দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১৫ সদস্যের দলে সুযোগ হল না সামির

রঞ্জি ট্রফিতে(Ranji Trophy) দুরন্ত পারফরম্যান্স করেও ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে জায়গা পেলেন না মহম্মদ সামি(Mohammed Shami)। বাংলার হয়ে প্রথম দুটো ম্যাচে খেলেছিলেন মহম্মদ সামি। দুই ম্যাচেই সামির ঝুলিতে এসেছিল উইকেট। এরপর অনেকেই প্রত্যাশা করেছিল যে সামি হয়ত ভারতীয় দলে সুযোগ পেতে চলেছেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত তা হল না। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও ব্রাত্য মহম্মদ সামি(Mohammed Shami)। তবে এই সিরিজেই চোট কাটিয়ে ফিরলেন ঋষভ পন্থ। শুভমন গিলের(Shubman Gill) নেতৃত্বে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব ঋষভ পন্থের(Rishabh Pant) কাঁধেই এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে কী প্রধান নির্বাচকের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জেরেই ভারতীয় দলে জায়গা হল না মহম্মদ সামির। কারণ রঞ্জি ট্রফি শুরুর আগেই প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরের(Ajit Agarkar) সঙ্গে বাকযুদ্ধে জড়িয়েছিলেন মহম্মদ সামি(Mohammed Shami)। ভারতীয় দলে সুযোগ না পাওয়ার ক্ষেত্রে আগরকরের দিকেই আঙুল তুলেছিলেন তিনি। একইরকমভাবে আবার পাল্টা দিয়েছিলেন অজিত আগরকরও। 🚨 News 🚨#TeamIndia squad for Test series against South Africa and India A squad against South Africa A announced. Details 🔽 | @IDFCFIRSTBank https://t.co/dP8C8RuwXJ — BCCI (@BCCI) November 5, 2025 এরপর মাঠ থেকেই জবাবটা দিয়েছিলেন মহম্মদ সামি। বাংলার হয়ে দুই ম্যাচ মিলিয়ে সামি(Mohammed Shami) একাই তুলে নিয়েছিলেন ১৫টি উইকেট। যদিও তৃতীয় ম্যাচে ত্রিপুরার বিরুদ্ধে নেই মহম্মদ সামি। অনেকেই মনে করছিলেন যে হয়ত এবার ভারতীয় দলে ডাক পেতে চলেছেন সামি। বুধবারই ভারতীয় দল ঘোষণা হয়েছে ভারতের টেস্ট স্কোয়াড। ভারতীয় দলের টেস্ট স্কোয়াড শুভমন গিল, ঋষভ পন্থ, যশস্বী জয়সওয়াল, কেএল রাহুল, সাই সুদর্শন, দেবদূত পাড়িক্কল, ধ্রুব জুরেল, রবীন্দ্র জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দর, জসপ্রীত বুমরাহ, অক্ষর পটেল, নীতিশ কুমার রেড্ডি, মহম্মদ সিরাজ, কুলদীপ যাদব, আকশদীপ। আগামী ১৪ নভেম্বর ইডেন গার্ডেন্সেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে নামবে ভারতীয় দল।
খালিদের দলে নেই একজনও মোহনবাগান ফুটবলার, বাদ সুনীলও

খালিদের(Khalid Jamil) ভারতীয় দলে জায়গা হল না মোহনবাগান(MBSG) ফুটবলারদের। সুযোগ হল না সুনীল ছেত্রীরও(Sunil Chetri)। আগামী ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিয়মরক্ষার ম্যাচে নামবে ভারতীয় দল। সেখানেই ২৩ জনের সম্ভাব্য দল গোষণা করেছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। সেখানে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) থেকে দুজন পুটবলার সুযোগ পেলেও, মোহনবাগানের(MBSG) একজনও সুযোগ পেলেন না খালিদের সেই দলে। আর তাতেই কার্যত হতবাক হয়েছেন অনেকে। ভারতের(Indian Football Team) আগামী ২০২৭ সালে হতে চলা এশিয়ান কাপের(Asian Cup) যোগ্যতা অর্জনের আশা কার্যত শেষ হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ যে নেহাতই একটা সৌজন্য সাক্ষাতের তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেখানেই শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। সেই ম্যাচেরই দল ঘোষণা করল এল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন। সেখানেই মোহনবাগানের একজনও সুযোগ পেলেন না। এবারের সুপার কাপ চলাকালীন মোহনবাগান(MBSG) এবং ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) ম্যাচের সময় মাঠে হাজির হয়েছিলেন ভারতীয় দলের তারকা কোচ(Khalid Jamil)। সেখানেই যে ফুটবলারদের মেপে নিয়েছিলেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেখানে ইস্টবেঙ্গলের মহেশ(Naorem Mahesh) ও আনোয়ার(Anwar Ali) তাঁর নজর কাড়লেও, মোহনবাগানের কেউই হয়ত নজর কাড়তে পারেননি। বরং বাদ পড়লেন শুভাশিস ও লিস্টন কোলাসোদের মতো নাম। শুধুমাত্র তারাই নন, ভারতের এই সম্ভাব্য দল থেকে বাদ পড়েছেন সুনীল ছেত্রীও(Sunil Chetri)। যদিও এচা সম্ভাব্য দল। আগামী ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। তার আগে খালিদের(Khalid Jamil) দলে কোনওরকম পরিবর্তন আসে কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
হরমনপ্রীতের হাতে বিশ্বকাপের ট্যাটু, আবেগতাড়িত বার্তা অধিনায়কের

