ম্যাকলরেনের জোড়া গোলে যাত্রা শুরু মোহনবাগানের

জেমি ম্যাকলরেনের(Jamie Maclaren) জোড়া গোল। চেন্নাইয়িন এফসিকে(Chennaiyin Fc) হারিয়ে সুপার কাপে(Super Cup) দাপটের সঙ্গেই শুরুটা করল মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট(MBSG)। চেন্নাইয়িন এফসিকে ২-০ গোলে উড়িয়ে দিল হোসে মোলিনার(Jose Molina) দল। তাও আবার তিন বিদেশি নামিয়েও বাজিমাত করলেন তিনি। প্রথম একাদশে এদিন তিন বিদেশি রেখেই দল সাজিয়েছিলেন মোলিনা। চোট সারিয়ে ফিরে মনবীর(Manvir Singh) যেমন দুরন্ত ফর্মে। তেমনই শুভাশিস, থাপারাও ছিলেন নিজেদের সেরা ফর্মে। শুরুর দিকে চেন্নাইয়িন এফসি কয়েকটা আক্রমণ করার চেষ্টা করলেও, সময় যত গড়ায় ততই ম্যাচ নিজেদের দখলে নিতে থাকে মোহনবাগান(MBSG)। ম্যাচের ১৬ মিনিটের মাথাতেই লিস্টনের(Liston Colaco) ফ্রিকিক থেকে সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন অলড্রেড। তবে লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। ২১ মিনিটের মাথায় সাহাল লিস্টনের বাড়ানো বল কাজে লাগাতে পারলে তখনই এগিয়ে যেতে পারত মোহনবাগান। কিন্তু বৃষ্টি ভেজা মাঠে কিছু কিছিু হিসাব নিকাশ বারবারই গন্ডোগোল হয়ে যাচ্ছিল মোহনবাগানের। তবে প্রথম গোল পেতে বেশীক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি সবুজ-মেরুন ব্রিগেডকে। ৩৮ মিনিটের মাথায় সেই লিস্টনেরই বাড়ানো বল। এবার আর কোনও ভুল করেননি জেমি ম্যাকলরেন(Jamie Maclaren)। তাঁর দুরন্ত শট জড়িয়ে দেন জালে। Two goals. Clean sheet. Perfect start. ✅#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন #AIFFSuperCup #MBSGCFC pic.twitter.com/p2tXCjokmo — Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) October 25, 2025 এরপরও অবশ্য কয়েকটা সুযোগ পেয়েছিল মোহনবাগান(MBSG), তবে কাজে লাগাতে পারেনি। তবে প্রবল বৃষ্টিতে ভেজা মাঠ এদিন খানিকটা সমস্যায় ফেলেছিল মোলিনার দলকে। বারবারই বল বাড়াতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল তাদের। বিরতির পরও মোহনবাগনের আক্রমণই ছিল বেশি। মনবীর, শুভাশিস এবং লিস্টনদের হাত ধরে বারবার চেন্নাইয়ের ডিফেন্সকে পরীক্ষায় ফেলছিল মোহনবাগান। প্রীতম কোটালকে বাদ দিয়ে কেউই এদিন সেভাবে মোহনবাগানের আক্রমণকে আটকাতে পারছিলেন না। মনবীরেরই বাড়ানো পাস থেকে আবারও সেই ম্যাকলরেনেরই গোল। ম্যাচের বয়স তখন ৬৭ মিনিট। এরপরই ম্যাকলরেনকে(Jamie Maclaren) তুলে নিয়ে কামিন্সকে মাঠে পাঠান মোলিনা। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে কামিন্সও সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু বাঁচিয়ে দেন গোলকিপার। গোলের ব্যবধান এরপর আর মোহনবাগান বাড়াতে পারেনি ঠিকই। কিন্তু শুরুতেই যে অনেকটা এগিয়ে গেল তারা তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
সিডনিতে দুরন্ত ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় বিরাট-রোহিতের

