমন পাঠানো হয়েছে ইডির তরফে বেটিং অ্যাপের সঙ্গে সংযোগ থাকলেই ডাক পড়ছে ইডির দফতরে।