টি টোয়েন্টিতে ওপেনিং নিয়ে চিন্তায় গম্ভীর

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাদের ঘরের মাঠে টি টোয়েন্টি সিরিজ জিতলেও, ওপেনিং স্লট নিয়ে কিন্তু চিন্তা কাটছে না ভারতীয় দলের কচ গৌতম গম্ভীরের(Gautam Gambhir)। এবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওপেনিং বাদ দিয়ে প্রতিটা স্লটেই ক্রিকেটারদের পজিশনে অদল বদল হতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু ওপেনিংয়ে সেভাবে কোনও বদল করেননি ভারতীয় দলের তারকা কোচ। টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে নামার আগে সেই কথাই শোনা গেল গৌতম গম্ভীরের(Gautam Gambhir) মুখে। তাঁর সাফ বার্তা দলের ওপেনিং বাদ দিয়ে গোটা দলের ব্যাটিং লাইনআপই যথেষ্ট ওভাররেটেড। আর সেই কারণেই নাকি তিনি বারবার টি টোয়েন্টি দলের ব্যাটিং অর্ডারে এতবার রদবদল করেছিলেন। তবে ওপেনিং নিয়ে যে তিনি বেশ চিন্তায় রয়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের ওপেনিংয়ে ছিলেন শুভমন গিল(Shubman Gill) ও অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। ভারতীয় দল ভালো খেললেও গিল কিন্তু সেভাবে ওপনিংয়ে সফল হতে পারেননি। শেষ ম্যাচে গিল(Shubman Gill) আক্রমণাত্মক খেললেও, শেষপর্যন্ত বৃষ্টিতে ভেস্তে গিয়েছিল সেই ম্যাচ। সেই জায়গায় অনেকেই যশস্বী জয়সওয়ালকেও খেলানোর কথাবার্তা বলতে শুরু করে দিয়েছে। এমন পরিস্থতিতে গম্ভীরও যে দলের ওপেনিং নিয়ে বেশ চিন্তায় রয়েছে সেই ইঙ্গিতই পাওয়া গিয়েছে গম্ভীরের কথা থেকেও। গম্ভীর জানিয়েছেন, “আমাদের ব্যাটিং অর্জার অত্যন্ত ওভাররেটেড। তবে দুজন ওপেনারকে বাদ দিয়ে। আমাদের দলের ব্যাটিং অর্ডার এত বদল হয় তার কারণ ফর্ম নয়। টি টোয়েন্টিতে ফর্ম কখনোই খুব একটা ম্যাটার করে না”।
রিচার নামে স্টেডিয়াম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রিচা ঘোষকে(Richa Ghosh) বিরাট উপহার মুখ্যমন্ত্রীর(Mamata Banerjee)। প্রথম বাঙালি হিসাবে ওডিআই বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ড গড়েছেন রিচা ঘোষ(Richa Ghosh)। বাংলার সোনার মেয়েকে ইডেন গার্ডেন্সে আগেই সোনার চেন পরিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার রিচার নামে স্টেডিয়ামের ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। উত্তরবঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক থেকেই রিচার(Richa Ghosh) নামে নতুন স্টেডিয়াম হওয়ার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। চাঁদমনি টি এস্টেটের ২৭ একর জমিতেই তৈরি হবে এই স্টেডিয়াম। মুখ্যমন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্ত শোনার পরই আপ্লুত রিচার পরিবার। এবারের বিশ্বকাপে ইতহাস তৈরি করেছে ভারতীয় মহিলা দল(India Womens Team)। সেখানেই দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন বাংলার রিচা ঘোষ(Richa Ghosh)। বিশেষ করে ফাইনালে শেষ মুহূর্তে তাঁর ঝোড়ো পারফরম্যান্সটাই তো ভারতীয় দলের রানটা সামনের দিকে এগনোর রাস্তাটা করে দিয়েছিল। এরপরই তো দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের সেই রুদ্ধশ্বাস জয়। সেইসঙ্গেই ইতহাসে জায়গা করে নেয় টিম ইন্ডিয়া। রিচা ঘোষের(Richa Ghosh) সেই সময় থেকেই শুধু শহরে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন সকলে। তিনি ফিরতেই রিচার হাত ভরে উঠেছিল একের পর এক সংবর্ধনায়। সিএবির তরফ থেকে রিচার হাতে উঠেছিল সোনার ব্যাট ও বল। সেইসঙ্গে রিচার হাতে সিএবি তুলে দিয়েছিল ৩৪ লক্ষ টাকা। সেই মঞ্চেই রিচার প্রশংসায় মঞ্চমুখ ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রিচাকে সোনার চেন পরিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার বাংলার রিচার নামে উত্তরবঙ্গেই হতে চলেছে এক নতুন স্টেডিয়াম। সেই ঘোষণা সোমবারই করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
ভারতয়ী ফুটবলে স্পনসর বিসিসিআই!

ঘোর অন্ধকারে ভারতীয় ফুটবল(Indian Football)। দেশের এক নম্বর লিগ আইএসএল(ISL) হবে কিনা সেটা নিয়েই এখন দেখা দিয়েছে সংশয়। ফেডারেশনের(AIFF) গ্লোবাল টেন্ডারে সাড়া দেয়নি কোনও সংস্থা। এমনকি এফএসডিএলও কোনওরকম আগ্রহ দেখায়নি। আর তাতেই ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিঁদূরে মেঘ দেখতে শুরু করে দিয়েছেন অনেকে। সেই পরিস্থিতিতেই হঠাৎ করে উঠে আসছে বিসিসিআইয়ের নাম। ভারতীয় ফুটবলকে বাঁচাতে বিসিসিআইকেই(BCCI) স্পনসর চাওয়া হচ্ছে! না ফেডারেশন(AIFF) এখনও পর্যন্ত এই ধরনের কোনও কথাই বলেনি। এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থায় বিসিসিআইকে(BCCI) ভারতীয় ফুটবলকে স্পনসর করার আবেদন করেছেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। অন্তত আগামী চার থেকে পাঁচ বছর ভারতীয় ফুটবলের দায়িত্ব নেওয়ারই আবেদন করছেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থায় দেবব্রত সরকার জানিয়েছেন, যদি বিসিসিআই অন্তত চার থেকে বাঁচ বছর দায়িত্ব নেয় তবে ভারতীয় ফুটবলে এক বিশাল পার্থক্য লক্ষ করা যাবে। কারণ তাদের কাছে ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকা সত্যিই বড় কোনও ব্যপার নয়। যদি বিসিসিআই দায়িত্ব নেয়, তবে ভারতীয় ফুটবল অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারবে। একটিও সংস্থা বিডে আগ্রহ না দেখানোয় ভারতীয় ফুটবলের প্রধান লিগই এখন অনিশ্চয়তায়। সেইসঙ্গে ঘোর অন্ধকারে ভারতীয় ফুটবলের ক্লাব গুলোও। ইতিমধ্যেই মোহনবাগান তদের ফুটবলের যাবতীয় প্রস্তুতি শিবির বাতিল করে দিয়েছে। ইস্টবেঙ্গলও সুপার কাপের পর তেমনই সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে চলেছে। ভারতীয় ফুটবল ঘিরে দেখা দিয়েছে দোলাচল। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে।