ইউসেফকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত মেহতাব, আশবাদী ইস্টবেঙ্গলকে নিয়েও

আইএসএলে(ISL) নেমেই লাল-হলুদ সমর্থকদের মন জিতে নিয়েছেন ইউসেফ এজ্জেজারি(Yussef Ezzejjari)। পরপর দুই ম্যাচেই জোড়া গোল। মিগুয়েল(Miguel)-ইউসেফের(Yussef Ezzejjari) পার্টনারশিপ নিয়ে এখন থেকেই মজেছে সকলে। এই স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের ফ্যান এখন প্রাক্তন ফুটবলার মেহতাব হোসেনও। তিনি তো বলেই দিলেন, এতদিনের খোঁজের পর সঠিক স্ট্রাইকার পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। ইউসেফের(Yussef Ezzejjari) গতি থেকে গোলের খিদে নিয়ে আপ্লুত মেহতাব হোসেন। এখনও পর্যন্ত দুটো ম্যাচ খেলেছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। দুই ম্যাচেই জোড়া গোল লাল-হলুদের এই স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের। তাঁকে ঘিরে যে ক্রমশই প্রত্যাশার পারদ চড়তে শুরু করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রাক্তন লাল-হলুদ তারকা মেহতাবও যে ইউসেফ এজ্জেজারিকে নিয়ে আশায় বুক বাঁধছে তা বেশ স্পষ্ট। মেহতাব হোসেন বলেন, “দুরন্ত গোল করেছেন। শুধুমাত্র সেটাও নয়, পেনাল্টিটাও দেখ। কেমনভাবে ঠান্ডা মাথায় একদিকে গোলকিপার ফেলে গোলটা দিলেন। কতটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন সেই সময় ইউসেফ। এমন স্ট্রাইকার যদি দলে থাকে যে বুঝতে পারে কোথায় কখন বলটা আসতে পারে। অর্থাৎ গোলের গন্ধটা পায়, এমনটা একটা স্ট্রাইকার দীর্ঘদিন পর ইস্টবেঙ্গলে এসেছেন”। একিসঙ্গে মিগুয়েলের সঙ্গে ইউসেফের বোঝাপড়া নিয়েও বেশ উচ্ছ্বসিত লাল-হলুদের প্রাক্তন মিডফিল্ডার জেনারেল। যেভাবে পরপর দুটো ম্যাচেই মিগুয়েল এবং ইউসেফ প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙেছে তা দেখে খুশি মেহতাব। তাঁর মতে এই ইস্টবেঙ্গল দল তো অবশ্যই এবারের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দাবীদার একইসঙ্গে এই আগামী তিন বছর এই দল ধরে রাখলে ইস্টবেঙ্গল সাফল্যের শিখরে পৌঁছবে বলেও মনে করছেন
ফিরছেন মহেশ, জামশেদপুরের বিরুদ্ধেই অ্যান্টন

সবকিছু ঠিকঠাক চললে জামশেদপুর এফসির(Jamshedpur Fc) বিরুদ্ধেই লাল-হলুদ জার্সিতে মাঠে ফিরতে চলেছেন নাওরেম মহেশ(Naorem Mahesh)। তবে পুরো সময়ের জন্য নয়। শোনাযাচ্ছে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য সেই ম্যাচে নামানো হতে পারে মহেশকে(Naorem Mahesh)। এই মুহূর্তে লাল-হলুদ শিবিরের সঙ্গে রিহ্যাব সারছেন ইস্টবেঙ্গলের এই তারকা ফুটবলার। তবে চোট সারিয়ে মাঠে নামার মতো পরিস্থিতিতে চলে এসেছেন মহেশ। তবে এখনই তাঁকে নিয়ে বাড়তি ঝুঁকি নিতে নারাজ অস্কার(Oscar Bruzon)। জামশেদপুরের বিরুদ্ধে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য নামিয়ে দেখে নিতে চাইছেন। সবকিছু ঠিকঠাক হলে গোয়া ম্যাচ থেকেই ফের প্রথম একাদশে ফিরবেন মহেশ। অন্যদিকে ক্রেসপো জামশেদপুরের বিরুদ্ধে খেলবেন কিনা তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারছেন না অস্কার। যদিও ক্রেসপো সেই ম্যাচে খেলতে না পারলে অস্কারের অস্ত্র তৈরিই রয়েছে। জামশেদপুর এফসি ম্যাচ দিয়েই অভিষেক হতে চলেছে অ্যান্টন সোজবার্গের। সোমবার থেকে বিরতি কাটিয়ে প্রস্তুতি শুরু করল ইস্টবেঙ্গল। সেখানে বেশ খোশ মেজাজেই দেখা গেল অ্যান্টন সোজবার্গকে। একইসঙ্গে জানা গেল অ্যান্টনকে কেন দিল্লির বিরুদ্ধে খেলানো যায়নি। অ্যান্টন চলে এলেও তারিখ পেড়িয়ে যাওয়ার পরই তাঁর আইএসএলের রেজিস্ট্রেশন করানো হয়। তারফলে সেই ম্যাচে স্কোয়াডে রাখলে প্রতিপক্ষ প্রতিবাদ করতে পারত। সেই ঝুঁকি এড়াতেই তাঁকে স্কোয়াডে না রাখারই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে খেলবেন এই ড্যানিশ তারকা।
অভিষেক শর্মার ওপর মেজাজ হারালেন গম্ভীর!

