প্রস্তুতিতে নামলেন আনোয়ার আলি, গোয়া যাওয়ার তোড়জোড় শুরু

আনোয়ারকে(Anwar Ali) নিয়ে ফিফায়(Fifa) চিঠি। সেই চিঠির উত্তর দিয়ে ফেড়ারেশনকে পাল্টা চিঠি বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার। এসব জটিলতার মাঝেই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) অনুশীলনে যোগ দিলেন আনোয়ার আলি। সোমবার থেকেই লাল-হলুদের হয়ে সুপার কাপের সেমিফাইনালের প্রস্তুতিতে নেমে পড়লেন এই তারকা ডিফেন্ডার। আগামী ২৭ নভেম্বরই গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেবে ইস্টবেঙ্গল। তারই প্রস্তুতিতে যোগ দিলেন আনোয়ার। একদিকে আনোয়ারকে(Anwar Ali) নিয়ে যখন মোহনবাগান ফিফায় চিঠি দিয়েছে, সেই দিকে এখনই খুব একটা আমল দিতে নারাজ ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। ফিফার তরফ থেকে ফেডারেশনকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। যদিও ফিফার তরফে কোনওরকম কোনও নির্দেশিকা আসেনি। একইরকমভাবে ফেডারেশনও কিছু জানায়নি। সেই কারণেই ইস্টবেঙ্গলও(Eastbengal) এখন এসব নিয়ে ভাবতে নারাজ। বরং সুপার কাপের সেমিফাইনাল নিয়েই তারা বিশেষ পরিকল্পনায় ব্যস্ত। আগামী ২৭ নভেম্বরই গোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। সেদিন অবশ্য এখানে আর কোনও প্রস্তুতি নয়। আগামী ২৬ নভেম্বরই এখানে চূড়ান্ত অনুশীলন সেরে নেবে অস্কার ব্রুজোঁর দল। সেদিনই কার্যত একরকমের ব্লুপ্রিন্ট তাদের তৈরি হয়ে যাবে। গোয়ায় অবশ্য এবার নিজেদের প্রস্তুতির জায়গা বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ভার্নাতেই তারা প্রস্তুতি সারবেন। তবে সেই জায়গায় ক্লোজড ডোর প্রস্তুতি হবে কিনা তা নিয়ে এখনই কোনওরকম চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। শেষপর্যন্ত
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনেই নতুন সংবিধান প্রণয়ন ফেডারেশনের

সুপ্রিম কোর্টের(Supreme Court) নির্দেশ মেনে সোমবার বিশেষ সাধারণ সভায়(SGM) নতুন সংবিধান প্রণয়ন হয়ে গেল। অর্থাৎ এদিনই সর্ব সম্মতিক্রমে আর্টিকেল 25.3(C) এবং (D) নিজেদের সংবিধানে অন্তর্ভুক্তি করল ফেডারেশন। সোমবার ভার্চুয়ালি প্রতিটি সংস্থা এবং রাজ্য সংস্থার সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন ফেডারেশনের(AIFF) কর্তারা। সেখানেই এই নতুন সংবিধানের প্রণয়ন হয়ে যায়। কয়েকটি সংবিধান তাদের ভোট বিপক্ষে দিলেও, বেশীরভাগে ভোট গিয়েছে ফে়ডারেশনের পক্ষেই। বিশেষ করে এদিন ফেডারেশনের(AIFF) বৈঠকের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল একসঙ্গে দুই সংস্থায় কেউ থাকতে পারবে কিনা। অর্থাৎ নতুন সংবিধান অনুযায়ী কেউ যদি ফেডারেশনের কার্যকরী কমিটিতে থাকেন, সেই ব্যক্তি রাজ্য সংস্থায় থাকতে পারবেন না। এই নিয়েই একটা সমস্যা চলছিল। সেখানেই ৩৩টি রাজ্য সংস্থার