১৩ ডিসেম্বর যুবভারতীতে লিওনেল মেসি

১৩ ডিসেম্বর যুবভারতী স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসি(Lionel Messi)। শতদ্রু দত্তের উদ্যোগে বছরের শেষটা হতে চলেছে মেসিময়। গোটা শহরবাসী স্বাক্ষী হতে চলেছে এলএম টেনের পায়ের জাদুর। আর সবটাই সম্ভব হচ্ছে ফুটবলপ্রেমী ও ক্রীড়া সংগঠক শতদ্রু দত্তর(Shatadru Dutta) জন্য। লিওনেল মেসিকে(Lionel Messi) ঘিরে রয়েছে বহু প্ল্যানিং থেকে চমক। যুবভারতীতেই লিওনেল মেসিকে দেওয়া হবে সংবর্ধনা। যেখানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee) সহ ক্রীড়ামন্ত্রী, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, রাজ্যপালদের মতো বিশেষ অতিথিরা। ডিসেম্বর মাস মানেই উৎসবের সময়। আর সেখানেই লিওনেল মেসির(Lionel Messi) মতো কিংবদন্তীর উপস্থিতি যে সেই উৎসবকে আরও কয়েক গুন বাড়িয়ে দেবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুধু কলকাতা শহরে আসাই নয়। যুবভারতী স্টেডিয়ামে বল পায়েও দেখা যাবে ফুটবলের রাজপুত্রকে। খেলবেন ৪০ মিনিটের ম্যাচ। এছাড়াও আর বেশকিছু পরিকল্পনা তাঁকে নিয়ে রয়েছে। মেসির আসার খবর যে পাওয়ার পর থেকেই যে উত্তেজনার পারদ চড়তে চলেছে তা বলাই বাহুল্য। আমরা যোগাযোগ করেছিলাম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তর সঙ্গে। তিনিই জানালেন এই বিষয়ে। শতদ্রু দত্ত বলেন, “আসলে এই ইভেন্টটার নাম হয়েছে গোট ট্যুর অব ইন্ডিয়া ( G.O.A.T Tour Of India )। এটা হবে কলকাতা, মুম্বই এবং দিল্লিতে। এটা আসলে হল লিওনেল মেসি সেলিব্রেশন। সেটাকেই বিভিন্ন ভাবে আমরা সেলিব্রেট করছি। যুবভারতী স্টেডিয়ামে হবে ফুটবল ম্যাচ। সেখানে আরও বেশ কিছু চমক রয়েছে। ৪০ মিনিটের ম্যাচ হবে। তারপর একটা মিউজিক্যাল সেলিব্রেশন রয়েছে। সেখানেই হবে ট্রিবিউট টু মেসি। তারপর ছোটদের সঙ্গে মেসির একটা ৩০ মিনিটের প্রস্তুতি ক্যাম্প হবে। তারপরই হবে মেসির গ্র্যান্ড সংবর্ধনা”। যুবভারতীতেই হবে মেসির গ্র্যান্ড সংবর্ধনা। কার্যত সেদিন তারকাদের হাট বসতে চলেছে যুবভারতীতে। শতদ্রু দত্ত জানিয়েছেন, “সেদিন মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও থাকবেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, ডিএইচএফসির সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ রাজ্যপাল এবং পুলিশ কর্তারা থাকবেন”। ২০২২ সালে আর্জেন্তিনার (Argentina) হয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতেছিলেন লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। তারপর শতদ্রু দত্তের হাত ধরেই এই প্রথমবার ভারতের মাটিতে আসছেন তিনি। মেসি দেখার উনমাদনা এখন থেকেই বাড়তে শুরু করেছে। তাঁর শুধুই ভারতে আসার অপেক্ষা।
রবিবার উপভোগ্য ম্যাচ উপহার দিতে চায় টিম ইন্ডিয়া

আবারও একটা পাকিস্তান ম্যাচ। এবার এশিয়া কাপের(Asia Cup) সুপার ফোরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামবে ভারতীয় দল(India Cricket Team)। তার আগেই দেশবাসীর উদ্দেশ্যে এক বিরাট বার্তা সূর্যকুমার যাদবের(Suryakumar Yadav)। রবিবার ভারতীয় দলের সমর্থকদের একটা সুন্দর দিন উপহার দিতে চলেছে টিম ইন্ডিয়া। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে ভারতীয় দল (India Cricket Team) যে কার্যত আত্মবিশ্বাসে ভরপুর সেটাই যেন বেড়িয়ে এল সূর্যকুমারের গলা থেকে। পাকিস্তানকে এখানেও হারাতে কার্যত প্রস্তুত ভারতীয় দল। সেইসঙ্গে হ্যান্ডশেক যে এই ম্যাচেও হবে না তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন ভারত অধিনায়ক। সাংবাদিক সম্মেলনে নাম নিলেন না প্রতিপক্ষের ক্রিকেটারদেরও। তবে বিশ্রাম কাটিয়ে এই পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই আবার ভারতীয় দলে ফিরছেন জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah)। চলতি এশিয়া কাপে দুরন্ত ফর্মে রয়েছে ভারতীয় দল। শেষ ম্যাচেও ওমানের বিরুদ্ধে জিতেছে ভারত। তবে সেই ম্যাচে ভারতের বোলিং পারফরম্যান্স নিয়ে কিন্তু খানিকটা চিন্তা রয়েই যাচ্ছে। ব্যাটাররা রান পেলেও, ওমানের মাত্র চার উইকেটই তুলতে পেরেছিলেন। যদিও সেই ম্যাচে ভারতের সেরা পেসার জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah) খেলেননি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অর্শদীপ সিংয়ের(Arshdep Singh) জায়গায় তাঁকেই আবার ফেরাতে চলেছে ভারতীয় দল। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম একাদশে পরিবর্তন বলতে যে এটুকুই তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়েছে ভারত। সেটাই সূর্যকুমার(Suryakumar Yadav), সঞ্জু স্যামসনদের(Sanju Samson) বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে। এছাড়া দলের ব্যাটারদের পারফরম্যান্স। ওমানের বিরুদ্ধে সঞ্জু স্যামসন পেয়েছেন অর্ধশতরান। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ঝোরো ইনিংস খেলেছিলেন অভিষেক শর্মা। ভারতের ব্যাটিংয়ে একমাত্র চিন্তার জায়গাটা হতে পারে শুভমন গিলের(Shubman Gill) পারফরম্যান্স। তিন ম্যাচেই সেভাবে বড় রান করতে পারেননি তিনি। তবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে তিনিই ভরসা। ম্যাচের আগে সূর্যকুমার যাদব(Suryakumar Yadav) জানিয়েছেন, “রবিবার আমাদের পড়েছে। বহু মানুষ এই ম্যাচের দিকে চোখ রাখবেন। এই ম্যাচ তাদের কাছে উপভোগ্য হবে। এই ম্যাচেও আমাদের উন্মাদনা থেকে এনার্জিতে কোনওরকম পরিবর্তন থাকবে না। আমাদের সেরা খেলাটাই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দেখতে পাবে সকলে”। প্রতিপক্ষ পাকিস্তান হলেও, তাদেরকে নিয়ে খুব একটা চিন্তা করতে যেন নারাজ ভারতীয় শিবির। তা কিন্তু সূর্যর হাবেভাবেই স্পষ্ট ছিল। এমন হাই ভোল্টেজ ম্যাচের আদে প্রতিপক্ষ শিবিরের একজনেরও নাম মুখে নিলেন না সূর্যকুমার যাদব। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ভলোভাবেই দেখে নিয়েছে গৌতম গম্ভীরের দল। এছাড়া ওমান ম্যাচেও নিজেদের শক্তি, দুর্বলতা দেখা হয়ে গিয়েছে। সুপার ফোরে ফের একবার পাকিস্তানকে হারানোর লক্ষ্যেই টিম ইন্ডিয়া।
সমঝোতার রাস্তায় হেঁটে মাধি তালালকে ছাড়ল ইস্টবেঙ্গল

দর কষাকষিটা চলছিলই। অবশেষে সেটাই হল। সুপার কাপ (Super Cup) শুরু হওয়ার আগেই মাধি তালালকে(Maidh Talal) ছেড়ে দিল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। কয়েকদিনের মধ্যেই সরকারী ভাবে ঘোষণা করে দেবে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। বেশ কয়েকদিন ধরেই তাঁর সঙ্গে সমঝোতার রাস্তায় যেতে চাইছিল লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। শুরুর দিকে সেভাবে রাজি না হলেও অবশেষে দুই তরফের সমঝোতার মাধ্যেই ইস্টবেঙ্গলের