বড় রান পেলেন, সেইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার কেরিয়ারের শেষ খেলাটাও বোধহয় খেলে ফেললেন রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। সিডনিতে শেষ ম্যাচ খেলেই আবেগতাড়িত দুই মহা তারকা। অস্ট্রেলিয়ায় এটাই যে তাদের শেষ ওডিআই ম্যাচ খেলা হয়ে গেল, তা এক প্রকার স্পষ্ট করে দিলেন রোহিত শর্মা(Rohit Sharma) থেকে বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। আবেগের সুর ঝড়ে পড়ল তাদের গলা থেকে। সিডনিকে বিদায় জানিয়েই মাঠ ছাড়লেন তারা। অস্ট্রেলিয়ায় এরপর আর হয়ত ক্রিকেটার হিসাবে দেখা যাবে না রোহিত এবং বিরাটকে। ভারতের পাশাপাশি এই দেশেও যে বিরাটের বহু ভক্ত। তা তো ম্যাচ শেষেই বোঝা গেল। বিরাটের কাছে মাইক যেতেও গ্যালারীতে চিৎকার। বিরাটও তখন আবেগতাড়িত। অবশেষে এই সিডনিতেই বিরাটের ব্যাটেও যে রান এসেছে। সেই বিরাট কোহলি ম্যাচ শেষে বলছেন, আমরা সবসময়ই এখানে খেলতে ভালোবাসি। আমাদের বেশ কিছু ভালো পারফরম্যান্সও তো এই দেশেই হয়েছে। সকলের থেকে সমর্থন পেয়েছি। ধন্যবাদ সকলকে। রোহিত শর্মা আর ঢাকতে পারলেন না। বলেই ফেললেন এটাই হয়ত তাদের শেষ ম্যাচ হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়াতে। রোহিত শর্মা বলেন, আমি সবসময়ই অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে চেয়েছি। এটা সবসময়ই আমার কাছে বিশেষ কটা জায়গা। সেই ২০০৮ সাল থেকেই বিশেষ। আমি নি্শ্চিত নই যে ফের এখানে আর কোনও দিন খেলার সুযোগ পাওয়ার ব্যপারে। সকলকে অনেক ধন্যবাদ।
ছয় বিদেশিতেও শেষরক্ষা হল না, ড্র করে শুরুতেই চাপে অস্কার

মিগুয়েলের(Miguel) দুরন্ত গোলে এগিয়ে গেলেও, শেষরক্ষা হল না। সুপার কাপের(Super Cup) প্রথম ম্যাচ থেকেই যেন চাপে পড়ে গেল অস্কার ব্রুজোঁর ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। বিদেশিহীন ডেম্পোর(Dempo) সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র লাল-হলুদ ব্রিগেডের। ছয় বিদেশী নামিয়েও সাফল্য অধরাই রয়ে গেল অস্কার ব্রুজোঁর। ডেম্পোর সঙ্গে এই ফলাফলের পর ইস্টবেঙ্গলের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক। কারণ পরের ম্যাচগুলোতে যে প্রতিপক্ষ আরও কঠিন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ডেম্পোর বিরুদ্ধে পাঁচ বিদেশি নিয়ে দল সাজিয়েছিলেন অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। অন্যদিকে বিদেশীহিন ডেম্পো(Dempo)। কিন্তু এদিন শুরু থেকেই যেন খানিকটা ক্যাসুয়াল ছিল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। ডেম্পোকে যেন হাল্কা ভাবে নিয়েছিল তারা। তারই খেসারত দিল ম্যাচের ২৭ মিনিটে। দেবজিতের বিশ্রী ভুলে শুরুতেই এগিয়ে যায় ডেম্পো। এদিনও লাল-হলুদের তেকাঠির নীচে দেবজিতের ওপর ভরসা রেখেছিলেন অস্কার। কিন্তু তাঁর পরিকল্পনা ব্যর্থই। হিরোশি(Hiroshi Ibusuki) থেকে হামিদ(Hamid Ahadad), রশিদ(Mohammed Rashid), মহেশরা এরপর আক্রমণ বাড়ালেও গোলের মুখ কিন্তু খুলতে পারেননি। ডার্বির পর এদিনও কিন্তু নজর কাড়তে পারলেন না হিরোশি। তাঁর ধীর গতির ফুটবল বারবারই সমস্যায় ফেলেছে ইস্টবেঙ্গলকে। