শ্রেয়সের টেস্ট দলে প্রত্যাবর্তন নিয়ে কাটছে না চিন্তা

সময়টা সত্যিই ভালো যাচ্ছে না শ্রেয়স আইয়ারের(Shreyas Iyer)। ঘরের মাঠে অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের(West Indies) বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে নামার কথা রয়েছে ভারতের। কিন্তু তার আগে অস্ট্রেলিয়া-এ(Australia-A) দলের বিরুদ্ধে শ্রেয়স আইয়ারের পারফরম্যান্স কিন্তু চিন্তা বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট। অস্ট্রেলিয়া-এ দলের বিরুদ্ধে মাত্র আট রানেই সাজঘরে ফিরতে হয়েছে শ্রেয়স আইয়ারকে(Shreyas Iyer)। শ্রেয়সের এমন পারফরম্যান্সেই তাঁর ভারতীয় দলে কামব্যাক নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে নানান গুঞ্জন। শেষবার ২০২৪ সালে ভারতের হয়ে টেস্ট খেলেছিলেন শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলেছিলেন তিনি। কিন্তু এরপর থেকেই আর ভারতীয় দলে দেখা যায়নি এই তারকা ক্রিকেটারকে। মাঝে অবশ্য চোটের জন্য বেশ কয়েকদিন মাঠের বাইরে ছিলেন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেললেও টেস্টে কিন্তু দেখা যায়নি শ্রেয়সকে(Shreyas Iyer)। এই অস্ট্রেলিয়া-এ দলের বিরুদ্ধেই নেমেছিলেন সাদা জার্সিতে। কিন্তু সাফল্যের মুখ দেখতে পেলেন না শ্রেয়স। সাই সূদর্শন ৭৩ রানে আউট হওয়ার পরই এদিন মাঠে আসেন তিনি। শুরুটাই করেছিলেন একটা অসাধারণ বাউন্ডারি দিয়ে। কিন্তু সেই ফর্ম বেশিক্ষণ দেখাতে পারেননি। মাত্র ১৩ বল খেলেই থামতে হয় ভারতীয়-এ দলের অধিনায়ককে। কোরি রচিকোইয়ের বলেই এলবিডব্লু হয়ে সাজঘরের রাস্তায় ফিরতে হয় শ্রেয়স আইয়ারকে। আর এই পারফরম্যান্সটাই কিন্তু তাঁকে টেস্ট দলে ফেরা নিয়ে অনেক প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। সম্প্রতি শেষ হওয়া দলিপ ট্রফিতেও একেবারে ফর্মে ছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। দলিপের মঞ্চে শ্রেয়সের ব্যাট থেকে রান এসেছিল ২৫ এবং ১২। এরপরই ভারতীয়-এ দলের হয়ে মাঠে নেমছিলেন অস্ট্রেলিয়া-এ দলের বিরুদ্ধে। ম্যাচের ৫৯ তম ওভারে নেমেছিলেন তিনি। ৬৩ তম ওভারেই শেষ হয়েছিল শ্রেয়স আইয়ারের ইনিংস। আইপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার বাদ দিলে শ্রেয়স আইয়ারের ব্যাটে কিন্তু সেভাবে বড় রানের ইনিংস দেখা যায়নি এখন পর্যন্ত। সেই ম্যাচে ৮৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। এরপর থেকেই শ্রেয়সের ব্যাটে যেন রানের খরা। তবে শ্রেয়স আইয়ার বাদে বাকি ব্যাটারদের ব্যাটে কিন্তু রান এসেছে। বিশেষ করে অভিমন্যু ঈশ্বরণ(Abhimanyu Easwaran) এবং নারায়ন জগদীশন ওপেনিংয়েই তৈরি করেছিলেন ৮৮ রানের পার্টনারশিপ। এছাড়া ভারতীয়-এ দলের হয়ে এদিন সর্বোচ্চ রান করেছিলেন দেবদূত পাড়িক্কল ৭৬। তাঁর পরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ৭৩ করেন সাই সূদর্শন। এতকিছুর মধ্যেও চিন্তা শুধু একটাই। শ্রেয়স আইয়ারের পারফরম্যান্স।
সোনা জয়ের দেশ টোকিও থেকে নীরজকে ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে

এই টোকিওতেই(Tokyo) ইতিহাস তৈরি করেছিলেন নীরজ চোপড়া(Neeraj Chopra)। অ্যাথলেটিক্সে প্রথম ভারতীয় অ্যাথলিট হিসাবে সোনা জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু এবার সেই টোকিওই নীরজকে(Neeraj Chopra) ফেরাল একেবারে খলি হাতে। ফাইনালে পৌঁছতে যে থ্রোটা নীরজ চোপড়া করেছিলেন। ফাইনালের মঞ্চে সেই পর্যন্ত পৌঁছতেও পারলেন না নীরজ চোপড়া। অষ্টম স্থানেই থেমে যেতে হয় ভারতের সোনার ছেলেকে। ফাইনালের মঞ্চে সেভাবে নিজের পারফরম্যান্সটাই দেখাতে পারলেন না তিনি। টোকিওতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের(World Championship) আসর বসেছে। সেখানেই যোগ্যতা অর্জন পর্বের একটা থ্রোতেই ফাইনালের মঞ্চে নিজের জায়গা করে নিয়েছিলেন নীরজ চোপড়া(Neeraj Chopra)। সেখানেই কেরিয়ারে অন্যতম সেরা থ্রো করে ফাইনালের মঞ্চে সরাসরি জায়গা করে নিয়েছিলেন ভারতের সোনার ছেলে নীরজ চোপড়া। ৮৪.