মুখ্যমন্ত্রীর হাত দিয়ে রিচা ঘোষকে সোনার ব্যাট উপহার সিএবি-র

শনিবার ইডেনে চাঁদের হাট। বাংলার ক্রিকেটার, বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার, শিল্পপতি সত্যম রায়চৌধুরী থেকে শুরু করে টলিউডের অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। সিএবি-র প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির উপস্থিতিতে বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্যা রিচা ঘোষকে সোনার ব্যাট দেওয়া হল সিএবি-র তরফে। উপহার হাতে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তারপর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রিচাকে দেওয়া হল ৩৪ লক্ষ টাকার একটি চেক। বিশ্বকাপ ফাইনালে ৩৪ রান করেছিলেন রিচা। সিএবি-র তরফে প্রতিশ্রুতি ছিল রান পিছু এক লক্ষ টাকা দেওয়া। রিচাকে সংবর্ধ্বনা দিতে গিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলির কথায় উঠে এল বাংলার প্রাক্তন মহিলা ক্রিকেটারদের কথা। বললেন, “ঝুলন গোস্বামী তো আছেই। মহিলা ক্রিকেটে ওর অবদান নিয়ে বেশি কিছু বলার নেই। কিন্তু আমি বলতে চাই রুণা বসু, গার্গী ব্যানার্জি, লোপামুদ্রা মিত্রদের কথা। যাদের প্রচণ্ড পরিশ্রমে বাংলার মহিলা ক্রিকেটের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। রিচাকে অজস্র শুভেচ্ছা। ও অনেকদুর যাবে।” রিচাও স্বাভাবিকভাবে আপ্লুত, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন, সিএবি-র প্রতি, সৌরভের প্রতি এবং মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি।
২৮ বছর পর সিকিম গভনর্স গোল্ড কাপে ইস্টবেঙ্গল; সুনীল ছেত্রীকে ফাইনালে আমন্ত্রণ জানানোর ভাবনা

২৮ বছর পর সিকিম গভনর্স গোল্ড কাপে খেলতে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। শেষবার তারা এই টুর্নামেন্টে খেলেছিল ১৯৯৭-এ। ভাইচুং ভুটিয়া, রেনেডি সিং, বাসুদেব মন্ডল, তুষার রক্ষিত, দুলাল বিশ্বাস সমৃদ্ধ লাল-হলুদ সেবার ফাইনালে হেরে রানার্স হয়েছিল নেপালের আমফা একাদশের বিরুদ্ধে। এবার সিকিম গভনর্স গোল্ড কাপ হবে ১৬ থেকে ২৯ নভেম্বর, গ্যাংটকের পালজোড় স্টেডিয়ামের কৃত্রিম ঘাসের মাঠে। ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও এবার এই টুর্নামেন্টে খেলবে আই-লিগ চ্যাম্পিয়ন ইন্টার কাশী, টুর্নামেন্টের গতবারের চ্যাম্পিয়ন নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড এফসি, ডায়মন্ড হারবার এফসি, রাজস্থান ইউনাইটেড, নেপালের চার্চ বয়েজের মত প্রথম সারির দলগুলো। সিকিম ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট মেনলা এথেনপা প্যারালাল স্পোর্টসকে ফোনে বললেন, “গোটা সিকিম উত্তেজিত ইস্টবেঙ্গলের অংশ নেওয়ার খবরে। ২৮ বছর আগে ওরা এই টুর্নামেন্টে ফাইনালে হেরে রানার্স হয়েছিল। এবার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ইস্টবেঙ্গল আইএসএলের দল পাঠাবে।” মেনলা জানালেন, ন’বারের গভনর্স গোল্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। “আমাদের আমন্ত্রণপত্রের কোনও জবাব মোহনবাগান দেয়নি, বললেন মেনলা। সিকিম ফুটবল সংস্থার পরিকল্পনা, ২৯ নভেম্বরের ফাইনালের জন্য সুনীল ছেত্রী আর আশালতা দেবীকে আমন্ত্রণ জানানোর। “সুনীল ছেত্রী গতকাল ইঙ্গিত দিয়েছেন ক্লাব ফুটবল থেকেও এবার তিনি অবসর নেওয়ার কথা ভাবছেন। আশালতা দেবীকে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন পরের বার্ষিক সাধারণ সভার পর সংবর্ধ্বনা দেবে। তাও ওরা দুজনে যদি ফাইনালে আসেন তাহলে ওদের দুজনকে ভাল করে সংবর্ধ্বনা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে,” যোগ করলেন সিকিম ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট। আশালতা দেবী ভারতের একমাত্র মহিলা ফুটবলার যিনি দেশের হয়ে ১০০টি ম্যাচ খেলেছিলেন।