অভিষেককে আগলে রাখছে ভারত

মাঠের বাইরে সকলে যখন অভিষেক শর্মার(Abhishek Sharma) টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স নিয়ে সরব হয়েছেন, সেই ভারতীয় শিবির কিন্তু অভিষেক শর্মার(Abhishek Sharma) পাশেই দাঁড়াচ্ছেন। অন্তত মর্নি মর্কেল(Mornie Morkel) ম্যাচের আগে তেমনই বার্তা দিচ্ছেন। সকলে যখন তাঁকে বসিয়ে সঞ্জু স্যামসনকে(Sanju Samson) খেলানোর বার্তা দিচ্ছেন। সেই সময় মর্নি মর্কেল বলছেন অভিষেকের সঙ্গে ড্রেসিংরুমে এইসব নিয়ে কোনওরকণ আলোচনাই নাকি করা হয়নি। তাঁর ওপর এমন পরিস্থিতিতে ভরসা রাখারই বার্তা যেন দিচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট। মর্নি মর্কেল জানান, অভিষেক শর্মা তিনটি ম্যাচে শূন্য রান করলেও, তা নিয়ে আমাদের ড্রেসিংরুমে আলাদা করে কোনও আলোচনাই হয়নি। তিনি একজন ভালো ক্রিকেটার। তাঁর পাশে সকলেই রয়েছেন। এই সময়টা তাঁর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সকলেই আশাবাদী যে সে খুব শীঘ্রই ঘুরে দাঁড়াবে। অভিষেক শর্মা শেষ ম্যাচেও নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে রানের খাতা খুলতে পারেননি। বিশ্বকাপের মঞ্চে ওপেনিংয়ে এমন ব্যর্থতা নিয়ে যে সমালোচনা হবে সেটাই তো স্বাভাবিক। যদিও ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট সেই কথাবার্তা ড্রেসিংরুমের অন্দর পর্যন্ত পৌঁছতে দিচ্ছে না। বরং নেট সেশনে অভিষেকের দিকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ারই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে নামবে ভারত। সেই ম্যাচ থেকেই অভিষেক শর্মা ঘুরে দাঁড়তে পারেন কিনা সেটা তো সময়ই বলবে।
দিল্লির বিরুদ্ধে অ্যান্টনের অভিষেকের সম্ভাবনা, সমর্থকদের বার্তা অস্কারের

লাল-হলুদ জার্সিতে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। অ্যান্টন সোজবার্গের প্রস্তুতি নিয়ে বেশ আশ্বাস্তও কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। কিন্তু দিল্লি এসসির বিরুদ্ধে তিনি খেললেও, কোথায় খেলবেন। কারণ ইস্টবেঙ্গলের স্ট্রাইকার পজিশনে খেলছেন ইউসুফ এজ্জেজারি। আর এই স্প্যানিশ স্ট্রাইকার তো প্রথম দর্শনেই লাল-হলুদ জনতার মনের মানুষ হয়ে উঠেছেন। তাঁকে ঘিরে প্রত্যাশার পারদও এখন তুঙ্গে। প্রথম ম্যাচে জোড়া গোল। সেইসঙ্গে বল পায়ে অসাধারণ দক্ষতা। তাঁকে ছাড়া যে প্রথম একাদশ অস্কারও বাছতে পারবেন না তাও বলাই যায়। তবে অ্যান্টনকেও অবশ্য দেখে নিতে চাইবেন লাল-হলুদ কোচ। সেক্ষেত্রে ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে তাঁকে পরিবর্ত হিসাবে নামাতে পারেন। লাল-হলুদের প্রস্তুতিতে নিজেকে বেশ মানিয়ে নিয়েছেন এই ড্যানিশ স্ট্রাইকার। কোচ অস্কারও বলেই দিয়েছেন যে অ্যান্টন ফিটও রয়েছেন। তাঁর প্রস্তুতি নিয়েও খুশি তিনি। একইসঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের উদ্দেশ্যেও অস্কারের বিশেষ বার্তা। প্রতি ম্যাচেই লাল-হলুদ সমর্থকদের পাশে চাইছেন তিনি। তাঁর দল কোথায় কোথায় সেরা তা ভালোভাবেই জানেন। শুরুটাও তারা ভালোভাবেই করেছে। কিন্তু সেই মোমেন্টামটা ধরে রাখতে তাদের চাই সাপোর্ট। আর সেই সাপোর্টটা যে সমর্থকরা ছাড়া কেউ দিতে পারবে না সেই কথাটা এদিন বারবার বলতে শোনা গেল অস্কারকে।
শীর্ষে থাকাই লক্ষ্য অস্কারের, চোট-আঘাত নিয়ে দিলেন বড় আপডেট