৮৫ মিটার দুরত্ব অতিক্রম করেছিল নীরজ চোপড়ার থ্রো। আর তাতেই বাকি থ্রোতে নামতে হয়নি নীরজ চোপড়াকে। এরপর সরাসরি ফাইনালে নেমেছিলেন নীরজ চোপড়া। কিন্তু যোগ্যতা অর্জন পর্বে যে থ্রো তিনি করেছিলেন তার ধারেকাছেও পৌঁছতে পারলেন না। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের মঞ্চে ভারতের কাছে যে এটা বিরাট একটা ধাক্কা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন ফাইনালে প্রথম থ্রোতে নীরজের(Neeraj Chopra) জ্যাভলিন(Javelin Throw) পৌঁছয় ৮৩.৮৫ মিটার। দ্বিতীয় থ্রোতে সেটাই বেড়ে হয় ৮৪। আশা জাগলেও শেষ তিনটি থ্রোই যেন শেষ করে দেয় নীরজ চোপড়ার সমস্ত স্বপ্ন। তৃতীয় থ্রো ফাউল হয় নীরজ চোপড়ার। চতুর্থ থ্রোতে নীরজ চোপড়ার স্কোর ৮২.৮৬। এবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে নীরজের এটাই সবচেয়ে লো স্কোর। পঞ্চম থ্রেয়ো নিজের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করলেও শেষরক্ষা করতে পারেননি তিনি। দাগের বাইরে পা চলে যাওয়াতে নীরজ চোপড়ার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পদক জয়ের সমস্ত আশাই শেষ হয়ে যায়। তাঁর পাশাপাশি আরেক ভারতীও জ্যাভলিন থ্রোয়ার সচিনও পদক জিততে পারেননি। তিনি থেমেছেন চতুর্থ স্থানে।
ফিফা ক্রম তালিকায় আরও এক ধাপ নামল ভারত

ফিফা ক্রম তালিকায়(Fifa Ranking) ফের একধাপ নেমে গেল ভারতীয় ফুটবল দল। কয়েকদিন আগেই কাফা নেশনস লিগে(Kafa Natinons League) তৃতীয় স্থান পেয়েছিল মেন ইন ব্লুজ ব্রিগেড(Indian Football Team)। কিন্তু তাতেই ভাগ্য বদলালো না ভারতীয় দলের। সদ্য প্রকাশিত ফিফা ক্রম তালিকায়(Fifa Ranking) ১৩৩ থেকে এখন ১৩৪ নম্বরে নেমে গিয়েছে ভারতীয় ফুটবল দল। যদিও কোন হিসাবে এটা হল তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত তা জানা যায়নি। কিন্তু ক্রম তালিকায় ক্রমশ পিছিয়ে পড়াটা যে ভারতীয় দলের কাছে একটা বড় ধাক্কা তা বলার অপেক্ষা রখে না। কাফা নেশনস লিগের গেই ভারতীয় দলের(Indian Football Team) দায়িত্ব উঠেছিল নতুন কোচ খলিদ জামিলের কাঁধে। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরই সকলকে চমকে দিয়েছিলেন। কার্যত তারকাবিহীন দল ঘোষণা করেছিলেন তিনি। আর সেই দলের হাত ধরেই ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ভারতীয় ফুটবল ব্রিগেড। মেন ইন ব্লুজরা খালিদের হাত ধরে প্রথমবার কোনও প্রতিযোগিতায় ফের একবার সাফল্যের স্বাদ পেয়েছিল। কাফা নেশনস কাপে এবার শুরু থেকেই বেশ ছন্দে ছিল ভারতীয় দল। সেখানেই তৃতীয় স্থানের ম্যাচে ক্রম তালিকায় অনেকটা ওপরের দিকে থাকা ওমানের বিরুদ্ধে নেমেছিল ভারত। সেই ম্যাচে পেনাল্টিতে দুরন্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে জয় তুলে নিয়ে কাফা নেশনস কাপে তৃতীয় হয়েছিল খালিদের মেন ইন ব্লুজ ব্রিগেড। অনেকেই মনে করেছিলেন যে এবার হয়ত র্যাঙ্কিংয়ে খানিকটা বদল আসতে পারে। বদল হয়েছে ঠিকই কিন্তু সেটা ওপরের দিকে নয়, এক ধাপ নীচেই নেমেছে ভারতীয় দল। একইসঙ্গে ফিফা ক্রম তালিকায় নিজেদের জায়গা হারিয়েছে আর্জেন্তিনাও। প্রথম স্পেনের কাছে জায়গা হারিয়েছে তারা। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা প্রায় ১১ বছর পর ফের ফিফা তালিকায় শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে। দ্বিতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে আর্জেন্তিনা এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ফ্রান্স।
সুরুচির সঙ্গে ড্র; ইউনাইটেড স্পোর্টসকে ইতিহাস গড়তে হলে হারাতেই হবে ইস্টবেঙ্গলকে!

