সীমান্তে পাক-ভারত লড়াইয়ের ফলে আইপিএল আপাতত স্থগিত। বোর্ড জানিয়েছে, এক সপ্তাহ পর এ নিয়ে তারা আলোচনায় বসবে। সবার আগে সরকারের অনুমতির প্রয়োজন। তারপর ব্রডকাস্টার ও ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সঙ্গে কথা বলা। এসব হওয়ার পর বাকি ম্যাচগুলির সূচি ঘোষণা করা হবে। বোর্ড কর্তারা আশা করছেন, এক সপ্তাহ পর পাক-ভারত লড়াইয়ের ছবি অনেকটাই পরিস্কার হয়ে যাবে। তাই আশা করা যায়, দশদিনের মধ্যে আইপিএল শুরু করা যাবে।
একথা বলে বোর্ড কর্তারা হাত গুটিয়ে বসে নেই। তাঁরা সূচি নিয়ে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছেন। শোনা যাচ্ছে, আইপিএলের বাকি ১৬টি ম্যাচ দেসের বিভিন্ন শহরে না করে আলাদা করে জায়গা বেছে নিয়ে করা সম্ভব কিনা। এ ব্যাপারে তিনটি শহরের নাম সামনে এসেছে। সেগুলি হল কলকাতা, চেন্নাই ও বেঙ্গালুরু। এই তিন শহরে টেনশন নেই। পরেও থাকার সম্ভাবনা থাকবে না। তাই এদের আলাদা করে বেছে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া যেতে পারে। তিন রাজ্যের ক্রিকেট কর্তাদের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলাও শুরু হয়ে গিয়েছে। কলকাতা প্লে অফের সঙ্গে ফাইনাল পাচ্ছে। সঙ্গে লিগের কিছু ম্যাচ দিলে তরা কি করতে পারবে। এভাবে চেন্নাই ও বেঙ্গালুরুর সঙ্গে কথা বলা শুরু করে দিয়েছেন কর্তারা। আইপিএল ফাইনালের দিন ধার্য ছিল ২৫ মে। কিন্তু পরিস্থিতির কারনে তা পিছিয়ে যাবে। তবে তা যেন আগামি মাসে চলে না যায়, সেটাও দেখা হচ্ছে। টুর্নামেন্ট ছোট করার জন্য প্রয়োজনে দিনে দুটি করে ম্যাচ করার কথাও ভাবা হয়েছে। তাহলে ফইনাল নিয়ে চিন্তা থাকবে না। এটা এখনও পর্যন্ত আলোচনার স্তরে আছে। হাতে সময় আছে বলে বোর্ড কর্তারা আগে বাজিয়ে দেখে নিতে চাইছেন।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড তাদের পিএসএল টুর্নামেন্টকে আরব আমিরশাহিতে নিয়ে যাওয়ার কথা ভেবেছিল। টাদের টুর্নামেন্ট শেষ করতে অবশ্য বেশি সময় লাগবে না। আট ম্যাচ বাকি। তাই এক সপ্তাহের মধ্যে টুর্নামেন্ট শেষ কর সম্ভব। তবে এখন পর্যন্ত তরা আমিরশাহির কাছ থেকে সবুজ সঙ্কেত পায়নি। তাই বোঝা যাচ্ছে না যে সেখানে পিএসএলের বাকি ম্যাচ করা যাচ্ছে কিনা।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সব সময় আইপিএল দেশের মাটিতে করার পক্ষে। আগে চারবার বিশেষ কারনে বিদেশের মাঠে আইপিএলকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এবার কি নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। বোর্ডের ভাবনায় এখন সেরকম কিছু নেই। বোর্ড কর্তারা আশাবাদি, টুর্নামেন্ট দেশের মাটিতে করা যাবে। তারই মধ্যে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড সাহয্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। ইসিবির পক্ষ থেকে এক কর্তা জানিয়েছেন, আইপিএলের বাকি ম্যাচ ইংল্যান্ডে করা যেতে পারে। এখানে নিরাপত্তা নিয়ে ভাবনার কিছু নেই। মাঠের অভাবও হবে না। ভারতের সব থেকে বড় পাওয়া এটাই যে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলতে নামার আগে ভারতীয় ক্রিকেটাররা পরিস্থিতি ও পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে। আমরা সব সময় ভারতের পাশে আছি।
ভাল অফার। বিশেষ করে আগামির কথা ভেবে এটাই করা যেতে পারে। শুধু ভারতীয় দল নয়, আইপিএলে খেলা অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিন আফ্রিকার ক্রিকেটাররাও সুবিধা পাবে। তাদের দেসের বোর্ড এ নিয়ে কোনও কথা তুলবে না। কারন ১১ জুন থেকে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অস্ট্রেলিয়া খেলবে দক্ষিন আফ্রিকার সঙ্গে। তাদেরও প্র্যাকটিস হয়ে যাবে। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কিছু ভাবে নি। তরা প্রথমে ঘরের মাঠে টুর্নামেন্ট শেষ করতে চায়। তাই সেদিকে এখনই তাকাবার প্রয়োজন মনে করছে না।