এবং মাধি তালালের(Madih Talal) সম্পর্ক ছিন্ন হল। যদিও এখনই তাঁর জায়গায় কোনও নতুন বিদেশি নিচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল। গত মরসুমে মাধি তালাল ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেখালেও মাঝপথে তাঁর চোটটাই সব শেষ করে দিয়েছিল। এসিএল চোট নিয়ে আইএসএল তো বটেই, প্রায় ৯ থেকে ১০ মাসের জন্য মাঠ থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন মাধি(Madih Talal)। ফ্রান্সে ফিরেই হয় তাঁর অস্ত্রোপচার। আর সেই থেকেই শুরু হয়ছিল জল্পানাটাও। মাধিকে কী আদৌ ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) পাবে এই মরসুমে। চেষ্টা চালালেও ম্যাচ ফিট হয়ে উঠতে এখনও বেশ কয়েক মাস সময় লাগবে মাধি তালালের। সেইসঙ্গে আবার অস্কার ব্রজোঁর(Oscar Baruzon) নাকি মাধিকে একেবারেই পছন্দ নয়। মাধি তালালকে(Madih Talal) ছেড়ে দেওয়ার জন্য অস্কার ব্রুজোঁই জানিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। কিন্তু তাঁকে সমস্যা হয়েছিল অন্য জায়গাতে। কারণ মাধির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি ছিল এখনও প্রায় একবছরের কাছাকাছি। তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রাথমিকভাবে ইস্টবেঙ্গল সমঝোতার কথা বললেও, সরাসরি তিনি নাকোচ করে দিয়েছিলেন। এমনকি মাধির বেতনও বেশ কয়েক মাস আটকে রেখেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। যদিও পরে তালালের ফিফায় যাওয়ার একটা আশঙ্কার কথা ভেবে বেতন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে মাধি তালালের সঙ্গে তারা সমঝোতা নিয়েও কথা চালাতে শুরু করেছিল। প্রথম দিকে সেভাবে উত্তর না দিলেও, সূত্রের খবর অবশেষে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সমঝোতার রাস্তায় হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই ফরাসি ফুটবলার। আর তাতেই স্বস্তি পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল শিবির। মাধি তালালের সঙ্গে শেষপর্যন্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তটা নিয়েই ফেলল লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। তবে এই ফরাসি তারকাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, তাঁর পরিবর্তে কাকে নেওয়া হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। হিরোশিকে নেওয়ার পরই ইস্টবেঙ্গলের ছয় বিদেশির জায়গা সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। আপাতত সুপার কাপের আগে আর কোনও নতুন বিদেশি নিচ্ছে না লাল-হলুদ শিবির। তবে আইএসএলের আগে কাউকে নেওয়া হবে কিনা সেটা পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সুপার ফোরেও ভারত-পাক ম্যাচের ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট

পাকিস্তানের যাবতীয় দাবি উড়িয়ে সুপার ফোরেও ভারত বনাম পাকিস্তান(INDvPAK) ম্যাচের ম্যাচ রেফরি অ্যান্ডি পাইক্রফটই(Andy Pycroft)। হ্যান্ডশেক বিতর্কে (Handshake Row) এই অ্যান্ডি পাইক্রফটকে (Andy Pycroft) সরানো নিয়েই সরব হয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এমনকি আইসিসির(ICC) দ্বারস্থও হয়েছিল তারা। কিন্তু তাদের কোনও কথাই কানে তুলল না বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। বরঞ্চ সুপার ফোরেও সেই পাইক্রফটকেই