ব্যারেটোর তত্ত্বাবধানে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে আজহার, লালসাঙ্গারা

জয়িতা দে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য তো রয়েছে, তবে হোসে ব্যারেটোর এই মুহূর্তে প্রধান লক্ষ্য হল তাঁর দলের ফুটবলারদের মদ্যে একাত্ম বোধ জাগিয়ে তোলা। বিএসএলের দল গঠন হয়ে গিয়েছে। সময় নষ্ট নয়। হাওয়া-হুগলী ওয়ারিয়র্স মাঠে নেমে পড়েছে প্রস্তুতিতে। প্রতিযোগিতায় যাতে কোনওরকম খামতি না থাকে সেইভাবেই চলছে ব্যারেটোর প্রস্তুতি। ফুটবলারদের সঙ্গে বারবার কথা বলে সমস্তকিছু সঠিকভাবেই পর্যবেক্ষণে রেখেছেন ব্যারেটো। শেখ সাহিল, আজহারউদ্দিন মল্লিক, লালসাঙ্গাদের মতো ফুটবলারদের তুলে নিয়েছে এবার হাওড়া-হুগলী ওয়ারিয়র্স। দলকে চ্যাম্পিয়ন তো অবশ্যই দেখতে চান, তবে এখন ম্যাচ বাই ম্যাচই ভাবছেন ব্যারেটো। একসময় ক্রিকেটের ভক্ত থাকলেও, এখন হাওড়া-হুগলীর কর্ণধার নিখিল শাহ মনে প্রাণে একজন ফুটবল পাগল মানুষ। কাজ ছেড়ে নিজের দলের সঙ্গেই প্রস্তুতিতে রয়েছেন তিনি। সাফল্যের লক্ষ্যে রয়েছেন। একইসঙ্গে শ্রাচী, আইএফএ এমন একটা প্ল্যাটফর্ম দেওয়ার জন্য ধন্যবাদও জানালেন। বেছে বেছে ফুটবলারদের তুলে এনেছেন তারা। দলের টিম ম্যানেজারের পাশাপাশি হোসে ব্যারেটোর সঙ্গে নানান আলাপচারিতার পরই উঠে এসেছেন ফুটবলাররা। হাওড়া-হুগলী ওয়ারিয়র্সে রয়েছেন মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলে খেলা তারকা ফুটবলাররা। এই দলেই আবার রয়েছেন জীতেন মুর্মুও। সব মিলয়ে হাওড়া-হুগলী ওয়ারিয়র্স যে বেশ শক্তিশালী দল গড়েছে তা বলাই যায়।
বিধ্বংসী স্টার্ক, পার্থে তৈরি করলেন নয়া ইতিহাস

বোর্ডের ওপর খানিকটা বিরক্তি প্রকাশ করেই মাঠে নেমেছিলেন তিনি। কিন্তু দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সেরা পারফর্মার সেই মিচেল স্টার্কই(Mitchell Starc)। ইংল্যান্ডের(England) ব্যাটিং লাইনআপকে যেমন একা শেষ করলেন, তেমনই গড়লেন এক বিরল রেকর্ডও। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১২ ওভার বোলিং করে একাই তুলে নিলেন সাত উইকেট। রান দিলেন মাত্র ৫৮। সেখানেই স্টার্কের(Mitchell Starc) ঝুলিতে একের পর এক রেকর্ডও। অ্যাশেজে শততম উইকেট নিলেন। কিন্তু বাঁহাতি বোলার হিসাবে তিনিই প্রথম এক রেকর্ডটা গড়লেন। তাঁর ২০ জন বোলারের এই রেকর্ড রয়েছে। কিন্তু বাঁহাতি পেসার হিসাবে মিচেল স্টার্কই প্রথমবার অ্যাশেজে(Ashes) সেঞ্চুরি উইকেট শিকার করলেন। ইংল্যান্ড জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন অস্ট্রলিয়ার(Australia) তারকা পেসার মিচেল স্টার্ক(Mitchell Starc)। জ্যাক ক্রলিকে(Jack Crawley) সাজঘরে ফিরিয়ে যাত্রাটা শুরু করেছিলেন মিচেল স্টার্ক(Mitchell Starc)। এরপর একে একে বেন ডাকেট, জো রুট, বেন স্টোকস সহ স্মিথদের সাজঘরের রাস্তাটা দেখিয়ে দেন মিচেল স্টার্কই। তাঁর বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে ইংল্যান্ডের তারকাখচিত ব্যাটিং লাইনআপ মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেনি। ব্রিটিশ শিবিরের টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডার। কেউ কো মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেননি স্টার্কের সামনে। আর স্টার্কের বলে জো রুটের ক্যাচ লাবুশানে নিতেই নতুন ইতিহসের স্বাক্ষী তখন অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা পেসার। রুটকে ফিরিয়েই অ্যাশেজের মঞ্চে কেরিয়ারের শততম টেস্ট উইকেট শিকার করলেন মিচেল স্টার্ক। তার আগে কোনও বাঁহাতি পেসারই এই কাজ করে দেখাতে পারেননি। এদিন মিচেল স্টার্ক বল করলেন ১২.৫ ওভার। উইকেট তুলে নিলেন একাই সাতটি। রান দিলেন মাত্র ৫৮। তাঁর দাপুটে ইনিংসের সামনেই তো মাত্র ১৭২ রানে শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন শুভমন গিল, অধিনায়ক পন্থ

