জিম্বাবোয়ের ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত, বিশ্বকাপ থেকে বিদায় অস্ট্রেলিয়ার

শেষ আশাটাকুও শেষ হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়ার(Australia)। এবারের মতো টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যাত্রা শেষ অজিদের। শেষ ম্যাচে ওমানের বিরুদ্ধে নিয়মরক্ষার ম্যাচেই নামবেন মিচেল মার্শরা(Mitchell Marsh)। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে হারলেও, বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার টিকে থাকার একটা ক্ষীণ আশা ছিল। আর সেটা ছিল জিম্বাবোয়ে বনাম আয়ারল্যান্ড(ZIMvIRE) ম্যাচ ঘিরে। এই ম্যাচে জিম্বাবোয়ে হেরে গেলেই, অস্ট্রেলিয়ার একটা সুযোগ হয়ে যেত। কিন্তু শ্রীলঙ্কার খারাপ আবহাওয়া সব শেষ করে দিল। মঙ্গলবার আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার কথা ছিল জিম্বাবোয়ের। কিন্তু প্রবল বৃষ্টিতে ম্যাচ শুরুই করা সম্ভব হল না। একসময় পাঁচ ওভারে ম্যাচ করার কথা হলেও, খারাপ পরিস্থিতির জেরে শেষপর্যন্ত ম্যাচ পরিত্যক্তই ঘোষণা করা হয়। এরপরই সরকারীভাবে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ২০২১ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার। এবারের বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া(Australia) প্রথম অঘটনটা ঘটিয়েছিল জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচে হেরে গিয়েছিলেন ম্যাক্সওয়েলরা। এরপর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ছিল মরণ-বাঁচন ম্যাচ। কিন্তু সেখানেও ৮ উইকেটে হারতে হয়েছিল অজি ব্রিগেডকে। সেই সময়ই অস্ট্রেলিয়ার সুযোগ কমে এসেছিল। তবুও অঙ্কের বিচারে একটা সুযোগ ছিল। কিন্তু মঙ্গলবার জিম্বাবোয়ে বনাম আয়ারল্যান্ড ম্যাচ পরিত্যক্ত হতেই দুই দল এক পয়েন্ট করে পেয়ে যায়। আর তাতেই এক ম্যাচ বাকি থাকতে জিম্বাবোয়ের পয়েন্ট ৫। এই মুহূর্তে একটি ম্যাচ জিতে অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট দুই। অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়া পরের ম্যাচ জিতলেই বিশ্বকাপের সুপার এইটের দড়জা এবার আর খুলবে না তাদের জন্য।
ফেব্রুয়ারির শেষেই ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিচ্ছেন কেভিন

ফেব্রুয়ারির শেষেই ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন কেভিন সিবিল্লে(Kevin Sibille)। চোট সারাতে স্পেনে ফিরে গিয়েছিলেন লাল-হলুদের(Eastbengal) এই তারকা ফুটবলার। সেই থেকেই শুরু হয়েছিল জোর জল্পনা। এবারের আইএসএলে তাঁকে পাওয়া যাবে তো। যদিও সেই সময়ে শোনা গিয়েছিল যে আপাতত তিন সপ্তাহের জন্য ছিটকে গিয়েছেন তিনি। তবুও লাল-হলুদ জনতার কিন্তু সংশয় শেষ হচ্ছিল না। অবশেষে ২৪ কিংবা ২৫ ফেব্রুয়ারিই শহরে ফিরছেন কেভিন সিবিল্লে(Kevin Sibille)। এরপরই তাঁকে মেডিক্যাল দল পরীক্ষা নীরিক্ষা করে সবুজ সংকেত দিলে, মার্চ মাস থেকেই মাঠে নামতে চলেছেন কেভিন। একইসঙ্গে চোট সারিয়ে মার্চ মাসের দ্বিতীয় ম্যাচ থেকেই ফিরছেন নাওরেম মহেশও(Naorem Mahesh)। এখন নাকি অনেকটাই সুস্থতার পথে তিনি। সেইসঙ্গে দিল্লির বিরুদ্ধে নামার আগে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) রক্ষণ নিয়েও বেশ স্বস্তিতে। মহম্মদ রাকিপ সুস্থ। আগামী ম্যাচেই খেলবেন তিনি। বেশ কয়েকদিন আগেই প্রস্তুতি ম্যাচে পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছিলেন কেভিন সিবিল্লে। সেই থেকেই আর মাঠে নামতে পারছিলেন না। কখনও তাঁকে দেখার জন্য অস্কার মাঠে ডাকলেও, কেভিন নামার মতো পরিস্থিতিতে ছিলেন না। এমনকি রিহ্যাব পর্যন্ত শুরু করতে পারেননি কেভিন সিবিল্লে। এরপরই দেশে নিজের ব্যক্তিগত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কেভিন। সেই মতো ইস্টবেঙ্গলের প্রথম ম্যাচে নামার আগেই ফিরে গিয়েছিলেন স্পেনে। শোনাযাচ্ছে এখন নাকি আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ এই আর্জেন্তাইন তারকা। চলতি মাসের শেষেই ফিরছেন শহরেও। একইসঙ্গে রাকিপের মাথা ফেটে গেলেও এখন তিনি পুরোপুরি সুস্থ। বৃহস্পতিবার থেকে ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলনেও নেমে পড়তে চলেছেন তিনি। কয়েকদিন পর থেকেই প্রস্তুতিতে যোগ দিতে পারেন নাওরেম মহেশ। মার্চ মাসের মধ্যেই ইস্টবেঙ্গল যে পূর্ণশক্তির দল পেয়ে যাচ্ছেন তা বেশ স্পষ্ট।
বুধবার সকালেই শহরে ইস্টবেঙ্গলের ড্যানিশ তারকা অ্যানটন