অভিষেক শর্মার(Abhishek Sharma) ওপর কী মেজাজ হারালেন গৌতম গম্ভীর(Gautam Gambhir)। চেন্নাইয়ে পৌঁছনোর পর টিম বাসে অভিষেক শর্মার সঙ্গে গৌতম গম্ভীরের(Gautam Gambhir) কথা বলার যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তা নিয়েই এখন জোর জল্পনা। আর সেই ভিডিওতেই দেখা বেশ উত্তেজিতভাবেই কথা বলতে দেখা যাচ্ছে ভারতীয় দলের হেডকোচ গৌতম গম্ভীরকে। আর সেটা দেখার পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে নানান জল্পনা। তবে কী এবার অভিষেক শর্মার(Abhishek Sharma) ওপর মেজাজ হারালেন গম্ভীর। এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে(T20 World Cup) ভারতীয় দলের অন্যতম প্রধান চমক ছিল অভিষেক শর্মাকে খেলানো। কিন্তু বাইশগজের লড়াইয়ে সেই চমক কিন্তু বেশ খানিকটা ব্যাকফুটে। চার ম্যাচ খেলে অভিষেক শর্মার রান মাত্র ১৫। তার থেকেও বড় ব্যপার হল অভিষেক পরপর তিন ম্যাচেই শূন্য রানে সাজঘরে ফিরেছিলেন। আর তাতে যে ভারতীয় দলের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি অভিষেক শর্মাকে না খেলিয়ে তার পরিবর্তে এবার সঞ্জু স্যামসনকে খেলানোর দাবীও তুলছেন অনেকে। এমন পরিস্থিতিতেই এবার টিম বাসে গম্ভীর এবং অভিষেক শর্মার এমন কথোপকথনের ভিডিও ভাইরাল। দ্বিতীয় ম্যাচে ভারত চেন্নাইয়ে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে খেলবে। সেই উদ্দেশ্যে চেন্নাইয়ে পৌঁছেও গিয়েছে ভারতীয় দল। সেখানেই দেখা যায় টিম বাসে অভিষেক শর্মা সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন গৌতম গম্ভীর। তবে বেশ উত্তেজিত ভাবেই অভিষেকের(Abhishek Sharma) সঙ্গে কথা বলতে দেখা যাচ্ছিল গম্ভীরকে। সেই থেকেই প্রশ্ন উঠছে যে গম্ভীর কী তবে অভিষেকের ওপর মেজাজ হারাতে শুরু করেছে? বাইরে বুঝতে না দিলেও, অভিষেকের পারফরম্যান্সে যে গম্ভীরও বেশ হতাশ তা কিন্তু এবার বোঝাই যাচ্ছে।
জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে কঠিন চ্যালেঞ্জ ভারতের সামনে

এখনও পর্যন্ত টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে(T20 World Cup) একটি মাত্র ম্যাচই হেরেছে ভারত। আর সেই হারের খেসারতটাই যেন ক্রমশ ভারী হয়ে উঠছে ভারতের কাছে। বিশেষ জিম্বাবোয়ের(Zimbabwe) বিরুদ্ধে ওয়েস্ট ইন্ডিজের(West Indies) বিরাট ব্যবধানে জয়ের পর ভারতের চিন্তাটা আরও কয়েক গুন বেড়ে গিয়েছে। এখন শুধু আর জেতা নয়, ভারতের(India Cricket Team) ঘারের ওপর চেপে বসেছে রানরেটের বিরাট এক অঙ্কও। সেটা সামলে ভারত(India Cricket Team) সামনের দিকে এগোতে পারে কিনা তা তো সময়ই বলবে। প্রথম ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকার ৭৬ রানে কাছে হেরে গিয়েছে। আর সেই হারের ফলে ভারতের নেট রানরেট এখন -৩.৮০০। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে জিতেছিল ১০৭ রানে। আর তাতেই ক্যরিবিয়ান ব্রিগেডের নেট রানরেট এখন +৫.৩৫০। ভারতের(Indian Cricket Team) চাপ বাড়াটাই যে স্বাভাবিক তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে নামবে ভারতীয় দল। সেই ম্যাচে নিজেদের নেট রানরেট ঠিক করতে গেলে অন্তত ১০০ রানের ব্যবধানে জিততেই হবে। আর এবারের বিশ্বকাপে ভারতের বোলিং লাইনআপের যা অবস্থা, তাতে এটা করাটা খুবই কঠিন। কিন্তু জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ১০০ রানে জিততেই হবে এই ম্যাচে। অর্থাৎ ভারত যদি ২০৫ রান করে, সেক্ষেত্রে জিম্বাবোয়েকে ১০৫ রানে থামাতে হবে। আবার যদি ২০০ রানের গন্ডী টপকাতে না পারে সেক্ষেত্রে ভারতের চাপটা অনেকটাই বেড়ে যাবে। সব মিলিয়ে একটা হারেই যে ভারত ঘরের মাঠে হলেও অত্যন্ত চাপে পড়ে গিয়েছে তা বেশ স্পষ্ট।
ইডেনের হাতছাড়া হতে পারে সেমিফাইনাল!