ক্রিকেট জীবনে পা রাখার পর থেকে একটাই স্বপ্ন ছিল হরমনপ্রীত কৌরের(Harmanpreet Kaur)। সেটাই অবশেষে পূরণ হয়েছে ২০২৫ সালে। প্রথমবার মহিলাদের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন(Womens World Cup) হয়েছে ভারতীয় দল। আর সেই মুহূর্তটাকেই সারাজীবন নিজের সঙ্গে রেখে দিতে চাইছেন হরমনপ্রীত কৌর। বিশ্বকাপ জয়ের পরই এক বিশেষ ট্যাটু করলেন হরমনপ্রীত(Harmanpreet Kaur)। প্রতিদিন সকালেই বিশ্বকাপটাকে একবার করে দেখে নিতে চান তিনি। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস তৈরি করছে ভারতী দল। ঘরের মাঠে শুরুটা কিন্তু একেবারেই ভালোভাবে করতে পারেননি ভারতের মেয়েরা। কিন্তু লড়াই করা ছাড়েনি তারা। কোনও ম্যাচে হরমনপ্রীত(Harmanpreet Kaur) তো কোনও ম্যাচে জেমিমা রডরগেজ। তাদের দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ভারতকে সাফল্যের দিকে এগিয়ে দিয়েছিল। অবশেষে ফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখানেও শেষ মুহূর্তে ডে ক্লার্কের ক্যাচ হরমনপ্রীত কৌরের(Harmanpreet Kaur) হাতে। হাড্ডহাড্ডি লড়াইয়ের পর অবশেষে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। ক্যাচ নেওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল সেলিব্রেশনটা। মাঠেই উচ্ছ্বাসে মেতেছিলেন ভারতীয় দলের মেয়েরা। আর সেই স্মৃতিটাই ধরে রাখতে ট্যাটু করালেন হরমনপ্রীত কৌর। ঠিক যেমন কেরিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ জেতার পর ট্যাটু করিয়েছিলেন লিওনেল মেসি(Lionel Messi)। সোশ্যাল মিডিয়াতে সেই ছবি দিয়ে হরমনপ্রীত কৌর লিখেছেন, “প্রথম দিন থেকে তোমার অপেক্ষাতেই ছিলাম। আর এখন থেকে প্রতিদিন সকালেই তোমাকে দেখব। আমি সত্যিই গর্বিত”। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জেতার পর মেসি(Lionel Messi) যেমন সারাটা রাত কাটিয়েছিলেন বিশ্বকাপ ট্রফিটা নিয়ে। সেই একইরকম ছবি দেখা গেল হরমনপ্রীত কৌরেরও। মেসি ট্যাটু করিয়েছলেন তাঁক বা পায়ে। হরমনপ্রীত(Harmanpreet Kaur) বিশ্বকাপের ট্যাটু করালেন হাতে। সেই ছবি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক। ছবি দেখার পর থেকেই আপ্লুত নেটিজেনরা। বিশ্বকাপের একটা মুহূর্তও যেন বাদ রাখতে চাইছেন না হরমনপ্রীত কৌর।
ম্যাচ চলাকালীনই মৃত্যু কোচের!

খেলা চলছিল সার্বিয়ান সুপার লিগে রাডিনিকি ১৯২৩ আর ম্লাডোস্টের মধ্যে। সবে ২২ মিনিট হয়েছিল খেলা। হঠাৎই শোরগোল পড়ে গেল রাডিনিকির ডাগ আউটের সামনে। কোচ লাদেন জিজোভিচ পড়ে গিয়েছেন সেখানে। সঙ্গে সঙ্গে টিমের ডাক্তার দৌড়ে যান। খেলা বন্ধ থামিয়ে দেন রেফারি। মাঠেই বোঝা গিয়েছিল, তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয় ৪৪ বছরের বসনিয়ান কোচকে। খেলা বন্ধ রাখা হয় কিছুক্ষণ। কোচকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর আবার খেলা শুরু হয়। কিন্তু খেলা শুরুর মিনিট কুড়ি পরেই খবর আসে, প্রয়াত হয়েছেন কোচ জিজোভিচ। সাপোর্ট স্টাফরা এই খবর পাওয়ার পর মাঠেই মাইকে ঘোষণা করা হয় জিজোভিচের মৃত্যুর খবর। স্তব্ধ হয়ে যায় রাডিনিকির ক্যাম্প। মাঠেই শুয়ে কাঁদতে দেখা যায় দলের ফুটবলারদের। তখন নিজেদেরকে নিজেদের সান্ত্বনা দেওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করবেন তারা? রেফারি ম্যাচ বাতিল ঘোষণা করে দেন। জিজোভিচের আচমকা মৃত্যুতে শোকাহত রাডনিকি ক্লাবের সবাই। এটি ছিল তাঁর তিন নম্বর ম্যাচ। অক্টোবরেই দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। ফুটবলার কেরিয়ারে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা জাতীয় টিমের হয়ে গোটা তিনেক ম্যাচ খেলেছিলেন। সার্বিয়ান ও বসনিয়ান ফুটবলের সঙ্গে জড়িতরা শোকবার্তা জানিয়েছেন।
এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম হার রিয়াল মাদ্রিদের; লিগ টেবিলের শীর্ষে এখন বায়ার্ন