মধ্যে ৩০টি সংস্থা এই সিদ্ধান্তের পক্ষে রায় দিয়েছেন। কিন্তু তিনটি সংস্থা বিপক্ষে গিয়েছে। তাদের মধ্যেই রয়েছে বাংলার আইএফএ-ও(IFA)। তদের মধ্যে ওড়িশা আবার একটি সময় নিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা এবং নাগেশ্বর রাওয়ের রেকমেন্ডেশন অনুযায়ী এই সংবিধান এদিনের বৈঠকে প্রণয়ন করা হয়েছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বর থেকেই কার্যকরী হবে এই নতুন সংবিধান। অন্যদিকে আইএসএল নিয়ে এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় মন্ত্রনালয়ের দিকেই আবার তাকিয়ে রয়েছে ফেডারেশন(AIFF)। বিডিংয়ে ফেডারেশনের তরফ থেকে বলা হয়েছিল যে সংস্থা বিডিং করবে তাদের ৩৭.৫ কোটি টাকা দিতে হবে। তবেই ফেডারেশন আইএসএল করতে পারবে। যদিও ফেডারেশনের আইএসএলের পাশাপাশি আরও বাকি লিগ গুলো করতে বেশ কিছু বেশি অর্থেরই প্রয়োজন রয়েছে। তবে এই টাকাটা পেলে, বাকিটা ফেডারেশন নিজেদের মতো করে গুছিয়ে নিতে পারবে বলেই মনে করছে।
জমকালো অনুষ্ঠান দিয়ে শুরু পঞ্চম খেলো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি গেম

জমকালো অনুষ্ঠান দিয়ে শুরু হল পঞ্চম খেলো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি গেম(Khelo India University Game)। সোমবার রাজস্থানে সূচনা হয়ে গেল ভবিষ্যৎের প্রজন্মের প্রতিভাদের তুলে আনার প্রতিযোগিতা। সেখানেই অংশ নিচ্ছেন প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিযোগিতা। রয়েছেন বেশ কয়েকজন অলিম্পিয়ানও। এদিনের জমকালো উদ্বোধনীতে উপস্থিত ছিলেন ভারতবর্ষের ক্রীড়মন্ত্রী। এছাড়াও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী সহ উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন অলিম্পিকে পদক জয়ী তথা রাজস্থানেরই ক্রীড়ামন্ত্রীর রাজ্যবর্ধন রাঠোর(Rajyavardhan Rathaur)। নাচে, গানে এক বর্ণময় অনুষ্ঠান দিয়েই শুরুটা হয়ে গেল এবারের প্রতিযোগিতার। আগামী দিনের প্রতিভাদের তুলে আনাই এই প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধা উদ্দেশ্য। গোটা ভারত থেকে মোট ২৩০টি বিশ্ব বিদ্যালয় খেলো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি গেমসে(Khelo Indian University Games) অংশগ্রহন করছে। সেখানেই রয়েছে বেশ কয়েকজন অলিম্পিয়ানদেরও নাম। অলিম্পিয়ান সাঁতারু শ্রীহরি নটরাজন, তীরন্দাজ ভজন কৌর। এই প্রতিযোগিতায় ২৩৪টি বিশ্ব বিদ্যালয় মোট ২৪টি বিভাগে অংশগ্রহন করবে। সব মিলিয়ে মোট সাতটি শহর জুড়ে চলবে এই প্রতিযোগিতা। জয়পুর, উদয়পুর, যোধপুর, কোটা, আজমের, ভরতপুর এবং বিকানেরে হবে এই প্রতিযোগিতার বিভিন্ন খেলা। একইসঙ্গে এবার এই প্রতিযোগিতায় অভিষেক হতে চলেছে বেশ কয়েকটি নতুন ইভেন্টও। কায়াক্লিং, সাইক্লিং এবং বিচ ভলিবল এই প্রতিযোগিতায় নতুন সংযোজন।
গুয়াহাটিতেও হারের পথে ভারত!

ইডেনের পর গুয়াহাটিতেও(Guwahati) হারের পথে ভারত! তৃতীয় দিনের শেষে ম্যাচের চিত্র তো সেই কথাই বলছে। আবারও চূড়ান্ত ব্যর্থ ভারতীয় দলের ব্যাটাররা। প্রথম ম্যাচেও তারা পারেনি। দ্বিতীয় টেস্টে কোনওরকমে ২০০ রানের গন্ডী টপকাল ভারতীয় দল(India Team)। কিন্তু তৃতীয় দিনের শেষে ভারতের বিরুদ্ধে রানের পাহাড়ের পথে দক্ষিণ আফ্রিকা(South Africa)। তৃতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) রান বিনা উইকেটে ২৬। ভারতের বিরুদ্ধে তাদের লিড ৩১৪ রানের। দ্বিতীয় দিন কোনও উইকেট না খোয়ালেও, দ্বিতীয় দিনের শুরু থেকেই ব্যাটিং ধস নামতে থাকে ভারতীয় দলের(India Team)। এদিন দক্ষিণ আফ্রিকার য়্যানসেনের(Marco Jansen) বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেননি ভারতীয় দলের তারকা ব্যাটাররা। ৬৫ রানের মথায় কেএল রাহুলের উইকেট খোয়ায় ভারত। কিছুক্ষণের মধ্যেই ৫৪ রানে থামেন যশস্বী জয়সওয়ালও। এরপর থেকেই ব্যাটিং ধস নামতে শুরু করেছে ভারতীয় দলের। ভারতের মিডল অর্ডার চূড়ান্ত ব্যর্থ। সূদর্শন(Sai Sudarshan) থেকে ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant), রবীন্দ্র জাদেজা(Ravindra Jadeja) এবং ধ্রব জুরেলরা ক্রিজে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি সাই সূদর্শনকে বাদ দিলে বাকিরা কেউ দশ রানের গন্ডীও টপকাতে পারেননি। একা য়্যানসেনের(Marco Jansen) বাউন্সের সামনেই হার মানতে হয় ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant), রবীন্দ্র জাদেজা(Ravindra Jadeja) এবং নীতিশ রেড্ডিদের মতো ক্রিকেটারদের। শেষের দিকে ওয়াশিংটন সুন্দর যদি ৪৮ রানের ইনিংস না খেলতেন তাহলে ভারত এই ইনিংসেও বোধহয় ২০০ রানের গন্টী টপকাতে পারত না। য়্যানসেনের(Marco Jansen) একারই শিকার ৬ উইকেট। সেখানেই শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। দক্ষিণ আফ্রিকার ৪৮৯ রানের জবাবে নেমে মাত্র ২০১ রানেই শেষ হয়ে যায় ভারত। অনেকটাই এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে যাত্রা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। চতুর্থ দিন ম্যাচের রাশ ভারত নিজেদের দিকে নিতে পারে কিনা সেটাই দেখার।
ভারতের ব্যাটিং পারফরম্যান্সকে তুলোধনা শাস্ত্রীর

ইডেনের পর গুয়াহাটিতেও বদলালো না চিত্রটা। আবারও একটা ব্যাটিং ধস। যে পিচে প্রথমে ব্যাটিং রে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪৮৯ রান করে। সেখানেই ঘরের মাঠে মাত্র ২০১ রানেই শেষ হয়ে যায় ভারত(India Cricket Team)। সেই একই ঘটনার পূণরাবৃত্তি দেখে ভারতীয় ব্যাটিংকে তুলোধনা করলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী(Ravi Shastri)। ভারতীয় ব্যাটেদের মান অত্যন্ত সাধারণ মানের বলেই মন্তব্য করেছেন তিনি। গুয়াহাটির পিচে প্রথমে ব্যাটিং করে রানের পাহাড়ে চড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা(South Africa)। ঘরের মাঠে ভারতীয় ব্যাটারদের থেকেও বড় রানের ইনিংসের প্রতীক্ষায় ছিলেন সকলে। কিন্তু দ্বিতীয় দিন চা বিরতির