সূচীতে থাকলেও সেমিফাইনালের ম্যাচ হাতছাড়া হতে পারে ইডেন গার্ডেন্সের(Eden Gardens)। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের(T20 World Cup) সূচী প্রকাশের সময় থেকেই ইডেনের(Eden Gardens) সঙ্গে কলম্বোকেও(Colombo) ভেন্যু হিসাবে দেখানো হয়েছিল প্রথম সেমিফাইনালের জন্য। তার কারণও অবশ্য সেই সময় বলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি তাতে কী হবে সেটা নিয়েই দেখা দিয়েছে সমস্যা। কারণ ভারত যদি প্রথম সেমিফাইনাল না খেলে, সেক্ষেত্রে বদলে যেতে পারে প্রথম সেমিফাইনালের ভেন্যু। এখনও পর্যন্ত যা ঠিক রয়েছে তা হল প্রথম সেমিফাইনাল যদি ভারত বনাম পাকিস্তান(INDvPAK) হয়, তবে দুই বোর্ডের সম্মতিতেই সেই ম্যাচ চলে যাবে শ্রীলঙ্কার(Srilanka) কলম্বোতে। আবার যদি শ্রীলঙ্কা সেমিফাইনালে যায় এবং ভারতের মুখোমুখি হয় সেক্ষেত্রে সেই ম্যাচ হবে ইডেনেই। কিন্তু ভারতের মুখোমুখি যদি তারা না হয় তবে ম্যাচ আবার কলম্বোতেই চলে যাবে। সুপার এইটের মঞ্চে প্রথম ম্যাচেই হেরে গিয়েছে ভারত। আবার অন্যদিকে একই গ্রুপে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। এই মুহূর্তে ভারতের গ্রুপে যে পজিশন তাতে সেমিফাইনাল ওয়ান খেলার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা কোয়ালিফাই করে গেলে তাদের মুখোমুখি ভারত না হলে সেই ম্যাচ ইডেনের হাতছাড়া হয়ে যাবে। অবশ্য আরও ব্যপার রয়েছে। যদি শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান উভয় দলই সেমিফাইনালের টিকিট কাটতে না পারে, সেক্ষেত্রে যেমন ইডেনে সেমিফাইনাল ওয়ান খেলার কথা রয়েছে, তেমনটাই হবে।
তিলককে বিরাটের ভূমিকা পালনের পরামর্শ কাইফের

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে নামবে ভারতীয় দল(INDvZIM)। তার আগে তিলক বর্মার(Tilak Varma) উদ্দেশ্যে বিশেষ পরামর্শ ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফের(Mohammed Kaif)। তিন নম্বর পজিশনে খেলতে নামছেন তিলক বর্মা। সেখানে বিরাট কোহলি যেমনভাবে খেলতেন, সেটাই তিলক বর্মাকে অনুকরণ করার বার্তা দিচ্ছেন এই প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার। সম্প্রতি বিশ্বকাপের মঞ্চে একেবারেই ভালো ফর্মের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন না তিলক বর্মা(Tilak Varma)। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দলের যখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল তিলক বর্মার(Tilak Varma) পারফরম্যান্স, সেই সময়ই তিনি ব্যর্থ হয়ে সাজঘরে ফিরে গিয়েছিলেন। আর তারপর থেকেই শুরু হয়েছিল তিলক বর্মাকে নিয়ে জোর জল্পনা। প্রাক্তন থেকে বিশেষজ্ঞরাও সরব হয়েছিলেন তিলক বর্মার বিরুদ্ধে। এবার মুখ খুললেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ। তিনি জানিয়েছেন, আমার মনে হয় এটা ম্যানেজমেন্টের কাজ যে ক্রিকেটারকে তাঁর ভূমিকাটা পালন করতে বলার। এই মুহূর্তে বিরাট কোহলির ভূমিকাটাই পালন করতে হবে তিলক বর্মাকে। কিন্তু তিনি সেটা না করে বারবারই বড় শট খেলার জন্য এগিয়ে চলেছেন। অন্যরা কী বলছে সেটা শুনলে কখনই নিজের খেলা সম্ভব নয়। এখনও পর্যন্ত টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে বড় রানের ইনিংস খেলতে পারেননি তিলক বর্মা। শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও ক্রিজে তিনি ছিলেন কিছুক্ষণেরই অতিথি। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।