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ গোলেই। বিরতির পর জোড়া বদল অস্কারের(Oscar Bruzon)। নুঙ্গা এবং মিগুয়েলকে মাঠে পাঠান তিন। অর্থাৎ ম্যাচে ফিরতে ছয় বিদেশিকেই মাঠে নামিয়ে দিয়েছিলেন অস্কার। শুরু থেকে চাপও বাড়িয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। ৪৬ মিনিটে মহেশের গোল। কিছুক্ষণের মধ্যেই মিগুয়েলের একেবারে সাইড লাইন থেকে দুর্ধর্ষ গোল। এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু তাদের সুযোগ নষ্টের খেলা ছিল অব্যহত। মহেশ থেকে কেভিন, বিপিন এবং মিগুয়েলরা যে সব সুযোগ পেয়েছিলেন, তা কাজে লাগাতে পারলে ইস্টবেঙ্গল বড় ব্যবধান রাখতেই পারত। কিন্তু কখনও বারে লেগে, তো কখনও লক্ষ্য ভ্রষ্ট। বরং ম্যাচের একেবারে অন্তিম লগ্নে ডেম্পোর গোল। তিন পয়েন্ট হাতছাড়া। আর এটাই লাল-হলুদের চিন্তা বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট। পরবর্তী রাউন্ডে যেতে গেলে সব ম্যাচ জেতা ছাড়া ইস্টবেঙ্গলের আর উপায় নেই। সেইসঙ্গে গোল পার্থক্যের দিকেও নজর দিতে হবে।
রোহিত-কোহলির ব্যাটে অস্ট্রেলিয়াকে হেলায় হারাল ভারত

সিডনিতে রো-কো শো। আর তাতেই বাজিমাত ভারতের(India Cricket Team)। সিরিজ হেলে গেলেও, শেষ ম্যাচে রোহিত(Rohit Sharma) এবং বিরাটের(Virat Kohli) চওড়া ব্যাটে ভর করে অস্ট্রেলিয়াকে কার্যত হেলায় হারাল ভারতীয় দল। দীর্ঘদিন পর ফের একবার হিটম্যানের মেজাজে দেখা গেল রোহিত শর্মাকে(Rohit Sharma)। হাঁকালেন একের পর এক বড় শট। এদিন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কেরিয়ারের নবম সেঞ্চুরি যেমন করলেন রোহিত শর্মা। তেমনই ৭৫ তম অর্ধশতরান করলেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। পরপর দুই ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার পর সিডনিতেই রানে ফিরলেন বিরাট কোহলি। আর তাদের সামনেই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারলেন না অস্ট্রেলিয়ার তারকা বোলাররা। ১২১ রানে অপরাজিত রোহিত, সঙ্গে বিরাট কোহলি দাঁড়িয়ে ৭৪ রানে। ১২ ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নিল টিম ইন্ডিয়া। টেস্ট, টি টোয়েনেটি থেকে অবসর নেওয়ার পর বিরাট(Virat Kohli) ও রোহিত(Rohit Sharma) দীর্ঘদিন পর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেই ওডিআই ফর্ম্যাটে নেমেছিলেন। সেখানে রোহিতের ব্যাটে দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে রান এলেও, বিরাটের রানের খরা চলছিলই। অবশেষে বিরাট ভক্তদের মুখে হাসি ফুটল শনিবার। আর বিরাটের ব্যাট চললে যে বোলাররা কতটা অসহায় তা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন তিনি। ১৬৭ রানের দুরন্ত পার্টনারশিপ রোহিত-কোহলির। আর তাতেই সহজ জয় টিম ইন্ডিয়ার। A clinical bowling and fielding effort 👏 A magnificent partnership between 2️⃣ greats 🫡 📸 Moments to cherish from #TeamIndia‘s 9️⃣-wicket victory in Sydney! Updates ▶ https://t.co/omEdJjQOBf#AUSvIND | #3rdODI pic.twitter.com/uK7BJJeAUT — BCCI (@BCCI) October 25, 2025 টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। ভারত এদিন প্রথম একাদশে দুটো বদল এনেছিল ভারত। কুলদীপ যাদব এবং প্রসিধ কৃষ্ণা এসেছিলেন দলে। তবে বল হাতে এদিন দুরন্ত ফর্মে ছিলেন হর্ষিত রানা। তিনি একাই তুলে নিয়েছিলেন চার উইকেট। তবে অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিং থেকে মিডল অর্ডার ধসিয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ ও ওয়াশিংটন সুন্দর। শর্ট, রেনেশকে সাজঘরে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। শেষপর্যন্ত ২৩৬ রানেই শেষ হয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া