অ্যানফিল্ডে গিয়ে এবারও জেতা হল না রিয়াল মাদ্রিদের। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম হার তাদের। লিভারপুলের বিরুদ্ধে এক গোলে হেরেছে জ়াবি আলোন্সোর দল। অন্য দিকে, ঘরের মাঠে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ১-২ ব্যবধানে হেরেছে প্যারিস সঁ জরমঁও। অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের ৬১ মিনিটের গোলে জিতেছে লিভারপুল। তবে গোটা ম্যাচে তারা যা খেলেছে তাতে অনায়াসে আরও অনেক গোলে জিততে পারত। রিয়ালের লজ্জা বাঁচিয়েছেন গোলকিপার থিবো কুর্তোয়া। নিশ্চিত কিছু গোল বাঁচিয়েছেন তিনি। শুধু ম্যাক অ্যালিস্টারের বেলায় কিছু করার ছিল না তাঁর। ভাল খেলেছে লিভারপুলের রক্ষণও। কিলিয়ান এমবাপে এবং ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে দাঁত ফোটাতে দেয়নি তারা। যদিও দ্বিতীয়ার্ধ্বে সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন এমব্যাপে। ভিনিসিয়াসকে বোতলবন্দি করে রেখেছিলেন কোনর ব্র্যাডলি। আট বছর লিভারপুলে খেলার পর প্রথম বার তাদের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন ট্রেন্ট আলেকজ়ান্ডার আর্নল্ড। তাকে ম্যাচ চলাকালীন বহুবার বিদ্রূপ শুনতে হয়েছে। এদিকে, পিএসজি-র বিরুদ্ধে প্যারিসে গিয়ে বায়ার্ন দু’গোলে এগিয়ে গিয়েছিল আধ ঘণ্টার মধ্যেই। জোড়া গোল করেন লুইস দিয়াজ়। তবে বিরতির আগেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি। তবু প্যারিস জিততে পারেনি বায়ার্নের রক্ষণ মজবুত থাকার কারণে। জোয়াও নেভেস একটি গোল শোধ করলেও সমতা ফেরাতে পারেনি প্যারিস। অন্য ম্যাচগুলিতে টটেনহ্যাম ৪-০ হারিয়েছে কোপেনহেগেনকে, আতলেতিকো মাদ্রিদ ৩-১ হারিয়েছে ইউনিয়ন সাঁ জিলোয়াঁকে, অলিম্পিয়াকোস-পিএসভি এবং জুভেন্টাস-স্পোর্টিং ক্লাবের ম্যাচ ১-১ ড্র হয়েছে। জিতে লিগ তালিকায় সবার উপরে চলে গিয়েছে বায়ার্ন। চার ম্যাচের প্রতিটিতে জিতে তাদের পয়েন্ট ১২। আর্সেনালও ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। এর পর রয়েছে প্যারিস, ইন্টার মিলান এবং রিয়াল মাদ্রিদ।
সিএবির তরফ থেকে রিচাকে সোনার ব্যাট ও বল, সংবর্ধনা দেবে ইস্টবেঙ্গলও

সৌরভ, ঝুলনরা যা পারেননি সেটাই করে দেখিয়েছেন বাংবার রিচা ঘোষ। প্রথম বাঙালি হিসাবে জিতেছেন বিশ্বকাপ। তাঁকে নিয়েই এখন উচ্ছ্বসিত গোটা বাংলা। অপেক্ষায় রয়েছে সিএবিও। রিচা ফিরলেই তাঁর জন্য বিরাট সংবর্ধনার ব্যবস্থা করছে বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থা। সোনার ব্যাট ও বল উঠতে চলেছে বাংলার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ীর হাতে। এখন শুধুই তাঁর বাংলায় ফেরার অপেক্ষায় সকলে। শুধুমাত্র সিএবিই নয়, রিচা ঘোষকে সংবর্ধনার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবও। শুধুমাত্র রিচা ঘোষ নয় সেইসঙ্গে দীপ্তি শর্মাকেও সংবর্ধনা জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। একসময় বাংলার হয়ে খেলেছেন তিনি। সেই দীপ্তিই বিশ্বকাপের সেরা হয়েছেন। এই দুই তারকাকে সংবর্ধনা জানাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবও। সিএবির তরফে রিচা ঘোষকে সংবর্ধনার বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাঁর হাতে উঠবে সোনার ব্যাট ও বল। তুলে দেবেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং ঝুলন গোস্বামী।