বুধবার সকালেই শহরে পা রাখছেন ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) নতুন ড্যানিশ স্ট্রাইকার অ্যানটন সোজবার্গ(Anton Sojberg)। ভিসা পেয়ে গিয়েছেন। বুধবার সকাল সাতটাতেই শহরে পৌঁছচ্ছেন লাল-হলুদ শিবিরের এই নতুন বিদেশি। ইউসুফের(Yussef Ezzejjari) পাশে তিনি যোগ দিলে যে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ এবার অনেকটাই শক্তিশালী হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বুধবার শহরে এলেও অবশ্য সেদিনই লাল-হলুদ জার্সিতে দেখা যাবে না অ্যানটনকে(Anton Sojberg)। বৃহস্পতিবার ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে প্রস্তুতিতে নেমে পড়বেন ডেনমার্কের এই তরুণ ফুটবলার। ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) পঞ্চম বিদেশি হিসাবে ইউসুফের পারফরম্যান্স সকলে মুগ্ধ। প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোল করেছেন ইউসুফ(Yussef Ezzejjari)। এবার তাঁর সঙ্গেই জুটি বাঁধার পালা এই ড্যানিশ ডিনামাইটের। দ্বিতীয় ম্যাচে দিল্লির বিরুদ্ধে নামবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। সেই ম্যাচ থেকেই ইস্টবেঙ্গলের এই ড্যানিশ তারকা নেমে পড়বেন। তাঁর খেলার ঝলক ইতিমধ্যেই দেখে নিয়েছেন সকলে। তাঁকে মাঠে দেখার অপেক্ষাতেই বসে রয়েছেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। ইউসুফ লাল-হলুদ জার্সিতে ইতিমধ্যেই সাফল্য পেয়ে গিয়েছেন। এবার এই ড্যানিশ তরুণের নামার পালা। ইস্টবেঙ্গলের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে অবশ্য কয়েকটা দিন সময় রয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে অ্যানটন নেমে পড়লেও, দলের সঙ্গে কতটা তাড়াতাড়ি মানিয়ে নিতে পারেন সেটা নিয়েও কিন্তু বেশ চিন্তিত ইস্টবেঙ্গল টিম ম্যানেজমেন্ট। বিশেষ করে এখানকার আবহাওয়া যে অ্যানটনের কাছে বড়সড় একটা চ্যালেঞ্জ হতে পারে তাও বলার অপেক্ষা রাখে না।
খাদের কিনারে বাংলা, বোলারদের দিকেই তাকিয়ে সকলে

