গিলকে নিয়ে চিন্তা বাড়ছে, শুক্রবারই প্রস্তুতিতে অস্কার

সুপার কাপের(Super Cup) সেমিফাইনালে খেলতে পারবে প্রভসুখন গিল(Prabhsukhan Gill)। দলের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত সেই অনুশীলনে যোগ দেননি লাল-হলুদের প্রধান গোলকিপার। টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। এখনও নাকি পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেননি। পঞ্জাবেই নিজের বাড়িতে চিকিৎসা চলছে লাল-হলুদের প্রধান গোলকিপার প্রভসুখন গিলের(Prabhsukhan Gill)। আর এটা যে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) জন্য সত্যিই খুব একটা ভালো ইঙ্গিত নয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গত ১০ নভেম্বর থেকে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। আগামী ৪ ডিসেম্বর পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে সুপার কাপের সেমিফাইনালে নামবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। ক্রেসপো বাদে দেশীয় ফুটবলারদের সঙ্গে প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছেন সকলেই। কিন্তু আসেননি প্রভসুখন গিল(Prabhsukhan Gill)। এরপরই জানা যায় যে তিনি টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েছে। এই মুহূর্তে তিনি কতটা সুস্থ তাও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। সেরে উঠলেও প্রভসুখন কি পারবেন ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) জার্সিতে খেলতে নামতে। সেই উত্তর কিন্তু লাল-হলুদ টিম ম্যানেজমেন্টেরও কেউ বলতে পারছেন না। ইস্টবেঙ্গলের মেডিক্যাল দলও তাঁর চূড়ান্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে। সেটা পেলে তবেই সেই মতো ব্যবস্থা। গিল কবে ইস্টবেঙ্গল শিবিরে যোগ দিতে পারবেন তা নিয়েও এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট ভাবে কিছুই জানা যাচ্ছে না। অন্যদিকে ১৪ নভেম্বর থেকেই ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতিতে যোগ দিচ্ছেন কোচ অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। সেদিনই শহরে পৌঁছে ফুটবলরদের নিয়ে সেমিফাইনালের প্রস্তুতিতে নেমে পড়বেন তিনি। এই মুহূর্তে বিনো জর্জ এবং সহকারী কোচই মিগুয়েল, কেভিন, সৌভিকদের নিয়ে প্রস্তুতি চালাচ্ছেন। ১৪ তারিখ থেকেই অস্কারের(Oscar Bruzon) তত্ত্বাবধানে জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে লাল-হলুদ ব্রিগেডের।
প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে নামার আগে ইডেন নিয়ে আবেগতাড়িত গিল

ভারতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক হিসাবে প্রথমবার ইডেন গার্ডেন্সে(Eden Gardens) নামছেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। অধিনায়ক হিসাবে ইংল্যান্ডের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও সাফল্য পেয়েছেন তিনি। কিন্তু ইডেনে(Eden Gardens) তাদের সামনে গতবারের চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকা(South frica)। সেই ম্যাচের আগে ইডেনের)Eden Gardens) পিচ নিয়েই এন চর্চা তু্ঙ্গে। সেই পরিস্থিতিতেই ইডেনকে নিজের ঘরের মাঠের সঙ্গে তুলনা করলেন ভারতীয় দলের তরুণ টেস্ট অধিনায়ক(Shubman Gill)। এই ইডেন গার্ডেন্স থেকেই গিলের((Shubman Gill) উত্থান। কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে এখানে খেলেছেন বহু ম্যাচ। ইডেন যে তাঁর কাছে তেনা মাঠ তা কার্যত ইঙ্গিতেই বুঝিয়ে দিয়েছেন শুভমন গিল। সেই কারণে পিচ নিয়ে তিনি নিজে হয়ত খুব একটা চিন্তিত নন। তবে অধিনায়ক হিসাবে এই প্রথমবার ইডেন গার্ডেন্সে নামছেন তিনি। তবে গিলের গলায় বেশ আত্মবিশ্বাসের সুরই শোনা গেল। ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে শুভমন গিল জানাচ্ছেন, “এই একটা মাঠ যেখানে সবসময়ই নিজের ঘরের অনুভূতি পাই। আমার আইপিএলের কেরিয়ার শুরু হয়েছিল এই মাঠ থেকেই। যখনই আমি এই মাঠে নামি যে অনুভবটা করি, সেটা সবসময়ই পঞ্জাবের পিসিএ স্টেডিয়ামেও করে থাকি”। ইডেন গার্ডেন্স নিয়ে শুভমন গিল অত্যন্ত আবেগতাড়িত হলেও, দলের প্রথম একাদশ নিয়ে কিন্তু খানিকটা ধন্দে রয়েছেন তিনি। কারণ ইডেনের পিচের প্রকৃতি বদলে যাচ্ছে। বুধবার যেমন ছিল, বৃহস্পতিবার নাকি খানিকটা বদলে গিয়েছে ইডেনের পিচের প্রকৃতি। সকলেই যখন বলছেন যে ভারত হয়ত একজন অতিরিক্ত স্পিনার খেলাতে পারে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে একজন অতিরিক্ত সিমার খেলানো যেতে পারে কিনা সেটা নিয়েও ভাবনায় রয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক থেকে কোচ। দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তি থেকে দুর্বলতা নিয়ে বেশ ওয়াকিবহাল শুভমন গিল। সেই মতোই তৈরি হচ্ছে পরিকল্পনা। শুক্রবার সকালে শেষবার পিচ দেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
মেসির মুখে বাংলা কথা, শহরবাসীকে দিলেন বার্তা

আগামী ১৩ ডিসেম্বর শহরে পা রাখছেন লিওনেল মেসি(Lionel Messi)। বছরের শেষে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ার পূর্বাভাস থাকলেও, মেসির(Lionel Messi) আগমনে উত্তাপের বার্তা এখন থেকেই চড়তে শুরু করছে। তার আগেই কলকাতা বাসীর উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিলেন লিওনেল মেসি। মেসির বার্তা যে সেই উত্তাপের মাত্রা আরও খানিকটা বাড়িয়ে দিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন শুধুই মেসির(Lionel Messi) শহরে পা রাখার অপেক্ষায় সকলে। কলকাতা(Kolkata) সহ মুম্বই(Mumbai), দিল্লি এবং হায়দরাবাদে ঘুরবেন লিওনেল মেসি। ক্রীড়া উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তের(Shatadru Dutta) হাত ধরেই ফের একবার শহরে আসছেন এলএম টেন। বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রথমবার আসছেন কলকাতায়। যুবভারতীতে আবারও একবার পা রাখবেন ফুটবলের রাজপুত্র। সেই শহরে আসার আগেই শহরবাসীর জন্য মেসির বার্তা। তিনি বলছেন, কেমন আছ কলকাতা। মেসির(Lionel Messi) মুখে বাংলা কথা। এ যে সত্যিই শহরবাসীর কাছে এক বিরাট প্রাপ্তি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। লিওনেল মেসি শুধু আসছেনই নয়, তিনি আবার বাংলাতে কথাও বলেছেন। এখন থেকেই সকলে প্রহর গুনতে শুরু করে দিয়েছে। যুবভারতীতে লিওনেল মেসির আসাকে কেন্দ্র করে রয়েছে এক গুচ্ছ পরিকল্পনা। মেসির সামনে খেলা হবে মোহনবাগান মেসি অলস্টার বনাম ডায়মন্ডহারবার মেসি অলস্টার। এছাড়া উপস্থিত থাকবেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রী সহ বহু বিশিষ্ট অতিথিরা। কার্যত মেসিকে ঘিরে সেদিন যুবভারতীতে বসতে চলেছে চাঁদের হাট। এছাড়া লিওনেল মেসির(Lionel Messi) সবচেয়ে বড় মূর্তিও উদ্বোধন হবে তাঁরই হাতে। মাঝে আর মাত্র একটা মাস। তারপরই শহরে এলএম টেন।
ইডেনের স্পিনিং ট্র্যাকে তিন স্পিনারে খেলার ভাবনা ভারতের, সতর্ক গিল-রা

ইডেনের(Eden Gardens) পিচ যে স্পিন(Spinning Track) সহায়ক হবে তার ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই পাওয়া গিয়েছে। আর সেই কথা মাথায় রেখেই দল গোছাতে ব্যস্ত ভারতীয় শিবির। শেষবার ঘরের মাঠে নিউ জিল্যান্ডের(New Zealand) বিরুদ্ধে এই স্পিন আক্রমণের সামনেই পর্যুদস্ত হয়েছিল ভারতীয় দল। সেই কথা মাথায় রেখেই চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। নিউ জিল্যান্ড সিরিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েই ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে টিম ইন্ডিয়া(India Team)। ইডেনের পিচ যে বরাবরই তৃতীয় দিন থেকে বদল হতে শুরু করে, তা সকলেরই জানা। এবারও তেমনটাই হওয়ার ইঙ্গিত। সেইসঙ্গে পিচে যে ক্র্যাক গুলো রয়েছে তা তৃতীয়, চতুর্থ দিনের পর থেকে বাড়তে পারে। একইসঙ্গে ভারতীয় শিবিরের তরফেও পিচে যাতে টার্ন থাকে সেই কথা নাকি বলা হয়েছে। সেই মতোই তো চলছে গম্ভীরের(Gautam Gambhir) নীল নক্সা সাজানো। কিন্তু প্রতিপক্ষ শিবিরেও রয়েছেন সেরা স্পিনাররা। বিশেষ করে শেষবারের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা(South Africa)। দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে তিন স্পিনারেই খেলার ভাবনা রয়েছে ভারতীয় দলের। রবীন্দ্র জাদেজা(Ravindra Jadeja), কুলদীপ যাদব(Kuldeep Yadav) এবং ওয়াশিংটন সুন্দরকে(Washington Sundar) দেখা যেতে পারে প্রথম একাদশে। দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বিরুদ্ধে শুরু থেকেই চাপ তৈরি করার পরিকল্পনাই করছে ভারতীয়(India Team) থিঙ্কট্যাঙ্ক। ব্যাটিংয়ে শুভমন গিল(Shubman Gill), কেএল রাহুলরা(KL Rahul) রয়েছেন ছন্দে। তবে ওপেনিংয়ে যশস্বী জয়সওয়ালের(Yashasvi Jaiswal) সম্প্রতি পারফরম্যান্স নিয়েই খানিকটা চিন্তা রয়েছে। সেই কারণে বারবারই তো যশস্বীকে(Yashasvi Jaiswal) নেটে বাড়তি প্রস্তুতি করতেও দেখা গেল। এই ম্যাচ দিয়েই আবার প্রথম একাদশে ফিরতে চলেছেন ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant)। চোট সারিয়ে এই ম্যাচ দিয়ে কামব্যাক হবে। যদিও ভারতীয় শিবির তাঁকে নিয়ে বেশ আশাবাদী। কিন্তু প্রতিপক্ষ শিবিরেও রয়েছে স্পিনারদের আধিক্য। কেশভ মহারাজ, হারমারদের মতো তারকা স্পিনাররা রয়েছেন। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই স্পিন আক্রমণের বিরুদ্ধেই শেষ হয়ে গিয়েছিল ভারতীয় দল। এবার যেমন তেমন কিছু না হয়, সেদিকেই বাড়তি নজর। স্পিনারদের আক্রমণ রোখার দিকেই কার্যত বাড়তি মজর দিচ্ছে ভারত। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।
নাইট শিবিরে অভিষেকের ডেপুটি অজি তারকা ওয়াটসন

ঘর গোছাতে শুরু করে দিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স(KKR)। প্রধান কোচ হিসাবে অভিষেক নায়ারের(Abhishek Nayar) নাম ঘোষণা করার কয়েকদিনের মধ্যেই সহকারী কোচের নামও ঘোষণা করে দিল শাহরুখের নাইট রাইডার্স(KKR) শিবির। তারকা প্রাক্তন অজি ক্রিকেটার শেন ওয়াটসনই(Shane Watson) এবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের সহকারী কোচ। নাইট শিবিরের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আপ্লুত ওয়াটসনও(Shane Watson)। নাইটদের হাতে নতুন করে ট্রফি দেখতে চান তিনিও। আইপিএলের(IPL) মঞ্চে বরাবরই সাফল্যের সঙ্গে ব্যাটিং করেছেন শেন ওয়াটসন(Shane Watson)। আইপিএলের প্রথম মরসুমেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। তাঁর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে বিধ্বস্ত হয়েছিল প্রতিটা দলের বোলাররা। ২০০৮ সালের আইপিএলের(IPL) সেরা ক্রিকেটারও হয়েছিলেন তিনি। এছাড়া চেন্নাই সুপার কিংসের হয়েও জিতেছেল আইপিএল। ফাইনালের মঞ্চে ওয়াটসনের(Shane Watson) দুর্ধর্ষ সেঞ্চুরিটা আজও সকলের স্মৃতিতে টাটকা। এবার সেই শেন ওয়াটসনকেই(Shane Watson) দেখা যাবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের(KKR) ডাগ আউটে। সহকারী কোচ হিসাবে অভিষেক নায়ারের সঙ্গে নাইটদের তৈরি করার কাজটা শুরু করবেন তিনিও। নাইট শিবিরে এসে উচ্ছ্বসিত