হল না বৈঠক, ফেডারেশনের ওপর ক্রমশই বিরক্ত হয়ে পড়ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলো

ফেডারেশনের(AIFF) ওপর ক্রমশই বিরক্ত হয়ে পড়ছেন ক্লাব কর্তারা। আইএসএল(ISL) কবে হবে তা এখন বিশ বাও জলে। ভারতের সেরা লিগ আদৌ ভোরের আলো দেখতে পাবে কিনা তা নিয়েই দেখা দিয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা। এমন পরিস্থিতিতেই এবার ক্লাবগুলো ক্রমশ ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ছে ফেডারেশনের ওপর। মঙ্গলবার নাগেশ্বর রাওয়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য দিল্লি গিয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তারা(ISL Clubs)। বৈঠক আয়োজন করা হলেও, সেই বৈঠকেই এলেন না খোদ নাগেশ্বর রাও। ফেডারেশনের(AIFF) নতুন সংবিধান হচ্ছে। আর সেখানেই দেখা দিয়েছে সমস্যা। কার্যত ফেডারেশনের সঙ্গে সমস্যা বেড়েছিল এফএসডিএলের। ফে়ারেশনের ডাকা বিডে অংশগ্রহন করেনি কেউই। এরপর থেকেই শুরু হয়েছে আইএসএল হওয়া ঘিরে জট। এমন পরিস্থিতিতেই প্রতিটি ক্লাবের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক ডেকেছিল ফেডারেশন। সেখানেই মূল উপস্থিত থাকার কথা ছিল নাগেশ্বর রাওয়ের। কিন্তু সেটাই এদিন হল না। সমস্ত ক্লাব না গেলেও, বেশিরভাগ ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তারাই সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্তু তারা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলেও শেষপর্যন্ত তা বাতিলই হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতিই বিরক্তি বাড়ছে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্জাইজি কর্তাদের। শোনাযাচ্ছে এফসি গোয়ার কর্তারা নাকি গোয়া ফুটব অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ করেছিল। তারা যে ফেডারেশনের ওপর ক্রমশই আশা হারাচ্ছে এবং বিরক্ত হয়ে পড়ছে সেই কথাই জানিয়েছে। আইএসএল আদৌ হবে কিনা তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত অন্ধকারে তারা সকলেই। শেষপর্যন্ত কোনওরকম সমাধন সূত্র বেড়োয় কিনা সেটাই দেখার।
ইস্টবেঙ্গলের আবেদন নাকোচ ফেডারেশনের, এই সপ্তাহেও মাঠের বাইরে গিল, ক্রেসপো

ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) আবেদন নাকোচ করে দিল ফেডারেশন(AIFF)। সুপার কাপের(Super Cup) সেমিফাইনালের দিন বদলাচ্ছে না। তবে বদলাচ্ছে লাল-হলুদের(Eastbengal) সেমিফাইনালে নামার সময়। কারণ এই ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে ফলাফল না হলে, খেলা গড়াতে পারে টাই ব্রেকারে। সেই কারণেই বদলে যেতে পারে ইস্টবেঙ্গল বনাম পঞ্জাব(EBvPFC) ম্যাচের সময়। ইস্টবেঙ্গল ফ্লাড লাইটে খেলতে চেয়ে ফেডারেশনের কাছে তাদের ম্যাচ একদিন আগে এগোনর আবেদন করেছিল। কিন্তু ব্রডকাস্টিং সংস্থার সমস্যার জেরেই, লাল-হলুদের সেই আবেদন নাকোচ করে দেওয়া হয়েছে। এরফলে ৪ ডিসেম্বরই সেমিফাইনালের ম্যাচে নামতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে(Eastbengal)। অন্যদিকে সেমিফাইনালের প্রস্তুতি আরও ভালোভাবে নেওয়ার জন্য আগামী সপ্তাহেই গোয়ার উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। সেখানকার পরিবেশ থেকে আবহাওয়ার সঙ্গে আরও একটু ভালো ভাবে নিজেদের মানিয়ে নিতে চায় তারা। সেই কারণে হাতে বেশ কয়েকটা দিন রেখেই গোয়ায় পৌঁছে যেতে চলেছে লাল-হলুদ টিম ম্যানেজমেন্ট। সুপার কাপের সেমিফাইনালের আগে কোনওরকম খামতি রাখতে নারাজ তারা। তবে ক্রেসপো(Saul Crespo) এবং গিলকে(Prabhsukhan Gill) নিয়ে কিন্তু সমস্যা কাটছে না ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) শিবিরের অন্দরে। গত সোমবার থেকে লাল-হলুদ শিবিরে তারা যোগ দিয়ে দিলেও, এখনও পর্যন্ত প্রস্তুতিতে নামতে পারননি। কারণ তারা পুরোপুরি নাকি সুস্থ নন। চলতি সপ্তাহটা তারা মাঠের বাইরে ফিজিক্যাল ট্রেনারের সঙ্গেই কাটাবেন। সবকিছু ঠাকঠাক চললে একেবারে আগামী সপ্তাহ থেকেই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) অনুশীলনে যোগ দেবেন তারা। আর সেটা একেবারে গোয়াতেই হতে চলেছে। অন্যদিকে এদিনও ক্লোজডোর অনুশীলনই সারলেন অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। বাইরের কাউকেই এদিনও অনুশীলনের কাছেও যেতে দেওয়া হয়নি। তাঁর কৌশল থেকে পরিকল্পনা যাতে একেবারেই বাইরে না আসে সেদিকেই অত্যন্ত সতর্ক ইস্টবেঙ্গলের হেডস্যার।
প্রোটিয়াদের স্পিন সামলাতে বিশেষ প্রস্তুতি ভারতের

দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) স্পিন আক্রমণ থেকে বাঁচতে বিশেষ কৌশল ভারতীয় ব্যাটারদের(Indian Batters)। মঙ্গলবার ইডেনে শেষ প্রস্তুতি সেরে গুয়াহাটির উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে ভারতীয় দল। তার আগেই সাই সুদর্শন(Sai Sudarshan) এবং ধ্রুব জুরেল(Dhruv Jurel) নেমেছিলেন অপশলান অনুশীলনে। সেখানেই স্পিন আক্রমণ রুখতে এক প্যাডে প্রস্তুতি সারতে দেখা গেল তাদের। টেস্টের বহু পুরনো অনুশীলনের ছন্দই যেন ফের একবার ফিরল ভারতীয় শিবিরে। কোচেদের এই ট্যাকটিক্স বহু পুরনো। স্পিনের বিরুদ্ধে ভালো খেলার জন্য বারবারই দেখা যেন এই ছবি। ব্যাটাররা একটি প্যাড পরে অনুশীলন সারত। কারণ একটাই। ফ্রন্টফুট প্যাডে যাতে বল না লাগে। সেই বলও ব্যাট দিয়েই ডিফেন্স করার জন্য এটা ছিল এক বিশেষ একটা কৌশল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে নামার আগে সেদিকেই এখন বিশেষ নজর ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের। দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিন আক্রমণের সামনে ইডেন গার্ডেন্সে(Eden Gardens) একেবারেই এঁটে উঠতে পারেনি ভারতীয় দলের ব্যটাররা। বিশ্রীভাবে হেরেছে টিম ইন্ডিয়া। বিশেষ ভারতের বাঁহাতি ব্যাটাররা দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) অফ স্পিনারদের বিরুদ্ধে একেবারেই স্বাচ্ছন্দ বোধ করতে পারেননি। সেই দিকেই এখন বিশেষ নজর ভারতীয় দলের। সিরিজে সমতায় ফিরতে হলে গুয়াহাটিতে জিততেই হবে ভারতীয় দলকে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্টে যেভাবে পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল ভারতী ব্যাটাররা, সেটা যে বেশ চিন্তার তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেই কারণেই তো এবার ধ্রুব জুরেল(Dhruv Jurel), সাই সুদর্শনদের(Sai Sudarshan) দেখা যাচ্ছে একটি প্যাড পরে প্রস্তুতি সারতে। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ভারত মান বাঁচাতে পারে কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
গিলের ব্যাকআপ হিসাবে দ্বিতীয় টেস্টে নীতিশ রেড্ডি

প্রথম টেস্টের আগে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, গুয়াহাটি টেস্টের আগে ফের ভারতীয় দলে ডাক পেলেন নীতিশ রেড্ডি(Nitish Reddy)। গুয়াহাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে নামবে ভারতীয় দল। সেখানেই শুভমন গিলের(Shubman Gill) সাবস্টিটিউট হিসাবে নীতিশ রেড্ডিকে ফের একবার ডেকে পাঠানো হয়েছে ভারতীয়-এ দল থেকে। শুভমন গিল একান্তই কেলতে না পারলে সেই জায়গাতে দেখা যেতে পারে নীতিশ রেড্ডিকে(Nitish Reddy)। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের দ্বিতীয় দিনই ব্যাটিংয়ের সময় ঘাড়ে হঠাৎই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল ভারতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ককে। এরপর আর মাঠে নামতে পারেননি শুভমন গিল(Shubman Gill)। শুধুমাত্র তাই নয় হাসপাতালেও কাটাতে হয়েছিল এক রাত। এরপর থেকেই দ্বিতীয় টেস্টে তিনি খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়েই শুরু হয়েছিল জল্পনা। তাঁর ঘাঁড় স্টিফ হয়ে গিয়েছিল। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও তিনি খেলার মতো জায়গায় রয়েছে কিনা তা চূড়ান্ত পরীক্ষা নীরিক্ষার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গুয়াহাটিতে যদি একান্তই খেলার মতো পরিস্থিতিতে শুভমন গিল(Shubman Gill) না থাকেন সেক্ষেত্রে কলকাতা থেকেই সরাসরি বোর্ডের সেন্টার অব এক্সিলেন্সে হয়ত চলে যেতে পারেন শুভমন গিল। আগে থেকেই তাঁর ব্যাকআপ হিসাবে নীতিশ কুমার রেড্ডিকে(Nitish Reddy) দ্বিতীয় টেস্টের জন্য ডেকে নেওয়া হয়েছে। ইডেন টেস্ট শুরু হওয়ার আগেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল নীতিশ রেড্ডিকে(Nitish Reddy)। ভারতীয়-এ দলের শিবিরেই যোগ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শুভমন গিলের(Shubman Gill) চোটটাই বদলে দিয়েছে সমস্ত হিসাব নিকাশ। ভারতীয় দলের অধিনায়ক হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে গেলেও তিনি গুয়াহাটিতে খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে কিন্তু এখনও পর্যন্ত বোর্ডের তরফ থেকে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। যদিও চিকিৎসকদের তরফ থেকে গিলকে দলের সঙ্গে ট্রাভেল করার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে তিনি কতটা খেলার মতো জায়গায় থাকবেন তা নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতেই আগে থেকেই যথেষ্ট সতর্ক ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। গুয়াহাটিতেই ভারতীয় শিবিরে যোগ দেবেন নীতিশ রেড্ডি।