কলকাতায় বিশ্বকাপের সাত ম্যাচ, কলম্বোয় ভারত-পাক মহারণ

ঘোষণা হয়ে গেল ২০২৬ সালের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের(T20 World Cup) ভেন্যু। দীর্ঘদিন পর ফের কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে(Eden Gardens) বসতে চলেছে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। একইসঙ্গে ঘোষণা হয়ে গেল বিশ্বকাপের সূচীও। সেখানেই ১৫ ফেব্রুয়ারী কলম্বোয় মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান(INDvPAK)। বিশ্বকাপ ঘিরে এখন থেকেই চড়তে শুরু করেছে পারদ। কলকাতায়(eDEN gARDENS) এবার সব মিলিয়ে সাতটি ম্যাচ হবে। হতে পারে একটি সেমিফাইনালের ম্যাচও। ভাত ও শ্রীলঙ্কা মিলিয়ে হচ্ছে এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেখানেই ভারতে খেলা হবে পাঁচটি ভেন্যুতে। শ্রীলঙ্কায় তিনটি ভেন্যুতে হবে ম্যাচ। একইসঙ্গে এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন শেষবারের চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক রোহিত শর্মা(Rohit Sharma)। মঙ্গলবার বিশ্বকাপের সূচী ও ভেন্যু উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে বসেছিল চাঁদের হাট। সেখানেই প্রধান অতিথি ছিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মা(Rohit Sharma)। দীর্ঘদিন পর ফের তাঁর হাত ধরেই আবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T20 World Cup) জিতেছে ভারত। সেই রোহিতই এবার বিশ্বকাপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। শেষবার ২০১৬ সালে ভারতের মাটিতে বসেছিল টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। সেবার ফাইনাল কলকাতায় হলেও, এবার ফাইনাল হবে গুজরাতের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচের পাশাপাশি একটি সেমিফাইনালও পেতে পারে কলকাতা। অন্যদিকে এবারও সেই একই গ্রুপে পড়েছে ভারত ও পাকিস্তান। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দেখা হবে দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বীর।
২৮ বছর পরও বদলালো না ভাগ্য, সিকিম গোল্ডকাপে হার ইস্টবেঙ্গলের

২৮ বছর পরও ভাগ্য বদলালো না ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal)। সিকিম গোল্ড কাপে(Sikkim God Cup) কোয়ার্টার ফাইনালেই থামল ইস্টবেঙ্গলের দৌড়। একের পর এক সুযোগ নষ্ট। সেইসঙ্গে প্রমার্ধেই ১০ জন হয়ে যাওয়া। শেষপর্যন্ত সার্ভিসেসের(Services) কাছেই ০-১ গোলে হেরে গেল লাল-হলুদ ব্রিগেড(Eastbengal)। ২৮ বছর আগে সিকিম গোল্ড কাপের ফাইনালে পৌঁছলেও শেষরক্ষা করতে পারেনি তারা। দীর্ঘদিন পর ফের সেই সিকিম গোল্ড কাপের মঞ্চে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু সেই কোয়ার্টার ফাইনালেই থেমে গেল লাল-হলুদের দৌড়। এবারের সিকিম গোল্ড কাপে আমন্ত্রন পেয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। সেখানে রিজার্ভ দলই পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিনো জর্জের(Bino George) কোচিংয়ে জেসিন টিকে(Jesin TK), বিক্রম প্রধানরা গিয়েছিলেন সিকিম গোল্ড কাপের মঞ্চে। একেবারে কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চেই সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে নেমেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। তবে ম্যাচে নামার আগে থেকেই সেখানকার ঠান্ডা আবহাওয়া নিয়ে খানিকটা চিন্তায় ছিল ইস্টবেঙ্গল টিম ম্যানেজমেন্ট। এদিন শুরু থেকে বেশ এগিয়েই ছিল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। শুধু তাই নয়, ম্যাচের রাশও ছিল তাদের হাতেই। কিন্তু বারবারই সহজ সুযোগ নষ্ট করতে হয় ইস্টবেঙ্গলকে। সেইসঙ্গে প্রথমার্ধেই জোড়া হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বিক্রম প্রধানও। সেই সুযোগট সার্ভিসেস কাজে লাগাতে ছাড়েনি। তবে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত গোলের মুখ খুলতে পারেনি কোনও দলই। অবশেষে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই বাজিমাত করে ফেলে সার্ভিসেস। তবে গোলকিপারের চূড়ান্ত ভুলের খেসারতই দিতে হয় ইস্টবেঙ্গলকে। সহজ গোল দিয়ে এগিয়ে যায় সার্ভিসেস। এরপরও যে ইস্টবেঙ্গল গোলের সুযোগ পায়নি এমনটা নয়। কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেনি। শেষপর্যন্ত ১-০ গোলে হেরে কোয়ার্টার ফাইনালেই থামতে হয় ইস্টবেঙ্গলকে।
দক্ষিণ আফ্রিকার রানের পাহাড়, ভারত কী পারবে হার এড়াতে

