১০৩ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি এবার তাই হল। খেলা শুরুর ৩৪ মিনিটের মধ্যে এল ক্লাসিকোতে হয়ে গেল পঁাচ-পঁাচটা গোল। যা দেখে এককথায় তাজ্জব বনে গেলেন দু-দলের সমর্থকরা। খেলার শেষে ফল গিয়ে দঁাড়াল বার্সেলোনার পক্ষে ৪-৩। এই জয়ের ফলে এল ক্লাসিকো ফের জিতল বার্সেলোনা তাই নয়, লা লিগাও বলতে গেলে তুলে নিল হ্যান্সি ফ্লিকের দল।
খেলা শুরুর ১৪ মিনিটের মধ্যে ঝড় তুলে দিয়েছিল রিয়াল। পরপর দুটো গোল করে এমবাপে তখন রিয়াল সমর্থকদের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলেছেন। মনে মনে রিয়ালের অনেক সমর্থক হয়তো নিশ্চিত জয় ভেবে নিয়েছিলেন। তারপর থেকেই খেলার মোড় ধীরে ধীরে ঘুরতে থাকে। মাত্র ২০ মিনিটের ব্যবধানে রিয়ালকে পিছনে ফেলে বার্সা এগিয়ে যায় ৩-২ গোলে। এক এক করে গোলগুলি করে যান যথাক্রমে গার্সিয়া, ইয়ামাল ও রাফিনিয়া। বিরতির আগেই খেলার ফল গিয়ে দঁাড়ায় বার্সার পক্ষে ৪-২। জোড়া গোল তখন করে ফেলেছেন রাফিনিয়া। রিয়ালের সমর্থকরা তখন থ বনে গিয়েছেন। পেন্ডুলামের মতো দুলতে দুলতে খেলার মোড় যে এতটা ঘুরে যাবে তা বোধহয় বার্সারও কোনও গোঁড়া সমর্থক ভাবেননি। বিরতির পর রিয়ালের হয়ে ফের গোল দিয়ে এমবাপে হ্যাটট্রিক করেন। ৭০ মিনিটের খেলা তখন গড়িয়েছে। তারপরও রিয়াল পারল না খেলায় সেভাবে ছাপ ফেলতে। বার্সেলোনা জিতে মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয়েছে।
ম্যাচটা জেতা জরুরী ছিল রিয়ালের কাছে। তাহলে লা লিগা পাওয়ার দৌড়ে বার্সার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে পারত। দুদলের মধ্যে পয়েন্টের ব্যবধান নেমে আসতো মাত্র একে। রিয়াল হেরে বসায় লা লিগায় চির প্রতিদ্বন্দ্বীর থেকে সাত পয়েন্টে এগিয়ে গেল বার্সা। সুতরাং এবারের মরশুমে শূন্য হাত থেকে গেল রিয়ালের। তারচেয়েও বড় কথা, এল ক্লাসিকোতে চারবার বার্সার কাছে হার মানতে বাধ্য হল রিয়াল। যা ইদানীং কালে ঘটেনি। বার্সার সামনে রইল আর িতনটে ম্যাচ। তাই ধরে নেওয়া যায় বার্সার পকেটে চলে এসেছে লা লিগা।

একাধিক রেকর্ড গড়ে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে বিরাট জয় ভারতের
Shareব্যাট, বল হাতে দুরন্ত হার্দিক পান্ডিয়া। সেইসঙ্গে অকুণ জেটলি স্টেডিয়ামে একাধিক রেকর্ড গড়ে নামিবিয়ার বিরদ্ধে বিরাট জয় তুলে নিল ভারত।