গুয়াহাটিতে গেলেও শেষপর্যন্ত আর মাঠে নামতে পারবেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক শুভমন গিল(Shubman Gill)। ঘাঁরের চোটের জন্য দ্বিতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। শুক্রবারই তাঁকে স্কোয়াড থেকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গুয়াহাটি থেকে সরাসরি মুম্বইয়ের উদ্দেশে রওনা দেবেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। সেখানেই আপাতত বিশেষজ্ঞের তত্ত্ববধানে থাকবেন শুভমন গিল। তাঁর পরিবর্তে গুয়াহাটিতে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব সামলাবেন ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant)। ইডেন টেস্ট(Eden Test) চলাকালীনই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল শুভমন গিলকে। সেই থেকেই শুরু হয়েছিল তাঁর খেলা ঘিরে জল্পনাটা। ঘাঁড়ে চোট পেয়ে মাঠ থেকে বেড়িয়ে গিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক। শুধুমাত্র তাই নয় হাসপাতালেও থাকতে হয়েছিল একটা দিন। যদিও এরপর অবশ্য দলের সঙ্গেই গুয়াহাটিতে উড়ে গিয়েছিলেন শুভমন গিলও(Shubman Gill)। কিন্তু তাঁর খেলার ব্যপারটা একেবারেই নির্ভরশীল ছিল ফিটনেসের ওপর। ভারতীয় দল বুধবার পৌঁছে গিয়েছিল গুয়াহাটিতে। বৃহস্পতিবার সকলে প্রস্তুতিতে নামলেও নামেননি শুভমন গিল। তাঁর চূড়ান্ত পরীক্ষা নীরিক্ষার পর এখনই শুভমন গিলকে নিয়ে বাড়তি ঝুঁকি না নেওয়ারই পরামর্শ দিয়েছিলেন বোর্ডের চিকিৎসকরা। সেখানে গিলের খেলা তো দূরস্ত। তাঁর ঘাঁরের চোটের সমস্যা এখনও পুরোপুরি ঠিক হয়নি বলেই মনে করছেন তারা। সেই কারণেই শেষপর্যন্ত শুভমন গিলকে স্কোয়াড থেকে ছেড়ে দেওয়ারই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবারই ভারতীয় দলের অধিনায়ক শুভমন গিলকে ছেড়ে দেওয়া হল। সেই জায়গায় ভারতীয় দলের অধিনায়ক হিসাবে এই ম্যাচে দেখা যাবে ঋষভ পন্থকে(Rishabh Pant)। পরিস্থিতি বুঝে আগেই ভারতীয় দল গিলের ব্যাকআপ হিসাবে নীতিশ রেড্ডিকে দলে ডেকে নিয়েছিল। অর্থাৎ এই ম্যাচে যে রেড্ডিকে প্রথম একাদশে দেখার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে পিছিয়ে থেকেই গুয়াহাটিতে নামবে ভারতীয় দল। সেইসঙ্গে দলে নেই শুভমন গিল। গম্ভীরের টিম ইন্ডিয়ার চ্যালেঞ্জটা যে অনেকটাই বেড়ে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।