একা এফএসডিএল নয়, আগ্রহী আরও তিন কোম্পানিও

সুদীপ পাকড়াশীঃ আইএসএলের কমার্শিয়াল পার্টনার হওয়ার দৌড়ে বিডিং-য়ের আগে অনলাইনে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেছিল চার কোম্পানির প্রতিনিধি। এফএসডিএল, যারা গত ১৫ বছর সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কমার্শিয়াল পার্টনার ছিল, আর তার সঙ্গে স্পোর্টা টেকনোলজি, রাক অ্যাডভাইসরি, এবং সুপারসাব ম্যানেজমেন্ট। ফেডারেশন সূত্রে জানা যাচ্ছে সুপারসাব ম্যানেজমেন্টের নেপথ্যে রয়েছে একটি বিদেশি কনসর্টিয়াম। এদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে ছিলেন কেপিএমজি, ফেডারেশনের প্রতিনিধি এবং সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত বিচারপতি নাগেশ্বর রাও। যার পর্যবক্ষণে আইএসএলের টেন্ডার-প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে। আগামি ৫ নভেম্বরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে, ফেডারেশনের নতুন কমার্শিয়াল পার্টনার নির্ধারিত হওয়ার কথা যাদের হাতে আগামিদিনে আইএসএল চলবে। ফেডারেশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভার্চুয়াল বৈঠকে বসা চার কোম্পানির প্রতিনিধিরাই বিডের শর্ত নিয়ে জিজ্ঞেস করেছেন ফেডারেশন এবং কেপিএমজি-র প্রতিনিধিদের। এফএসডিএলের প্রশ্নের সংখ্যা অনেক বেশি ছিল। নতুন চুক্তি এবং বিড ডকুমেন্ট নিয়ে তারা প্রায় ১০০টি প্রশ্ন করেছেন। বিড ডকুমেন্ট অনুযায়ী সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে তাদের নতুন কমার্শিয়াল পার্টনার প্রত্যেক বছর ন্যনুতম ৩৭.৫ কোটি অথবা গ্রস রেভেনিউয়ের ন্যনুতম ৫ শতাংশ দেওয়ার নিশ্চয়তা দেবে। ফেডারেশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, শনিবারের ভার্চুয়াল বৈঠকে এফএসডিএলের নতুনভাবে বিড ডকুমেন্ট যাচাই করার প্রচেষ্টায় সন্তুষ্ট হননি কেপিএমজি এবং ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা। বরং, বাকি তিন কোম্পানির প্রতিনিধিদের আইএসএলের স্বত্ব কেনার বিষয়ে আগ্রহ দেখে তারাও উৎসাহিত। তবে, শুধু এই চারটি কোম্পানি নয়, সরাসরি দরপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ অন্যান্য আগ্রহী কোম্পানিদেরও আগামি কয়েকদিনে আছে। গত দু’মরসুম আইএসএল কোনও টাইটেল স্পনসর পায়নি। অথচ, জিন্দাল স্টিলকে ওমান পেশাদার লিগ পেয়ে গেল তার টাইটেল স্পনসর হিসেবে। লিগটি এখন থেকে ওমান জিন্দাল লিগ নামে পরিচিত হবে। অন্যদিকে, এবার থেকে সর্বভারতীয় ইউথ লিগগুলিতে প্রত্যেক দলকে সর্বাধিক দু’জন পিআইও বা ওসিআই ফুটবলারকে রেজিস্ট্রেশন করানো ও খেলানোর অনুমতি দিয়েছে এআইএফএফ। এই নতুন নিয়মকে কাজে লাগিয়ে ইংল্যান্ডে পিআইও বা ওসিআই ফুটবলারদের জন্য ট্রায়ালের আয়োজন করেছে রঞ্জিত বাজাজের মিনার্ভা অ্যাকাডেমি। অনুর্দ্ধ-১৪, অনুর্দ্ধ-১৬ ও অনুর্দ্ধ-১৮ বিভাগে ফুটবলারদের জন্য এফসি খালসার সহযোগিতায় আগামী ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবর, ইংল্যান্ডের রেডব্রিজ, হ্যারো ও লেস্টারে ট্রায়ালের আয়োজন করেছে মিনার্ভা অ্যাকাডেমি। এখান থেকে বাছাইকৃত ফুটবলাররা এমআইসি কাপে ও এআইএফএফ ইউথ লিগে খেলার সুযোগ পাবেন।
তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে শ্রেয়স, দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ়ে অনিশ্চিত!

শনিবারের অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় এক দিনের ম্যাচে ক্যাচ নিতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। সেই চোট অন্তত তিন সপ্তাহের জন্য ক্রিকেট থেকে ছিটকে দিল তাঁকে। তার বেশি সময়ও মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ়ে তিনি অনিশ্চিত। অস্ট্রেলিয়া সিরিজ়েই তাঁকে এক দিনের দলের সহ-অধিনায়ক পদে উন্নীত করা হয়েছে। সেই সিরিজ়ের শেষ ম্যাচে চোট পেলেন তিনি। বোর্ডের এক কর্তা ‘পিটিআই’-কে বলেছেন, “ম্যাচের সময়েই শ্রেয়সকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ওর পাঁজরে একটা বড় ঝাঁকুনি লেগেছে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্তত তিন সপ্তাহ ওকে মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে।” ওই কর্তা আরও বলেন, “চোট সারানোর পর আগে বোর্ডের উৎকর্ষ কেন্দ্রে যেতে হবে। সেরে উঠতে আরও সময় লাগবে কি না তা বোঝা যাবে চূড়ান্ত রিপোর্ট দেখার পরেই। যদি হাড়ে চিড় ধরে থাকে তা হলে সারতে আরও সময় লাগতে পারে।” দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ়ে কি তিনি খেলতে পারবেন? ওই কর্তা বলেন, “এখনই তা বলা যাচ্ছে না। যদি সারতে তিন সপ্তাহ লাগে তা হলে ৩০ নভেম্বর প্রথম ম্যাচের ঠিক আগে ও সেরে উঠতে পারে।” শ্রেয়স এই মুহূর্তে টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি দলে নেই। খেলেন শুধু এক দিনের ক্রিকেটেই। সম্প্রতি লাল বলের ক্রিকেট থেকে ছ’মাসের বিরতি নিয়েছেন। এই চোট তাঁকে আরও সমস্যায় ফেলে দিল। তখন অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে ৩৪তম ওভার চলছিল। শর্ট থার্ড ম্যানে ফিল্ডিং করছিলেন শ্রেয়স। হর্ষিত রানার একটি বল আলেক্স ক্যারের ব্যাটের কানায় লেগে উঠে যায়। শ্রেয়স দৌড়তে থাকেন ক্যাচ ধরবেন বলে। পিছনে ছুটতে ছুটতে তিনি ক্যাচটি ধরেও ফেলেন। তবে টাল সামলাতে না পেরে খারাপ ভাবে মাটিতে পড়েন। তাঁর কোমর মাটিতে আছড়ে পড়ে।