দিমি-ম্যাকলরেনদের বহু সুযোগ হাতছাড়া, প্রথম পয়েন্ট নষ্ট বাগানের

আইএসএলের মঞ্চে প্রথম পয়েন্ট খোয়ালো মোহনবাগান সুপাজায়ান্ট(MBSG)। অ্যাওয়ে ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসির(BFC) সঙ্গে গোলশূন্য ড্র। ম্যাচের শুরু থেকে শেষপর্যন্ত ম্যাকলরেন(Jamie Maclaren), দিমিত্রিরা(Dimitri Petratos) চেষ্টা একের পর এক আক্রমণের ঝড় তুললেও, বেঙ্গালুরুর রক্ষণ এবং গুরপ্রীতের দক্ষতায় বারবারই আটকে যায় তারা। যদিও পাল্টা আক্রমণের চাপ বেঙ্গালুরুর তরফেও ছিল। কিন্তু সুনীল, রায়ান উইলিয়ামসরাও ব্যর্থই হয়েছেন। বল পজিশন থেকে শট সমস্ত দিক থেকেই এগিয়ে ছিল মোহনবাগানই। কিন্তু গোলটা আর করতে পারেনি তারা। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই বেশ আক্রমণাত্মক ছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। প্রথম আধ ঘন্টার মধ্যেই দিমিত্রি, ম্যাকলরেন এবং রডরিগেজ বেশ কয়েকটা সুযোগ বের করে ফেলেছিল। কিন্তু কোনও না কোনওভাবে আটকেই গিয়েছিল তাদের শট। সেইসঙ্গে এদিন দুরন্ত ছন্দে ছিলেন শুভাশিস বোসও। তিনিও কিন্তু বেশ কিছু ভালো বল বাড়িয়েছিলেন। বিরতির পরও খেলাটা ছিল আক্রমণ-প্রতিআক্রমণের। মনিরুল থেকে সুনীল ছেত্রীরাও তখন গোল পেতে মরিয়া। একবার তো বক্সের মধ্যে ছেত্রী পরপর দুবার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু থাপার দক্ষতায় বেঁচে যায় মোহনবাগান। পাল্টা আক্রমণে মোহনবাগানও ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বেঙ্গালুরু রক্ষণে। ম্যাকলরেনের সুযোগ একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট। রডরিগেজের শটও কখনও গুরপ্রীতের হাতে তো কখনও বাইরে। আর শেষের দিকে দিমিত্রি পেত্রাতোস তো একেবারে গোলরক্ষককে একা পেয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনিও বাইরেই শট নেন। ম্যাচ শেষ হয় গোলশূন্য ভাবেই।
আবারও একটা ড্র, ক্রমশই পিছিয়েই পড়ছে ইস্টবেঙ্গল

ঘরের মাঠে এগিয়ে থেকে আবারও একটা ড্র। আর যে কেরালা(Kerala Blasters) এখনও পর্যন্ত কারোর বিরুদ্ধে পয়েন্ট পায়নি, সেই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) বিরুদ্ধেই তারা পয়েন্টের খাতাটা খুলে ফেলল। শেষমুহূর্তে কেরালার গোলে ১-১ ফলাফলেই শেষ হল ম্যাচ। আবারও দু পয়েন্ট হাতছাড়া করেই সন্তুষ্ট থাকতে হল অস্কার ব্রুজোঁর দলকে। সেইসঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের প্রথম একাদশ থেকে অস্কারের স্ট্র্যাটেজি সবকিছু নিয়েই যে বহু প্রশ্ন উঠে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ম্যাচের ১০ মিনিটে পেনাল্টি আদায় করে লাল-হলুদ। গোল করতে ভুল করেননি ইউসেফ এজ্জেজারি। কিন্তু এরপর ইস্টবেঙ্গল গোটা প্রথমার্ধ জুড়ে যে খেলাটা খেলল, সেটা যেন বড়ই অগোছালো। সেইসঙ্গে বিপিন তো এদিন উইং দিয়ে সেভাবে ঝড় তুলতেই পারলেন না। আসলে তাঁকে সেভাবে বল বাড়ানোরই কেউ ছিলেন না। মিগুয়েল আবারও সেই একইরকম। বারবার আটকে পড়ছিলেন। আর কখনও কখনও হতাশ হয়ে নিজেই একের পর এক ভুল শট খেলছিলেন। বিরতির পরও ইস্টবেঙ্গলের খেলার চিত্রটা কিন্তু সেভাবে বদল হয়নি। বরং কেরালা ক্রমশই চাপ বাড়িয়েছিল ইস্টবেঙ্গল রক্ষণে। অবশ্য ইস্টবেঙ্গলও যে সুযোগ পায়নি এমনটা নয়। কিন্তু জালে বারবারই বল জড়াতে ব্যর্থ হয়েছেন এজ্জেজারি, এডমুন্ড থেকে বিষ্ণুরা। বরং খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে আজসালের দুরন্ত হেডে ম্যাচে সমতা ফেরায় কেরালা ব্লাস্টার্স। এরপর আর মাত্র কিছুক্ষণ সময়। ইস্টবেঙ্গল অবশ্য ম্যাচে ফিরতে পারেনি। কিন্তু দুটো পয়েন্ট ঘরের মাঠে হাতছাড়া করল। সেইসঙ্গে অস্কার বহু প্রশ্নও কিন্তু উঠিয়ে দিলেন।
সূর্যকেই টি টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসাবে দেখতে চান কাইফ

শুভমন গিল নন, ভারতীয় টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়কের ব্যাটন সূর্যকুমার যাদবের(Suryakumar Yadav) কাছেই থাকা উচিৎ। মনে করছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পরই সূর্যকুমার(Suryakumar Yadav) এখনও টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়কের দায়িত্ব সামলে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সেই প্রসঙ্গেই এবার তাঁর সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন মহম্মদ কাইফও। তাঁর মতে যেভাবে সূর্য খেলছে তাতে, তাঁর ওপরই দায়িত্ব থাকা উচিৎ। রোহিত শর্মা অবসর নেওয়ার পরই ভারতীয় টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক হয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদব। সেই থেকেই দলের দায়িত্ব মজবুত হাতে সামলাচ্ছেন সূর্যকুমার যাদব(Suryakumar Yadav)। ভারত তাঁর নেতৃত্বেই ফের একটা টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপও জিতেছে। এরপরই মুখ খুলেছেন প্রাক্তন তারকা মহম্মদ কাইফ। কাইফের মতে, “সূর্য ইতিমধ্যেই পরিস্কার করে দিয়েছেন যে তিনি টি টোয়েন্টির অধিনায়কত্বের কাজটা চালিয়ে যেতে চান। সেটাই করা উচিৎ। আমার মনে হয় এমন একজন যে আইপিএলে বহু সময় দিয়েছেন। অনেক সময় ব্যতীত করেছেন এই ফর্ম্যাটে। সেইসঙ্গে দলের ওঠা পড়া তেকে সমস্ত সময়ের স্বাক্ষী হয়ে রয়েছেন। তাঁকেই দায়িত্ব দেওয়া উচিৎ। সেই জন্যই মনে করি সূর্য যদি দায়িত্ব চালিয়ে যেতে চান তাঁকেই ভরসা করা উচিৎ”।