আগেই কার্যত শেষ হয়ে গেল ভারতের প্রথম ইনিংস। যশস্বী জয়সওয়ালকে(Yashasvi Jaiswal) বাদ দিলে কোনও ব্যাটারই এদিন ক্রিজে থাকতে পারলেন না বেশিক্ষণ। যশস্বীর পরই ভারতীয় দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ওয়াশিংটন সুন্দরের(Washington Sundar) ৪৮ রান। এমন পারফরম্যান্স দেখার পরই ভারতীয় দলের ব্যাটারদের কার্যত তুলোধনা করলেন শাস্ত্রী(Ravi Shastri)। তিনি বলেন, এই পিচ যথেষ্ট ভালো একটা পিচ। কখনোই এই পিচ দেখে মনে হচ্ছে না যে এখানে ১৪২ রানের মধ্যে ৭ উইকেট চলে যেতে পারে। অত্যন্ত সাধারণ মানের ব্যাটিং। ভারত(India Team) কখনোই এই ব্যাটিংয়ে খুশি হবে না। এটা স্বীকার করতে কোনওরকম দ্বিধা রাখা যাবে না যে ভারতের ব্যাটিংটা সত্যিই খুব সাধারণ মানের ছিল। ইডেনে দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনের সামনে শেষ হয়ে গিয়েছিল ভারত। এবার গুয়াহাটিতে প্রোটিয়াদের পেস লাইনআপের সামনে বিধ্বস্ত হয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। তাবড় তাবড় ব্যাটাররা থাকলেও য়্যানসেনদের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেননি কেউ। ইডেনের পর গুয়াহাটিতেও এই একই পারফরম্যান্সের ধারা যে ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে সমালোচনাটা আরও বাড়াবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত, স্মৃতির বিয়ে পিছল

রবিবার, ২৩ নভেম্বর বিয়ের পিড়িতে বসার কথা ছিল বিশ্বজয়ী ভারতের মহিলা দলের ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা এবং গায়ক পলাশ মুচ্ছলের। মহারাষ্ট্রের সাঙ্গলিতে ফার্মহাউসে বিয়ের সমস্ত কিছু আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু স দিনই হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পরেন।স্মৃতি মান্ধানার বাবা শ্রীনিবাস মান্ধানা। স্মৃতিদের পারিবারিক চিকিৎসক নমন শাহের থেকে জানা গিয়েছে”১১.৩০ নাগাদ হটাৎই বাম দিকের বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং অসুস্থ হয়ে পরেন। পরে জানা গিয়েছে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তারপর ২.১৫ নাগাদ তাকে সাঙ্গলির সার্ভিট হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় এবং মেডিকেল রিসার্চ সেন্টারে স্থানান্তরিত করা হয়।হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ রোহান থানেদার, তাকে পরীক্ষা করেন।ECG এবং অন্যান্য মেডিক্যাল টেস্টের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরে জানা গিয়েছে কার্ডিয়াক এনজাইম বেড়েছে তার। ইতিমধ্যে চিকিৎসক নমন শাহের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।” স্বস্তির খবর গুরুতর অবস্থায় নেই স্মৃতির বাবা।হাসপাতালে তার সমস্ত কিছু পরীক্ষার পর জানা গিয়েছে তার অসুস্থতা গুরতর নয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন শারীরিক অবস্থা ভালো থাকলে ছেড়ে দেওয়া হবে স্মৃতির বাবা কে। স্মৃতি চায় তার বাবা আগে সুস্থ হয়ে বাড়ি আসুক তার পর সে আসুক তার পর সে বিয়ের পিঁড়িতে বসবে।