সুপ্রিম নির্দেশিকার পরই ফেডারেশনকে চিঠি আইএসএল ক্লাবগুলোর

সুপ্রিম কোর্টের(Supreme Court) নির্দেশিকার পরই ফেডারেশনকে চিঠি আইএসএলের(ISL) ক্লাবগুলোর তরফে। ফেডারেশনের তরফে কবে বৈঠকে বসা হবে সেই খবর জানতে চেয়েই এবার ১১টি আইএসএলের ক্লাবই চিঠি দিল ফেডারশনকে(AIFF)। গত শুক্রবারের সুপ্রিম কোর্টে নির্দেশিকার পর একটা কথা কার্যত নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। সমস্যা মেটাতে আসরে নামছে কেন্দ্রীয় সরকার(Central Government)। তারা যে দুই সপ্তাহ সময় চেয়ে নিয়েছে সেই কথাও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সলিসিটার জেনারেল। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের তরফে তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসার নির্দেশিকা দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই কেন্দ্রীয় সরকারের(Central Govt) নেতৃত্বে আগ্রহী বিডার, স্টেক হোল্ডার এবং ফেডারেশন বৈঠকে বসবে। তবে তার আগেই একবার ফেডারেশন এবং আগ্রহী বিডারদের সঙ্গে বৈঠক সেরে নিতে চাইছে ক্লাবগুলো(ISL)। সেই কথা জানিয়েই ফেডারশনকে এদিন চিঠি দেওয়া হয়েছে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির তরফে। সমস্ত বিষয়টা নিয়ে নিজেদের মধ্যেও একটা কথাবার্তা বলে নিতে চাইছেন তারা। আইএসএলের স্পনসর থেকে কর্মাশিয়াল রাইট, সবকিছু নিয়ে যখন ঘোর অনিশ্চয়তা নেমে এসেছিল, সেই সময় ভোরের আলোর আশা দেখাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই সমস্ত বিষয় যে তারাই মেটাবে, সলিসিটর জেনারেলের তরফে সেই কথাও জানানো হয়েছিল। আগামী ৮ ডিসেম্বরের মধ্যেই সমস্তকিছু মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তার গেই কোনও একটা দিন কেন্দ্রীয় সরকারের নেতৃত্বে বৈঠকে বসবে স্টেক হোল্ডার সহ ফেডারেশন এবং আগ্রহী বিডাররা। যদিও তার আগেই একবার নিজেদের মধ্যে বৈঠকটা সেরে নিতে চাইছে আইএসএলের ক্লাবগুলো।
কুলদীপের তিন, প্রোটিয়াদের ৩০০-এর আগে আটকাতে চায় ভারত

ইডেনের(Eden Gardens) পর গুয়াহাটির পিচেও স্পিনের দাপট। দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট পেলেন কুলদীপ যাদব(Kuldeep Yadav)। রিকলটন, স্টাবস এবং মুলডারদের মতো তারকা ক্রিকেটারদের সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দেন তিনি একাই। প্রথম দিনের শেষে ভারতের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৬ উইকেটে ২৪৭। ক্রিজে রয়েছেন মুথুস্বামী এবং কাইল ভারাইনে(Kyle verreynne)। এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক। প্রথম সেশনটা ঠিকঠাক চললেও, এরপর থেকেই গুয়াহাটির পিচেও ছিল হল্কা টার্ন। সেখানেই প্রোটিয়াদের সেরা তিন ক্রিকেটারকে সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছেন কুলদীপ(Kuldeep Yadav)। তবেব শুরুর দিকে কিন্তু ভারতী বোলারদের বিরুদ্ধে বরং দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা বেশ চাপ বাড়িয়েই দিয়েছিল। মার্করাম(Aiden Markram) এবং রিকলটনের পার্টনারশিপ বড় রানের দিকেই এগোচ্ছিল। সেখানেই অবশ্য প্রথম ভাঙনটা ধরান