আইএসএলে শুরুটা বেশ ভালোভাবেই করেছে ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচেই ৩ গোলে জয়। দলের এমন পারফরম্যান্স দেখার পর থেকেই প্রত্যাশার পারদ চড়তে শুরু করেছে। কিন্তু লাল-হলুদ কোচ অস্কার ব্রুজোঁ কিন্তু এখনই ফুটবলারদের সামনে লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছে। তবে সেটা চ্যাম্পিয়নশিপ নয়। আপাতত ফিফা ব্রেক শুরু হওয়ার আগে শীর্ষস্থানে থাকাই ইস্টবেঙ্গল শিবিরের কাছে পাখির চোখ। ড্রেসিংরুম থেকে প্রস্তুতি পর্ব, সব জায়গাতেই ফুটবলারদের এই একই বার্তা দিচ্ছেন অস্কার। সেভাবেই তৈরিও হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল ব্রিগেড। সামনে দিল্লি, সেখানেও তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়তে চান অস্কার। অস্কার জানান, আমরা জানি এটা ছোট লিগ, আমাদের প্রতি ম্যাচে উন্নতি করতে হবে। আমাদের টপে থাকতে হবে। প্রত্যেক ম্যাচ বেশি পয়েন্ট নিতে হবে। মাঝে ফিফা ব্রেক আছে। ব্রেকের আগে টপে থাকতে হবে। আমরা আগামীকালের ম্যাচ নিয়ে ভাবছি। আমরা এখনই চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে ভাবছি না। আমরা জানি এটা সহজ নয়। এটা নিয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশা থাকে। আমরা টাইটেল জেতার জন্য ম্যাচ ধরে ভাবছি। আমরা আপাতত ফিফা ব্রেক পর্যন্ত ফোকাস করছি। একইসঙ্গে এদিনই আবার দলের চোট আঘাতের তালিকা নিয়েও বড়সড় আপডেট দিলেন অস্কার। চোট সারিয়ে এখন অনেকটাই সুস্থ মহম্মদ রাকিপ। তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ থাকলেও, রাকিপ যে দিল্লির বিরুদ্ধে দলে ফিরবে তা স্পষ্ট করে দিলেন তিনি। সেইসঙ্গে নাওরেম মহেশও ১৫ দিনের মধ্যেই ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতিতে ফিরতে চলেছেন। এখনও পর্যন্ত অনুশীলন সেভাব শুরু করতে পারেননি তিনি। হাল্কা রিহ্যাব শুরু করলেও, ম্যাচ ফিট হতে কয়েকটা দিন সময় লাগবে মহেশের। সেইসঙ্গে কেভিন সিবিল্লে এখনও স্পেনে তাঁর চিকিৎসা চালালেও, চলতি সপ্তাহের শেষেই হয়ত শহরে ফিরতে চলেছেন এই তারকা ফুটবলার। অর্থাৎ মার্চ থেকে তাঁকে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এতকিছুর মধ্যেই অস্কারকে একটা জিনিস কিন্তু ভাবাচ্ছে। প্রথম ম্যাচে ফুটবলারর ৬০-৭০ মিনিটের পর শারীরিক ভাবে