সিরিজে মান বাঁচাতে হলে পঞ্চম দিন ভারতকে(India Team) করতে হবে ৫২২ রান। আর হাতে উইকেট রয়েছে আটটি। দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) রানের পাহাড়ের সামনে কার্যত অসহায়ের মতোই লাগছে এখন ভারতীয় ব্যাটারদের(India Batter)। এদিন লাঞ্চত বিরতিরও বেশকিছুক্ষণ পর ভারতের বিরুদ্ধে ইনিংস ঘোষণা করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা(Temba Bavuma)। কিন্তু ততক্ষণে দক্ষিণ আফ্রিকার লিড পৌঁছে গিয়েছে ৫৪৯ রানে। বিরাট কোনও অঘটন না ঘটলে যে ভারতের জয়ের সম্ভাবনা নেই তা বলাই যায়। বরং ভারতের কাছে এখন প্রধান লক্ষ্য হল গুয়াহাটিতে হার এড়ানো। চলতি সিরিজে চূড়ান্ত ব্যর্থ ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ। এদিনও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই দুই উইকেট হারিয়েছে তারা। যশস্বী জয়সওয়াল(Yashasvi Jaiswal) এবং কেএল রাহুল(KL Rahul) ইতিমধ্যেই সাজঘরে ফিরে গিয়েছেন। চতুর্থ দিনের শেষে ভারতের রান ২ উইকেটে ২৭। পঞ্চম দিন কী হয় সেটাই দেখার। ফলোঅন দেওয়ার সুযোগ থাকলেও, সেই সুযোগ অবশ্য কাজে লাগায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা(South Africa)। বরং ভারতের ওপর রানের চাপটা আরও বাড়ানোরই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা। সেই কাজটা চতুর্থ দিন একেবারে নিখুঁতভাবেই করছিল প্রোটিয়া ব্যাটাররা। স্টাবসের ৯৪ রান। ডে জর্জির ৪৯ রানে ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকা ৫৪৯ রানের লিডে পৌঁছতেই ইনিংস ঘোষণা অধিনায়ক বাভুমার। সিরিজ সমতায় ফেরাতে গেলে ভারতের জেতা ছাড়া কোনও উপায় নেই। কিন্তু তাদের সামনে লক্ষ্যটা হল ৫৫০ রানের। আবার ড্র করে হার এড়ালেও, সিরিজ হাতছাড়াই হবে। কার্যত ভারত এখন শাখের কড়াতে। চতুর্থ দিন আবার ব্যাট করতে নেমে দুই উইকেটও হারিয়েছে তারা। পঞ্চম দিন শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার। ভারত কী শেষপর্যন্ত ড্রয়ের রাস্তাতেই হাঁটে কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
কোপা টাইগার্সের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ওডাফা; স্পেনের ক্লাবের সঙ্গে সংযুক্তিকরণ

সুদীপ পাকড়াশীঃ ১৪ ডিসেম্বর থেওকে শুরু বেঙ্গল সুপার লিগ। স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে উন্মাদনা। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর প্রস্তুতিও তুঙ্গে। বাংলায় একসময় খেলে যাওয়া প্রবল জনপ্রিয় বিদেশিদেরও এই লিগে আবার আনার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের। ব্যারেটো যেমন এসেছেন একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের কোচ হয়ে। সেরকমই, বীরভুম থেকে লিগে খেলা কোপা টাইগার্সের চমক ওকোলি ওডাফা। প্রায় দু’দশক পর বাংলার ফুটবলে আবার তিনি ফিরছেন। তবে ফুটবলার হিএবে নয়। একসময়ে ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম জনপ্রিয় এই নাইজেরীয় স্ট্রাইকার, ৪০ বছরের এই স্ট্রাইকারকে এবার দেখা যাবে কোপা টাইগার্সের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে। আগামি ৮ ডিসেম্বর, কোপা টাইগার্সের প্রথম সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওডাফা, জানালেন ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক অভিজিৎ রায়। দলের প্রথম কয়েকটি ম্যাচেও দলকে তিনি উৎসাহ দেবেন বলে জানা গিয়েছে। কোপা টাইগার্সের নিজস্ব অ্যাকাডেমি ইতিমধ্যে গত ছ’মাস আগে শুরু হয়ে গিয়েছে। বোলপুর থেকে একটু দুরে তাদের আবাসিক ফুটবল স্কুলে এই মুহূর্তে ছাত্রের সংখ্যা ২২। তাদের মধ্যে অধিকাংশই গ্রাম থেকে তুলে আনা আদিবাসী। অনূর্ধ্ব-১২ বছরের ছেলেও আছে। আর এসেছে দুজন বিদেশি ছাত্রও। একজন ঘানার, আর একজন টঙ্গা থেকে এসেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক বলছেন, “ছ’মাস আগে অ্যাকাডেমি শুরু করে আমাদের একটাই লক্ষ্য ছিল। অ্যাকাডেমির ছেলেদের ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের ফুটবলার তৈরি করা। একইসঙ্গে এ-ও লক্ষ্য ছিল, ছেলেদের যত সম্ভব ম্যাচ-টাইম দেওয়া। টুর্নামেন্ট না খেললে, ওরা তৈরি হবে না।“ তাই, অ্যাকাডেমি শুরু করার পরই কোপা অ্যাকাডেমি গোয়ার চার্চিল ব্রাদার্সের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে। অ্যাকাডেমির সম্ভাবনাময় ছেলেরা চার্চিলে যাবে। ওদের হয়ে গোয়া ইয়ুথ লিগে খেলবে, পরবর্তীতে আই লিগেও খেলার সুযোগ পেতে পারে পারফরম্যান্স করতে পারলে। অভিজিৎ রায় আরও জানালেন, “অ্যাকাডেমির ছেলেদের অত্যাধুনিক ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে আমরা স্পেনের দ্বিতীয় ডিভিশন দল, লা পামাসের সঙ্গেও গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছি। ভবিষ্যতে যাতে এখান থেকে ছেলেরা ওদের ওখানে ট্রেনিং করে এবং ওখানে কোনও ক্লাবের হয়েও খেলার সুযোগ পায়।“ বেঙ্গল সুপার লিগের জন্য, কোপার মার্কি ফুটবলার তাজিকিস্তানের কোমরন তুরসনোভ। আরও এক বিদেশির যোগ দেওয়ার সভাবনা আছে। এখনও পর্যন্ত নথীভূক্ত করা হয়েছে ২৫জনকে। অ্যাকাডেমিতে ঘানার কোচ জোসেফের সঙ্গে আছেন আরও দু’জন কোচ। এদের সঙ্গে মেন্টর হিসেবে কাজ করবেন রঞ্জন ভট্টাচার্য। ইংল্যান্ড থেকে জর্জি নামের আরও এক লাইসেন্সধারী কোচকেও আনা হচ্ছে। দুবরাজপুরে হোম-ম্যাচ খেলবে কোপা টাইগার্স। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকের ভাবনায় এখন জলপাইগুড়ি জেলার রাঙ্গামালিতে স্পোর্টস সিটির নির্মাণ প্রকল্প। “ওখানে অত্যাধুনিক মানের স্টেডিয়াম এবং ফুটবলের পরিকাঠামো ছাড়াও ক্রিকেট, সাঁতারের মত অন্য কয়েকটি খেলার জন্যও অ্যাকাডেমি তৈরি হবে, “ বললেন অভিজিৎ রায়।
ওডিআই সিরিজ খেলতে দেশে ফিরলেন বিরাট

দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজ খেলতে দেশে ফিরলেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে নামবে টিম ইন্ডিয়া(Team India)। সেখানেই ফের একবার দেখা যাবে বিরাট কোহলি(Virat Kohli) ও রোহিত শর্মাকে। মঙ্গলবারই মুম্বইয়ে ফিরলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রস্তুতি তিনি মুম্বই নাকি বেঙ্গালুরুতে সেন্টার অব এক্সিলেন্সে(COE) সারেন, সেটাই দেখার। কারণ এই মুহূর্তে রোহিত শর্মাও(Rohit Sharma) সেখানেই ওডিআই সিরিজের প্রস্তুতি সারছেন। শেষবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে দেখা গিয়েছিল বিরাট কোহলিকে(Virat Kohli)। সেখানে একটি অর্ধশতরানের ইনিংসও খেলেছিলেন তিনি। প্রায় এক মাস আগে সেই সিরিজ খেলেছিলেন বিরাট কোহলি। এরপরই ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে নেমেছে ভারতীয় দল। অবসরের কারণে টেস্টে নেই রোহিত এবং বিরাট কোহলি দুজনই। ২০২৪ সাল থেকে লন্ডনেই কার্যত পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করেছেন বিরাট। যেকোনও সিরিজের আগে প্রস্তুতি পর্বটাও লন্ডনেই বেশিরভাগ সময় করেন বিরাট কোহলি। তারপরই সিরিজের উদ্দেশে রওনা দেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ খেলবে ভারত। সেই সিরিজেই যোগ দিতে এবার দেশে ফিরলেন বিরাট। আগামী ৩০ নভেম্বর রাঁচিতে প্রথম ওডিআই ম্যাচে নামবে টিম ইন্ডিয়া। বিরাট কোহলি তার আগে প্রস্তুতি কোথায় সারেন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলে।
ট্রিপল সেঞ্চুরিতে ইতিহাস চন্দ্রহাস দাসের