ভারত-পাক ম্যাচের গুরু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর এই সিদ্ধান্তে যে পাকিস্তানের সরাসরি হার হয়েছে তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। এশিয়া কাপের (Asia Cup) গ্রুপ পর্বে প্রথমবার মুখোমুখি হয়েছিল চির প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল ভারত ও পাকিস্তান (INDvPAK)। আর সেই ম্যাচের পারফরম্যান্স ছাপিয়ে গিয়েছিল একটাই বিতর্ক। শুরু থেকে শেষপর্যন্ত পাকিস্তানের কোনও ক্রিকেটারের সঙ্গে হাত মেলাননি ভারতীয় দলের অধিনায়ক থেকে অন্যান্য ক্রিকেটাররা। আর সেটাই ঠিক হজম করতে পারেনি পাকিস্তান ক্রিকেট থেকে পাক বোর্ডের কর্তারা। এরপরই শুরু হয়েছিল হৈচৈ। এই ঘটনার জন্য ম্যাচের ম্যাচ রেফারি প্রাক্তন জিম্বাবোয়ে ক্রিকেটার অ্যান্ডি পাইক্রফটকে (Andy Pycroft) কাঠগড়ায় তুলতে শুরু করেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এমনকি তাঁকে অপসারনের দাবি নিয়েও সরব হয়েছিল তারা। যদিও আইসিসি পাকিস্তানের দাবি নিয়ে একেবারেই কর্ণপাত করেনি। বরং আবারও সেই অ্যান্ডি পাইক্রফটকেই ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের ম্যাচ রেফারি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই ম্যাচে পাইক্রফটের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে পাকিস্তানকে অপমান করার অভিযোগ জানানো হয়েছিল পিসিবির তরফ থেকে। তবে আইসিসি পাকিস্তানের দাবি মানতে নারাজ ছিল। কারণ সেই ঘটনার পর মিস কমিউনিকেশনের কথা শোনা গিয়েছিল অ্যান্ডি পাইক্রফটের মুখে। একইসঙ্গে তিনি ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছিলেন সেই ম্যাচের পর। যদিও পাকিস্তানের দাবি ছিল তাঁকে অপসারণ এবং ভারতকে শাস্তি দেওয়া। কিন্তু হাত মেলানো বা না মেলানো নিয়ে সেভাবে আইসিসির রুল বুকেই তেমন কিছু নেই। আর সেই কথা মনে করিয়েই পাকিস্তানের সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করেছিল ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। এরপর পাকিস্তান এশিয়া কাপ থেকে নাম তুলে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিল। যদিও আইসিসির সঙ্গে আলোচনার পর সেই পথ থেকেও সরে আসতে হয়েছিল পাক ক্রকেট বোর্ডকে। সুপার ফোরে আবারও সেই ভারত-পাক লড়াই। সেখানেও ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট। আইসিসির সাফ বার্তা এই প্রাক্তন জিম্বাবোয়ে ক্রিকেটারই সামলাবেন ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব। ভারতের বিরুদ্ধে নামার আগে যে এটা পাক শিবিরের কাছে ফের একটা বড় ধাক্কা তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
হতাশ নন, বাদ পড়াটাই ফেরার তাগিদ বাড়াচ্ছে যশস্বীর

এশিয়া কাপের(Asia Cup) আগে সবচেয়ে বেশি তাঁর নাম নিয়ে চর্চা হয়েছিল। কিন্তু সেই যশস্বী জয়সওয়ালই(Yashasvi Jaiswal) সুযোগ পাননি এশিয়া কাপের(Asia Cup) স্কোয়াডে। তাঁর জায়গায় ভারতীয় টি টোয়েন্টি দলে সুযোগ পেয়েছেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। ওপেনিংয়ে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি তাঁর কাঁধে আবার উঠেছে ভারতীয় দলের সহ অধিনায়কত্বের দায়িত্বও। যশস্বী সুযোগ না পেয়ে তিনি কী হতাশ হয়েছেন। যা শোনা যাচ্ছে তেমনটা কিন্তু নয়। বরং এই বাদ পড়াটাকেই ইতিবাচক