ব্যারাকপুরের বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় স্টেডিয়ামে কলকাতা ফুটবল লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশনের চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডে বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সুরুচি সঙ্ঘের বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করল ইউনাইটেড স্পোর্টস (United Sports)। প্রথমার্ধে খেলার ফল ছিল ১-১। বেগুনি ব্রিগেডের পক্ষে শ্রীনাথ এম (Srinath M) জোড়া গোল করেন। সুরুচি সংঘের পক্ষে গোলদু’টি করেন খানঙ্গাম হোরাম ও আকাশ মণ্ডল। এই ড্র সুবিধে করে দিল ইস্টবেঙ্গলকে। খেতাবজয়ের লড়াইয়ে ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচে ইউনাইটেড এসসি-র বিরুদ্ধে ড্র করলেই এই মরশুমের প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন লাল-হলুদ। উল্টোদিকে, ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ইউনাইটেড স্পোর্টসকে প্রথম কলকাতা প্রিমিয়ার লিগ জিততে হলে ইস্টবেঙ্গলকে হারাতে হবে তাদের মাঠে, তাদের অগণিত সমর্থকদের অবিরাম চিৎকারের মধ্যে! কল্যাণী স্টেডিয়ামের ‘এ’ মাঠে, একই সময়ে, অপর ম্যাচে কলকাতা কাস্টমস্ ক্লাবের বিরুদ্ধে ৫-০ গোলে জয় পেলো ইউনাইটেড কলকাতা এসসি। বিজয়ী দলের পক্ষে গোলগুলি করেন জীতেন মুরমু, বিনীল পূজারী, রাহুল ভিপি (২) ও সমীর বায়েন। এই জয়ের ফলে টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের এই নবগঠিত ক্লাবটির সামনে আগামী মরসুমের তৃতীয় ডিভিশন আই লিগ খেলার রাস্তা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেলো। শেষ ম্যাচে সুরুচি সংঘের বিরুদ্ধে ড্র করলেই বাধাহীনভাবে প্রথমবারের মতো সর্বভারতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ চলে আসবে কোচ ইয়ান চেং ল’র দলের সামনে।
বোর্ড সভাপতি ঘোষণার আগে দিল্লিতে হেভিওয়েট বৈঠক

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরই বিসিসিআইয়ের(BCCI) নতুন সভাপতি ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু কে হবেন সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়(Sourav Ganguly) নাকি হরভজন সিং(Harbhajan Singh)। এই নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে চলছে জোর জল্পনা। তব বিসিসিআইয়ের নতুন সভাপতির ভাগ্য হয়ত নির্ধারণ হয়ে যেতে চলেছে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী দিল্লিতে নাকি সেদিন হতে চলেছে এক হেভিওয়েট বৈঠক। সেখানেই আগামী দিনের ব্লুপ্রিন্ট নাকি তৈরি হতে চলেছে। দিল্লির বৈঠকে হেভিওয়েট কর্তারাই নাকি বসতে চলেছেন। আর সেই বৈঠক নাকি হতে চলেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বাসভবনে। সেখানে বোর্ড(BCCI) সভাপতি ছাড়াও আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে চলেছে। এখন গোটা ভারতীয় ক্রিকেট মহলের নজর যে সেই বৈঠকের দিকেই নজর রয়েছে তা বলার অপেক্ষায় রাখে না। রজার বিনির পর কে হবেন সভাপতি সেটা নিয়েই যত আলোচনা। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের দায়িত্ব ছাড়ার পর বোর্ডের মসনদে বসেছিলেন রজার বিনি। ২০২২ সালে দায়িত্ব নিয়েছিলেন বিশ্বকাপ জয়ী রজার বিনি। কিন্তু তাঁর মেয়াদ এবার শেষ। সেই জায়গাতেই কে হবে এবার ভারতীয় ক্রিকেটের বস সেটা নিয়েই যত আলোচনা। আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের বৈঠকটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বূপর্ণ। সেই বৈঠকে ভারতীয় ক্রিকেটের হেভিওয়েট কর্তারা যেমন তাকবেন তেমনই শোনা যাচ্ছে বিজেপিরও নাকি কয়েকজন নেতাকে