মহম্মদ সামি(Mohammed Shami) প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেট তুলে বাংলাকে এগিয়ে দিলেও, ব্যাটারদের ব্যর্থতায় খাদের কিনারে বাংলা(Bengal Cricket Team)। বুধবার খুব বড়সড় কোনও অঘটন না ঘটলে বাংলার(Bengal Cricket Team) ফাইনালের আশা কার্যত শেষ হতে চলেছে বলাই যায়। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৯৯ রানেই শেষ বাংলা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই উইকেট খোয়ালেও, চতুর্থ দিন জম্মু ও কাশ্মীরের জয়ের জন্য প্রয়োজন মাত্র ৮৩ রান। তাঁর মধ্যে কী বাংলা কাশ্মীরের ৮ উইকেট তুলতে পারবে। সামি(Mohammed Shami), মুকেশ(Mukesh Kumar) এবং আকাশদীপদের(Akashdeep) দিকেই এখন তাকিয়ে সকলে। ২৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমেছিল বাংলা(Bengal Cricket Team)। কিন্তু কল্যাণীর পিচে এদিন ছিল শুধুই পেসারদের দাপট। সামির(Mohammed Shami) পাল্টা আকিব নবি এবং সুনীল কুমাররাও তুলে নেন চারটে করে উইকেট। আর তাতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বঙ্গ ব্রিগেড। অভিমন্যু ঈশ্বরণ(Abhimanyu Easwaran) ফেরেন পাঁচ রানে। সুদীপ চট্টোপাধ্যায়, সুদীপ ঘরামিরা রানের খাতাই খুলতে পারেননি। বাংলার হয়ে সর্বোচ্চ ২৪ রান করেছিলেন শাহবাজ আহমেদ। এছাড়া আর কেউই ২০ রানের গন্ডী টপকাতে পারেননি। মাত্র ৯৯ রানেই শেষ হয়ে যায় বঙ্গ ব্রিগেড। আর সেই থেকেই বাংলা শিবির যে বেশ চাপে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও তৃতীয় দিন জম্মু ও কাশ্মীরের দুটো উইকেট একাই তুলে নিয়েছিলেন আকাশদীপ। তৃতীয় দিনের শেষে জম্মু ও কাশ্মীরের রান ২ উইকেটে ৪৩। জয়ের জন্য কাশ্মীরের প্রয়োজন এখন ৮৩ রান। কাজটা কঠিন হলেও, বাংলার বোলাররাই যে এখন ভরসা লক্ষ্মীরতন শুক্লার তা বলাই বাহুল্য। চতুর্থ দিন প্রথম সেশনেই যে বেশ কয়েকটা উইকেট বাংলার প্রয়োজন তা হাবেভাবে স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সামি ম্যাজিকের অপেক্ষায় যেমন সকলে। তেমনই আকাশদীপ,মুকেশদের ভরসাতেই রয়েছেন বঙ্গ ক্রিকেট প্রেমীরা।
সেমিফাইনালে সামির ৮ উইকেট, জবাব নির্বাচকদের

রঞ্জি ট্রফিতে(Ranji Trophy) বাংলার হয়ে মাঠে নামার পর থেকেই নির্বাচকদের জবাব দিচ্ছেন ভারতীয় দলের তারকা পেসার মহম্মদ সামি(Mohammed Shami)। সেমিফাইনালেও দুরন্ত ছন্দে বাংলার মহম্মদ সামি। কার্যত জম্মু ও কাশ্মীরকে বাংলার বিরুদ্ধে ৩০২ রানে থামতে বাধ্য করেন সামি। জম্মু ও কাশ্মীরের ৮ উইকেট একাই তুলে নিয়েছিলেন সামি(Mohammed Shami)। এরপরই প্রশ্ন উঠছে, এখনও কী ভারতীয় দলে সুযোগ পাবেন না সামি! দ্বিতীয় দিনই দুই উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে আরও ভয়ঙ্কর ছিলেন তিনি। টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডারের তাবড় তাবড় ব্যাটারদের সাজঘরের রাস্তাটা দেখিয়ে দিয়েছিলেন বাংলার পেস ব্যাটারিই। শুধু তাই নয় একসময় জম্মু ও কাশ্মীরের বড় পার্টনারশিপের রাস্তায় যেতে চলা আব্দুল সামাদ ও পরশ ডোগরার পার্টনারশিপটাও ভেঙেছিলেন এই সামিই। প্রথম ইনিংসে রান দিয়েছেন মাত্র ৯০। আর সামির ঝুলিতে এসেছে ৮ রান। কাশ্মীরের অধিনাক পরশ ডোগরা থেকে আব্দুল সামাদ, খাজুরিয়া, ওয়াধওয়ানদের সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন এই সামিই। এবার তাঁর ভারতীয় দলে ফেরার অপেক্ষা। সেটাই শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
ইমরান খানের জন্য কপিল, গাভাসকর সহ ১৪ অধিনায়কের চিঠি