শেন ওয়াটসন। তিনি জানিয়েছেন, “কলকাতা নাইট রাইডার্সের মতো আইকনিক একটা ফ্র্যাঞ্চাইজির অংশ হতে পারাটা সত্যিই একটা বড় ব্যাপার। সাফল্যের পথে এগোতে নাইট রাইডার্সের দলের প্রচেষ্টা এবং তাদের সমর্থকরা সবসময়ই আমাকে অনুপ্রানিত করে। কোচিং স্টাফ থেকে ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি মুখিয়ে রয়েছি। সেইসঙ্গে তাদের ট্রফি পাওয়ার পথে এগিয়ে যেতেও সাহায্য করার প্রচেষ্টা করে যাব”। গত মরসুমে একেবারেই ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স। সেই কথা মাথায় রেখে এবার প্রথম থেকেই দল গোছাতে শুরু করেছে নাইট ম্যানেজমেন্ট। ইতিমধ্যেই অধিনায়কের খোঁজ শুরু করে দিয়েছে নাইট রাইডার্স। সেইসঙ্গে দলের কোচিং স্টাফ গড়ার কাজটাও চালিয়ে যাচ্ছে তারা। চন্দ্রকান্ত পণ্ডিতের বিদায়ের পরই অভিষেক নায়ারকে দলের প্রধান কোচ করার সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। তার এক সপ্তাহের মধ্যেই আরও এক এক হেভিওয়েট কোচ নাইট শিবিরে। শেষপর্যন্ত নাইট শিবির সাফল্যের পথে হাঁটতে পারে কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
শহরে এলেও প্রস্তুতিতে নামবেন না ক্রেসপো

এখনও পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি তিনি। কিন্তু তার মাঝেই শহরে চলে এলেন সওল ক্রেসপো(Saul Crespo)। তবে মাঠে নামবেন না। আপাতত নিজের বাসভবনেই রিহ্যাব চালাবেন ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) এই তারকা ফুটবলার। গত বুধবার বিকেলেই শহরে পৌঁছে গিয়েছেন সওল ক্রেসপো(Saul Crespo)। তবে তিনি মাঠে কবে থেকে নামতে পারবেন তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত সেভাবে কিছুই নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। সুপার কাপের(Super Cup) ডার্বিতে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন সওল ক্রেসপো(Saul Crespo)। সেই থেকেই তাঁর খেলা নিয়ে একটা গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। যদিও ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) সেমিফাইনালে পৌঁছনোর রাতেই কোচ অস্কার ব্রুজোঁর(Oscar Bruzon) সঙ্গে স্পেনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠের এই তারকা ফুটবলার। কিন্তু তাঁর চোটটা বেশ চিন্তাতেই রেখেছিল লাল-হলুদ টিম ম্যানেজমেন্টকে। বাকি ফুটবলাররা শহরে চলে এলেও, তিনি কিন্তু ১০ নভেম্বরের মধ্যে শহরে ফেরেননি। স্পেনে ব্যক্তিগত চিকিৎসকের তত্ত্ববধানেই চালাচ্ছিলেন নিজের রিহ্যাব। অবশেষে ১২ নভেম্বরই শহরে পৌঁছেছেন সওল ক্রেসপো। তবে ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতিতে যোগ দেননি তিনি। শোনাযাচ্ছে এখনই নাকি তাঁর যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও নেই। তবে এখানেই রিহ্যাব সারবেন ক্রেসপো। কোচ আসার পর এবং মেডিক্যাল দল তাঁর পরীক্ষা নীরিক্ষা করার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। শোনাযাচ্ছে আগামী সপ্তাহ থেকে ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলনে যোগ দিতে পারেন সওল ক্রেসপো। হাতে যেহেতু সময় রয়েছে, সেই কারণেই ক্রেসপোকে নিয়ে বাড়তি ঝুঁকি নিতে নারাজ লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। আপাতত এখানে রিহ্যাব সারবেন তিনি। চলতি সুপার কাপের মঞ্চে ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠের অন্যতম প্রধান ভরসা ছিলেন সওল ক্রেসপো। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে প্রতিটি ম্যাচেই নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন এই স্প্যানিশ তারকা। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।