হিসাবে দেখছেন যশস্বী(Yashasvi Jaiswal)। ফিরে আসার খিদেটা এখন তাঁর আরও বেড় গিয়েছে। ভারতের টি টোয়েন্টি(T20) দলের হয়ে একসময় দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল(Yashasvi Jaiswal)। কিন্তু সম্প্রতি সেই পারফরম্যান্স দেখাতে পারছেন না তিনি। টি টোয়েন্টিতেও নানান জায়গায় ব্যর্থ হতে দেখা গিয়েছিল। এমনকি সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজেও ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেননি যশস্বী জয়সওয়াল। তবুও তাঁকে এশিয়া কাপে(Asia Cup) খেলানোর একটা কথাবার্তা চলছিল। কিন্তু গৌতম গম্ভীরের কোচিংয়ে শেষপর্যন্ত এবারের এশিয়া কাপ থেকে ব্রাত্যই থেকেছেন যশস্বী। আরও পড়ুন: রোহিতের যোগ্য উত্তরসূরি সূর্যকুমার: মহম্মদ কাইফ বাদ পড়ায় খারাপ লাগাটা তো অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু তাতে ভেঙে পড়তে নারাজ ভারতীয় দলের এই তারকা ব্যাটার। ফিরে আসার চেষ্টাটা এখন থেকেই শুরু করে দিয়েছেন তিনি। এক সংস্থায় যশস্বী জয়সওয়াল জানিয়েছেন, “দলে সুযোগ পাওয়া না পাওয়াটা সম্পূর্ণ নির্বাচকদের ওপরই নির্ভর করে। টিম কম্বিনেশনের কথা মাথায় রেখেই দল গঠন করে তারা। আমাকে আমার কাজটা করে যেতে হবে। আমি জানি অবশ্যই একদিন না একদিন আমি দলে ফিরব। সেই সময় পর্যন্ত নিজেকে গড়ে তোলার কাজটা চালিয়ে যাব”। ভারতীয় দলের হয়ে টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে কিন্তু বেশ নজরকাড়া পারফরম্যান্স যশস্বী জয়সওয়ালের। এখন পর্যন্ত দেশের জার্সিতে ২৩টি টি টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা হয়ে গিয়েছে যশস্বী জয়সওয়ালের। সেখানেই তাঁর ঝুলিতে রান রয়েছে ৭২৩ এবং স্ট্রাইকরেট ১৬৪.৩১। এই কটা ম্যাচের মধ্যে পাঁচটি অর্ধশতরানও করে ফেলেছেন যশস্বী জয়সওয়াল। সেঞ্চুরিও রয়েছে একটা। তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিং বরাবরই প্রতিপক্ষ বোলারকে বেশ চাপে ফেলে দিয়েছে। আর সেটাই বারবার তাঁকে ভারতীয় দলে জায়গা করে নিতে সাহায্য করেছে। যদিও এবার সেটা হয়নি। কারণ এবারের এশিয়া কাপে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট তারুণ্যের থেকে অভিজ্ঞতার ওপরই জোর দিয়েছে বেশি। আর সেই কতা মাথায় রেখেই অভিষেক শর্মার সঙ্গে এশিয়া কাপের মঞ্চে ওপেনার হিসাবে শুভমন গিলকে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও শুভমন গিল কিন্তু এখনও পর্যন্ত এশিয়া কাপে বড় রান করতে পারেননি।
কলকাতা হাইকোর্টে ধাক্কা ডায়মন্ডহারবারের, ইস্টবেঙ্গলকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষনায় নেই বাধা

যাবতীয় সমালোচনার অবসান কার্যত হয়ে গেল। হাইকোর্টে(Kolkata High Court) বড়সড় ধাক্কা খেল ডায়মন্ডহারবার এফসি(DHFC)। ইস্টবেঙ্গলকে(Eastbengal) গত মরসুমের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করতে আর বাধা রইল না আইএফএ-র(IFA)। শুক্রবার আলিপুর জেলা আদালতের রায় অন্তর্বর্তীকালীন রায় খারিজ করে ইস্টবেঙ্গলের পক্ষেই কার্যত রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট(Kolkata High Court)। এই মরসুমেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে ইস্টবেঙ্গল। তার আগেই লাল-হলুদ শিবিরে চলে এলে আরেক খুশির খবর। এখন শুধুই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হওয়ার