দেখা যেতে পারে সেখানে। বেশ কয়েকটা নাম নিয়েই আলোচনা হতে পারে সখানে। বোর্ডের নির্বাচনে বরাবরই শাসক দলের একটা ভূমিকা থাকে। এবারও যে তাঁর অন্যথা হবে না তা বেশ স্পষ্ট। তবে এখনও পর্যন্ত শোনা যাচ্ছে ফ্রন্ট রানার নাকি ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং। আবার সেইসঙ্গে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম যেমন রয়েছে, তেমনই আবার কিরণ মোরের নামও নাকি আলোচনায় রয়েছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় এখন সকলে।
গিরোনা, সেভিয়ার পর ইস্টবেঙ্গলে হিরোশি, প্রোফাইলে রয়েছে চমক

দিয়ামনতাকসের পরিবর্ত ফুটবলার দলে নিতে খুব একটা বেশি দেরি করেনি ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। হিরোশি ইবুসুকিকে(Hiroshi Ibusuki) দলে নিয়েছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। অস্কার ব্রুজোঁর(Oscar Bruzon) পছন্দের তালিকা থেকেই দলে তুলে নেওয়া হয়েছে এই জাপানি ফুটবলারকে। তাঁকে নিয়ে যে ইস্টবেঙ্গল কোচ স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত থাকবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে ন। বিবিন্ন এলিট ক্লাবে খেলার পাশাপাশ এরিয়াল বল খেলার দুরন্ত দক্ষতা রয়েছে এই জাপানি ফুটবলারের। আর সেটাই নাকি তাঁকে পছন্দ করার জন্য অস্কারের প্রধান কারণ ছিল। হিরোশির(Hiroshi Ibusuki) দলে আসা নিয়ে অত্যন্ত খুশি অস্কার ব্রুজোঁ। তিনি জানিয়েছেন, হিরোশি একজন দক্ষ সেন্টার ফরোয়ার্ড। তাঁর চেহারাটা যেমন অ্যাডভান্টেজ তেমনই আবার এরিয়াল বলেও লড়াইয়ের দক্ষতা রয়েছে তাঁর। বিশ্বের নানান এলিট ক্লাবে খেলার যেমন তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে তেমনই একজন সেরা ফিনিশারও তিনি। ইস্টবেঙ্গল এই ফুটবলারের নাম ঘোষণার পর থেকেই নানান কথাবার্তা শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁর প্রোফাইল কিন্তু বেশ চমকপ্রদ। তাঁর এ-লিগ খেলা নিয়ে আলোচনা চলছে। শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়ায় নয়, হিরোশির কিন্তু স্পেনের সেরা লা লিগাতেও খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আর সেই সমস্ত প্রোফাইলও কিন্তু সকলকে চমকে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। হিরোশি বিদেশের ক্লাবে খেলার অভিষেকটাই হয়েছে কিন্তু গিরোনা দিয়ে। লা লিগায় বার্সেলোনা, রিয়্যাল মাদ্রিদ এবং অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের মতো দলকে বহুবার আটকে দিয়েছে গিরোনা। সেই গিরোনার জার্সিতে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। শুধুমাত্র গিরোনাই নয়। সেভিয়ার সিনিয়র দলের পাশাপাশি খেলেছে রিজার্ভ দলের হয়ে। এছাড়াও ভ্যালেন্সিয়ার বি দলের হয়েও লা লিগাতে খেলেছেন তিনি। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ইউনাইটেড, ওয়েস্টার্ন ইউনাইটেডের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। জাপানি এই ফুটবলারের প্রোফাইল যে বেশ লোভনীয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দেখে নেওয়া যাক হিরোশি ইবিসুকার পারফরম্যান্স। গিরোনা – ৬ ম্যাচ গোল – ০ সেভিয়া – ১ ম্যাচ গোল – ০ ভ্যালেন্সিয়া বি – ৩৩ ম্যাচ – গোল – ৭ অ্যাডিলেড ইউনাইটেড – ৭১ ম্যাচ গোল – ২৮ ওয়েস্টার্ন ইউনাইটেড – ২৫ ম্যাচ গোল – ১০ কয়েকদিন আগেই ইস্টবেঙ্গলের নতুন বিদেশি দলে নেওয়ার সিদ্ধান্তটা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। গত বিশ্বকর্মা পুজোর দিনই এই জাপানি ফুটবলারের নাম ঘোষণা করে দিয়েছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট।