রাসেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন, মোহভঙ্গ ভেঙ্কটেশেও

গত মরসুমে খারাপ পারফরম্যান্সের পর থেকেই কেকেআরের(KKR) দল গঠন নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিলেন বিশেষজ্ঞ থেকে প্রাক্তনরা। বিশেষ করে ভেঙ্কটেশ আইয়ারের(Venkatesh Iyer) ২৩ কোটি দাম নিয়েও নানান সমালোচনায় পড়তে হয়েছিল তাদের। নতুন মরসুমের আগেই ২৩ কোটির ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। একইসঙ্গে আন্দ্রে রাসেলের(Andre Russell) সঙ্গে ১২ বছরের সম্পর্কও ভাঙল কলকাতা নাইট রাইডার্স(KKR)। আর তাতেই বেশ হতবাক সকলে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর আইপিএলের নিলাম। সেখানে যে বেশ কিছু ক্রিকেটারদের কেকেআর(KKR) টার্গেট করে রেখেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু ভালো ক্রিকেটারকে দলে নিতে গেলে প্রয়োজন পর্যাপ্ত অর্থের। আর সেই কারণেই যে ভেঙ্কটেশ আইয়ারকে(Venkatesh Iyer) ছাড়ার সিদ্ধান্ত তারা নিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শেষবার ভেঙ্কটেশকে ২৩ কোটি টাকা দিয়ে নেওয়ার পর, বেশ কিছু ক্রিকেটারটকে টার্গেট করার পরও কিনতে পারেনি তারা। কারণ একটাই তাদের পার্সে সই পরিমাণ অর্থ ছিল না। সবদিক বিচার করেই এবার ভেঙ্কটেশ আইয়ারকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সকলকে চমকে দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে আন্দ্রে রাসেলকে(Andre Russell)। দীর্ঘ ১২ বছর এই ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে রয়েছেন তিনি। তবে রাসেলকে নতুন নিলাম থেকে নেওয়ার একটা সুযোগ রয়েছে নাইট রাইডার্সের(KKR) কাছে। শনিবার রিটেন ক্রিকেটারদার তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে নাইট রাইডার্স। দলে রাখা হয়েছে অজিঙ্ক রাহানেকে। এই মরমুমে অধিনায়কের জন্য রোহিত এবং কেএল রাহুলের জন্য ঝাপালেও শেষপর্যন্ত তা হয়নি। সেই দিক বিচার করেই শেষপর্যন্ত রাহানেকে না ছাড়ার পথেই গিয়েছে তারা। নতুন মরসুমের জন্য কেকেআরের এখন ১৩টি স্লট ফাঁকা রয়েছে। নাইট রাইডার্স রিটেন করল যাদের অজিঙ্ক রাহানে, অঙ্গক্রিশ রঘুবংশী, অনুকূল রয়, হর্ষিত রানা, মনীশ পান্ডে, রমনদীপ সিং, রিঙ্কু সিং, রভম্যান পাওয়েল, সুনীল নারাইন, উমরান মালিক, বৈভব অরোরা, বরুণ চক্রবর্তী আগামী ১৬ ডিসেম্বর আগামী মরসুমের জন্য মিনি নিলাম। সেখানেই কলকাতা নাইট রাইডার্স অংশ নেবে ৬৪কোট টাকা নিয়ে। আসন্ন মরসুমের আহে নাইট শিবির কেমন দল গঠন করে সেটাই দেখার।
আইএসএল কবে, উত্তর হাতড়াচ্ছেন অস্কারও

কবে হবে আইএসএল(ISL)? দলের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেলেও, এই প্রশ্নের উত্তর কিন্তু হাতরে বেড়াচ্ছেন খোদ অস্কার ব্রুজোঁও(Oscar Bruzon)। গত শুক্রবার শহরে এসেই ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন অস্কার। শনিবার থেকে কার্যত জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। এদিন থেকেই ছোট ছোট দলে ফুটবলারদের ভাগ করে প্রস্তুতি সারেন অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। সেইসঙ্গে পাসিং ফুটবলের ওপর একটু বেশিই জোর দিচ্ছেন তিনি। কিন্তু অস্কারের(Oscar Bruzon) মাথায় কিন্তু বারবার আইএসএল হওয়া নিয়েই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তিনি নাকি টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে আইএসএল নিয়ে আপডেটও চাইছেন। যদিও সেখান থেকেও কিছু পাননি তিনি। সকলের মতো অস্কার ব্রুজোঁও নাকি এখন এই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন। অস্কার আসে আগে হাল্কা প্রস্তুতিই সারছিলেন ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) ফুটবলাররা। বিনো জর্জের তত্ত্ববধানেই সারছিলেন প্রস্তুতি। শুক্রবার থেকেই ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছিলেন অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। শনিবার সকাল থেকেই সুপার কাপের সেমিফাইনালে কো ফর্মেশনে ফুটবলারদের খেলাবেন সেই নিয়ে ছক কষতে শুরু করে দিয়েছেন তিনি। এদিন প্রতিটি ফুটবলারদের চারটি আলাদা আলাদা দলে ভাগ করে অনুশীলন করেন তিনি। আগামী সোমবার থেকে যে প্রস্তুতিতে আরও জোর দেবে ইস্টবেঙ্গল সেই কথা নিজেই জানিয়ে দিয়েছিলেন অস্কার। সেইসঙ্গে কয়েকটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলারও সম্ভাবনা রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। আইএসএল নিয়ে অনিশ্চয়তার মাঝে এই সুপার কাপই এখন ইস্টবেঙ্গলের কাছে সবে ধণ নীলমণি।
ব্যাটাররা ব্যর্থ হলেও জাদেজার দাপটে জয়ের সামনে ভারত

ব্যটাররা ব্যর্থ হলেও ইডেনে ভারতীয় বোলারদের(Indian Bowlers) দাপটে দ্বিতীয় দিনের শেষে জয়ের অনেকটাই কাছে ভারতীয় দল। দক্ষিণ আফ্রিকাকে তৃতীয় দিন প্রথম সেশনের মধ্যে শেষ করে দিতে পারলে, ভারতের জয়টা যে শুধুই সময়ের অপেক্ষা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দ্বিতীয় দিন ভারত মাত্র ৩০ রানের লিডই নিতে পেরেছিল। কিন্তু বল হাতে এদিন ইডেনের পিচে বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা(Ravindra Jadeja)। তিনি একাই চার উইকেট তুলে ভারতের জয়ের রাস্তা যে অনেকটাই প্রশস্ত করে দিয়েছেন। সেইসঙ্গে কুলদীপের(Kuldeep Yadav) দুটো উইকেট এবং অক্ষর পটেলের(Axar Patel) এক উইকেট। ভারতের সামনে বাধা এখন শুধুই টেম্বা বাভুমা। দ্বিতীয় দিন ভারত শেষ হয় ১৮৯ রানে। জবাবে ব্যটিং করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার ৭ উইকেটে ৯৩। ইডেনের(Eden Gardens) এই পিচে যে প্রথম সেশনটা দ্বিতীয় দিন ভারতীয় ব্যাটারদের কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে চলেছিল সেই আভাসটা আগেই পাওয়া গিয়েছিল। হলও তাই। প্রথম দিন রাহুল এবং ওয়াশিংটন সুন্দর(Washington Sundar) ক্রিজে থাকলেও, দ্বিতীয় দিন বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি তারা। দ্বিতীয় দিন রাহুলের সঙ্গে মাত্র ১৮ রান যোগ করেই সাজঘরে ফেরেন ওয়াশিংটন সু্ন্দর। এরপরই ভারতীয় শিবিরে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা লাগে। ঘাঁরে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় শুভমন গিলকে। কঠিন পরিস্থিতিতে গিলের চোটটা যে ভারতীয় শিবিরের চাপটা অনেকটাই বাড়িয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এরপর কেএল রাহুল সাজঘরে ফিরতেই ভেঙে পড়ে ভারতীয় দলের ব্যাটিং লাইনআপ। রবীন্দ্র জাদেজা(Ravindra Jadeja) এবং ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant) একটু চেষ্টা করলেও সেভাবে কিছুই করতে পারেননি। হারমারের স্পিনে তখন নাজেহাল ভারতীয় দল। তিনি একাই তুলে নেন ৪ উইকেট। শেষপর্যন্ত ১৮৯ রানেই শেষ ভারত। মাত্র ৩০ রানের লিড নিয়েই থামে ভারতের প্রথম ইনিংস। দক্ষিণ আফ্রিকা সেই সময় বেশ অ্যাডভান্টেজেই ছিল। কিন্তু ম্যাচের ক্লাইম্যাক্স অপেক্ষা করছিল একটু পরে। রবীন্দ্র জাদেজার(Ravindra Jadeja) স্পিনের সামনে ক্রমশই অসহায় হতে শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের সবচেয়ে বিধ্বংসী দুই ব্যাটার মার্করাম এবং মুলডারকে ৩৮ রানের মধ্যেই সাজঘরে ফিরিয়ে দেন তিনি। ডে জর্জি এবং ট্রিস্টিয়ান স্টাবসও তাঁরই শিকার। সেইসঙ্গে কুলদীপ যাদব এবং অক্যর পটেলের যোগ্য সঙ্গত। ৯৩ রানের মধ্যেই ৭ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে প্রোটিয়া শিবির। সেইসঙ্গে তাদের লিড মাত্র ৬৩ রানের। ভারতের এখন অন্যতম প্রধান লক্ষ্য দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১০০ রানের মধ্যে শেষ করে দেওয়া। ক্রিজে রয়েছেন টেম্বা বাভুমা। তৃতীয় দিনের শুরুতে যে ভারতের প্রথম লক্ষ্য বাভুমা তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
আইপিএলে এবার রাজস্থানের জার্সিতে নামবেন জাদেজা

ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা(INDvSA) প্রথম টেস্ট চলাকালীনই শিবির বদলে ফেললেন ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার। আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের(CSK) সঙ্গে এতদিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে এবার রাজস্থান রয়্যালস(RR) শিবিরে গেলেন রবীন্দ্র জাদেজা(Ravindra Jadeja)। আর তাতেই কার্যত হতবাক সকলে। এই মরসুমে সঞ্জু স্যামসনকে(Sanju Samson) পাওয়ার জন্যই এবার রবীন্দ্র জাদেজা এবং স্যাম কারানকে একসঙ্গে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। চেন্নাই সুপার কিংসের(CSK) সঙ্গে একেবারে আইপিএলের জন্ম লগ্ন থেকেই সম্পর্ক রবীন্দ্র জাদেজার(Ravindra Jadeja)। চেন্নাইয়ের হয়ে অধিনায়কও হয়েছিলেন এক মরসুমে। যদিও সাফল্য পাননি। এবার সেই জাদেজাকেই ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধা্ন্ত নিল চেন্নাই সুপার কিংস(CSK)। এই মরসুমে নতুনভবে দল গড়ছে তারা। সেখানেই সঞ্জু স্যামসনকে(Sanju Samson) পেতে মরিয়া ছিল চেন্নাই। তার পরিবর্তে সোয়াপ ডিলে রাজস্থানকে স্যার জাড্ডু(Ravindra Jadeja) এবং স্যাম কারানকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই মুহূর্তে ভারতীয় দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলছেন রবীন্দ্র জাদেজা(Ravindra Jadeja)। বল হাতে বেশ ছন্দেও রয়েছেন তিনি। ইডেন গার্ডেন্সেই ভারতীয় দলের জার্সিতে বিশ্ব টেস্ট টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ১৫০ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। সেইসঙ্গে ঘরের মাঠে টেস্টে ২৫০ উইকেটও তুলে ফেললেন রবীন্দ্র জাদেজা। সেই দিনই আবার চেন্নাই সুপার কিংসও ছাড়লেন ধোনির প্রিয় স্যার জাড্ডু। চেন্নাই সুপার কিংসের বহু সাফল্যের সাক্ষী তিনি। চেন্নাইয়ের জার্সিতেও জাদেজার ঝুলিতে রয়েছে ১৫০টির ওপর উইকেট। এবার আর হলুদ নয়, গোলাপী জার্সিতেই মাঠে নামতে দেখা যাবে জাদেজাকে। একইসঙ্গে স্যাম কারাণকেও ছেড়ে দিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। দুটো সিদ্ধান্ত নেওয়াই যথেষ্ট কঠিন হলেও, সঞ্জু স্যামসনের জন্যই এবার এই পথে হাঁটল চেন্নাই সুপার কিংস।
ঘাঁরে চোট গিলের, দ্বিতীয় দিন ফিল্ডিংয়েও নামলেন না ভারত অধিনায়ক

শুভমন গিলকে(Shubman Gill) নিয়ে চিন্তায় ভারতীয় শিবির। ব্যাটিং করার সময়ই ঘাঁরে চোট পান তিনি। আর তাতেই দ্বিতীয় দিন মাঠেই নামতে পারলেন না ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক। শুভমন গিলের(Shubman Gill) এই চোট যে ভারতীয় দলের চিন্তা বেশ খানিকটা বাড়িয়ে দিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই মুহূর্তে দলের মেডিক্যাল টিমের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন শুভমন গিল। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে। দ্বিতীয় দিন ওয়াশিংটন সুন্দর(Washington Sundar) সাজঘরে ফেরার পরই আসেন শুভমন গিল। শুরু থেকে বেশ ছন্দেই ছিলেন তিনি। কেএল রাহুলের সঙ্গে সেই সময় গিলের(Shubman Gill) থেকে একটা বড় পার্টনারশিপের লক্ষ্যেই ছিল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। হামারের বলে সুইপে দুরন্ত বাউন্ডারি হাঁকানোর সঙ্গেই বিপত্তি। হঠাৎই ঘারের অস্বস্তি বোধ করতে থাকেন তিনি। এরপরই মাঠে ফিজিও আসতে বাধ্য হন। শুভমন গিলকে আর মাঠে রাখার ঝুঁকি নিতে পারেনি ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। রিটায়ার হার্ট ঘোষণা করেই শেষপর্যন্ত সাজঘরে ফিরে যেতে হয় শুভমন গিলকে। সেটাই যে ভারতীয় দলের এই মুহূর্তে সবচেয়ে বডজ় চিন্তার বিষয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এরপরই বিসিসিআইয়ের তরফে একটি টুইট করে শুভমন গিল যে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন সেই কথা জানানো হয়। অপেক্ষা ছিল ফিল্ডিংয়ের সময় তিনি মাঠে নামেন কিনা। শেষপর্যন্ত সেটা কিন্তু হয়নি। এদিন আর মাঠে নামেননি শুভমন গিল। তাঁর পরিবর্তে সহ অধিনায়ক শুভমন গিলের ওপরই ছিল ভারতীয় দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব। ইডেন টেস্টের পর ভারতকে খেলতে হবে গুয়াহাটিতে। তার আগে শুভমন গিলের এই চোট যে ভারতীয় শিবিরকে বেশ চিন্তায় ফেলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।