জসপ্রীত বুমরাহ। ৩৮ রানে মার্করামকে সাজঘরে ফেরান তিনি। এরপরই আসরে কুলদীপ যাদব(Kuldeep Yadav)। কিছুক্ষণের মধ্যেই রিকলটনকে সাজঘরে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এই চায়নাম্যান স্পিনার। ৮২ রানের মধ্যই দুই উইকেট চলে গেলেও, বাভুমা কিন্তু স্টবসকে নিয়ে ফের একটা ভালো পার্টনারশিপ তৈরি করার পথে এগোতে শুরু করেছিলেন। তবে এই ইনিংসে আর বাভুমা অর্ধশতরান করতে পারেননি। তাঁকে ফেরান জাদেজা(Ravindra Jadeja)। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্টাবসকে তুলে নেন ফের কুলদীপ যাদব(Kuldeep Yadav)। এরপর থেকেই ভারতও চাপ বাড়াতে শুরু করে। দক্ষিণ আফ্রিকার লোয়ার মিডল অর্ডারের অন্যতম প্রধান ভরসা মুলডারকে সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন কুলদীপ যাদবই। প্রথম দিন একাই তিন উইকেট তুলে নিয়েছেন কুলদীপ যাদব। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম দিনের শেষে রান ৬ উইকেটে ২৪৭। দ্বিতীয় দিন ভারতীয় দল প্রোটিয়াদের ৩০০ রানের গন্ডী টপকানো থেকে আটকাতে পারে কিনা সেটাই দেখার।
হেডের মাস্টারস্ট্রোক, দুদিনেই জয়ী অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার(Australia) মাস্টারস্ট্রোক। আর তাতেই বাজিমাত। মাত্র দুদিনেই শেষ অ্যাশেজ(Ashes)। ট্রেভিস হেডকে(Travis Head) ওপেনিংয়ে পাঠিয়ে অ্যাশেজের প্রথম ম্যাচেই দুরন্ত জয় অস্ট্রেলিয়ার। অ্যাশেজের মঞ্চে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক ট্রেভিস হেড(Travis Head)। সেইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের নায়কও তিনিই। ৮৩ বলে ১২৩ রানের ইনিংস খেলে অজি শিবিরকে একাই জিতিয়ে দিলেন ট্রেভিস হেড। ৮ উইকেটে ইংল্যান্ডকে হারাল অস্ট্রেলিয়া। অ্যাশেজের প্রথম দিনই দুই দলের মিলিয়ে বোলারদের শিকারে গিয়েছিল ১৯ উইকেট। মিচেল স্টার্ক যদি একাই শেষ করে দিয়ে থাকেন ইংল্যান্ড বোলিং লাইনআপকে। তবে পাল্টা দিয়েছিলেন বেন স্টোকস। প্রথম দিন একাই তুলে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। দ্বিতীয় দিনের শুরুতে মাত্র ৯ রান জুড়েই শেষ হয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। একসময়ে ব্যাকফুটে থাকলেও লিড নিয়েই মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু দ্বিতীয় দিনও ছিল বোলারদেরই দাপট। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সামনে ফের মাথা নত করতে হয় ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের। এই ইনিংসেও তিন উইকেট তুলে নেন মিচেল স্টার্ক। ইংল্যান্ড ২০৪ রানের লিড নিয়েই থামে। এরপরই মাস্টারস্ট্রোট অস্ট্রেলিয়ার। হঠাৎই ওপেনিংয়ে ট্রেভিস হেডকে পাঠিয়ে দেয় অস্ট্রেলিয়া। আর মাঠে আসার পর থেকেই তিনি ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। তাঁর একের পর এক বড় শটে তখন ব্রিটিশ বোলাররা বিধ্বস্ত। অ্যাশেজের মঞ্চে দ্বিতীয় দ্রুততম ক্রিকেটার হিসাবে সেঞ্চুরী করার রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন হেড। সেইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের অন্যতম কারিগড়ও তিনি।