পাকিস্তান সরকারকে চিঠি দিল দুই প্রাক্তন ভারতীয় অধিনাক কপিল দেব(Kapil Dev), সুনীল গাভাসকর(Sunil Gavaskar) সহ অন্যান্য দেশের প্রাক্তন অধিনায়করা। সেই নিয়েই এবার শোরগোল। ইমরান খানের(Imran Khan) পাশে দাঁড়িয়েই এবার পাক সরকারকে বেশ কড়া চিঠি দিল বিশ্বের অন্যতম সেরা অধিনায়করা। সেই তালিকায় অ্যাল বর্ডার, ক্লাইব লয়েডদের সঙ্গে রয়েছেন কপিল দেব, সুনীল গাভাসকরও। ইমরান খানের(Imran Khan) স্বাস্থ্যের দিকে যাতে সঠিকভাবে খেয়াল রাখা হয় সেই বার্তাই দেওয়া হল প্রাক্তন তারকা অধিনায়কদের তরফ থেকে। দেওয়া হল চিঠিও। পাকিস্তানের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ইমরান খান(Imran Khan)। তাঁর হাত ধরেই ১৯৯২ সালে ওডিআই বিশ্বকাপ জিতেছিল পাকিস্তান। এরপর প্রথম ক্রিকেট অধিনায়ক হিসাবে প্রথমবার কোনও দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়েও রেকর্ড গড়েছিলেন ইমরান খান। যদিও পরবর্তীতে পাকিস্তানের আভ্যন্তরীর সমস্যার জেরে তাঁর সরকার পড়ে যায় এবং বর্তমানে জেলে রয়েছেন ইমরান খান। কিন্তু বারবারই তাঁর পরিবারের তরফে এবং দলের তরফে অভিযোগ তোলা হচ্ছে ইমরান খানের শরীরের যথাযথ যত্ন না নেওয়ার। তাঁর ওপর অত্যাচার করার অভিযোগও করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেই এবার ইমরান খানের জন্য পাকিস্তান সরকারকে চিঠি দিলেন বিশ্বের প্রাক্তন অধিনায়করা। সেখানেই সই করলেন ভারতের দুই কিংবদন্তী ক্রিকেটার কপিল দেব এবং সুনীল গাভাসকর। সেখানেই তাদের পাক সরকারের উদ্দেশ্যে সাফ বার্তা ইমরান খানের সঙ্গে যেন একেবারেই খারাপ ব্যবহার না করা হয়। সেইসঙ্গেই তাঁর শরীরের যথাযথ যত্ন নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বকাপের মাঝেই গম্ভীরের কাছে রাজস্থানের রয়্যালসের প্রস্তাব!

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T20 World Cup) শেষ হলেই কী ভারতীয় দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে আইপিএলের মঞ্চে পিরতে চলেছেন গৌতম গম্ভীর(Gautam Gambhir)। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ের পর থেকেই হঠাৎ করে নতুন জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। শোনাযাচ্ছে গৌতম গম্ভীরকে নাকি কোচ হওয়ার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে রাজস্থান রয়্যালসের তরফে। তাঁকে নাকি সরাসরি রাজস্থানের(Rajasthan Royals) মেন্টর পদের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যদিও গম্ভীরের তরফ থেকে কোনওরকম উত্তর পাওয়া গিয়েছে কিনা তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। গত রবিবারই বিশ্বকাপের মঞ্চে কলম্বোয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিরাট জয় পেয়েছে ভারতীয় দল। যদিও এখনও পর্যন্ত অনেক খেলা বাকি রয়েছে ভারতের। কিন্তু এর মাঝেই নাকি রাজস্থান রয়্যালসের কোনও এক কর্তা গৌতম গম্ভীরকে রাজস্থান রয়্যালসের কোচ হওয়ার জন্য প্রস্তাব দিয়েছেন। আজতক-এর খবর অনুযায়ী দলের মেন্টরের দায়িত্বই নেওয়ার কথা বলা হয়েছে তাঁকে। কিন্তু গম্ভার কী আদৌ সেই দায়িত্ব নিতে পারবেন? আর যদি নেন, তবে কী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরই ভারতীয় দলের দায়িত্বও ছাড়তে চলেছেন তিনি! এই নিয়েই এখন জল্পনা তুঙ্গে পৌঁছেছে। এই মুহূর্তে গম্ভীরের তত্ত্বাবধানেই টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলছে টিম ইন্ডিয়া। এরপরই ২০২৭ সালে রয়েছে ওডিআই বিশ্বকাপ। সেই বিশ্বকাপ পর্যন্তই ভারতীয় দলের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে গৌতম গম্ভীরের(Gautam Gambhir)। সেক্ষেত্রা তাঁর আইপিএলে আসার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার।