এশিয়ান যোগ্যতা নির্ণয়ের জন্য রাঁচি স্টেডিয়াম বাতিল এএফসির

এশিয়ান কাপ(Asian Cup) যোগ্যতা নির্ণয়ের ম্যাচে নামার আগে বড়সড় ধাক্কা ভারতের। রাঁচির মাঠকে বাতিল করে দিল এএফসি(AFC)। আগামী ৩১ মার্চ রাঁচি স্টেডিয়ামে হংকংয়ের বিরুদ্ধে নামার কথা ছিল ভারতের(India Football Team)। তারই পর্যবেক্ষণের জন্য এদিন এএফসির(AFC) পর্যবেক্ষক দল এসেছিলেন। কিন্তু রাঁচি স্টেডিয়াম তাদের নজর কাড়তে পারেনি। স্টেডিয়ামের অবস্থা খতিয়ে দেখার পরই এই ম্যাচের জন্য স্টেডিয়াম বাতিল করে দিয়েছে এএফসি। আর তাতেই কিন্তু বেশ চিন্তায় পড়েছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। এই ম্যাচ আয়োজনের জন্য এখন একমাত্র ভেন্যু হিসাবে কেরালা রয়েছে তাদের হাতে। সেই ভেন্যু এএফসির(AFC) পর্যবেক্ষকদের পছন্দ হয় কিনা সেটাই দেখার। এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা নির্ণয়ের আশা আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে ভারতের। হংকংয়ের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে এই ম্যাচ তাদের কাছে নেহাতই নিয়মরক্ষার। কিন্তু সেই ম্যাচ খেলার আগেও দেখা দিয়েছে জোর জল্পনা। বিশেষ করে কোথায় খেলবে ভারতীয় দল। কারণ যে মাঠে তাদের খেলার কথা ছিল তা তো দেখা মাত্রই বাতিল করে দিয়েছে এশিয়ান ফুটবল কাউন্সিল। মাঠের পরিস্থিতি থেকে পরিকাঠামো কিছুই নাকি তাদের পছন্দ হয়নি। আর তাতেই তো এখন চিন্তার পাহাড় জমেছে ফেডারেশন(AIFF) কর্তাদের মাথায়। যদিও তাদের হাতে এখনও সময় রয়েছে। আগামী ৩১ মার্চ হংকংয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে নামার কথা ভারতীয় দলের। কিন্তু কোন মাঠে খেলবেন খালিদ জামিলের ফুটবলাররা। সেটা নিয়েই তো চলছে জোর জল্পনা।
নামিবিয়ার বিরুদ্ধেই ফিরছেন বুমরাহ, অনিশ্চিত অভিষেক

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে নামিবিয়ার(Namibia) বিরুদ্ধেই যে ভারতীয় দল(India Team) নিজেদের চূড়ান্ত ড্রেস রিহার্সালটা সেরে নিতে চাইবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে সেই ম্যাচে নামার আগে ভারতের প্রথম একাদশের দিকেই সবচেয়ে বেশি নজর সকলের। কারণ এই ম্যাচ দিয়েই ভারতীয় দলের জার্সিতে বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম ম্যাচ খেলতে চলেছেন জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah)। সেইসঙ্গে ওয়াশিংটন সুন্দরও(Washington Sundar) যে ফিরবেন তাও বেশ স্পষ্ট। অসুস্থতা সারিয়ে গত মঙ্গলবার থেকেই ভারতীয় দলের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছেন জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah)। একইসঙ্গে ওয়াশিংটন সুন্দরও শুরু করে দিয়েছেন অনুশীলন। এই দুই ক্রিকেটারের প্রত্যাবর্তন যে ভারতীয় দলকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে তা বলাই বাহুল্য। একইসঙ্গে অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের পিচ আবার ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি পেস এবং সুইংয়ের জন্য সহায়ক। সেখানে বুমরার ফেরাটা যে ভারতের বোলিংকে অনেক বেশি চাঙ্গা করবে বোঝাই যাচ্ছে। তবে ব্যাটিং লাইনআপে কিন্তু পরিবর্তন আসতে পারে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে। কারণ অভিষেক শর্মা হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে গেলেও খেলার মতো পরিস্থিতিতে রয়েছেন কিনা সেটা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তাঁকে নিয়ে ম্যাচের দিনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সামনেই রয়েছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ। তার আগে অভিষেককে নিয়ে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট ঝুঁকির রাস্তায় হাঁটতে চাইবে না। অভিষেক খেলতা না পারলে তার জন্য ব্যাকআপও অবশ্য ভারতীয় শিবিরের কাছে রয়েছে। এই তরুণ বিধ্বংসী ওপেনার যদি একান্তই না খেলতে পারেন, সেই জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ হলেও হতে পারে। যদিও অভিষেক শর্মার খেলা নিয়ে ম্যাচের দিন সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাইছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। এটুকু বাদ দিলে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দলের আর বিশেষ পরিবর্তনের কোনও ইঙ্গিত নেই। পাকিস্তান ম্যাচের আগে এখন নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নিজেদের শেষ পরীক্ষা নীরিক্ষাটা ভারত করে নিতে চাইছে। সেখানে সাফল্য আসে কিনা সেটাই এখন দেখার।
মাঠ নিশ্চিত নয় ওড়িশার, পিছিয়ে গেল ম্যাচ

আইএসএল(ISL) শুরু হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সমস্যা যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। এবার পিছিয়ে গেল ১৬ ফেব্রুয়ারির পঞ্জাব এফসি(Punjab Fc) বনাম ওড়িশা এফসি(Odisha Fc) ম্যাচ। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি তাদের প্রথমবার আইএসএলের ম্যাচে নামার কথা ছিল। কিন্তু ম্যাচ পিছিয়ে যাওয়ার খবর সামনে আসতেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত কেন। শোনাযাচ্ছে ওড়িশা এফসি(Odisha Fc) নাকি এখনও পর্যন্ত নিজেদের মাঠই ঠিক করতে পারেনি। আর তাতেই শুরু হয়েছে সমস্যা। দীর্ঘ জটিলতা পেড়িয়ে শুরু হচ্ছে আইএসএল(ISL)। সব দলই নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। প্রিসিজনও শুরু করে দিয়েছে অনেক দল। কিন্তু ওড়িশা এফসি এখনও পর্যন্ত নিজেদের ভেন্যু প্রস্তুত করতে পারেনি। এমনকি প্রিসিজন প্রস্তুতিও আরম্ভ করতে পারেনি তারা। ওড়িশা সরকারের সঙ্গে কলিঙ্গ স্টেডিয়াম পাওয়ার ব্যপারে কথাবার্তা শুরু হলেও, এখনও পর্যন্ত তা চূড়ান্ত হয়নি। আর সেই কারণেই নাকি আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পঞ্জাব এফসি বনাম ওড়িশা এফসি ম্যাচ পিছিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই নিজেদের সমস্যার কথা ফেডারেশনকেও নাকি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ফেডারেশনের তরফে। যদিও সরকারীভাবে এখনও পর্যন্ত ফেডারেশনের তরফে কিছু ঘোষণা হয়নি। ১৬ তারিখ এই ম্যাচ না হলে, কবে হবে তা নিয়েও এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।
অসুস্থ অভিষেক নামিবিয়া ম্যাচে অনিশ্চিত

বৃহস্পতিবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নামবে ভারতীয় দল(India Team)। কিন্তু সেই ম্যাচে ভারতের ওপেনার হিসাবে অভিষেক শর্মাকে(Abhishek Sharma) দেখা যাবে কিনা তা নিয়েই শুরু হয়েছে এখন জোর জল্পনা। পেটের সমস্যা নিয়ে হঠাৎই হাসপাতালে অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। বুধবার সারা দিন নাকি হাসপাতালেই থাকতে হয়েছিল তাঁকে। তাঁর পরিস্থিতি এখন ঠিক থাকলেও, মাঠে নামার জন্য তিনি কতটা সুস্থ তা নিয়ে কিন্তু এখনও পর্যন্ত নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। নামিবিয়ার(Namibia) বিরুদ্ধে নামার আগে একদিনও প্রস্তুতি সারতে পারেননি অভিষেক। গত মঙ্গলবার তো গোটা দিনটাই তাঁর কেটেছিল হাসপাতালে। শোনাযাচ্ছে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও, তাঁর পেটে নাকি এখনও বেশ কিছু সমস্যা রয়ছে। এমনকি প্রথম ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময়েও নামতে পারেননি তিনি। তবে অভিষেক যদি নামতে নাই পারেন, সেই জায়গায় খেলবেন কে। যদিও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ধারেভারে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় দল। তার আগে অভিষেক সুস্থ হলে, তাঁকে খেলানোর ঝুঁকি ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট নেবে কিনা সেটা তো সময়ই বলবে। তবে অভিষেক যদি খেলতে না পারেন, সেই জায়গায় হয়ত ওপেনার হিসাবে ভারতীয় দলের প্রথম একাদশে জায়গা হতে পারে সঞ্জু স্যামসনের। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার। এই ম্যাচে অভিষেক খেলতে না পারলেও, পরবর্তী ম্যাচে ভারত নামবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। আর সেখানে যে অভিষেককে ভারতীয় দলের অনেক বেশি প্রয়োজন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
কিশোরভারতীতে প্রস্তুতি ইস্টবেঙ্গলের, মাঠ পর্যবেক্ষণ ম্যাচ কমিশনারের

ইস্টবেঙ্গলে(Eastbengal) ক্লাব বনাম কোম্পানির দ্বন্দ্ব ক্রমশই যেন বেড়ে চলেছে। মঙ্গলবার ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার(Debabrata Sarkar) যখন জানাচ্ছেন যে মুখ্যমন্ত্রীর ছাড়পত্রে তারা যুবভারতীতে বিনামূল্যে ম্যাচ খেলতে পারবে। তার ২৪ ঘন্টাও কাটতে পারেনি, ইস্টবেঙ্গল দল হঠাৎই প্রস্তুতিতে নেমে পড়ল কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে(Kishorebharati Stadium)। শুধু তাই নয় ম্যাচ কমিশনার এদিন কিশোরভারতী(Kishorebharati Stadium) পর্যবেক্ষণও করে গেলেন। আর তাতেই যেন জল্পনা আরও তুঙ্গে পৌঁছেছে। কয়েকদিন আগেই আইএসএলের সূচী ঘোষণা হয়েছে। সেখানেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) খেলবে এবার কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে। যুবভারতীর কথা ক্লাব কর্তারা বললেও, শেষপর্যন্ত খরচের কথা মাথায় রেখেই কোম্পানি চলে গিয়েছিল কিশোরভারতীতেই। ফেডারেশনকে সরকারীভাবে তা জানিয়েও দেওয়া হয়েছিল। যদিও ক্লাব কর্তারা এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একেবারেই সহমত ছিলেন না। কিশোরভারতীতে ম্যাচ হলে, ম্যাচ বয়কটের ডাকও দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের ক্লাব কর্তারা। এরপরই মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে দেবব্রত সরকার জানিয়েদিয়েছিলেন যে মুখ্যমন্ত্রী তাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে যুবভারতীতে বিনামূল্যে খেলার ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তারপরও কিশোরভারতীতে কেন ইস্টবেঙ্গল দল? তবে কী ক্লাবের কথা তারা শুনবেন না ঠিকই করে ফেলেছেন। কারণ বুধবার দুপুরেই ইস্টবেঙ্গলের হোমগ্রাউন্ড হিসাবে কিশোরভারতী পর্যবেক্ষণ করতে এসেছিলেন ম্যাচ কমিশনার। সেইসঙ্গে কিশোরভারতীতেই আবার প্রস্তুতিও সারল লাল-হলুদ ব্রিগেড। আর এই ছবি দেখার পর তো প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক। তবে কী ক্লাবের কথা কানেই তুলছেন না কোম্পানি কর্তারা। ক্লাব থেকে বলা হলেও, আদৌ কী ইস্টবেঙ্গল যুবভারতীতে খেলবে। এই নিয়েই তো এখন জল্পনা তুঙ্গে পৌঁছেছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে।
নাটকীয় ম্যাচে লড়াই করেও হার আফগানিস্তানের

নাটকীয় ম্যাচ। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। গুরবাজের আফশোস। শেষপর্যন্ত লড়াই করেও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেই গেল আফগানিস্তান(Afghanistan)। ম্যাচ শেষে জনাথন ট্রটের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। কেন গুরবাজকে না পাঠিয়ে নবিকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। গুরবাজ ছয় বল খেলার সুযোগ পেলে, আফগানিস্তান টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে অঘটন ঘটাতেই পারত। জোড়া সুপারওভার। শেষপর্যন্ত প্রোটিয়া বাহিনীর কাছে হার মেনে নিল আফগানরা(Afghanistan)। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে এর আগে এমন ঘটনার নজির নেই। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ ড্র। প্রথম সুপার ওভারও ড্র। দ্বিতীয় সুপার ওভারে গিয়ে শেষপর্যন্ত ম্যাচের নিস্পত্তি। এদিন ম্যাচের শুরু থেকে শেষপর্যন্ত ছিল একের পর এক নাটক। প্রোটিয়া ব্যাটাররা যেমন বিধ্বংসী পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। তেমনই পাল্টা আফগান ব্যাটাররাও ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। বিশেষ করে রহমনুল্লাহ গুরবাজ। টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আফগান অধিনায়ক। মার্করাম ব্যর্থ হলেও, কুইন্টন ডিকক এবং রিকলটনের হাত ধরে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ডিকক করেন ৫৯ রান। রিকলটন ফেরেন ৬১ রানে। রিকলটন যখন ফেরেন তখনই প্রোটিয়াদের বড় রানের রাস্তাটা তৈরি হয়ে গিয়েছিল। শেষ মুহূর্তে মিলার এবং য়্যানসেনের ঝোরো রানে ভর করে ১৮৪ রানে পৌঁছয় দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে নেমে পাল্টা আক্রমণাত্মক ছিলেন রহমনুল্লাহ গুরবাজও। যদিও তাঁকে সেভাবে সঙ্গ দিতে পারছিলেন না কেউই। নাইব, আতাল এবং জারদানরা বড় রানের গন্ডী পর্যন্তই পৌঁছতে পারেননি। তবে রহমনুল্লাহ ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। শেষের দিকে টেল এন্ডারদের দাপটে আফগানিস্তানও ১৮৪ রানেই থামে। এরপরই সুপার ওভার। সেখানে প্রথমে ব্যাট করে আফগানিস্তান করে ১৭। দক্ষিণ আফ্রিকাকে চাপেও ফেলে দিয়েছিল তারা। কিন্তু শেষ বলে ছয় হাঁকিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাও ১৭ রানে পৌঁছে যায়। ফলে আবারও একবার সুপার ওভারে। সেখানেও গুরবাজ বিধ্বংসী ফর্মে থাকলেও শেষপর্যন্ত জিততে পারল না আফগানিস্তান।