হলেও ভারতের সামনে তখন ছিল সহজ লক্ষ্য। ওপেনিংয়ে রোহিত ও শুভমন শুরুটা ভাল করলেও ২৪ রানেই থামেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। এরপরই মাঠে আসেন বিরাট কোহলি। শুরু থেকেই এদিন সচেতন ছিলেন ভারতীয় দলের তারকা ব্যাটার। তাঁর দিকেই তাকিয়েছিলেন এদিন সকলে। এদিন আর হতাশ করেননি তিনি। বরং তাঁকে পাশে পেয়ে ক্রমশই আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছিলেন রোহিত শর্মা। সময় যত বাড়ে, ততই রোহিতের ব্যাট থেকে আসতে শুরু করে একের পর এক বড় শট। সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত বিরাট কোহলিরও। রোহিত শর্মার অর্ধশতরানের কিছুক্ষণ পরই বিরাট কোহলির ব্যাটেও এল অর্ধশতরানের ঝলক। ভারতের জয় তখন সময়ের অপেক্ষা। বারবার বোলিং বদল হলেও, রোহিতের আক্রমণ থামানো কঠিন ছিল অস্ট্রেলিয়ার কাছে। ১৩টি চার ও ৩টি ছয় দিয়ে রোহিতের ইনিংস ১২১ রানের। অন্যদিকে বিরাট কোহলির ৭৪ রানের ইনিংসটি সাজানো ৭টি চার দিয়ে। অস্ট্রেলিয়ার হোয়াইট ওয়াশের স্বপ্ন অধরাই রইল।
দুরন্ত ক্যাচ নেওয়ার পরই হাসপাতালে শ্রেয়স

দুরন্ত ক্যাচ নিলেন। কিন্তু সেই ক্যাচটাই যেন চিন্তা বাড়াল ভারতীয় দলের। গুরুতর চোট পেয়ে হাসপাতালে শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। বেকায়দায় পড়ে পাঁজড়ে চোট পান শ্রেয়স(Shreyas Iyer)। আর তাতেই চিন্তা বেড়েছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের। অ্যালেক্স ক্যারির দুরন্ত ক্যাচ তিনি নিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু সেই ক্যাচ নিতে গিয়েই পাঁজড়ে চোট পান শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। এরপরই মাঠ ছাড়তে দেখা যায় ভারতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটারকে। হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় শ্রেয়সকে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। এই সফরেই ভারতীয় দলের সহ অধিনায়ক হয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার। দ্বিতীয় ম্যাচে বারতীয় দল হারলেও সেখানে রোহিত শর্মার(Rohit Sharma) পাশাপাশি বড় রান পেয়েছিলেন শ্রেয়সও(Shreyas Iyer)। ৬৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। তবে শেষ ম্যাচে আর ব্যাট হাতে নামার সুযোগ পাননি তিনি। তবে এরপর ভারতীয় দলের হয়ে পরবর্তী সিরিজে তিনি খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়েই এখন শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। তাঁর চোট পাওয়ার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল। কতটা গুরুতর চোট পেয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার। এরপরই বোর্ডের তরফ থেকে শ্রেয়স আইয়ারকে নিয়ে বড়সড় আপডেট বোর্ডের। সেখানেই জানানো হয়েছে ক্যাচ নেওয়ার সময় চোট পেয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার। এরপরই তাঁর চিকিৎসা করানোর জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয় টিম ম্যানেজমেন্টের তরফে। তবে এএখন তিনি কেমন রয়েছেন তা অবশ্য জানা যায়নি। তাঁর রিপোর্ট আসার অপেক্ষাতেই রয়েছেন সকলে। শ্রেয়সের চোট কতটা গুরুতর হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।