অপেক্ষা। গত মরসুমে ডায়মন্ডহারবার এফসি(DHFC) আলিপুর জেলা আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরই ইস্টবেঙ্গলকে(Eastbengal) চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করার কাজটা আটকে গিয়েছিল রাজ্য ফুটবলের নিয়ামক সংস্থার। ডায়মন্ডহারবারেরই পাল্টা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল আইএফএ(IFA)। অবশেষে শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের(Kolkata High Court) বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্য আইএফএর পক্ষেই রায় দেন। অর্থাত্ এবার আর ইস্টবেঙ্গলকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করতে কোনওরকম বাধা রইল না। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল গত মরসুমে ডায়মন্ডহারবার এফসির ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) ম্যাচ পিছনোর অনুরোধ থেকে। একটানা কলকাতা লিগের ম্যাচ খেলার পাশাপা্শি রিল্যায়েন্স ফাউন্ডেশন লিগ, আইলিগ-২ খেলতে হচ্ছিল ডায়মন্ডহারবার এফসিকে(DHFC)। এর ফলে ফুটবলারদের বিশ্রামের কথা বলে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) বিরুদ্ধে তাদের ম্যাচ পিছনোর আবেদন জানানো হয়েছিল ডায়মন্ডহারবার এফসির তরফে। কিন্তু তাদের আবেদনে সাড়া দেয়নি আইএফএ। এমনকি সূচিও না বদলানোরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এরপরই দল না নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ডায়মন্ডহারবার এফসি এবং ইস্টবেঙ্গলকে যাতে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা না করা হয় সেই দাবীই জানানো হয়েছিল তাদের পক্ষে। সেই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল মাঠে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করলেও ডায়মন্ডহারবার এফসি না আসায় শেষপর্যন্ত ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা হয়। ভবানীপুর আগেই ওয়াক ওবার ঘোষণা করায় সর্বোচ্চ পয়েন্ট পেয়ে ইস্টবেঙ্গল চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায়। এরপরই ডায়মন্ডহারবার এফসির তরফ থেকে আইএফএ যাতে তাদের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা না করে তারই দাবি জানানো হয়েছিল। কিন্তু আইএফএ ইস্টবেঙ্গলকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করতেই তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়। আলিপুর জেলা আদালতে (Alipore District Court) মামলা করে ডায়মন্ডহারবার এফসি। এরপরই জেলা আদালত চ্যাম্পিয়ন ঘোষণার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তারই পাল্টা কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিলে রাজ্য ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা আইএফএ। শুক্রবারই তারই শুনানি ছিল। সেখানেই হাইকোর্টের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় যে আলিপুর জেলা আদালতের রায় নাকি আইসম্মত ছিল না। অর্থাত্ ইস্টবেঙ্গলকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করতে আর বাধা রইল না আইএফএ-র। তবে এখনই লিখিত ভাবে কোনওকিছু দেওয়া হয়নি কোর্টের তরফে। তারই অপেক্ষায় রয়েছে আইএফএ। নির্দেশ পেলেই ইস্টবেঙ্গলকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করবে আইএফএ।