দুরন্ত সামি-শাহবাজরা, অসম ম্যাচে বাংলার ৩ পয়েন্ট

মহম্মদ সামি(Mohammed Shami), শাহবাজ আহমেদ(Shahabaz Ahamed) দ্বিতীয় ইনিংসেও দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখালেও ম্যাচ জিততে পারল না বাংলা। আসলে সময় শেষ। অসমের সঙ্গে ড্র করে তিন পয়েন্ট নিয়েই ফিরল বঙ্গ(Bengal) ব্রিগেড। কিন্তু আরও একবার নজর কাড়লেন মহম্মদ সামি(Mohammed Shami)। এই ম্যাচেও দুই ইনিংস মিলিয়ে তুলে নিলেন ছয় উইকেট। যেভাবে বাংলা(Bengal) এই ম্যাচে শুরুটা করেছিল, অনেকেই বোনাস পয়েন্টের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল। ম্যাচের চতুর্থ দিন অসমকে অল আউট করতে পারলেই সেই স্বপ্নও পূরণ হয়ে যেত। কিন্তু হল না। ফলোঅন খেয়েও শেষপর্যন্ত কোনওরকমে ম্যাচ ড্র করে দিল অসম(Assam)। তবে এই ইনিংসে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন শাহবাজ আহমেদ। তবে সময়ের অভাবে শেষপর্যন্ত ড্র করেই থামতে হল বঙ্গ ব্রিগেডকে। এখনও পর্যন্ত রঞ্জি ট্রফিতে(Ranji Trophy) অপরাজিত তকমা ধরে রেখেই এগিয়ে চলেছে বাংলা(Bengal)। বাংলার রানের পাহাড় প্রথম ইনিংসেই টপকাতে পারেনি অসম। ফলোঅন দিয়েছিলেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ(Abhimanyu Easwaran)। প্রথম ইনিংসে দুরন্ত পারফরম্যান্স সামির। তিনি একাই তুলে নিয়েছিলেন চার উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলার ভরসা ছিলেন তিনিই। কারণ অসমের বিরুদ্ধে যদি ইনিংসে জিততে পারত তবে বোনাস পয়েন্ট পেতে পারত বঙ্গ ব্রিগেড। সেই লক্ষ্যে শেষদিন লক্ষ্য ছিল দশ উইকেট। বাংলার বোলাররা সেভাবে আগ্রাসন দেখালেও শেষরক্ষা করতে পারেনি। শাহবাজের(Shahabaz Ahamed) একাই তুলে নেওয়া চার উইকেট। সামিও(Mohammed Shami) তুলে নিয়েছিলেন ২ উইকেট। কিন্তু দেনিশ, সুমিত এবং শিবরামদের অর্ধশতরানের ইনিংস গুলোই খানিকটা হিসাব বদলে দিয়েছিল। আর সেটাই বাংলার হাত থেকে ছয় পয়েন্টটা কেড়ে নিল। ম্যাচ ড্র করে তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ল বাংলা।
শীতের দিল্লিতে খেলা নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা সুপ্রিম কোর্টের

বছরের শেষ দুটো মাস দিল্লি-এসিআরের(Delhi Ncr) দূষণের(Air Pollution) মাত্রা মাত্রাতিরিক্তভাবে বাড়তে থাকে। সেই কথা মাথায় রেখেই সেখানকার স্কুল এবং বয়স ভিত্তিক খেলার ক্ষেত্রে বিরাট নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট(Suprme Court)। এমন দূষণের মধ্যে কোনোরকম স্কুল প্রতিযোগিতা করা যাবে না। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের তরফে। এই পরিস্থিতিকে শিশুদের জন্য সরাসরি গ্যাস চেম্বার বলতেও দ্বিধা করেননি তারা। নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসে দিল্লি এনসিআরে(Delhi Ncr) বায়ুদূষণের(Air Pollution) অবস্থা খুবই খরাপ থাকে। সেই ছবি আগেও বারবার দেখা গিয়েছে। আর সেই দূষণের জন্য রঞ্জি ট্রফির ম্যাচ থেকে আন্তর্জাতিক ম্যাচেও সমস্যা হতে দেখা গিয়েছে। এমনকি ম্যাচ পরিত্যক্ত পর্যন্ত হতে দেখা গিয়েছে। এবার এই পরিস্থিতি নিয়েই সু্প্রিম কোর্টের তরফে বিশেষ নির্দেশিকা। এমন পরিস্থিতিতে বয়স ভিত্তিক খেলা এবং স্কুলের প্রতিযোগিতা গুলো না করারই বার্তা দেওয়া হয়েছে। বছরের অন্য কোনও সময়েই সেই সমস্ত প্রতিযোগিতা সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।
বিরাট, সচিনদের পিছনে ফেলে বিশ্বরেকর্ডের মালিক শাই হোপ

নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী সেঞ্চুরি। দল হারলেও ন্যাপিয়ারে ক বিরাট রেকর্ডের মালিক হলেন শাই হোপ(Shai Hope)। যে কাজ সচিন(Sachin Tendulkar), দ্রাবিড় এবং বিরাট কোহলির(Virat Kohli) মতো ক্রিকেটাররাও করতে পারেননি, সেটাই করে দেখালেন ক্যরিবিয়ান অদিনায়ক শাই হোপ(Shai Hope)। প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে বিশ্ব ক্রিকেটের ১২ টি টেস্ট খেলা দেশের বিরুদ্ধেই সেঞ্চুরি হাঁকালেন তিনি। তাঁর পিছনে রয়েছেন ভারতের একমাক্র রাহুল দ্রাবিড়। নিউ জিল্যান্ডের(New Zealand) বিরুদ্ধে ওয়েস্ট ইন্ডিজ(West Indies) জিততে পারেনি ঠিকই। কিন্তু দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন শাই হোপ। কার্যত তাঁর বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ভর করেই নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খানিকটা ভদ্রস্থ জায়গায় পৌঁছতে পেরেছিল ক্যরিবিয়ান ব্রিগেড। সেখানেই শাই হোপের অসাধারণ সেঞ্চুরি ইনিংস। ১০৯ রানের ইনিংস খেলে ব্রায়ান লারার রেকর্ডও ছুঁয়ে ফেললেন হোপ(Shai Hope)। এই মুহূর্তে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ওডিআই ফর্ম্যাটে ১৯টি সেঞ্চুরিও করে ফেললেন তিনি। তাদের সামনে রয়েছেন শুধুমাত্র ক্রিস গেইল। নিউ জিল্যান্ডের ঘরের মাঠে তাদের বিরুদ্ধেই খেলতে নেমেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুটা ভালোভাবে করতে বা পারলেও, শাই হোপ মাঠে আসার পরই বদলে গিয়েছিল চিত্রটা। তাঁর একের পর এক বড় শটে ভর করেই খাদের কিনার থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ওয়েস্ট ই্ন্ডিজ। যদিও ক্যারিবিয়ান ব্রিগেড জিততে পারেননি সেই ম্যাচ। কিন্তু সেখানেই ৬৯ রানে ১০৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন শাই হোপ। তাঁর গোটা ইনিংসটি সাজানো ছিল ১৩টি চার এবং ৪টি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বৃষ্টি বিঘ্নিত এই ম্যাচে সেঞ্চুরি করার পরই বিরাট, সচিনদের টপকে নতুন রেকর্ডের মালিক শাই হোপ।
ভারতীয় দলের সঙ্গেই গুয়াহাটি যাচ্ছেন শুভমন গিল

ঘাঁড়ে চোট পেলেও এখনই ভারতীয় দল থেকে ছিটকে যাচ্ছেন না অধিনায়ক শুভমন গিল(Shubman Gill)। দ্বিতীয় টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শুভমন গিলকে(Shubman Gill) রেখেই পপরিকল্পনা সাজাচ্ছে ভারতীয় দল। ঘাঁড়ে চোট থাকলেও ভারতীয় দলের সঙ্গেই গুয়াহাটিতে উড়ে গেলেন শুভমন গিল। তাঁর ব্যাক আপ ক্রিকেটার এলেও, এখনই গিলের খেলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। ইডেন(Eden Gardens) টেস্টে দ্বিতীয় দিনই ঘাঁড়ে বড়সড় চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক শুভমন গিল(Shubman Gill)। সেই থেকেই শুরু হয়েছিল জল্পনাটা। প্রথম ম্যাচের তৃতীয় দিন আর মাঠে নামতেই পারেননি শুভমন গিল। এমনকি চোট এতটাই বড়সড় হয়ে গিয়েছিল যে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হতে বাধ্য হয়েছিলেন। একদিন রেখে গত রবিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন শুভমন গিল। এরপর থেকেই একটা জল্পনা শুরু হয়েছিল। তিনি দ্বিতীয় টেস্টে আদৌ খেলতে পারবেন কিনা। টিম ম্যানেজমেন্টও সেই কথা ভেবে ইতিমধ্যেই নীতিশ রেড্ডিকে গিলের ব্যাকআপ ক্রিকেটার হিসাবে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল তবে কী দ্বিতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন শুভমন গিল! এখনও পর্যন্ত তেমন পরিস্থিতি হয়নি বলেই শোনা যাচ্ছে। ভারতীয় দলের সঙ্গে তাঁকে গুয়াহাটিতে যাওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসায় যে শুভমন গিল অত্যন্ত ভালো সাড়া দিচ্ছে সেই কথাও জানানো হয়েছে বোর্ডের তরফে। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, “শুভমন গিল চিকিৎসায় অত্যন্ত ভালো সাড়া দিচ্ছে এবং ১৯ নভেম্বরই ভারতীয় দলের সঙ্গে গুয়াহাটির উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে। আপাতত চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণের মধ্যে থাকবেন তিনি। তারপরই দ্বিতীয় টেস্টে শুভমন গিলের খেলা নিয়ে চূড়ন্ত সিদ্ধান্ত”।