বাংলা ক্রিকেটে নতুন তারা। নাম চন্দ্রহাস দাস(Chandrahs Das)।সোমবার চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে কোচবিহার ট্রফির(Coochbihar Trophy) অনূর্ধ্ব–১৯ ম্যাচে ৩১৯ বলে ৩৩২ রানের এক অসাধারণ ইনিংস খেললেন বাংলার ব্যাটার চন্দ্রহাস দাস।মোট ৫৩টি চার ও ১০টি ছক্কা ছিল তাঁর এই ইনিংসে। CAB জানিয়েছে কোচবিহার ট্রফিতে বাংলার হয়ে এটিই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। ট্রিপল সেঞ্চুরি করে ইতিহাস গড়ার পর চন্দ্রহাস(Chandrahas Das) বললেন,’প্রথমে সেরকম ভাবে টার্গেট কিছু ছিল না। বল অনুযায়ী শট নিয়েছি। তাতেই মাইলস্টোন এসেছে। পরের ইনিংসেও একই ভাবে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই।’ চন্দ্রহাসের(Chandrahas Das) এই ইনিংসে উচ্ছ্বসিত বাংলার কোচ সৌরাশিস লাহিড়ী বললেন ‘দু’বছর ধরে ওকে আমি দেখছি। খুব পরিশ্রমী এবং ফিট। অনূর্ধ্ব–১৯ স্তরে ট্রিপল সেঞ্চুরি এটা সত্যি অভাবনীয়। আমার বিশ্বাস বাকি ম্যাচ গুলোতেও আরও রান করবে ও। চন্দ্রহাসের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে।’ চন্দ্রহাসের ক্রিকেটযাত্রা শুরু হয় মাত্র আট বছর বয়সে।বাড়ি নিউ টাউন। করুণাময়ীর টোয়েন্টিট ইয়ার্ডস স্পোর্টস স্কুলে ক্রিকেটে হাতেখড়ি ।খুব অল্প দিনের মধ্যেই তার পারফর্মেন্স এর জেরে সকলের নজরে পড়ে চন্দ্রহাস। মাত্র ন’বছর বয়সেই CAB টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পেয়ে যান। অনূর্ধ্ব–১৩ থেকে অনূর্ধ্ব–১৬, তার পর দ্বিতীয় ও প্রথম ডিভিশন— ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন তিনি। বর্তমানে বড়িশা ক্লাবের হয়ে খেলছেন চন্দ্রহাস।
কাঁধে চোট মহম্মদ সিরাজের, খেলা ঘিরে অনিশ্চয়তা

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টেও কার্যত হারের মুখে ভারতীয় দল। সেখানেই আবার চোটের ধাক্কা। এবার কাঁধে চোট পেলেন ভারতীয় দলের তারকা পেসার মহম্মদ সিরাজ(Mohammed Siraj)। আর তাতেই ভারতীয় শিবিরে দেখা দিয়েছে এক নতুন জল্পনা। কয়েকদিন পরই ওডিআই সিরিজে নামবে টিম ইন্ডিয়া(Team India)। সেখানে ভারতীয় দলের হয়ে তিনি নামতে পারবেন কিনা সেটাই এখন প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বিরুদ্ধে চলতি সিরিজে খুব একটা বোলিং করতে পারেননি সিরাজ। এবার সেইসঙ্গে তাঁর কাঁধের চোট। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিংয়ের সময় ৭৮ নম্বর ওভারের মাথায় এই ঘটনা ঘটেছে। ট্রিস্টান স্টাবসের ক্যাচ ধরার সময়ই বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় কাঁধে বড়সড় চোট পান ভারতীয় দলের এই তারকা পেসার মহম্মদ সিরাজ(Mohammed Siraj)। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাঠে আসে দলের ফিজিও। সেখানে তাঁর চিকিৎসার চেষ্টা করা হলেও খেলার মতো পরিস্থিতিতে আর ছিলেন মহম্মদ সিরাজ। এরপরই তাঁকে মাঠ ছেড়ে বেড়িয়ে যেতে হয়। সেটাই যে ভারতীয় দলের কাছে একটা বড়সড় ধাক্কা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাঁর পরিবর্তে অতিরিক্ত ফিল্ডার হিসাবে মাঠে নামেন দেবদূত পাড়িক্কল।