প্রত্যাশা মতো আসন্ন সন্তোষেও বাংলার কোচ সঞ্জয় সেন

প্রত্যাশিত ছিল। সেটাই হল। আসন্ন সন্তোষ ট্রফির(Santosh Trophy) জন্যও বাংলার কোচ হলেন সঞ্জয় সেন(Sanjay Sen)। বৃহস্পতিবারই আইএফএ-র(IFA) কোচেস কমিটির বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয়ে গেল। আগে থেকেই এক প্রকার সঞ্জয় সেনের(Sanjay Sen) নাম ঠিক হয়ে গিয়েছিল। অপেক্ষা ছিল কোচেস কমিটির সম্মতি। বৃহস্পতিবার আইএফএ-র দফতরে বসেছিল সেই বৈঠক। সেখানেই সর্ব সম্মতিক্রমে বাংলা দলের কোচের পদে বসলেন সঞ্জয় সেন(Sanjay Sen)। গতবার সঞ্জয় সেনের(Sanjay Sen) কোচিংয়েই দীর্ঘদিন পর ফের একবার সন্তোষ ট্রফি(Santosh Trophy) চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলা দল। সঞ্জয় সেনকে নিয়ে সেই সময় থেকেই উচ্ছ্বাসে মেতেছিল সকলে। সঞ্জয় সেনের জয়ী বাংলা দল থেকে আইএএসএলের জন্য ইস্টবেঙ্গলেও সুযোগ পেয়েছিলেন ফুটবলাররা। সেই সঞ্জয় সেনের ওপর এবারও ভরসা রাখল আইএফএ। এই মরসুমের কলকাতা লিগের ম্যাসকট উন্মোচনের সময়ই আইএফএ-র কাছে ফের একবার সঞ্জয় সেনকে বাংলার কোচ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস(Arup Biswas)। মঞ্চে উপস্থিত থাকা সচিব অনির্বাণ দত্ত(Anirban Dutta) এবং অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে(Ajit Banerjee) এই বিষয়টি দেখার অনুরোধও করেছিলেন তিনি। এরপরই অবশ্য আইএফএ সচিব জানিয়েছিলেন এই বিষয়ে শেষপর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আইএফএ-র কোচেস কমিটি। এদিনের বৈঠকে সর্ব সম্মতিক্রমে আবারও সঞ্জয় সেনকেই বেছে নেওয়া হল। কোচেস কমিটির সদস্যরা ছাড়াও এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, সচিব অনির্বাণ দত্ত সহ সহ সচিব রাকেশ ঝাঁও।
ছুটিতে আনোয়ার, স্বস্তি ফিরিয়ে অনুশীলন শুরু গিল, ক্রেসপোদের

প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। বৃহস্পতিবারই ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতিতে যোগ দিলেন নাওরেম মহেশ(Naorem Mahesh), জয় গুপ্তা(Jay Gupta) এবং এডমুন্ড লালরিনডিকা(Edmund Lalrindika)। কিন্তু লাল-হলুদের অনুশীলনে এলেন না লাল-হলুদের সেরা ডিফেন্ডার আনোয়ার আলি(Anwar Ali)। আর তাতেই শুরু হয়েছিল জোর জল্পনা। তবে কি চোট নিয়ে ফিরেছেন তিনি। না এমন কিছু হয়নি। শোনাযাচ্ছে কিছু ব্যক্তিগত কাজের জন্যই নাকি বাড়ি ফিরে গিয়েছেন আনোয়ার। তার কিছু ব্যাক্তিগত কাজের জন্যই দুদিনের ছুটি নিয়েছেন আনোয়ার। সুপার কাপের মঞ্চে আগামী ৪ ডিসেম্বর সেমিফাইনালে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে নামবে ইস্টবেঙ্গল(EBvPFC)। সেই প্রস্তুতিই এখন জোরকদমে চালাচ্ছে অস্কারের(Oscar Bruzon) লাল-হলুদ শিবির। ভারতীয় শিবির থেকে তিন ফুটবলার লাল-হলুদ শিবিরে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি, এদিন সওল ক্রেসপোও(Saul Crespo) নেমে পড়লেন লাল-হলুদের অনুশীলন। এছাড়া প্রভসুখন গিল(Prabhsukhan Gill) তো গত বুধবারই মাঠে নেমে পড়েছেন। অর্থাৎ সুপার কাপের(Super Cup) সেমিফাইনালের আগে অস্কার যে তাঁর পূর্ণশক্তির দল পেয়ে গিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গত বুধবার থেকেই জোরকদমে প্রস্তুতি আরম্ভ করে দিয়েছেন লাল-হলুদের ফুটবলাররা। পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে নামার আগে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবার সকালেই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) জুনিয়র দলের সঙ্গে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে অস্কারের(Oscar Bruzon) দল। সেখানেই যে দলের শক্তি থেকে দুর্বলতার নানান জায়গা গুলো তিনি দেখে নিতে চাইবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আইএসএল নিয়ে অনিশ্চয়তা চললেও, ইস্টবেঙ্গল দল আপাতত সেসব নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে সেমিফাইনালে পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচটা নিয়েই ভাবছে। পঞ্জাবকে কেমনভাবে হারানো যায়, কেভিন, রশিদদের নিয়ে এই পরিকল্পনাই এখন কষছেন লাল-হলুদের হেডস্যার।
উহানের কাছেই আটকে গেল ইস্টবেঙ্গলের দৌড়

শুরুটা দুরন্তভাবে করলেও দ্বিতীয় ম্যাচেই চ্যাম্পিয়নদের কাছে আটকে গেল ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দল(Eastbengal Womens Team)। এই ম্যাচে ড্র করতে পারলেই পরের রাউন্ডের ছাড়পত্র যোগার করে ফেলতে পারত ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দল(Eastbengal Womens Team)। কিন্তু উহানের বিরুদ্ধে সেভাবে কোনওরকম আক্রমণের ঝড়ই তুলতে পারল না মশাল গার্লসরা। ২-০ গোলে উহানের(Wuhan) কাছে হারল লাল-হলুদ ব্রিগেড। পরের ম্যাচটা যে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) কাছে কার্যত মরণ-বাঁচন হয়ে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রথম ম্যাচেই ইরানের বাম খাতুনকে(Bam Khatun) বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। এই ম্যাচেও তাদের নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছিল সকলে। কিন্তু শুরু থেকেই ছিল উহানের আক্রমণের ঝড়। সেখানে ম্যাচ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল উহানের সামনে। যদিও সেযাত্রায় ইস্টবেঙ্গলকে(Eastbengal Womens Team) রক্ষা করেছিল তাদের গোলকিপাপর। তবে সেই স্বস্তি দীর্ঘক্ষণের জন্য ছিল না। কিছুক্ষণের মধ্যেই সং ফেইয়ের গোলে এগিয়ে যায় উহান। এরপরই ইস্টবেঙ্গল ফের বিপদে। ভিএআর সিদ্ধান্তের জেরে পেনাল্টি পায় উহান। প্রথমার্ধের ২০ মিনিটের ২-০ গোলে এগিয়ে যায় উহান। সেই সময় থেকেই ইস্টবেঙ্গলের ওপর চাপ ক্রমশ বাড়তে থাকে। প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গল যে একেবারেই সুযোগ তৈরি করে পারেনি তা নয়। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেনি তারা। বারবারই আটকে গিয়েছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণের কাছে। ম্যাচের একেবারে শেষ লগ্নে ফের একটা সুযোগ তৈরি করেছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু এবারও ব্যর্থই হতে হয় তাদের। ০-২ গোলে হেরেই মাঠ ছাড়তে হয় লাল-হলুদের মহিলা ব্রিগেডকে। আগামী ২৩ নভেম্বর উজবেকিস্তানের পিএফসি নাসাফের বিরুদ্ধে নামবে ইস্টবেঙ্গল মহিলা ব্রিগেড। কোয়ার্টার ফাইনালের রাস্তা খোলা রাখতে হলে সেই ম্যাচে জিততেই হবে ইস্টবেঙ্গলকে।
চিকিৎসকদের রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে গিলের খেলা

শুভমন গিল(Shubman Gill) কী খেলবেন দ্বিতীয় টেস্টে। আগামী শুক্রবারই তাঁর খেলা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এখনও পর্যন্ত ভারতীয় দলের ফিজিও এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন ভারতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। যতক্ষণ না পর্যন্ত শুভমন গিলের(Shubman Gill) ফের চোট না হওয়ার নিশ্চয়তা পাচ্ছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট,(India Team Management) ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর খেলা ঘিরে কোনওরকম চূ়ড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। ইডেন টেস্টের(Eden Test) প্রথম দিনই বড়সড় চোট পেয়েছিলেন ভারতীয় দলের তারকা অধিনায়ক। দ্বিতীয় দিন ব্যাটিংয়ের সময়ই হঠাৎ ঘাঁড়ে চোট পান তিনি। আর তাতেই বাকি ম্যাচে আর খেলতে পারেননি শুভমন গিল(Shubman Gill)। এমনকি হাসপাতালে পর্যন্ত তাঁকে যেতে হয়েছিল। সেই সময় থেকেই শুভমন গিলের দ্বিতীয় টেস্টে খেলা ঘিরে দেখা গিয়েছিল নানান জল্পনা। এমন পরিস্থিতিতেই অবশ্য দলের সঙ্গে গুয়াহাটি উড়ে গিয়েছেন শুভমন গিল। প্রস্তুতিও সারতে শুরু করেছেন। তবে ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচের সাফ বক্তব্য, যতক্ষণ না পর্যন্ত ভারতীয় দলের চিকিৎসকরা পুরোপুরি ছাড়পত্র দিচ্ছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত শুভমন গিলের খেলা ঘিরে কিন্তু সেভাবে কোনওরকম নিশ্চয়তা নেই। এই প্রসঙ্গে ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিমাংশু কোটাক জানিয়েছেন, “শুভমন গিল ভালোভাবেই রিকভারি করছেন। তবে তাঁর খেলা নিয়ে শুক্রবারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব আমরা। যতক্ষণ না পর্যন্ত মা দেখছি যে গিলের পরবর্তী ম্যাচে কোনওরকম চোট হওয়ার আর সম্ভাবনা নেই, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি ছাড়পত্র পাবেন না। আর গিল যদি একান্তই না খেলতে পারেন, সেক্ষেত্রে ধ্রুব জুরেলই সেই জায়গা নেবে চার নম্বরে”। আগামী ২২ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে নামবে ভারত। ঘরের মাঠে মান বাঁচাতে হলে এই ম্যাচে জিততেই হবে টিম ইন্ডিয়াকে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।