ইতিহাস ভেঙে নতুন ইতিহাস তৈরি ভারতের

ইতিহাস ভেঙে এক নতুন ইতিহাসের মালিক ভারতীয় দল। ২০২৩ সালে যে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম ভারতীয় দলের স্বপ্ন ভঙ্গের স্বাক্ষী হয়েছিল। সেই স্টেডিয়ামেই নতুন ইতিহাস তৈরি করল টিম ইন্ডিয়া। নিউ জিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত(India Team)। সেইসঙ্গেই ভারতের আকাশে নতুন তারকা হিসাবে উদয় হল সঞ্জু স্যামসনেরই। নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথম দেশ হিসাবে যেমন পরপর টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ড তারা গড়ল। তেমনই তিনটি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাসও এদিন গড়লেন সূর্যকুমার যাদবরা। আর তারই স্বাক্ষী হয়ে থাকলেন এমএস ধোনি, রোহিত শর্মারাও। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং পেয়েছিল ভারত। আর সেটাই যেন সঞ্জুদের কাছে বিরাট একটা সুযোগ হয়ে গিয়েছিল। টানা রান না পাওয়া অভিষেক শর্মা এদিনই ফিরলেন তাঁর পুরনো মেজাজে। শুরু থেকেই ছিলেন বিধ্বংসী ফর্মে। সেইসঙ্গে সঞ্জু স্যামসনের ব্যাট থেকেও ছিল একের পর এক বড় শট।২১ বলে ৫২ রানে যখন অভিষেক ফেরেন সেই সময় ভারতের রান ৭.১ ওভারে ৯৮। সঞ্জুর সঙ্গে জুটি বাঁধেন ঈশান কিষাণ। কার্যত কিউই বোলারদের তুলোধনা করেন দুজনে মিলে। এদিনও ৮৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস সঞ্জু স্যামসনের। তাঁর গোটা ইনিংস জুড়ে পাঁচটি চার ও আটটি ছয়। ঈশান কিষাণের ২৫ বলে ৫৪ রানের ইনিংসটা সাজানো রয়েছে ৪টি চার ও ৪টি ছয় দিয়ে। শেষের দিকে শিবম দূবের ৮ বলে ২৬ রানের ঝোরো ইনিংস। ভারতের ২৫৫। গত ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের বোলিং নিয়ে নানান কথাবার্তা হয়েছিল। এদিন শুরু থেকেই বুমরারা ছিলেন দুরন্ত ফর্মে। তবে প্রথম ধাক্কাটাই দেন অক্ষর পটেল। ফিন অ্যালেনতে ফিরিয়ে দিয়ে। এরপর রচিন রবীন্দ্রকে তুলে নেন বুমরা। গ্লেন ফিলিপসকে শিকার ফের অক্ষর পটেলের। শেরিফট খানিকটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠলেও ৫২ রানে বরুণ থামি.ে দেন তাঁকে। এরপর আর অর্শদীপ, বুমরাহদের সামনে সেভাবে দাঁড়াতে পারেননি কিউই ব্যাটাররা। ১৫৯ রানেই শেষ হয়ে যায় নিউ জিল্যান্ড। সেইসঙ্গেই ফের একটা টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতের। আর সকলকে সমস্ত জবাব দিয়ে বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটারের তকমা সঞ্জু স্যামসনের।